Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্প/ শীতের রাতে প্রেম লেখা/ গায়ের ছেলে(রুবেল) (ছোট গল্প) ♥


গল্প/ শীতের রাতে প্রেম
 লেখা/ গায়ের ছেলে(রুবেল)
           (ছোট গল্প)


রাত ১২ টায় গার্লফ্রেন্ড ফোনদিয়া বলল,

জান্টুস তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করতেছে,
একটু আসবা?
আমি বললাম, এত রাতে! সকালে আসি জান পাখিটি।
- না, এখনই আসবা। আমি খালি বাড়িতে একা আছি।
আমি বললাম, একা মানে! আন্টি-আংকেল কই?
-- মা-বাবা তাদের এক ফ্রেন্ডের ছেলের জন্মদিনে গেছে। একটু আগে ফোন করে বলল, তারা আসবে না। তুমি ১০ মিনিটের মধ্যে চলে আসবা, আমার ভয় ভয় করছে একা। বলেই ফোনটা কেটে দিল।
মনে মনে কিছুটা খুশি খুশি লাগছিল এটা ভেবে যে , কিছু একটা হবে আজকে। অনেক দিনের চাওয়াটা আজকে হব্বে....
কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে ছিলাম, লাফ দিয়ে উঠে পড়লাম। হঠাত করেই পরে গেলাম মহা টেনশনে, ৭দিন গত হলো শীতের ভয়ে গোসল করি না। শরীর দিয়ে কেমন যেন গন্ধ গন্ধ লাগছে, এই অবস্থায় গ্রালফ্রেন্ড এর কাছে কি করে যাই...
পরক্ষনেই মনে পড়িল, শরীলে গন্ধ তাতে কি! পারফিউম আছে তো। মানুষ পারফিউম দেয় জামা-কাপড়ে, আমি দিলাম শরীলে মেখে। এখন আর গন্ধ লাগছে না.... মনে মনে দুই লাইন কবিতা মনে পড়ল,
পারফিউম তুমি বড়ই মহান
গন্ধকে দিয়েছ সুবাসের সমান।
দুরগন্ধকে ঢেকে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছি বীরের মত।
জানপাখির বাসার সামনে গিয়ে এদিক সেদিক তাকিয়ে আস্তে আস্তে গেইটের ভেতর ঢুকতেছি এমন সময় শুরু হলো ঘেউ ঘেউ ঘেউ, হালার পাগলা কুত্তার দৌড়ানি....
খিচ মাইরা দিলাম দৌড়, আমি দৌড়াই পিছনে পিছনে কুত্তাও দৌড়ায়, হঠাৎ করিয়া অন্ধকারে দৌড়ের স্পিড বাড়াইতে গিয়া ব্রেক ফেইল করিয়া পড়িয়া গেলাম এক পুকুরে। কিছুক্ষণ পুকুরে আত্মগোপন করিবার পর অনুভব করিলাম দৌড়ে ব্যার্থ হইয়া কুকুর তার নিজ কর্মসংস্থলে ফিরিয়া গেছে।
আস্তে আস্তে পুকুর হইতে উঠিয়া আসছিলাম, শুরু হইলো আরেক সমস্যা, ৬০ কেজি ওজনের শরীরটা ৮৫ কেজি হইয়া গেছে। জ্যাকেট-জিন্সপ্যান্ট-জুতা জলে টইটম্বুর। রাগের মাথায় ২৫০০ টাকায় ক্রয়কৃত জ্যাকেট খানা পুকুরেই বিসর্জন দিয়া বাসায় ফিরিয়া আসছিলাম।
মনে মনে তখন একটি কথাই বাজছিল,,
“""কোন ব্যাপার না শুভ, প্রেমিকার চাঁদ বদন মুখখানা দেখতে পারিসনি তাতে কি? গোসলতো করেছিস, আগামী ৭ দিনতো তুই একেবারে নিশ্চিন্ত শীতের রাতে প্রেম
 লেখা/ গায়ের ছেলে(রুবেল)
           (ছোট গল্প)


রাত ১২ টায় গার্লফ্রেন্ড ফোনদিয়া বলল,

জান্টুস তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করতেছে,
একটু আসবা?
আমি বললাম, এত রাতে! সকালে আসি জান পাখিটি।
- না, এখনই আসবা। আমি খালি বাড়িতে একা আছি।
আমি বললাম, একা মানে! আন্টি-আংকেল কই?
-- মা-বাবা তাদের এক ফ্রেন্ডের ছেলের জন্মদিনে গেছে। একটু আগে ফোন করে বলল, তারা আসবে না। তুমি ১০ মিনিটের মধ্যে চলে আসবা, আমার ভয় ভয় করছে একা। বলেই ফোনটা কেটে দিল।
মনে মনে কিছুটা খুশি খুশি লাগছিল এটা ভেবে যে , কিছু একটা হবে আজকে। অনেক দিনের চাওয়াটা আজকে হব্বে....
কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে ছিলাম, লাফ দিয়ে উঠে পড়লাম। হঠাত করেই পরে গেলাম মহা টেনশনে, ৭দিন গত হলো শীতের ভয়ে গোসল করি না। শরীর দিয়ে কেমন যেন গন্ধ গন্ধ লাগছে, এই অবস্থায় গ্রালফ্রেন্ড এর কাছে কি করে যাই...
পরক্ষনেই মনে পড়িল, শরীলে গন্ধ তাতে কি! পারফিউম আছে তো। মানুষ পারফিউম দেয় জামা-কাপড়ে, আমি দিলাম শরীলে মেখে। এখন আর গন্ধ লাগছে না.... মনে মনে দুই লাইন কবিতা মনে পড়ল,
পারফিউম তুমি বড়ই মহান
গন্ধকে দিয়েছ সুবাসের সমান।
দুরগন্ধকে ঢেকে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছি বীরের মত।
জানপাখির বাসার সামনে গিয়ে এদিক সেদিক তাকিয়ে আস্তে আস্তে গেইটের ভেতর ঢুকতেছি এমন সময় শুরু হলো ঘেউ ঘেউ ঘেউ, হালার পাগলা কুত্তার দৌড়ানি....
খিচ মাইরা দিলাম দৌড়, আমি দৌড়াই পিছনে পিছনে কুত্তাও দৌড়ায়, হঠাৎ করিয়া অন্ধকারে দৌড়ের স্পিড বাড়াইতে গিয়া ব্রেক ফেইল করিয়া পড়িয়া গেলাম এক পুকুরে। কিছুক্ষণ পুকুরে আত্মগোপন করিবার পর অনুভব করিলাম দৌড়ে ব্যার্থ হইয়া কুকুর তার নিজ কর্মসংস্থলে ফিরিয়া গেছে।
আস্তে আস্তে পুকুর হইতে উঠিয়া আসছিলাম, শুরু হইলো আরেক সমস্যা, ৬০ কেজি ওজনের শরীরটা ৮৫ কেজি হইয়া গেছে। জ্যাকেট-জিন্সপ্যান্ট-জুতা জলে টইটম্বুর। রাগের মাথায় ২৫০০ টাকায় ক্রয়কৃত জ্যাকেট খানা পুকুরেই বিসর্জন দিয়া বাসায় ফিরিয়া আসছিলাম।
মনে মনে তখন একটি কথাই বাজছিল,,
“""কোন ব্যাপার না শুভ, প্রেমিকার চাঁদ বদন মুখখানা দেখতে পারিসনি তাতে কি? গোসলতো করেছিস, আগামী ৭ দিনতো তুই একেবারে নিশ্চিন্ত
Share:

No comments:

Post a Comment

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label