Joy Bhaiya Youtube Channel

সরাসরি ঘূর্ণিঝড় আম্ফান | Amphan Live | NBS24 TV LIVE | Amphan LIVE STREAMING


Share:

নারী

 মেয়েদের ফটো

_____ -#নারী- _____
Writer... Tanvir hasan
নারীকে চুল ধরে মেরোনা
লোকে মন্দ বলবে...।
.
নারীকে গালে মেরোনা
তাহার চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে...।
.
নারীকে করো সামনে লজ্জা দিওনা
তাহলে তোমার আত্মসম্মান কমে যাবে..।
.
নারীকে হাতে মুচড় দিওনা!
তোমায় পিপাসার জল  দিবে কিভাবে..?
.
নারীকে পায়ে আঘাত করোনা!
তাহলে তোমার সাথে পথ কিভাবে চলবে?
.
নারীকে স্বতিত্বের দাগ দিওনা!
সে অস্বতী হয়ে যাইবে..।
.
নারীকে কোমরে আঘাত করোনা!
তোমার তৃপ্তি কমে যাবে..!
.
নারীকে বুকে আঘাত করোনা!
তোমার সন্তান কষ্ট পাবে....।
.
নারীকে জ্বালাতন করোনা
তাহলে তোমার নিদ্রা কমে যাবে..।
.
নারীকে ঘৃনা করোনা!
তাহলে তুমি ও ঘৃনিত হইবে..।
.
নারীকে একটু ভালোবাসা দাও
তোমাকে তার সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে দিবে....!!!

নারীকে সম্মান দিতে শিখো কারন..
নারী জাতী তোমার মায়ের জাত..??

মূল্য বান কথা গুলো আপনার কেমন লেগেছে comments করে জানাতে
 ভুলবেন না...
Share:

পুলিশীনী বউ

 police bow

❤❤❤"পুলিশীনী বউ"❤❤❤
.
পর্বঃ০১
.
লেখকঃআরিয়ান আহমেদ
.
হ্যালো, হ্যালো।।
বার বার কল কেটে যাচ্ছে।।। নেটওয়ার্ক প্রবলেম জন্য।।
তাই,হ্যালো বলতে বলতে মোবাইল একটু উপর দিকে ধরলাম।। ভাল নেটওয়ার্ক এর জন্য।।😀😀
.
মোবাইল এইভাবে ধরে,কথা বলার চেষ্টা করছি।।
এমনি খেলাম বড় একটা ধাক্কা।।।
মোবাইল হাত থেকে পড়ে একদম  নালাতে।।😰😰😰
মেজাজ এত খারাপ হল যে,😡😡
সামনের ব্যাক্তির কলার চেপে ধরছি,
ওমা, এই কি।।😲😲
এইতো মেয়ে।।।😑😑😑
তাড়াতাড়ি কলার ছেড়ে দিলাম।।😕😕
.
মেয়েটাঃ এই ইউ,তুই আমাকে ইছা করে ধাক্কা দিলি।।।। আবার কলার ধরছ??😡😡😡😡😡
আমিঃ আমি কই আপনাকে ধাক্কা দিলাম?? আপনি তো আসি আমাকে ধাক্কা দিলেন।। আর আমার শখের মোবাইল টা নালাতে ফেলে দিলেন।।।😭😭😭
.
মেয়েঃ তুই আমাকে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিছ আমার বড় বড় কথা বলছ? তোর সাহস তো কম না।।😡😡😡😡😡
আমিঃ ব্যবহার সুন্দর করেন।।। আর ধাক্কা আমি দি নাই।। বরং আপনি দিচ্ছেন।।😑😑😑
মেয়েঃ তুই জানিস আমি কে?? আমাকে তুই ব্যবহার শিখারচ্ছিস।।😡😡😡
আমিঃ আপনি ছেলে রুপি মেয়ে।।। দেখলে বুঝা যায়।।😝😝😝😝
.
মেয়েঃ এই বেয়াদব, আমাকে কোন দিক থেকে মনে হয় আমি ছেলে???😡😡😡😡
আমিঃ জিন্স প্যান্ট, ছেলের শার্ট।। তাও আবার প্যান্ট ছেড়া।। তো আপনাকে ছেলে বলব না তো কি বলব??😆😆😆😆
মেয়েঃ চুপ কর।। মনে হয় তো গ্রাম থেকে আসছ।।। ফ্যাশন বলতে কিছু বুঝছ??😕😕😕
.
আমিঃ এইসব আবার কিসের ফ্যাশন?? আর এমনিতে বুঝা যাই, আপনার বাবার কাছে টাকা  নাই মনে হয়।। তাই কম টাকায় এইসব ছেড়া পোশাক কিনে দিছে।।তাও আবার ছেলেদের।।।😆😆😆
মেয়েঃ ইউ।।😠😠😠😠 আপনি জানেন আমার বাবা কে??😠😠😠
আমিঃ আমার জানার দরকার নাই আমার।।। এখন আমার মোবাইল ক্ষতিপূরণ দেন।। ৮০০ টাকা।।😑😑😑
.
মেয়েঃ কিসের ক্ষতিপূরণ???  😲😲😲
আমিঃ আমার মোবাইল নালাতে ফেলছেন আবার বলছেন কিসের ক্ষতিপূরণ?😡😡😡😡
মেয়েঃ ধাক্কা তুই দিছ।। আমি না।। তাই আমি কোন ক্ষতিপূরণ দিব না।।😠😠😠
আমিঃ ক্ষতিপূরণ না দিয়ে যেতে পারবেন না, এইখানে থেকে।।
মেয়েঃ আমি এক টাকা ও দিব না।।দেখি সর, কাজ আছে আমার।।।
আমিঃ আপনি ক্ষতিপূরণ দিয়ে জান।। আর নয়ত ভাল হবে না।।😑😑😑
.
মেয়েটাঃ কি করবি,না দিলে??😠😠😠
আমিঃ কি করব দেখবেন??😡😡
মেয়েটাঃ কি করবি???😠😠😠
আমিঃ মেয়েটা কানে লাগানো হেডফোন দিলাম এক টান।।। একদম ছিড়ে চলে আসছে।।।😮😮😮😮
মেয়েটাঃ এই কুত্তার বাচ্চা,এইটা কি করলি তুই??আমার দামি হেডফোন এইভাবে ছিড়ে দিলি??😠😠😠😠
.
আমিঃ কেমন লাগছে এখন?? আমার দামি মোবাইল টা নালাতে ফেলে দিছেন যে,  আমার ও এমন কষ্ট হইছি।।😢😢😢
মেয়েটাঃ ৮০০ টাকা মোবাইল টা তোর দামি মোবাইল।।।  ফকিরের বাচ্চা।।😠😠😠
আমিঃ ২৫০ টাকা হেডফোন টা আপনার দামি হেডফোন।। ভিখারি কন্যা।।😆😆😆😆
.
মেয়েটাঃ তোরে আজকে খুন করে ফেলব আমি।।।😠😠😠
বলে দিছে দৌড়ান।।
আমিঃ ভয়ে, আমি ও দিছি এক দৌড়।।। দৌড়াতে দৌড়াতে পিছনে তাকালাম দেখি কাউকে দেখছি না।। তাই রাস্তা পাশে বসে একটা বিশ্রাম নিলাম।।
.
(আমি শ্রাবণ।। আমি শহরে আসছি বেশি দিন হয় নাই।। একজন এর বাসায় যাবার কথা।।। তাই তার সাথে মোবাইল কথা বলছিলাম, কি হল বাকি তা তো আপনারা জানেন।।।)
.
এখন রাস্তাই বসে ভাবছি কি করা যাই।। মোবাইল তো নালাতে পড়ে গেল।।। তাই আর যোগাযোগ করা উপায় ও নাই।।😑😑😑
.
তো তার দেওয়া বাসার ঠিকানা খুজতে লাগলাম।।।
খুজতে খুজতে অবশেষে পেলাম তার বাসা।।।
.
.
টক, টক,টক।।।
-----কাকে চাই???
আমিঃ নমস্কার,আন্টি।।।  কমিশনার "শিবু নাথ" বাসায় আছেন?
আন্টিঃ আছে।।। কিন্তু তুমি??? 😲😲😲
আমিঃ আমার নাম "শ্রাবণ নাথ"।।। স্যার,আমাকে আসতে বলছে।। উনাকে একটু ডেকে দিলে ভাল হয়।।😑😑😑
আন্টিঃআচ্ছা, তুমি ভিতরে আসি বস, আমি উনাকে ডেকে দিচ্ছি।।
আমিঃ ঠিক আছে।।।  আন্টি।।।
.
.
একটু পর, স্যার নিচে নামল।।
আমিঃ স্যার পা ধরে নমস্কার করলাম।।
স্যারঃ কেমন আছ???
আমিঃ ভাল,স্যার।। আপনি??
😀😀
স্যারঃ তুমি তো বাড়িতে থেকে চট্টগ্রাম আসছ আরো দুইদিন আগে।।। তোমার বাবার সাথে আমার কথা হইছে।। এতদিন কই ছিলে?😲😲😲
আমিঃ স্যার আমার কিছু কাজ ছিল আর কিছু ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা করছি।।।😑😑😑
স্যারঃ তোমার মোবাইল কই?? অনেক বার কল দিলাম।। মোবাইল অফ বলছে।।
আমিঃ মোবাইল হারাই ফেলছি।।
স্যারঃ এলাকায় আবার চোর বারি গেছে।।অনেক জার্নি করছ।। এখন উপরে যাই একটু বিশ্রাম নাও।। তোমার আন্টি সব গোছাই রাখছে।।😑😑😑
আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে।।।😑😑😑
.
.
এমন সময় আবার দরজা নক করল।।
স্যারঃ শ্রাবণ, দেখতো কে আসছে।।।
.
আমি যাই দরজার খুলতেই,
পুরা হা।।।। 😵😵😵😵
এই তো সেই মেয়েটা।। যাকে অপমান করছি।।
আমিঃ আপনি এইখানে??
মেয়েটাঃ তুই এইখানে কি করছ??😠😠😠
আমিঃ আমি কি করি সেটা আপনার জানার দরকার নাই।।। এই নেন একশ টাকা।। জান বিদায় হন এইখানে থেকে।।😎😎
মেয়েটাঃ এমনি আমার কলার চেপে ধরে একদম শোফায় নিয়ে ফেলল।।। তারপর কিল,ঘুষি দিতে থাকল।😭😭😭😭
.
স্যারঃ শ্রাবণী,কি করছিস তুই??? ও আমাদের আত্নীয়।। ওকে, এইভাবে মারছিস কেন??😲😲😲
মেয়েটা(শ্রাবণী)ঃ বাবা, তুমি জান।।  এই বেয়াদব ছেলেটা কি করছে রাস্তাই?😭😭😭😭
স্যারঃ কি করছে আবার ও??😲😲
শ্রাবণীঃ ও আমার শখের হেডফোন টা ছিড়ে দিছে।।।😭😭
স্যারঃ কেন?? এমনি করছি কেন তুই??
আমিঃ স্যার, ও আমার মোবাইল নালাতে ফেলে দিছে তাই আমি ও হেডফোন ছিড়ে দিছি।।😆😆😆😆
.
স্যারঃ মাথায় হাত দিয়ে, শোফায় বসে পড়ল।।।🙆🙆🙆🙆
.
.
.
.
চলবে???
Share:

একজন রিক্সাওয়ালার গল্প


💗 একজন রিক্সাওয়ালার গল্প 💜

Md sanbi Chowdhury..
★★→রিক্সা চালাই। বিয়ে করেছিলাম  আজ থেকে এক বছর আগে।আমার মতই  এক  গরীবের মেয়েকে বউ করে এনেছিলাম  আমি।

,  অভাবের সংসারটা খুব সুন্দর করে  সাজিয়ে  নিয়েছিলো ও।বুঝতে পারি বউ আমায়  খুব ভালবাসে।

,  আমি যখন রিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরি,ও আমার জন্য  গোছলের পানি তুলে দেয়।মাঝেমাঝে  আমিও  অবশ্য তুলে দেই।

,  বাড়িতে কারেন্ট নাই,খেতে বসলে ও  পাখা দিয়ে বাতাস করে।

,  গরমের রাতে দুজনে অদল বদল করে  পাখা দিয়ে  বাতাস করি,ভবিষ্যৎটাকে সাজানোর  গল্প করি দুজনে।

,  গল্প করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে যেতাম  বুঝতে পারতামনা।

,  , রিক্সায় বড়বড় সাহেবরা তাদের বউকে  নিয়ে উঠত।

,  দুজনে মিলে অনেক গল্প করত। সাহেবদের কাছে শুনতাম  তারা যেদিন  বিয়ে  করেছে সেদিন আসলে তারা নাকি  অনুষ্ঠান, পার্টি না  কি জানি করে ।

,এই সব আমার জানা  নেই। যখন শুনতাম আমারো ইচ্ছে করত  বউকে একটা  শাড়ী কিনে দিতে।বউকে যে খুব  ভালবাসি আমি।

,  কিন্তু পারিনা।অভাবের সংসার, দিন  আনি দিন খাই।তাই একটা মাটির ব্যাংক  কিনেছিলাম।

,ওটাতে রোজ  দুচার টাকা করে  ফেলতাম।

,  ,  দেখতে দেখতে অভাবের সংসারে আজ একটা  বছর হয়েগেল।

,  আজ সকালে  রিক্সা নিয়ে বের হবার আগে বউ যখন  রান্না ঘরে  গেল তখন বউকে না জানিয়ে লুকিয়ে রাখা মাটির  ব্যাংকটা বের করে ভেঙ্গে দেখলাম  সেখানে  প্রায় ৪৮০ টাকা হয়েছে।

,  বাসা থেকে বের হবার আগে বউকে  বলেছিলাম, আজ বাড়িতে ফিরতে দেরী হবে।  বউ মাথা নাড়ে,বলে ভালো কইরা  থাকবেন।

,  চলেগেলাম রিকশা নিয়ে।  সারাদিন রিক্সা চালিয়ে সন্ধ্যা  সাতটায় মার্কেটে গিয়েছিলাম  বউয়ের জন্যে একটা শাড়ী কেনার  জন্য।  আজরাতে বউকে দিব।

,  ,  ঘুরে ঘুরে অনেক শাড়ীই দেখছিলাম,পছন্দ হয়  কিন্তু দামের জন্য বলতে পারিনা।

,  অবশেষে দোকানীকে বললাম,  --ভাই এই কাপড়টার দাম কত?  --১৫০০ টাকা।

,  আমার কাছে তো আছে মাত্র ৪৮০ টাকা।তাই ফিরে  আসলাম।

, মার্কেট থেকে বের হয়ে  বাহিরে বসে থাকা দোকানদারদের  থেকে ৪৮০  টাকায় একটা শাড়ী কিনে নিয়ে  বাড়িতে চলে আসি।

,মাঝেমধ্যে ভাবি,এই দোকান গুলো  যদি না  থাকত,তাহলে কত কষ্ট হত আমাদের  মত গরিবদের।

,  ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকলাম।  অনেকদিন পর বউকে কিছু একটা দিতে পারব,ভাবতেই  বুকটা খুশিতে ভরে  উঠছে বারবার।

,  ,  রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পরার ভান করে শুয়ে  আছি।

,  বারটা বাজার অপেক্ষায় চোখ বন্ধ করে আছি।  কল্পনার জগতে ভাসছিলাম,বউকে  দেবার পর  বউ কি বলবে?কতটা খুশি হবে?

,  __  রাত বারটা বেজে গেল।বউকে ডেকে তুললাম।  ডেকে তুলে বউয়ের হাতে  শাড়ীটা তুলে দিয়ে  বললাম, বউ আজ আমাদের বিবাহ  বার্ষিকী।

,আজকের  তারিখে তুমি আমার এই কুড়ে ঘরটাতে এসেছিলে।

,  আমার পক্ষথেকে তোমার জন্য এই  ছোট্ট  উপহার।

,  বউ শাড়িটা বুকে জড়ায়,চোখ দিয়ে  পানি ঝরতে থাকে ওর।

,  তারপর উঠে গিয়ে ট্রাঙ্কটা খুলে  শাড়িটা রেখে  দেয়।

,  তারপর কি যেন বের  করে। আমি উকি মেরে দেখার চেষ্টা করেও  দেখতে  পাইনা।

,  বউ ট্রাঙ্কটা বন্ধ করে আমার হাতে  একটা লুঙ্গি দিল।কিছুটা অবাক হয়ে  গেলাম আমি।

, কারন টাকা পেল কোথায়? জিজ্ঞাসা  করলাম,

,  --টাকা পেলে কোথায় তুমি?
  --অনেকদিন আগে থেকে প্রত্যেকদিন  একমুঠ  করে চাল খাবারের চাল থেকে আলাদা  করে জমিয়ে রাখতাম।জমিয়ে জমিয়ে  কিছুদিন আগে  পাশের বাসার ভাবির কাছে বিক্রি  করে দিছি।

,সেই টাকা  দিয়ে লুঙ্গি কিনছি।ভাবছিলাম  আজকে দিব, আপনি তো এসেই ঘুমিয়ে পরলেন।তাই ঠিক  করছিলাম কাল  সকালে দিবো।

,  আমি কিছু বলতে পারলামনা।শুধু  লুঙ্গিটা  উল্টিয়েপাল্টিয়ে দেখছিলাম।

,  তারপর বললাম,শুনছি বড় সাহেবরা  নাকি বিয়ের দিন  তারিখে কেক কাটে।

,  বউ বলে,আমাদের কি অত টাকা আছে?  --বাসায় মুড়ি আছে। --আছে।

,  --যাও সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি নিয়ে  এসো।সাথে  একটা কাঁচামরিচ  আর একটা পিয়াজ আনিও।

,  --আচ্ছা দাড়ান আনতেছি। টিনের ফাক আর জানালা  দিয়ে চাঁদের  আলো  আসতেছে।দুজন জানালার পাশে বসে  মুড়ি খাচ্ছি,

,  আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী  পালন করছি __  ছোট ছোট গিফট আর অফুরন্ত  ভালবাসায় বেঁচে  থাকুক আমাদের মত রিকশা ওয়ালাদের  জীবন..........(সমাপ্ত)
Share:

বাসর রাতে বউকে ধর্ষন ২ . পর্ব: ০১


#বাসর রাতে বউকে ধর্ষন ২
.
পর্ব: ০১
.
.
--- আচ্ছা বাবু এই কনডম দিয়ে কি করবে? --- এটা
দিয়ে করলে কোন মেডিক্যাল প্রমান থাকবে না।
--- বাবু আমার না ভয় করছে?ব্যথা লাগবে না তো?
-আমাকে জড়িয়ে ধরলে তুমি সব ভুলে যাবে।
-- বাবু বড় বোন বলেছে অনেক কষ্ট হয়।
-- আহ এতো চিন্তা কিসের দেখবে সব ঠিক হয়ে
যাবে।
এটা বলে সোহান চারুর দিকে এগিয়ে গেলো।চারুর
লাল বেনারসি শাড়িটা খুলে ফেললো।চারুকে
দেওয়ালের সাথে চেপে ধরে কোমড়ে হাত দিয়ে
চাপ দিতেই চারু চোখ বুজে নিলো।চারুকে কাছে
টেনে বুকের সাথে বুক লাগিয়ে চারুর নাকের সাথে
নাক লাগিয়ে দিলো।চারু কিছুটা আতকে উঠে
জোড়ে জোড়ে নিষ্শাষ নিতে লাগলো।সোহান চারুর
হালকা লিপিষ্টিক ওয়ালা ঠোটটা আলতো করে
তার ঠোট দিয়ে চেপে ধরে নাড়তে লাগলো।সোহান
চারুকে উচু করে নিয়ে হোটেলের বেডে ফেলে
দিলো।বেডে উঠে সে চারুর কোমড়ে চুমু দিতেই চারু
সোহানকে তার বুকে জড়িয়ে ধরলো।সোহান মুখ তুলে
চারুর ঠোঠে আবার ঠোট লাগিয়ে দিলো।চারুকে
শক্ত করে ধরতেই চারু কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো।
সোহান একটা কম্বল দিয়ে তাদেরকে ঢেকে নিয়ে
চারুর উপর শারীরিক অত্যাচার শুরু করে দেই।চারুকে
তার বোন বলেছিলো বাসর রাতে হাজার কষ্ট হলেও
একদম কাদবি না?
তাই চারু সোহানকে শক্ত করে ধরে চোখের পানি
ফেলছিলো।কিন্তু সেদিকে সোহানের কোনো
খেয়াল ছিলোনা।কিছুক্ষন পর সোহান দুর্বল হয়ে
চারুর বুকে নুয়ে পড়ে।চারুকে একটা চুমু দিয়ে দেখে
চারুর চোখে পানি যেটা সোহান একদম সহ্য করতে
পারেনা।
--- এই তুমি কাদছো কেন?
--- কই নাতো চোখে এমনিতেই জল এসেছে। সোহান
বিছানা থেকে চারুকে তুলে নিজের হাতে শাড়িটা
পড়িয়ে দিলো।চারুকে এভাবে প্রথম কেউ টার্চ
করাতে চারু কিছুটা লজ্জা পেলো।দুজনেই ফ্রেশ
হতে চলে গেলো।কিছুক্ষন সোহান ফ্রেশ হয়ে এসে
দেখে চারু আয়নার সামনে বসে চুলগুলো নাড়ছে।
বেনারসি শাড়িতে ভেজা চুলে চারুকে আরো সুন্দর
লাগছিলো।সোহান চারুকে আয়নার সামনেই কোলে
উঠিয়ে ছাদের দিকে রওনা দিলো। --- এই এই একি
করছো?ছাড়ো বলছি? --- নাহ ছাড়বো না।
--- দুষ্টু এত্ত ভালোবাসা পেয়েও পেট ভরেনা? --- না
তাইতো কোলে নিয়েছি। চারু সোহানের বুকে ঘুষি
মারতে লাগলো।সোহান চারুকে নিয়ে ছাদে গিয়ে
নামিয়ে দিলো।চারু কিছুটা অবাক হয়ে চারদিকে
তাকিয়ে রইলো। চারদিকে আলোই ভরা আর ছাদের
মাঝখানে একটা সুন্দর কেক রাখা আছে।চারু
সোহানের দিকে তাকাতেই সোহান চারুকে হ্যাপি
বার্থডে জানালো।ততক্ষনে মনে পড়লো আজকে তার
জন্মদিন।সে সোহানকে জড়িয়ে ধরলো। সোহান
চারুকে নিয়ে কেক কাটলো।দুজন দুজনকে খুশির
সাথে খাইয়ে দিলো।হটাৎ চারু খেয়াল করলো
সোহানের চোখে জল,,
--- এই কাদছো কেন?
--- কিছুনা তোমাকে দেখে চোখে জল চলে এসেছে।
--- হুম।জানিতো এই বাদর ছেলে আমাকে অনেক
ভালোবাসে।
--- হুম।অনেক?
---- আমিও না তোমাকে অনেক ভালোবাসি। ---
তাহলে অন্যকাউকে বিয়ে করতে কষ্ট হচ্ছিলো না?
--- অন্যকেউ মানে?আমিতো তোমাকেই বিয়ে
করেছি।
সোহান তখন কথাটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নেই।চারুকে
কিছু বুঝতে না দিয়ে সে অন্যকথা বলতে থাকে।রাত
প্রাই ৮ টা বাজে সোহান চারুকে নিয়ে ছাদ থেকে
নেমে এলো।রুম থেকে সবকিছু নিয়ে বাইরে এলো।
আগে থেকেই গাড়ি রেডি ছিলো সে চারুকে
গাড়িতে বসিয়ে দিলো।
--- কি হলো সোহান এতো রাতে কোথাই যাবে? ---
তুমি এখন বাড়িতে যাও?
--- কেন আমাদের তো তোমার বাসায় যাবার কথা? ---
তোমার বাবা ফোন দিয়ে বললো তোমার মা নাকি
অনেক অসুস্থ তাই তোমাকে তাড়াতাড়ি যেতে
বলেছে।
--- চলোনা তুমিও সাথে আসো?
--- নাহ থাক আমার একটু কাজ আছে?তুমি বসো
ডাইভার তোমাকে পৌছে দেবে।
--- তাহলে আবার কাদছো কেন?
--- এমনিই তুমি চলে যাচ্ছো তাই কষ্ট হচ্ছে। ---
তাহলে একসাথে যাই?
--- নাহ থাক তুমি যাও।
চারু গাড়ি থেকে নেমে সোহানকে জড়িয়ে ধরলো।
সোহান চারুকে বলতে চাচ্ছিলো চারু আমাকে মাফ
করে দিও কিন্তু বলতে পারলো না।সে যে অপরাধ
করেছে এটার ক্ষমার যোগ্য না।একটা মেয়েকে
এভাবে ধর্ষন করাটা একদম ঠিকনা।সোহান চারুকে
গাড়িতে তুলে দিলো।গাড়িটা ছেড়ে চলে যেতে
লাগলো সোহানের পাশ থেকে।যতোদুর পর্যন্ত দেখা
যাচ্ছিলো সোহান ততক্ষন দেখেই যাচ্ছিলো।
গাড়িটা অদৃশ্য হবার পর সোহান তার বাড়ির দিকে
হেটেই রওনা দিলো।তাহলে আসুন জেনে নেওয়া
যাক এদের আসল কাহীনিটা,,
.
চলবে--???

আপনারা আমাকে রিকয়েস্ট দিয়ে বা follow করে রাখেন
যাতে আমি গল্পটি দিলেই আপনারা পেয়ে যা তাই সবাই আমাকে রিকয়েস্ট দিয়ে রাখুন
.
যারা বাকি গল্প পড়তে চান বা আরো মজার মজার গল্প পড়তে চান তারা আমার আইডিতে এড দিন অথবা ফলো করে রাখুন।
.
NB: পুরা গল্প না পড়ে বাজে কমেন্ট করবেন না।
Share:

লকডাউনে বিয়ে পর্বঃ ৫

 বিয়ের মজা

♦♦লকডাউনে বিয়ে♦♦

লেখক : FS Monir Hassan

পর্বঃ ৫

আমার জিবনে আসল সেই বিশেস রাত!! আমি খুব উদবিগ্ন ছিলাম,,মনের ভিতর কেমন ভয় ভয় করছিল,,তেমন কেমন আনন্দিৎ লাকছিল..বন্ধুরা মিলে খুব সুন্দর করে বাসর সাজাইছে,,আমি এখন বন্ধু ও ভাইয়া দের সাথে আড্ডা দিচ্ছি ওই দিকে বোন রা তার নতুন ভাবির সাথে কি সব কথা বলছে,,বিয়ের রাতের কোন আমার expareance নাই, বন্ধু কিবরিয়া আমার বাসর রাতের কিছু কথা বলল,,এবং বলল এই রাত আর কখনো পাবি না,,রাত টাকে কাজে লাগাবি দোস্ত,,আর সকালে গল্প করিস,,রাতে কি হল,,শেস মেস আমি বাসর ঘরে প্রবেশ করলাম খুব ভয় ভয় লাকছিল,মনে জোর নিয়ে ঘরে ঠুকলাম দরজা টা বন্ধ করে দিলাম,,লাইট টা অন করলাম,,বৌ দেখি ঘোমটা দিয়ে লাল বেনারসি শাড়ি পরে বিছানাই বসে আছে,, বৌয়ের মুখটা আমি দেখার জন্য খুব ব্যাকুল ছিলাম আমি,, বিছাই বসলাম,, বৌকে সালাম দিলাম,সে সালামের উওর দিল, এবং শুনল কেমন আছেন আপনি,,আমি উওরে বললাম আলহামদুলিল্লাহ ভালোয় আমি,,আমিও আপনি করেই বললাম
আপনি কেমন আছেন,সে উওর আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি,,আপনার জন্য আম্মু  দুধ রেখে গেছে নেন,,সে আমাকে দুধের গ্লাস হাতে দিয়ে বলল খেয়ে নেন..আমি খেয়ে নিলাম বৌ কে দেখে মনে হল সে খুব লজ্জা পাচ্ছে,,আমি বললাম তোমার মুখটা দেখাবে না আমার,সে উওরে বলল হুম, দেখবো না কেন আপনি তো আমার স্বামী..মায়ের পরে স্বামীর পায়ের নিচেই স্ত্রী র বেহেশত।আমি তার ঘোমটা উঠালাম,,ঘোমটা উঠিয়ে আমি অবাক হয়ে গেলাম,,একটা মেয়ে কখনো এতো সুন্দর হতে পারি,, মনে হয় বেহেশত থেকে একটা পরী নেমে আসছে,,আমি একটু হতভাগ হয়ে গেলাম,,সে আমার দিকে এক ভাবে তাকিয়ে আছে,,সে বলে  উঠল আপনি এমন ভাবে কি দেখছেন আমি বললাম আপনাকে,, সে বলল কেন??
উওরে আমি বলল,,তোমাকে পাওয়াটা আমার সৌভাগ্যের বিষয়..সত্যি আপনি খুব ভালো।। আপনাকে পেয়ে আমি ধন্য..সে উওরে বলল..আমি ও আপনাকে পেয়ে ধন্য আপনি ও খুব ভালো ও ভদ্র আপনাকে পেয়ে আমি খুব খুশি।।গল্প করতে করতে রাত ১২ টা বেজে গেল.. সে বলল আপনি আমার বড় আপনি কেন আমাকে আপনি করে কথা বলছেন,,আপনি আমার নাম ধরে ডাকতে পারেন,,আমি বললাম আমি নামধরে ডাকবো না তুমি করে ডাকতে পারি যদি আপনিও তুমি করে কথা বলো,, সে বলল ঠিক আছে.. আমি বললাম অনেক তো রাত হলো ঘুমাবা না,সে বলল তুমি ঘুমাবা না,,আমি বললাম আমাদের  আজ একটা জিবনের বিশেস রাত রাতকে কিভাবে যে কাটাবো বুঝতে পারছি, জিবনের প্রথম বর এই রাতটা পেয়েছি তোমার জন্য,,সে বলল ঠিক বলছ তুমি,,লাইট তা জালানো আছে আমি লাইট টা বন্ধ করে দিলাম,,আমি বললাম,তুমি আমার জীবনের শ্রেস্ট পাওয়া, তোমাকে পেয়ে ধন্য আমি,,তার পর আমি তার কপালে চুম্বন করলাম,সে খুব ভয় ও লজ্জা পেল,,আমারা দুজন দুজনকে অনেক আদর করলাম তারপর কখন যে সকাল হয়ে গেল টের ই পেলাম না,,তারপর কটতে থাকে আমাদের বিবাহিত জীবন........

আমার এই ছোট গল্পের এখানেই ইতি!!!!!!

ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্টটা শোনার জন্য।।।।।

লেখক ঃ FS Monir Hassan
Share:

লকডাউনে বিয়ে পর্বঃ ৪

 বিয়ের মজার গল্প

♦♦লকডাউনে বিয়ে♦♦

লেখকঃFS Monir Hassan

পর্বঃ ৪

বিয়া ঠিক হলো সোমবার।।আজ শনিবার বাসাই আয়োজনের ধুম পড়ে গেছে,,সবাই আয়োজনে ব্যাস্ত,,আমার দিকে কোন খেয়াল নাই,,কাল আমার গায়ে হলুদ,,জাক জমক ভাবে গায়ে হলুদ হলো,,সবাইকে বিয়ে উপলক্ষে মিস্টি মুখ করানো হলো,,বিয়ের দিন তো কাল করোনার সমস্যা কি করা যায়,,ভোরে বেলা আমার ২ টা মাইক্রো ও একটা প্রাইভেট নিয়ে বিয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,,১১ টার মধ্যে পৌছে গেলাম,,সেখানে খুব সুন্দর আয়োজন,, সুন্দর গেইট করছে সেইটের সামনে,,দাড়িয়ে আছে কয়েক জন,,চিনিনা কাওকে,, সরবত খেতে দিল একটি মেয়ে,,খাওয়ার পর এবার টাকা দাবি করছে,,ছোট শালিকা,,ও ছোট শালাবাবুরা,,দিলাম ৩০০০/- টাকা সবাই খুশি,,গেইটের ফিতা কাটলাম তফনি পার্টি স্প্রে মেরে,,যা করল বলা মতো না,, ♥সুমন♥ তো মেয়ে খুচজে যদি তার একটা গতি হয়,,সে তার ধান্দায় আছে,আমার সাথে ভাইয়া,কিবরিয়া সব সময় আছে,,আমাকে আমার শশুর মশাই বিয়ের আসরে নিয়ে গেল,,কাজী সাহেব তো কিবরিয়ার মামা তাকে সাথে করেই আনছি,,কিছুক্ষণ পর বিয়া পড়ানো শুরু হল কাজী সাহেব কবুল পড়িয়ে মেয়ের সম্মতি নিতে গেল,,মেয়ের সম্মতিতে,,মেয়েকে কবুল পড়িয়ে বিয়ে সম্পন্ন হলো মোনাজতের সাথে।সবাই মিস্টি মুখ করলে,,খাওয়া দাওয়া শুরু হল,,শালিকারা হাত ধুইয়ে দিল ♦সুমনকে আমার চাচতো শালি হাত ধুইয়ে দিচ্ছিল সুমন তো চোখ ফিরাতে পারচ্ছিল না,,মনে হয় তার প্রেমে পড়ে গেছে♦তারপর হাত ধোয়ার পালা শেস হল এবার তো বিদায়ের পালা এইফাকে সুমন আমার ওই শালিকার সাথে পরিচয় করল নাম তার রোজা,, তার ফোন নাম্বারটাও নিল,,এবার মনে হয় সুমনের একটা হিল্লে হবে♦♦,,
এবার বিদায়ের পালা নতুন বৌ কে নিয়ে রওনা দিলাম বাসার উদ্দশ্যে
বাসাই পৌছে গেলাম,,আম্মু তার বৌমাকে নামাল একটা অন্য ঘরে নিয়ে চেয়ারে আমাকে ও তার পুএ বধুকে বসাল,,দুধও মিস্টি খাওয়ালো কিছু মানুস দেখতে আসলো,,সবাই বাহবা জানালো,,সবাই বলতে বলতে জাচ্ছে খুব নম্র ভদ্র মেয়েকে বিয়ে করছে,,শুনে মনটা জুড়িয়ে গেল,,কিছু বন্ধুরা মিলে বাসর ঘর সাজিয়েছে,,নতুম বিয়ে,,তারপর বাসররাত মনের ভিতর যেন একটা অদ্ভুদ শিহরণ হচ্ছিল....
পুএবধুকে বাসর ঘরে নিয়ে গেল
তারপর আসল সেই বিশেষ রাত
তারপর......
Share:

লকডাউনে বিয়ে পর্বঃ২

 বিয়ের গল্প

♦♦লকডাউনে বিয়ে♦♦

লেখকঃ  FS Monir Hassan

পর্বঃ২

সবাই মিলে মেয়ে দেখা শুরু করল।আব্বু -আম্মু,বন্ধু- বান্ধবী,আত্মীয় -স্বজন,পাড়া- প্রতিবেশি আরো অনেকে এছাড়া ঘটক নিয়োগ দেওয়া হল,,ঘটক তো দেশ - বিদেশের মেয়ের লিস্ট নিয়ে চলে আসল।। সবার মেয়ে দেখার এলাহী কান্ড।আমি লজ্জায় বুঝতে পারছি না কোনটা পছন্দ করবো!!!!!!!
আমার খালাতো ভাই,♥ মোস্তাফিজুর ♥,আমার  এক অনন্য বন্ধু,,সে আমার মেয়ে পছন্দ করতে অনেক সহযোগিতা করল,,শেস মেশ ৪ টা মেয়ে পছন্দ করলে যার মধ্যে একটাকে বাছাই করবে,,এবং আমার গলাই ঝুলিবে,, বুঝতেই পারছেন সবাই....
মেয়ে দেখতে যেতে হবে,, করোনার জন্য গাড়ি বন্ধ,,খুব বিপদ কি করি কি করি,,সিন্ধান্ত নিলাম,,বাইকে যাবো,,আমার ও আমার ভাইয়া এবং বন্ধুর বাইকে আমরা তিনজন মেয়ে দেখতে জাব,, সিদ্ধান্ত নিলাম।।
একদিনে ২ টা মেয়ে দেখবো....
প্রথম মেয়েরর নামঃ বিজরী আক্তার মৌ
দ্বিতীয় মেয়ের নামঃ সোহানা আক্তার বৃস্টি

পরের দিন বাকি ২ টা মেয়ে দেখবো...

তৃত্বীয় মেয়ের নামঃ আসিয়া আক্তার শান্তা
চতুর্থ মেয়ের নামঃ সাদিয়া তাবাচ্ছুম ছোহা

সময় মতো মেয়ে দেখতে রওনা দিলাম..প্রথম মেয়ের বাসাই পৌছালাম.....
তারপর.......

♦♦লকডাউনে বিয়ে♦♦
পর্বঃ৩

সময় মতো মেয়ে দেখতে রওনা দিলাম..প্রথম মেয়ের বাসাই পৌছালাম.....
তারপর আমাদের আনেক আপ্যায়নের সাথে বাসার ভিতর নিয়ে গেল,, আমি তো একটু লজ্জা পাচ্ছিলাম,,ভাইয়া এবং কিবরিয়াই সব কথা বার্তা বলছিল,,
অনেক নাস্তা র আয়োজন করছিল,,
মেয়েকে ডাক দিল,, তখন আমার বুকটা ধুকবুক করছিল,,মেয়েটা দেখতে যে কেমন হবে,,
একটু পরে মেয়ে টি আসল,,দেখতে বেশ ভালো,,
নাম তো জানেন ই,,বিজরী আক্তার মৌ,,মৌ কে ভাইয়া একটি প্রশ্ন করল,,তোমার যদি তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে বিয়া হয় তুমি কি খুশি,,মেয়েটা কথাটা না বুঝেয় হ্যা করে দিল,, ভাইয়া ছিল খুব সেনসিটিভ,,কোন মেয়ে কেমন কথা বলেই বুঝে নেই,,তাইলে বুঝে নিলাম মেয়েটি প্রেম করে,,মৌ কে রিজেক্ট করা হলো...
দ্বিতীয় মেয়ে সোহানা আক্তার বৃস্টিকে দেখতে জাব
কিছুক্ষণ পর রওনা দিলাম,, তার পর বৃস্টির বাসাই পৌছালাম,,পৌছানোর সাথে সাথে ই বৃস্টি কি অবিসাশ্য তাই না বৃস্টি কে দেকতে এসে বৃস্টি শুরু,,সেখানোও অনেক আপ্যায়ন,, মেয়েটিকে আনা হল,,দেখতে বেশ কিন্ত মেয়েটির উুঁড়ু উুঁড়ু ভাব,,কিবরিয়া মেয়ে টিকে একটা গান শোনাতে বলল,কিবরিয়া ছিল,,গানের শিল্পী মেয়ের গলার গান গুনে বলতে পারে মেয়েরা কেমন,, মেয়েটি গান শুরু করল,,

 কবে তুমি আসবে,,
কবে তুমি হাতে হাত রাখবে,,
কবে তুমি আসবে,
কবে তুমি হাতে হাত রাখবে,,
সেই আশাতে দিন কাটাতে মন শুধু চাই,,
এই ভালোবাসা তোমাকে পেতে চাই,,
এই ভালোবাসা তোমাকে পেতে চাই,,
ওই দুটি চোখ যেন কিছু বলে যাই,,
ওই দুটি চোখ যেন কিছু বলে... যাই,,
কবে তুমি আসবে,,
সেদিন তোমার সাথে যাব যে পালিয়ে...

গানটা শুনে বুঝলাম।।এই মেয়েটাও আমার ভাগ্যে নাই

তৃতীয় মেয়েকে এবং চতুর্থ মেয়ে কাল দেখতে যাব,,ভাইয়ার বন্ধু  ♥সুমন♥যাবে তার মেয়ে দেখতে যাওয়ার অনেক শক,,,শক কেন জানেন,,তার এখনো বিয়ে হয়নি,,বয়স তো অনেক হইছে বুড়া ভাম বলে সবাই,,সে মেয়ে দেখতে যাই যদি শালীদের পছন্দ হয়...

তারপরের দিন বের হলাম আসিয়া আক্তার শান্তার বাসাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে,,সেখানে পৌছালাম,,মেয়েটাকে দেকতে তেমন ভালো না,,তাই চলে আসলাম,,মনের ভিতর যেন ধুক ধুক করছিল,,একটা মেয়েও পছন্দ হয় না,,
সর্বশেস সাদিয়া তাবাচ্ছুম আরবির বাসাই গেলাম,,
সেখানে সুন্দর ভাবে আপ্যায়ন করল আরাবি র পরিবারের আলাপ-ব্যবহারে মন ভরে গেল আমাদের,মেয়েটিকে দেখতে চালাম,কিন্তু মেয়ের আম্মু বলল মেয়ে সবার সামনে আসে না মেয়ে পর্দা করে,, আমরা বললাম একজনকে অন্তত্য দেখতে দেন, মেয়ের আম্মু বলল তাহলে তোমার বন্ধুকে নিয়ে জাচ্ছি সে দেখে আসবে, কিবরিয়া দেখতে গেল, দেখে এসে বলল মেয়াটা অপুরূপ সুন্দর.. সুন্দর নম্র ভদ্র কথা,, আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম শুনে...না দেখেই বলে দিলাম আমার পছন্দ।।।

বিয়ের দিন ঠিক করা হল......
তারপর....
Share:

লকডাউনে বিয়ে পর্বঃ১


♥♥আমার প্রথম লেখা গল্প♥♥

♦♦লকডাউনে বিয়ে♦♦

লেখকঃFS Monir Hassan
পর্বঃ১

আমার বয়স মাএ ২৮।এমবিএ শেস করে  সরকারী চাকরিতে ঠুকছে।বাসা থেকে ভাই -বোন, আব্বু -আম্মু বিয়েতে জোর করছে,আমার ও বিয়ে করার ইচ্ছা আছে,বিয়ের বয়স তো হয়ে গেছে,,,
কিন্তু সমস্যা তো একটাই,, সবাই তো অনুমান করতে পারছেন,,সমস্যাটি হলো করোনা,করোনা ভাইরাস!!

বাসার সবাই জোর করছে,কি করব কি করব ভেবে পাচ্ছি না,বন্ধু ♥কিবরিয়া♥ বলছে বুড়া তো হয়ে জাচ্ছিস, বিয়ে করে নে এবার,,বলবে না বলবে আব্বুর সামনে বলল,আমি লজ্জায় পড়ে গেলাম,বিয়ে না করে তো পারি না,,কিবরিয়া বলছে,দোস্ত বিয়া করে নে,,আমার মামা তো কাজি কোন টেনসোন নাই,,কি করি সবাই এতো চাপ দিচ্ছে,আমার দুই বন্ধবি বলছে দোস্ত বিয়ে করে নে,,তোর বিয়েতে কত কিছু করব ভেবে রাখছি,,চিন্তার শেস নাই,,আমারর তো সবাই চাপে ফেলে দিব,,রাগে রাগে বললাম মেয়ে খোজ বিয়া করব।।

সবাই তো খুব খুশি.....মেয়ে দেখা শুরু করল????

তারপর......
Share:

অনেক কষ্টের গল্প


অনেক কষ্টের  গল্প

একটি ১৯ বছরের মেয়ে
তার প্রেমিকের কাছে গিয়ে বলল,,,😊
মেয়ে: আমার ২০ তম জন্মদিনে তুমি আমাকে কি উপহার দিবে?🤔🤔
.
ছেলেটা মুচকি হেসে বললেন,,,☺
ছেলে: এখনও তো অনেক সময় আছে,আর সময়
হলেই তুমি তোমার জন্মদিনের উপহার পেয়ে যাবে!😊☺☺
.
বেশ কিছুদিন যাবার পর,একদিন হঠাৎ করেই মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়!😪😪
বাসার সবাই বেশ অস্থির হয়ে পড়ে!😔😔
কিছুই বুঝে উঠতে পাচ্ছিলো না কেও,কি হয়েছে মেয়েটার?🤔
তারপর সবাই মিলে তাকে
হাসপাতালে নিয়ে যায়।😓😊

হাসপাতালে ডাক্তার অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর,তার পরিবার কে বলল,,,😕
সাদিয়ার হার্টে একটি ফুটো ধরা পড়েছে,এখন যদি খুব তাড়াতাড়ি হার্ট
পরিবর্তন না করা যায়,তাহলে হয়তো সাদিয়াকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না!😥😔😕
সবাই এই কথা শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পরলো।সাদিয়ার মা বাবা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলনা।😭😭
সাদিয়ার প্রেমিক আকাশ তার বিষয়ে ডাক্তার এর কাছে থেকে সব কিছু শুনে বলল এ কিছুতেই হতে দিবে না সে।😕😕
তারপর আকাশ মেয়েটির রুমে গেলো,দেখল তার ভালোবাসার মানুষটি বিছানায় শুয়ে আছে!😊😪
আকাশ কাছে যেতেই মেয়েটি বলল,,,
মেয়ে: আকাশ আমি মনে হয় আর বাঁচব না!😕😕
সাদিয়ার চোখের পানি মুছে দিলো আকাশ!🥺🥺
আর বলল,কে বলছে তুমি বাঁচবে না?
তুমি খুব শীঘ্রই ভালো হয়ে যাবে।😊☺
মেয়ে: তুমি কি করে জানলে?🤔🤔
ডাক্তার তো বলেছে আমার হার্টে একটি ছিদ্র আছে,আর আমাকে
বাঁচানো সম্ভব না!😕😕😪
আকাশ: ধুর পাগলী!
তোমার কিচ্ছু হবে না,দেখো তুমি ভালো হয়ে যাবে!☺☺💖
.
এভাবে বেশ কিছুদিন যাবার পর সাদিয়া সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে উঠে এবং বাসায় ফিরে যায়!😳☺
বাড়িতে ফিরেই সে আকাশ কে খুঁজতে থাকে!
না পেয়ে,আকাশের
বাড়িতে চলে যায়।😊☺
আকাশের বাড়িতে কেউ নেই,অবশেষে আকাশের ছোটো ভাই এর দেখা পেলো সাদিয়া!😊
সাদিয়া: কিরে তোমার ভাইয়া কোথায়?🤔
আকাশের ভাই কথা না
বলেই হাত দিয়ে ইশারা করে আকাশের রুমটি দেখিয়ে বলে উঠলো টেবিল এর উপরে আপনার
জন্য একটা চিরকুট রাখা
আছে!☺😕😊
.
সাদিয়া কথাটা শুনে দৌড়ে
আকাশের রুমে গিয়ে চিরকুট হাতে নিয়ে পড়তে
শুরু করল!😕😊
.
প্রিয় তমা,আমি জানি
যেদিন তুমি এ চিরকুট পাবে,সেদিন তুমি সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে যাবে।সব কিছু
ঠিক হয়ে যাবে আগের মত করে।😊☺🥀
যেমনটা আমি তোমাকে
বলেছিলাম।😊😊
আমি বলেছিলাম না তোমার কিচ্ছু হবে না।
দেখছো তাই হয়েছে।☺☺
তুমি আমার কাছে তোমার ২০ তম জন্মদিনে উপহার
চেয়েছিলে না।😊😊
অনেক ভেবেছি কিন্তু তোমাকে কি উপহার দিব ভেবে পাচ্ছিলাম না?🤔🤔😕
তোমার অসুস্থতায় কথা যখন ডাক্তার বলল,আর যখন বলল একটি হার্ট খুজছিল,তখন মনে হল তোমার জন্য এর চাইতে ভালো আর কোনো উপহার হয়না!☺☺😊
আমার হার্টই ছিল একমাত্র শ্রেষ্ঠ উপহার!☺☺
যা আমি তোমাকে দিয়ে
গেলাম।মন খারাপ কর না😊😊☺🥀
আমি আকাশের ঐ উপর
থেকে তোমাকে দেখব!☺☺🥀💖💝
এটা শুনে সাদিয়া অনেক কাঁদতে শুরু করলেন 😭😭

এটাকেই বলে সত্যিকারের ভালোবাসা ☺💝😍🥀

সমাপ্ত 🥀🥀☺
Share:

Search This Blog

Labels

Recent Posts

Label