Joy Bhaiya Youtube Channel

story:বেস্টফ্রেন্ড যখন বর writer :nisha Part_12

story:বেস্টফ্রেন্ড যখন বর
writer :nisha
Part_12
তিশা-চিৎকার দিব
হিম-হিমু ওর frder বাসায় গেসে
তিশা-😡😡😭
হিম-আমাকে আপনি বলবা বুঝছো,,আমি তোমার থেকে ৫বছরের বড়,
তিশা-তুই কমু
হিম-কথা না শুনলে শুধু হাত চলবে
তিশা-হ্যাঁ মারা ছাড়া তো কিছুই জানেন না
হিম-অনেক কিছুই জানি যা তুমি জানো না
হিম তিশাকে কোলে তুলে নিলো
তিশা-একদম উল্টা পাল্টা কিছু করার চেষ্টা করবেন না
হিম মুচকি হেসে তিশাকে নিয়ে ছাদে চলে গেলো,নিচে বসালো,
গাছ থেকে ৩টা কাঠগোলাপ ছিঁড়লো
তিশা-এ্যাই কথাই কথাই ফুল ছিঁড়েন কেন😡
হিম কাছে এসে তিশার কানে একটি ফুল গুজে দিলো,আরেকটি ওর খোঁপায়,আরেকটার দিকে তাকিয়ে রইলো,,
হিম এটা নিয়ে তিশার কোমড়ে গুজে দিলো
হিম-কাল তোমার জন্য কোমড়ের বিছা নিয়ে আসবো,খুব ভালো লাগে ওখানে কিছু থাকলে
তিশা কোমড় থেকে ফুল নিয়ে ফেলে দিলো
হিম-ভালো না লাগলে আমাকে দিতা ফেললা কেন
তিশা-আপনি ছুঁয়েছেন তাই
হিম টান দিয়ে তিশাকে কাছে নিয়ে আসলো
হিম-তোমাকে ছুঁয়েছি কি করবা
তিশা-সুইসাইড করবো
তিশা হিমের হাত ছাড়িয়ে ছাদের কোণে চলে গেলো,সিরিয়াসলি
হিম দৌড় গিয়ে ওর হাত ধরে ফেললো,কষিয়ে একটা থাপ্পড় মেরে দিলো
চাঁদের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তিশার চোখে পানি,
হিম-কথা শুনো না পরে মাইর খেতে হয়,কি করতে যাচ্ছিলা তুমি??আর একটুর জন্য পড়ে যাইতা
তিশা-পড়লেই ভালো হতো,তিশা উঠে নেমে গেলো বাসার দিকে
৫মিনিট পর হিম বাসায় আসলো,তিশা রুমে নেই দরজা তো লক করেছি বাসা থেকে বের হতে পারবে না তাহলে গেলো কই
হিম হিমুর রুমে গেলো,খাটের এক কোণে গুটুশুটি মেরে শুয়ে আছে তিশা,
হিম গিয়ে ওর পাশে শুয়ে পরলো,সকালে হিম আগে উঠলো,
তিশা এখনও ঘুমাচ্ছে,হিম তিশার মুখ থেকে চুল সরিয়ে দেখলো চড়ের ৫টা আঙুল স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে গালে,হিম ointment এনে হালকা করে গালে লাগিয়ে দিলো,তিশা জেগে উঠে বসেই হিমকে দেখলো হাতে cream,তিশা উঠে চলে গেলো
হিম fresh হয়ে টেবিলে বসলো,,
তিশা ইচ্ছামত নুন দিয়ে রান্না করে হিমকে দিলো,
হিম মুখে দিয়েই তিশার দিকে তাকালো,
হিম পুরাটা খেয়ে নিলো চুপচাপ
তিশা-যাক বাবা!! কোনো রিয়েকশান নেই কেন
হিম ২মিনিট পর বাথরুমে গিয়ে বমি করে দিলো,
তিশা-আজব এখনও অফিসে যাচ্ছে না কেন,দেখি তো
হিম খাটে বসে আছে ফোনে কথা বলতেছে
হিম-টিপু আজ অফিস সামলাও,আমার শরীর ভালো না
তিশা-কি হয়সে
হিম-কিছু না
তিশা রান্নাঘরে গিয়ে নুনের দিকে তাকিয়ে রইলো,তারপর হঠাৎ মনে পড়লো,হিমের তো নুনে রক্তচাপ বেড়ে যায়,ইস আমার একদম মনে ছিলো না
তিশা চুপিচুপি হিমকে দেখতে গেলো,
হিম মাথার উপর হাত রেখে শুয়ে আছে,
তিশা-হুহ,সরি কমু না, আমারে কাল ২বার চড় মেরেছে,বরং এর শোধ তুলা বাকি
তিশা কফি বানালো কাঁচা মরিচ blend করে mix করে দিলো,ঝাল খেতে পারে বাট কফির সাথে ঝাল উনার মুড খারাপ করবে আরর আমাকে বাসা থেকে বের করে দিবে
তিশা-নেন খান
হিম-নিশ্চয় কিছু মিশিয়েছে
হিম মুখে দিয়েই বুঝলো
হিম-বাহ ঝাল কফি,আই লাইক ইট
তিশা-আজীব
হিম তিশার হাত ধরে পাশে বসিয়ে ওর মুখ ধরে ওকেও খাইয়ে দিলো জোর করে
তিশা-😭আল্লাহ গো
ঝাল ঝাল ঝাল
তিশা গিয়ে পানির বোতল হাতে নিলো,খেতে যাবে হিম হাত থেকে বোতল নিয়ে নিলো
তিশা-প্লিস দিন না, ঝাল লাগসে খুব
হিম-উহু
তিশা অনেকক্ষন চিৎকার দিলো তাও হিম দিলো না
তারপর তিশা চোখ মুছতে মুছতে হিমুর রুমে চলে গেলো
হিমু-ভাইয়া তুই ওরে একটু বেশি জ্বালাস,যা পানি দিয়ে আয়
হিম-ও কম জ্বালায়?কফিতে দুনিয়ার সব ঝাল mix করে দিসে আমাকে
হিমু-তুই তো ঝাল খেতে পারস ও তো পারে না
হিম পানি নিয়ে তিশার কাছে গেলো,তিশার হাতে দিলো, তিশা বোতল ছুড়ে ফেলে দিলো,বোতল কাচের ছিল,ভেঙে চুরমার
তিশা-আজ সিয়াম হলে আমাকে এত কষ্ট দিত না
তিশা-মন ভরেনি তাই না,ওয়েট
তিশা কাচের টুকরা নিয়ে হাতে ২-৩টা টান দিয়ে হিমকে রক্ত দেখিয়ে উঠে চলে গেলো,
হিম-আবার সিয়াম,!
বিকালে landline-এ কল আসলো
তিশা-হ্যালো
সিয়াম-তোমার হিম আমার বাসায় এসে আমাকে মেরেছে,আমি এখন হসপিটালে,বিশ্বাস না হলে দেখে যাও
তিশা দরজা খুলতে গেলো দরজা লক করা
হিম-কি ওরে দেখতে যাবা?
তিশা-how dare u
হিম-ওর ভাগ্য ভালো কবরে যায়নি
তিশা হিমের কলার টেনে ধরলো
তিশা-আমার দূর্বলতার সুযোগ নিচ্ছেন?
হিম-কই না তো,তুমি আমার বউ,বউ অবাধ্য হলে যা করতে হয় তাই করতেছি
তিশা-সিয়ামকে কোন সাহসে মেরেছেন
হিম-আমার বউ আমাকে রেখে ওর দিকে নজর দেয় তাই
তিশা-কতবার বলবো ভালোবাসি না আপনাকে
হিম তিশাকে দেওয়ালের কাছে নিয়ে গিয়ে ঠেকে ধরলো
হিম-যতদিন না ভালোবাসি বের হচ্ছে মুখ দিয়ে ততদিন
হিম তিশার হাতের দিকে তাকালো
হিম-খুব কাটার শখ না তোমার? তোমার সিয়াম ভালো তাই না,next কাটার আগে ১০০বার ভাববা,
হিম তিশাকে নিয়ে রান্নাঘরে গেলো,
চলবে♥
কেমন লাগল লাগল জানাবেন সাড়া পেলে নেক্সট দিব
vlo lagle request diben
Share:

1 comment:

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label