Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্পঃRobot_Love পর্ব : ০১ লেখক : শিশির আহমেদ (নীল)

Cool Girls Indian Pakistani Girls Photo, Local Girls, Desi Girls ...
#গল্পঃRobot_Love
পর্ব : ০১
লেখক : শিশির আহমেদ (নীল)
ক্যার্লিফোনিয়া থেকে পড়াশোনা শেষ করে গবেষণার কাজ শুরু করেছিল শিশির। সময় পেলেই অনেক দেশ ঘুরতে যেত সে।কারন জানা অজানা রহস্য গুলো শিশিরকে ঘিরে ফেলতো। কিন্তুু একসময় এগুলোতে একঘেয়েমি মনোভাব এসে পড়ে। নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চায় কোনো ভালো লাগার উপর। তাই ও বাংলাদেশে এসে পড়ল। যদিও এখানে ওর পরিবার নেই। কাছের আত্মীয়স্বজনরাই থাকে। যারা একসময় ওর উপর বিরক্ত হয়ে বাইরে কোনোমতো পড়াশোনার জন্য পাঠিয়ে দেয়। দেশে আসার পর ওকে সবাই বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তুু ও মনে করে জীবনের অধিকাংশ সময় অনেক কিছু করে ব্যয় করে ফেলছে। ওর হিসেবে এই ৩৫ বছর অনেক কিছু। আর এই বিয়ের উপর ওর কোনো ইচ্ছেই নেই। সময় কাটানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পদে নিয়োগ হলো। কিন্তুু ওর জীবনটা ওর কাছে অপূর্ণ হয়েই রইলো। তাই বাসায় এসে নিজেকে ঘুমে অথবা সাহিত্যে নিয়োজিত রাখত।তবু ও এই জীবনযাত্রা তার কাছে অসহনীয় হয়ে উঠলো। ওর মনে হচ্ছিলো এমন কিছুর প্রয়োজন যেটা ওর সব ভাবনা জগৎ আলাদা করে ফেলবে।ওর মনে হলো কোনো সংবেদনশীল রোবটের সাহচর্য পেতে। যে ভাবা সেই কাজ। পরেরদিন গবেষক পদকে বিদায় জানিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে আমেরিকার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমালো। সেখানে একটি ট্রেনিং সেন্টার থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পুর্ন রোবট কিভাবে তৈরি করে খুব কাছ থেকে দেখল। নিজেও শিখে ফেলল। অবশেষে শিশির নিজে নিজে যান্ত্রিক রোবটও বানাতে সক্ষম হলো।
তারপর শিশির সংবেদনশীল রোবট নিয়ে কিছু বিজ্ঞানীদের সাথে কথা বলল। তারা জানাল পৃথিবী তে এরকম রোবটও বানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কথা বলতে পারে, নিজের অনুভুতি প্রকাশ করতে পারে, হাসি কান্নার শব্দ করতে পারে।একজন বিজ্ঞানী জানালো আমেরিকায় কিছু রিসার্চ সেন্টার ও সংস্থা আছে। যারা এইরকম অনুভূতিসম্পুর্ন রোবট নিয়ে কাজ করে। বিজ্ঞানীটি শিশিরকে একটি কার্ড দিলো পরিচিত একটি সেন্টারে যাওয়ার জন্য। শিশির সেই রিসার্চ সেন্টারে যাওয়ার পর বেশ অবাক হলো। ও যে রোবটের দুনিয়ায় এসে পরছে ভাবতেই পারছে না। কারন এইগুলা দেখতে হুবুহু মানুষের মতো। একটি মেয়ে রোবট ওকে দেখে মিস্টি হাসি দিলো। ভালো করে না দেখলে বুঝাই যেতো না এটা কি ছিল। ও সিড়ি বেয়ে উপরে উঠার সময় একটি ছেলে রোবট ওর সাথে হাত মিলালো। তারপর ও অফিস রুমে গেলো। এখানে সিকিউরিটি অনেক কড়া। ওকে কিছুক্ষন পর পর চেক, করা হচ্ছে। অফিস রুমে গিয়ে সেখানকার বিজ্ঞানীদের সাথে কুশল বিনিময় করল। আর সরাসরি বলল ও এরকম রোবট বানাতে চায়। তারা তখন চুক্তি করল শিশিরের সাথে।কারন অনেক টাকা না দিলে এবং গোপন না রাখলে কাজটা হবে না। তাই শিশির চুক্তি অনুসারে সব শর্ত মানতে রাজি হলো। কিন্তুু তারা বলল পরিপূর্ণ মানুষের মতো চরিত্রের রোবট বানানো হয়নি তবে আংশিক ভাবে মানব আচরণ ক্ষমতা সম্পুর্ন রোবট বানাতে সক্ষম হয়েছে। তাতে শিশিরের একটু মন খারাপ হলেও রাজি হয়ে গেলো। ২মাস অক্লান্ত পরিশ্রম ও মনোযোগ শিখে নিচ্ছিল। আসলে ওর নেশা পেয়ে বসেছে। যেন এর শেষ না দেখে ও যাবেনা। অবশেষে ও মুটামুটি সন্তুষ্টচিত্তে কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে বাংলাদেশে ফিরল। এইখানে এসে ও কিছু কপোট্রন কিনল। যদি লাগে এই ভেবে। সেন্টার থেকেও কিছু কপোট্রনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে আসছে। যেগুলা একেক রকম অনুভুতিসম্পূর্ন। শিশির বুঝতে পারছিল না কোন ধরনের কপোট্রন ওর মানবীয় গুন সম্পন্ন রোবটের জন্য প্রযোজ্য। ও এসব ভেবে চিন্তেই কাজটা শুরু করলো। হঠাৎ করে ওর মনে হলো সবগুলোর সমন্বয়ে যদি রোবটটার কপোট্রন বানায়। কোনগুলো কি কাজ করে, কিরকম অনুভুতি সবকিছু তালিকা করে কপোট্রনের ছক এঁকে ফেললো। সেই ছক অনুযায়ী শিশির কপোট্রন বানানো শুরু করে দিলো।রোবটের মস্তিষ্কের মধ্যে একটি মেইন মেমোরি আর একটি এক্সট্রা মেমোরিও বানালো। শিশির চেয়েছিল রোবটটির মধ্যে সব ধরনের অনুভুতি প্রকাশ পায়। ওর আত্মবিশ্বাস ছিল রোবটটি ওর ভাবনা থেকে ভিন্ন হবে না।এরপর রোবট বডির কাজ শুরু করলো। এটা বানাতে ওর অনেক কষ্ট হচ্ছিল। সৌন্দর্য মন ভালো বুঝলেও ওর হাত বুঝতে চাইছিল না। তারপরও হতাশ হলো না। শেষপর্যন্ত সফল হলো। একটার সাথে আরেকটার বডির এডজয়েন করলো। দেখা গেলো রোবটটা ওর থেকে একটু খাটোই হয়েছে। শিশিরের, এটা দেখে হাসি পেলো এটা তো মানবীয় গুণসম্পন্ন মানবী রোবট। শিশির বিশেষ! ধরনের তন্তুু দিয়ে একটা আবরণ দিয়ে দিলো। এর উপর স্পঞ্জের মতো সেটা আবরণের ওপর লাগিয়ে দিলো।স্পঞ্জের উপর স্কিন কালারের স্থিতিস্থাপক তন্তুু বসিয়ে দিলো। এগুলো সবই রিসার্চ সেন্টার থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপর উপরে চুল বসানো শুরু করলো। এটা করতে করতে ওর মধ্যে ঝিমুনি ভাব এসে পড়ল। কখন রোবটটিকে চালু করবে। ভয়েস শুনার জন্য ও পাগল হয়ে আছে। কিন্তুু ওর ভালো লাগার চুল না লাগিয়ে অপরিপূর্ণভাবে একদমই দেখবে না। সেজন্য ধৈর্য্যসহকারে চুল মেশিনের সাহায্যে বসালো। রোবটের কাজ শেষ হওয়ার পর ও দেখতে লাগল কেমন হয়েছে। মুখমণ্ডলের দিকে তাকিয়ে দেখে ছোটখাটো একটা "মিষ্টিকুমড়া"। নিজে বানিয়ে নিজেই হাসতে লাগলো। এই প্রথম কোনো কিছু করে সন্তুষ্টিবোধ করল। রোবটটিকে চার্জ দিতে হয়! নাহলে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে হতো। বাংলাদেশে কোনো খারাপ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে ভেবে চার্জ সিস্টেমেই রেখেছে।তাই ও রোবটটিকে চার্জ দিয়ে রাখল।চার্জ দেওয়ার সময়ে চোখের কাছটা লাল আলোর মতো জ্বলে টুট টুট একটা শব্দ করলো।এরমানে চার্জ হচ্ছে। শিশির খুবই বিস্ময় ও অবাক হলো। অবশেষে ও সফল হয়েই গেলো। যদিও ব্যাপারটা গোপনীয়। আর ভাবতে লাগলো এই ড্রিম রোবট গার্লের কি নাম দেওয়া যায়। অনেক ভাবতে ভাবতে ঠিক করে ফেললো। চার্জ যখন সম্পন্ন হলো বাম হাতের নিচে পাওয়ার সুইচটি অন করলো। আস্তে আস্তে চোখ খুলল। নীল ও সবুজ আলোর মিশ্রন চোখে খেলা করছিল। শিশিরের মনে হলো রোবট গার্লটির মাত্র ঘুম ভেঙেছে। শিশির বলল, তোমার নাম কী জানো? রোবট গার্ল,'না'।
শিশির :তোমাকে মারিয়া বলে ডাকবো।রোবট গার্ল:আচ্ছা। শিশির :এইবার বলো তোমার নাম কী? রোবট গার্লঃমারিয়া।
শিশির : 'আর আমার নাম শিশির আহমেদ'। রোবট গার্লঃ হুম।শিশির :আমার সাথে কথা কম বলা যাবে না বুঝতে পারছো? মারিয়া:জ্বি পেরেছি।
- তারপর আস্তে আস্তে শিশির মারিয়াকে সব কিছু চিনিয়ে দিচ্ছিলো। কোন কাজটা কিভাবে করতে হবে! কখন কি করা উচিত। কোন কাজ গুলা করতে পারবে না। ২-১ দিনে মারিয়াকে সব বলতে গেলে শিখিয়ে দিলো। আর শিশির দেখলো মারিয়া এত্তো প্রশ্ন করে যে না হেসে পারলো না। প্রথমে তো কথাই বলতো না। সব কিছু শিখে নেয়ার পর মারিয়া কাজগুলো নিজেই করা শুরু করে দিলো। যদিও সব ঠিক ভাবে হয় না। শিশিরকে কফি বানিয়ে দেয়!অগুছালো কোনো কিছু গুছিয়ে রাখে। ইলেকট্রনিক এর সাহায্যে রান্না করতে পারে আর শিশিরকে তো প্রশ্নের বিরক্তিতে রাখেই। কিন্তুু এগুলোতে শিশিরের বিরক্তি লাগে না। অদ্ভুত প্রশ্নগুলা শিশিরের নিংসঙ্গতা দূর করে। এর মাঝে শিশিরের কাছে চিঠি আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পদটি নিতে রাজি আছে কি না। সিদ্ধান্ত নিতে পারে না শিশির। ও সারাদিন মারিয়াকে নিয়েই পরে থাকতে চায়। কিন্তুু একেবারে কিছু না করলে ও হয় না। এদিক দিয়ে মারিয়া কে প্রতিদিন অনেক কিছু শুনায়। এই পৃথিবী, পৃথিবীর সৃষ্টির রহস্য, পৃথিবীর মানুষ এমনকি ওর নিজের কথা। মারিয়া ও মনযোগী শ্রোতার মতো শুনতে থাকে। একদিন মারিয়া ওর নিজের সমন্ধে অদ্ভুত প্রশ্ন করে ফেলে। শিশির ওর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে বলে 'তুমি হচ্ছো অন্য সবার থেকে ভিন্ন। আর এসব নিয়ে না প্রশ্ন করলেই বেশি খুশি হবো। মারিয়া মন খারাপ হয়ে যাওয়ার মতো করে থাকে। শিশির তখন রেগেমেগে, চিৎকার করে বলে 'বললাম না তুমি ভিন্ন, আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর, এখানে মন খারাপের কি হলো!! একথা শুনে মারিয়া হেসে দেয়ার মতো শব্দ করলো। শিশির : আচ্ছা তোমার মন খারাপ যখন হয় তখন কেমন লাগে? মারিয়া : মনে হয় আমার মাথায় কি জানি উঠানামা করছে!! শিশির : হুম,জানতাম। আর হাসির ব্যাপারটা? মারিয়া : আমার ভিতরে তরঙ্গ সঞ্চার হচ্ছে মনে হয় তখনি আমার হাসতে ইচ্ছে হয়। শিশির: একটু বেশি তোমার মধ্যে তরঙ্গ সঞ্চারিত হয়। আর কান্নার ভয়েস মানে কান্না করার সময় কি মনে হয়? মারিয়া : তখন ভিতরে অসহ্য....একটা চাপ অনুভব হয়। শিশির: এর মানে হচ্ছে তোমার মস্তিষ্কে একটা কম্পন অনুভব করো,আর তখনি তোমার মনে হয় তুমি অনেক কষ্ট পাচ্ছো। মারিয়া: আমার কেন এমন হয়? শিশির: কি বলো এইগুলা তো অনুভূতি, এসব তোমার আমার সবারই হবে। মারিয়া : ওহ বুঝতে পারছি।
শিশির কিছুদিনের মধ্যে গবেষক এর কাজটি করতে রাজি হয়ে যায়। সেটা মারিয়াকে ও জানায়। তখন অবাক হওয়ার মতো করে বলে: কেনো করবে? শিশির: বেঁচে থাকার জন্য তো আমার কিছু না কিছু করতে হবে।
মারিয়া : না করলে কি মরে যাবা? শিশির : দূর বোকা মেয়ে!! কিছু বুঝে না! আমি বলতে চেয়েছি এই যে তুমি আর আমি যে একসাথে থাকছি আমি যদি কিছু না করি আমার টাকা তো সব শেষ হয়ে যাবে। তখন তো আমার পথে বসতে হবে। মারিয়া: এখন বুঝতে পারলাম। শিশির: আর তুমি মারা যাওয়া নিয়ে জানলে কি করে? মারিয়া : সেদিন দেখেছি। শিশির: দেখেছো মানে? তারপর মারিয়া একটা বই বের করে দেখালো। শিশির: এটা দেখা না তুমি বই পড়েছো সেটা বলবা। মারিয়া : ওহ হ্যা! আমি বইতে পড়েছি। শিশির: আর কি কি বই পড়ো আমাকে তো কিছুই বলো না। এত পঁচা কিভাবে হলে তুমি!! মারিয়া: আমি পঁচা না, আচ্ছা দেখাচ্ছি আমি কি কি বই পরেছি।
- তারপর মারিয়া একটা বই খুলে শিশিরকে একটা অদ্ভুত জিনিস দেখালো আর বললো , শুধু তোমার মরার বিষয়টা না আমার মৃত্যুর বিষয়ে ও সব জানি আমি। শিশির, লক্ষ্য করে দেখলো মারিয়ার দেখানো বইটা হলো, রোবট তৈরীর জন্য বিভিন্ন উপাদান সমূহ এবং কিভাবে নষ্ট করা হয় ঐ ছবিগুলোকে উদ্দেশ্যে করছে মারিয়া। তার চোঁখে মুখে হঠাৎ হতাশার ছাঁয়া নেমে আসলো। শিশির বুঝে উঠতে পারছিলো না কি বলা উচিত তাঁর। তারপর হঠাৎ, মারিয়া তাঁর হাতটা ধরে শিশিরের সামনে বসে যায়। যন্ত্র মানবী সেইজন্য হয়তো চোঁখ থেকে পানি ঝরছেনা কিন্তু শিশির ঠিকই বুঝতে পেরেছে কষ্টকর কিছু বলতে চলেছে।
মারিয়া : আমি যদি তোমার কোন প্রয়োজনে না লাগি আমাকে মেরে ফেলবে না তো?
শিশির কথাটা শুনে অবাক হলো! মারিয়ার বুদ্ধিমত্তার উন্নতি দেখে। একটু হেঁসে বলল, নাহ সেটা কখনো করবোনা ভয় পেয়োনা। কথাটা শুনার পর, মারিয়া উঠে দাড়িয়ে শিশিরকে কিছু বলতে যাবে তখনি একটা ওয়ার্নিংয়ের সাথে সাথে কথা বলা বন্ধ হয়ে গেলো.....
চলবে.......
💎কেমন লাগলো জানাবেন, আর নেক্সট পার্ট লাগলে লাইক কমেন্ট করে পাশে থাকবেন💎

Share:

গল্প:#একমুখী ভালবাসা"।

indian-girls-3 - Padma News
গল্প:#একমুখী ভালবাসা"।
"আমি বিয়া করবো"
"হু কর না।জামাই কে?"
-জানিস না
--না।
-আমার মাথা।
--মানুষ মাথার সাথে বিয়ে করে কিভাবে?
-তুই ফালতু কথা বন্ধ করবি?
--ওকে। নো সাউন্ড।
-রায়হান কে বিয়ে করবো। ফ্যামিলি কে বোঝাবো কিভাবে সেটাই তো বুঝছি না।
--রায়হান কে বিয়ে করার কি দরকার আমি আছি না।
-আমি এখানে সিরিয়াস কথা বলছি ,তুই তোর ফাজলামো নিয়ে পড়ে আছিস।তুই থাক,আমি গেলাম।
--আরে বস বস।এবার সিরিয়াস আগে বল তুই রায়হানের মধ্যে পেলি টা কি?
-আমার মনের মত সব।তার সব কিছুই ভালো লাগে তার স্টাইল,কথা বলা,পড়াশুনায় বেষ্ট পারফেক্ট।
--ওহ,এজন্য নিরফা মহাজন পটে গেছে।
-এখন তুই কিছু আইডিয়া দিতে পারবি?
--আমি বলি কি,তুই রায়হান কে ফিটফাট করে তার বাবা মা সহ তোর বাসায় পাঠা দেখবি তোর বাবা মা তাকে রিজেক্ট করতেই পারবে না।আর আমি তো আছিই।তোর বাবা তো আমাকে খুব পছন্দ+বিশ্বাস করে,আমার কথা ফেরাবেন না।
-গুড আইডিয়া,এইনা আমার বেষ্ট টু।
নিরফা চলে গেল।
ভেতর দিয়ে কেমন মোচড় দিয়ে উঠলো।সে মনে হয় আমার সাথে রায়হান কে নিয়ে এমনি মজা করছে।
রাতে,
নিরফা কে কল করলাম। কিন্তু,
কল ওয়েটিং এ।"কার সাথে এত রাতে কথা বলছে। যার সাথে কথা না বলে ঘুম আসত না।কিন্তু আজ কার সাথে এত কথা।
পরদিন,
কলেজ গেলাম।
ক্লাস শেষ করে আবার গাছতলার দিকে গেলাম নিরফার সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্য, নিরফা সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল কিন্তু একা না সাথে ছিল একটা সুদর্শন ছেলে।
বুঝতে তো আর বাকি নেই,এনি হচ্ছেন রায়হান।
আজ ভেবেছিলাম নিরফাকে নিজের মনের কথা টা বলবো।সেটা আর হল না।বিধাতা হতে দিল না। হটাৎ করে সব যেন কেমন এলো মেলো লাগা শুরু করলো।
আর সেখানে না থেকে ,ক্যাম্পাসের অন্য এক গাছ তলায় বসলাম।
মাথা নিচু করে বসেছিলাম।যাকে সবচেয়ে কাছের মানুষ মনে হয় সে যখন দূরে চলে যায়।তখন যে অনুভূতিটা হয় সেই অনুভূতিটাই হচ্ছে।
চোখ দিয়ে দুফোঁটা পানি পড়ে ও গেছে।
হঠাৎ কেউ যেন আমায় ডাকলো।
"এই যে"
মনে হল নিরফা ডাকলো ।আমি মাথা তুললাম কিন্তু এত অন্য কেউ।
"এই যে, ইশ!আপনি কাদছেন? ছেলেরা না কাদে না!"
আমি হাত দিয়ে চোখ মুছলাম।নিজেকে ঠিক করার চেষ্টা করলাম,যতটা সম্ভব।
এখন তাকিয়ে দেখি ,একটা মেয়ে।সম্ভত আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর না।তারপর ও ,একটু চেনা লাগছে।
"হুম,না কিছু না।এমনি চোখে পানি এসে পড়ছে"
"আসলেই মানুষের যখন ইমোশনাল হয় যায়,তার মাথায় একটু খানিও সেন্স কাজ করে না।একটা মিথ্যে কথা ঠিক করে বলতে পারে না, উঠুন"
আমি দাড়ালাম।
আমাকে একটা টিস্যু এগিয়ে দিল সে।আমি তার দিকে তাকালাম।
-মুছুন এত হ্যান্ডসাম পোলা, কাদলে পোরা রোহিঙ্গা লাগে। হা হা হা ।
বলেই হেসে দিলো।
হাসিটা অপরূপ সুন্দর খুব মায়াবী।
এবার সে হাসি থামিয়ে আমার দিকে তাকালো।
মুখে একটা বিরক্তির ভাব নিয়ে আমার দিকে তাকালো।
"আপনি এখনো দাড়িয়ে আছেন!"
আমি নিজের হুসে এসে নিজের মুখ মুছলাম।
"যাবেন,এখন?"
"কোথায়?"
"কাজী অফিস"
"কাজী অফিস!! কেন?"
"কেন আবার বিয়ে করতে"
"বিয়ে, ফাইজলামি চলতাছে নাকি আমার সাথে"
"হুম,আমার কি খাইয়া দাইয়া কাম নাই নাকি? আসলেই নাই।তাই বলে কি কাজী অফিস যাবো নাকি।বলছিলাম ,ক্যাম্পাসের ক্যাফে যেতে।কিছু নাস্তা করবো।"
আমি মাথা নাড়িয়ে তার সাথে পিছু পিছু চলে গেলাম। মাথায় কিছু ডুকছে না,এই মেয়ে যেটা বলছে সেটাই আমি করছি কেন?
ক্যাফে বসার আগেই সে কিছু অর্ডার করে নিল।
"আচ্ছা,আমাকে এখানে কেনো নিয়ে এসেছেন?"
"ও আচ্ছা,বলা তো হয় নি।আসলে মাইন্ড করবেন না।আমি আজকে তাড়াহুড়ো করে বাসাতে থেকে বের হতে গিয়ে পার্স ও আনে নি। আর খেয়েও আসি নি।এখানে অনেক ক্ষুদা লেগে যায় আর আমার ফ্রেন্ড দের ও কাউকে পাচ্ছিলাম না।"
"তো সকাল সকাল আমাকে পেলেন হালাল করার জন্য"
"আসলে তেমন,আপনাকে দেখে মনে হচ্ছিল আপনি একা,আর মনটাও খারাপ।তাই একটু সঙ্গ দিতে আসলাম আরকি।"
বলেই একটু হাসে, তবে আমার রাগান্বিত চেহারা দেখে একটু ভয় পায়।
"সরি" বলেই নিজের ব্যাগ দিয়ে নিজের মুখটা আড়াল করে ফেলে।
মেয়ে টার কাহিনী দেখে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারলাম না। হেসে দিলাম।
সে ব্যাগ সরিয়ে আমাকে হাসতে দেখে আশ্বাস পেলো। সে ও হাসলো।
তার সাথে সাথে আমিও অর্ডার দিয়ে নাস্তা শুরু করে দেই।
"আচ্ছা,তোমার নাম কি?"
"বজ্জাত নী, কাম চোর"
"কি!!!!"
"না আসলে আমার বান্ধবীরা আর আম্মু এই নামে ডাকে"
"ও আচ্ছা"
"এমনে নাম জোবাইদা"
"জোবাইদা।"
"আচ্ছা ,তখন আপনি কাদছিলেন কেন?"
তার প্রশ্ন করায় আবার নিরফার কথা মনে পড়লো।এতক্ষন মনে ছিল না।মন আবার খারাপ হয় গেল।
আমি কোনো উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে রইলাম।
"কি গার্লফ্রেন্ড ছেকা দিছে"
মাথা নাড়িয়ে না করলাম।
"বউ অন্য কারো সাথে পালিয়ে গেছে"
"এ্যা"
"কি বউ পালিয়ে গেছে!!"
"আরে বউ থাকলো ত পালাবে"
"তাহলে"
"থাক,অন্যদিন"
জোবাইদা যাওয়ার আগে ফোন নাম্বার নিয়ে বলে গেল, আমার এই ঋণ খুব ফাস্ট শোধ করে দেবে।
আজ ক্লাস না করে বাসায় চলে যাই।এখানে থাকলে আরো বেশি নিরফার কথা মনে পড়বে
বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
রাতে,
কল আসে আননোন নাম্বার থেকে, আমি রিসিভ করি।
"হ্যালো,আসসালামুআলাইকুম"
"অলাইকুম আসসালাম" (নারীকণ্ঠ)
"কে বলছেন?"
"উমম, আমি বলছি"
" আমি টা কে?"
" আপনার সকালের নাস্তা পার্টনার"
একটু ফ্ল্যাশ ব্যাক এ গেলাম।
মনে পড়ছে।
"ও হ্যা,আমাকে হঠাৎ কল!"
"এভাবেই,ঘুম আসছে না। বা ইচ্ছে করছে না।তাই আমার মত আরেকজনকে রাত জাগা পাখি বানাতে চাই।"
আমারও ঘুম আসছিলো না।কারন সারা সকাল ঘুমিয়েছি।আর জেগে থাকলে নিরফার কথা মনে পড়বে।
"আচ্ছা,বানান"
এরপর থেকে জোবাইদার সাথে একটু একটু করে সময় কাটানো।সময়টায় খুব ভালই কাটছিল বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। শুধুমাত্র নিরফা কাছে ছিল না সময় দিচ্ছিল না।
এরই মাঝে একদিন বাসায় কলিং বেল বেজে ওঠে।
আমি শুয়ে শুয়ে গান শুনছিলাম । আম্মু দেখে বলল, মেহেদী তোর বান্ধুবি এসেছে।
আমি মনে মনে বলি এখন কে আসতে পারে।
গিয়ে দেখি!!
"কিরে কয়েকদিন ধরে কোনো খোঁজ খবর নাই,ফোন টোন তো আর দেস না।"
নিরফা সামনে দাড়িয়ে।
নিরফা আরো কিছু কথা বলে আমার দিকে একটা কার্ড এগিয়ে দিল।
"কার বিয়ের কার্ড?"
"খুলে দেখ"
খুলে দেখি ,এটা নিরফার বিয়ের কার্ড।
আমি কি খুশি হব না কাদবো ,আমি বুঝতে পারছিলাম না।শরীর পুরো পাথর মত অনুভব হতে লাগে।
সে আমার হাত ধরে জোর দিয়ে বলল,
"আমার বিয়ের সব কাজ কিন্তু তোর হাতেই দিলাম,বিয়ের পাচদিন আগে আমার বাড়িতে দেখতে চাই"
বলেই চলে গেল।
আমি হয়ত কখনই যেতাম না বিয়েতে।কিন্তু নিজের বুন্ধত্ব রক্ষার্থে আর তার মন যাতে না ভাঙ্গে ,আমি পাঁচদিন আগে যাই তার বাড়িতে।
সেখানে আমাদের আরো কিছু ফ্রেন্ডসরা আসে।
যেহুতু,আমাকে দায়িত্ব দেওয়া বিয়ের কাজের,তাই ব্যাস্ততায় সময় টা চলেই যাচ্ছিল।মাঝে কয়েকবার কল করেছিলাম জোবাইদাকে। কিন্ত ফোন বন্ধ।
বিয়ের আগের দিন,
রুমে আরামে ঘুমাচ্ছিলাম স্বপ্নে দেখতেসি এক বিশাল বড় পিপড়া আমার হাতের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।কেমন একটা সুড়সুড়ি ভাব।হটাৎ করে পিপড়া টা কামড় দিয়ে উঠলো।আমি হাঁ করে উঠলাম।ঘুম ভেংগে যায়।চোখ খুলে দেখি একটা মেয়ে আমার সামনে বসে অনবরত হাসছে।চেহারাটা অস্পষ্ট ঘোলা ঘোলা। একটু পর যখন পরিষ্কার দেখি।তখন দেখতে পেলাম সামনে বসে জোবাইদা হাসছে। মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছিলো সে এখানে কিভাবে?
চলবে..........
লেখক:-মোঃ মেহেদী হাসান (কাব্য লেখক)।
(আগামী পর্বেই শেষ)......

Share:

#অভ্যেসে_তুমি #Nazmin_Nazu #Part_1

Bukar Zanna - Bukar Zanna added a new photo to Desi Girls ...

#অভ্যেসে_তুমি
#Nazmin_Nazu
#Part_1
রনি চৌধুরী।কলেজের ক্রাশ বয়।সব মেয়েরা রনি বলতে পাগল!কিন্তু রনি তাদের পাত্তা দেয় নাহ।সে তার বন্ধুদের নিয়েই থাকে।
আজ কলেজের গেইট দিয়ে ঢোকার সময় একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা খেয়ে কাদায় চিতপটাং হয়ে পরে যায়। ক্যাম্পাসের সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে।মেয়েরা দেখছে তাদের ক্রাশ বয় কাদায় মাখামাখি।সবাই হাসতে হাসতে শেষ।
রনি রেগে যে মেয়েটা ধাক্কা দিছে তার দিকে তাকালো
মেয়েটিঃওহ সরি সরি।আমি খেয়াল করিনি।
রনিঃ সরি মাই ফুট।তোমার সাহস কি করে হয় আমাকে ধাক্কা দেয়ার
মেয়েটিঃসরি বলছি তো।এতো রিয়েক্ট করার কি আছে আজব
রনিঃসরি বললেই কি সব শেষ হয়ে গেলো নাকি।এখন আমি ক্লাস করবো কিভাবে?
মেয়েটিঃএইভাবেই করেন একদম কালা বান্দর লাগছে
রনিঃজাস্ট শাট আপ ওকে।তোমার সাহস তো কম না রনি চৌধুরীকে অপমান করো
মেয়েটিঃকচু চৌধুরী😏
রনিঃশাট আপ।কলেজে এসেই ঝামেলা শুরু করে দিছে।
মেয়েটিঃআমি দেখি নাই আর আমি আপনাকে সরি বলেছি কানে শোনেন নাই
রনিঃদেখবা কেমনে চোখ থাকলে তো দেখবা।তোমার সরি তুমি গিলে খাও যত্তসব।
মেয়েটিঃবাই সি ইউ নেভার
রনিঃএই মেয়ে আমাকে এইভাবে অপমান করে গেলো।এর ফল তো পাবা সুন্দরি।
সেদিন রনি ক্লাস না করেই বাসায় ফিরে আসে।তার ভাই তার এই অবস্থা দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়।
রনি রেগে ফ্রেশ হতে যায়। রাতে ভাবতে থাকে কিভাবে ঐ মেয়েকে শায়েস্তা করবে।
পরদিন
রনি কলেজে গিয়ে মেয়েটার ডিটেলস্ জেনে নেয়। মেয়েটার নাম নাজ।Inter 1st year এ পড়ে। এই মেয়ে তাকে অপমান করছে ভাবতেই রনির মাথা গরম হয়ে যায়।তাই প্ল্যান করে ছুটির পর নাজ যে রাস্তা দিয়ে যাবে ঐ কলার খোসা ফেলে আসে।যথারীতি নাজ খোসায় পা দিয়ে পড়ে যায়। কাদায় পরে নাজের অবস্থা খারাপ।কোনোমতে উঠে দাঁড়িয়ে দেখে অনেকে তাকে দেখে হাসছে। প্রচুর রাগ উঠে যখন দেখে রনিও দাঁত বের করে হাসছে।তখন নাজের ফ্রেন্ড আসে।
নিলাঃনাজ তোর এই অবস্থা কেন?
নাজঃহাসবি না তো।তাড়াতাড়ি রিকশা নে
বাসায়‌ এসে নাজ ফ্রেশ হয় আর রনিকে ছাড়বে না বলে ভেবে রাখে।কালকে ঐ ছেলের খবর আছে।
চলবে..

Share:

--#পড়ে_দেখুন_না_হেসে_পারবেন_না।🤣

Beautiful Indian Girls for Android - APK Download
বাসে উঠে বসতে না বসতেই পাশের সীটের
একটা সুন্দরী মেয়ে বলে উঠলো "ও মাই গড!
আপনি এতো সুন্দর কেন? আমার গায়ে হাত দিয়ে
বলল আপনার বডি এতো সুন্দর কেন! নিশ্চই জিম
করেন?😃
জীবনে আব্বা-আম্মা আমাকে কালাচাঁদ ছাড়া ডাকে
নাই। গার্লফ্রেন্ড আদর করে কালু ডাকে। কিন্তু
আজ এই বাসে এই মেয়ে আমার মধ্যে এমন কি
দেখে সুন্দর বলল বুঝতে পারলাম না। মনে মনে
লজ্জা পাচ্ছিলাম।
একটুপর মেয়েটা আমার পাশে বসা ছেলেটাকে
বলল "এই যে ভাই আপনি উঠুন, আমি এই ভাইয়ের
পাশে বসতে চাই।আপনি আমার সীটে বসুন"।
দেখলাম ছেলেটা সুড়সুড় করে পাশের সারির
মেয়েটার সীটে গিয়ে বসল। মেয়েটা বসল
আমার পাশে। খেয়াল করে দেখলাম মেয়েটা
বেশ সুন্দর।😍
কয়েকদিন আগে টিভির বিজ্ঞাপন দেখে একটা
ফেসওয়াশ কিনেছিলাম। বিজ্ঞাপনে বলা ছিল এই
ফেসওয়াশ চার সপ্তাহ মাখলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
ও চকচকে। কিন্তু দুই সপ্তাহেই যে কাজে দিবে
এটা ভাবিনি।😃
মেয়েটা এবার বলল " আপনার গার্লফ্রেন্ড
আছে"?😍
লোকাল বাসে সুন্দরী মেয়ে পাশে বসলে সব
ছেলেরাই সিঙ্গেল হয়ে যায়। তাহলে আমি কি
দোষ করছি? তাই মেয়েটাকে বললাম " জ্বী না
আমি সিঙ্গেল"। মেয়েটা এবার সরাসরি বলল "
প্রেম করবেন আমার সাথে"? মেয়েটার কথা
শুনেই মনের মধ্যে জেমস ভাইয়ের " ঝাকানাকা
দেহ দোলানা" গানটা বেজে উঠলো। সারাজীবন
গার্লস স্কুলের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়ে
পটাতে পারিনি। যে মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব
দিয়েছি সেই মেয়ে বলেছে আয়নায় নিজের
চেহারা দেখতে। এক মেয়ে তো বলেই
দিয়েছে কয়লা আর আমার চেহারার মধ্যে
কোনো পার্থক্য নাই, দুইটাই কালা। ইসস যদি পাশে বসা
সুন্দরী মেয়েটার কথাটা ভিডিও করে ওদের
দেখাতে পারতাম। মেয়েটাকে উত্তর দিতে
যাবো এর মধ্যে আরেকটা মেয়ে পাশে এসে
দাঁড়ালো।
দাঁড়িয়ে আমার পাশে বসা মেয়েটিকে বলল " বাসে
বসা সুন্দর ছেলেদের দেখলেই প্রেম করতে
ইচ্ছে করে, না? এই ছেলেকে আমার পছন্দ
হয়েছে। তুই অন্য কাউকে দেখ"। দেখলাম আমার
পাশে বসা মেয়েটা উঠে চলে গেলো। এবার
যে মেয়েটা এলো সে আরো সুন্দরী
দেখতে। আমি তাড়াতাড়ি ফোন বের করে
সামনের ক্যামেরায় নিজের চেহারা দেখে নিলাম।
সত্যি এটা আমি নাকি অন্য কেউ। নিজেকে রেস
থ্রির সালমান খান মনে হচ্ছিল,শুধু চশমাটাই নাই। বাসায়
ভুলে সানগ্লাস ফেলে এসেছি বলে নিজের উপর
রাগ হচ্ছিল। নতুন মেয়াটা এবার বলল " ওয়াও, আপনি
আমার দেখা সেরা পুরুষ । প্রেম করবেন আমার
সাথে"? মেয়েটার কথা শুনে বুকের মধ্যে ধপাস
ধপাস শুরু হয়ে গেলো। গর্বে বুক ফুলে
উঠলো। মনে মনে সেই ফেসওয়াশ কোম্পানি
কে অনেক ধন্যবাদ দিলাম। মেয়েটাকে উত্তর
দিতে যাবো এমন সময় দেখি আরো তিনটা মেয়ে
এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
ওরা তিনজন একসাথে বলে উঠলো " এই ছেলে
প্রেম করবে আমার সাথে?"। এবার আমার পাশের
বসা মেয়েটা উঠে ওদের সাথে মারামারি শুরু
করলো। চারজন মেয়ে আমার চার হাত পা ধরে
বাসের মধ্যে টানাটানি শুরু করলো। একজন বলে
এই ছেলে আমার, আরেকজন বলে না না এই
ছেলে আমার। ওদের টানাটানি তে আমার গুলিস্তান
থেকে কেনা নতুন শার্ট ছিঁড়ে গেছে। প্যান্ট
ছিঁড়া ছিঁড়া অবস্থা। নিজেকে সালমান খান ভাবা ছেড়ে
টম ক্রুজ ভাবতে শুরু করলাম। আহা! সুন্দরী
মেয়েরা আমাকে পাবার জন্য আজ মারামারি করে।
এই দিন যে আসবে কল্পনাও করিনি।এর মধ্যে
বাসের হেলপার এক লাঠি নিয়ে দৌড়ে এসে বলল "
ঐ তোরা সবাই বস, নাহলে কারেন্ট শখ দিবো "
সাথে সাথে চারটা মেয়ে আমাকে ছেড়ে দিলে
আমি গাড়ির মধ্যে ধপাস করে পড়ে গেলাম।
হেলপার কাছে এসে বলল " ঐ মিয়া আপনি কখন
উঠলেন বাসে? ও বুঝছি, সিগারেট কিনতে নামছিলাম
তখনি উঠছেন তাইনা? তাড়াতাড়ি নামেন ভাই, এই বাস পাবনা
যাবে। বাসের মধ্যে যারা আছে তারা সবাই পাগল।
ওদের সবাইকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে নিয়ে
যাচ্ছি। হেলপারের কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে
গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি পাবনার মানসিক
হাসপাতালে।🤣
এতদূর যখন🤣🤣
এসেছেন, তাহলে একটা Cmnt
তো চাই ।🤣🤣

<
Share:

গল্প : ছদ্মবেশী - গ্যাংস্টার লেখক : Farhan Ahmed Sajjad পর্ব : ২০ ( তথা শেষ পার্ট)

Indian Girls 13 Year Age Pics | 9 HD Wallpapers
তিথিকে চুপচাপ বিয়ে করে ফেললাম!!
বিয়ের পর তিথিকে এক্সা কোন ভালোবাসা দিইনি!!
শুধু মাত্র বউয়ের অধিকার টা পেয়েছে!!
তবে তিথি আমাকে প্রচুন্ড ভালোবাসত!!
আমার মাথা গরম থাকলে!
অযথা তিথিকে বকাঝকা করতাম "
তবুও তিথি আমার মুখের উপর একটি কথাও বলতো নাহ্!!
আমার সব অত্যাচার মুখ বুঝে সহ্য করতো!!
বিয়ের কিছুদিন পর হঠাৎ একদিন নীলার সাথে দেখা!!
দেখা হতে দেরি হয়েছে!!
তবে নীলা আমাকে মারতে দেরি করেনি!!
আমার গালে দুটা থাপ্পড় মেরে কেঁদে নীলা নিজেই কেঁদে দিলো!!
প্লিজ বুঝার চ্রেষ্টা করো!
তিথি আমাদের ফ্যামিলির আমার জন্য দুই ফ্যামিলির সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতো যদি সেদিন তুমাকে নিয়ে পালিয়ে যেতাম!!
( আমি)
তাহলে কেনো বড় বড় কথা বলেছো তখন?
কেনো আমাকে মিথ্যা আশা দিয়েছো??
তুমি যানো আমি বিষ পান করে হসপিটাল এ ভর্তি ছিলাম!!
আর তুমি ঐ দিকে বিয়ের মজা নিচ্ছিলে!!
যাইহোক ভালো থেকো!!
( নীলা)
এইটুকু বলেই নীলা দৌড়ের উপর হেটে চলে গেলো!!
এক বারের জন্যও পিছন ফিরে তাকায়নি!!
না তাকানোই টা স্বাভাবিক নীলা হয়তো আমাকে বেইমান, স্বার্থপর ভাবছে!!
তবে নীলা যদি আমার জায়গায় থাকতো তাহলে বুঝতো কতটা চাপের মধ্যে ছিলাম আমি!!
যাইহোক এখন তো আর কিছু করার ও নেই!!
জনিও এখন আমার সাথে আর যোগাযোগ করে নাহ্!!
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর!!
হঠাৎ আমার অনেক জ্বর হয়!!
সেদিন তিথি সারা রাত না ঘুমিয়ে আমার যত্ন নিয়েছে!!
তিথি ভাবছিলো আমি হয়তো ঘুমিয়ে পরেছি!!
তাই মাঝে মাঝে আমার আমার ঠোঁটে আলতো করে কিস করতো!!
মাঝে মাঝে ভাবতাম মেয়েটা অনেক ভালো!!
আমাকে কত ভালোবাসে আবার আমার সব কথা মুখ বুঝে সহ্য করে!!
তিথির জায়গায় অন্য কোন মেয়ে হলে,
বিয়ের পরদিন ই আমাকে ছেড়ে দিতো!!
এভাবে আরো কিছুদিন যাওয়ার পর!!
হঠাৎ করে একদিন তিথি মাথা ঘুরে পরে যায়,
হসপিটাল এ নিয়ে গিয়ে যানতে পারলাম!!
তিথি মা হতে চলেছে!!
আর আমি বাবা ওফফ!!
কি এক দারুন অনুভূতি হচ্ছিল তখন বলে বুঝাতে পারবো না!!
তিথি হসপিটাল এর বেটে সুয়ে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে!!
আমি তিথির কাছে গেলাম!!
সব কিছু মিলে তুমি খুশি তো??
( তিথি)
হুম খুব খুশি!! ( তিথির কপালে চুমু দিয়ে)
হুম ভালো, আচ্ছা আমি কি বাসায় যেতে পারবো এখন?? ( তিথি)
হুম একটু পরে নিয়ে যাবো!!
আর শুন তুই কিন্ত বাসায় গিয়ে একটি কাজেও হাত দিবি না!!
সব কাজ আমি করবো ওকে!!
( আমি)
আরে না পাগল নাকি!! তুমি করবে কেনো! "
তুমি তো হাত ধুয়ে খেতে বসো না!! আমাকে তুমার হাত ধুয়িয়ে দিতে হয়!!
আর তুমি করবে কাজ!! আমিই আসতে আসতে করে নিবো সমস্যা নেই!! ( তিথি)
ভয় পাছ না তুই আমাকে ""!!
বললাম না কোন কাজে হাত দিতে পারবি নাহ্!!
মনে থাকবে!!
( আমি)
আমাকে একটু জরিয়ে ধরবে লাস্ট কবে জরিয়ে ধরছিলে মনে নেই!!
আজ একটু জরিয়ে ধরবে প্লিজ!!
( তিথি)
এভাবে বলছো কেনো, ওকে কাছে আসো!!
( আমি)
এরপর হালকা করে জরিয়ে ধরলাম!!
কারন বাবু ব্যাথা পেতে পারে এই ভেবে!!
তিথিকে বাসায় নিয়ে আসলাম!!
বাসায় আসার পর আমি আমার সকল ধরনের কাজ কর্ম ছেড়ে দিয়ে সব সময় তিথির পাশের বসে থাকতাম!!
তিথি ঘুমালে আমি মেঝেতে বসে তিথির চুল গুলো ঠিক করে দিতাম!!
গ্লাসে সব সময় পানি রেখে দিতাম!!
কখন ঘুম থেকে উঠে পানি খুজবে এই ভেবে!!
জিবনে কখনো নিজের কাপড় ধুয়ে দেখেনি!!
এখন তিথির কাপড় গুলো আমি ধুয়ে দিই!!
আমার কাপড় ধোয়া দেখে তিথি প্রায় সময় হেঁসে হেঁসে বলতো ( খুব সুন্দর হচ্ছে একদম মেয়েদের মত করেই কাপড় ধুতে পারো দেখা যায়)
বাসার বাজার করতে বাহিরে গেলাম!!
এমন সময় তিথির ফোন!!
কি হয়েছে কোন সমস্যা??
বাসায় আসবো?? ( আমি)
কোন সমস্যা নেই তবে বাসায় আসার সময় আমার জন্য অনেক গুলো তেতুঁলের চাটনি নিয়ে আসবে!! ( তিথি)
কতগুলো?? ( আমি)
অনেক অনেক গুলো!! ( তিথি)
হাহাহা ওকে নিয়ে আসবো তবে আমি আসার আগ পর্যন্ত বিছানা থেকে উঠবে না ওকে!! ( আমি)
কিছুক্ষন পর আম্মু ফোন দিলো!!
আমি তখন তিথির জন্য চাটনি কিনছি!!
হ্যালো কই তুই তিথির ব্যাথা উঠছে হয়তো ডেলিভারির সময় হয়ে আসছে তুই তারাতারি বাসায় আয়!!
তিথিকে হসপিটালে নিয়ে যেতে হবে!!
( আম্মু)
এই কথা শোনামাত্রই দৌড়ে বাসায়
এসে দেখি!!
তিথি ব্যাথায় কান্না করছে তিথির অবস্থা দেখে আমি নিজেই ভেঙে পরলাম!!
এখন ভেঙে পড়লে চলবে না!
তিথিকে তারাতারি হসপিটালে নিয়ে যেতে হবে !! ( আম্মু)
তিথিকে হসপিটালে নিয়ে গেলাম!!
যখন তিথিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাচ্ছিল!!
তখন তিথি আমার হাত ছাড়ছিলো নাহ্!!
তিথি তখন বলল :
(আমাকে কথা দাও আমার কিছু হয়ে গেলেও তুমি ভেঙে পড়বে নাহ্!!
আগের মতই হাসিখুশি থাকবা!!
আমার কিছু হলে নীলাকে জিবন সঙ্গী করে নিও!!
শুনেছি নীলা তুমার জন্য এখনো বিয়ে করেনি!!
মেয়েটা তুমাকে হয়তো অনেকটা ভালোবাসে!!
আমার কথা মনে পড়লে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবা আমিও তুমাকে আকাশ থেকে দেখবো!!
সত্যি বলতে তুমাকে আমি অনেক ভলোবাসি যানিনা তুমি বুঝেছ কি' না!!
তবে আমি না থাকলেও নিজের যত্ন নিবে কিন্ত!!)
তিথির মুখে এসব কথা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না!!
আরে কিছু হবে না তুমার!!
আমি আছি তো!!
( আমি)
তিথি আমার গালে কিস করতে থাকে!!
এরপর তিথিকে রুমে নিয়ে গেলো আমি রুমের বাহিরেই দাড়িয়ে ছিলাম!!
কিছুক্ষন পর বাচ্ছার কান্নার শব্দ পেলাম!!
ডাক্তার এসে যেটা বললো সেটা শুনার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না!!
আপনার মেয়ে হয়েছে।
তবে মা,কে আমরা বাচাঁতে পারেনি সরি!!
( ডাক্তার)
এইটা শুনা মাত্রই ডাক্তারের কর্লার ধরে অনেকটা উঁচু করে ফেলে দিলাম!!
ভিতরে গিয়ে দেখি তিথিকে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিয়েছে!!
মুখের উপর থেকে কাপড় সরাতেই দেখি তিথি শান্তিতে ঘুমাচ্ছে!!
আমার চোখ বেয়ে পানি গুলো টপটপ করে তিথির মুখের উপরে পড়ছে!!
অসহায়ের মত তিথির লাশের পাশে বসে রইলাম!!
আমার মেয়েটা একদম মায়ের মতই হয়েছে!!
তাই নাম রেখেছি তিশা!!
তিথির মৃত্যের কিছুদিন পর বাসা থেকে আমাকে জোর করে নীলার সাথে বিয়ে পড়িয়ে দিলো!!
আমার মেয়ে তিশার দেখা শুনা করার জন্য!!
তিথি চলে যাওয়ার পর!!
নীলার সাথে বা অন্য কারো সাথে বেশি একটা কথা বলতাম নাহ্!!
যার সাথে সারাক্ষন বকবক করতাম সে তো আর নেই!!
দেখতে দেখতে ৫ বছর চলে যায়!!
আজ আমার মেয়ে তিশার জন্মদিন।
তিথি বেচেঁ থাকলে আজকের দিনে মেয়েকে নিয়ে কত মজা করতো!!
সন্ধার দিকে তিশাকে নিয়ে ছাদে গেলাম!!
তিশাকে বললাম আকাশের দিকে তাকাতে!!
কেনো আব্বু? ( তিশা)
আকাশে ঐ যে দূরে তারা দেখতে পাচ্ছো!!
ওখানে তুমার আম্মি থাকে!!
( আমি)
আম্মি তো নিচে!! ( তিশা)
তিশা হয়তো নীলার কথা বলছে!!
কারন নীলা কখনো বুঝতে দেয়নি তিথির অভাবটা!!
নিজের মেয়ে ভেবেই আগলে রেখেছে তিশা কে!!
তবে এখনো তিথির সৃতি গুলো আমাকে তাড়া করে রেড়ায়!!
আজ তিথির ঐ কথাটা খু্ব মনে পড়ছে!!
( আমার জন্য অনেক গুলো তেতুঁলের চাটনি নিয়ে আসবে)
তিশাকে নিচে পাঠিয়ে দিয়ে!!
সিগারেট জ্বালিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছি!!
আর তিথির সৃতি গুলো একে একে মনে করছি!!
এমন সময় নীলা পিছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো!!
প্লিজ ফারহান কান্না কইরো না!!
তিথি উপর থেকে সব কিছু দেখছে!!
তিথি কিন্ত রাগ করবে!!
( নীলা)
তখন আলতো করে চোখের পানি মুছে ফেললাম!!
আর এভাবেই তিথির সৃতি গুলোকে সাথে রেখে!!
সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলাম!!

Share:

নেককার_বউ_________

Indian girls near me.
বিয়ের প্রথম রাতে বউকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি আমার কাছে কি চাও?
বউ লাজুক মুখে বললো - যা চাই দিবেন তো?
তার হাতে হাত রেখে বললাম-- আমার সাধ্য থাকলে আমি অবশ্যই তোমার চাওয়া পূরন করবো।
তাহলে শুনুন -- আমি আপনার কাছে একটা বরকতময় সংসার চাই।
-- আর কিছু?
-- হুম,দুজনে মিলে এত আমল করতে চাই যে,মৃত্যুর পরেও জেনো আপনার সাথে জান্নাতে থাকার সুযোগ পাই।কারন আল্লাহ পবিত্র
কুরআনে বলেছেন-- স্বামী স্ত্রী দুজনেই নেককার হলে, দুজনে একই জান্নাতে থাকবে।(সূরা যুখরুফ -৭০)
আপনি নেক আমল করতে রাজি আছেন তো?
-- ইনশাআল্লাহ।
-- আর শুনুন আমি সংসারে কোন অশান্তি চাইনা,,তাই আমরা দুজনেই নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পরবো ইনশাআল্লাহ। কারন,যে ঘরে স্বামী স্ত্রী একই সাথে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বে, সেই ঘরে কোনদিন অশান্তি হবেনা।(বুখারি ও মুসলিম)
আর বেশি রাগ করা যাবেনা।। রাসুল (সাঃ)বলেছেন - রাগ মানুষের ইমান কে ধ্বংস করে দেয়।
যদিও কখনো আমার রাগ উঠে তখন আপনি চুপ থাকবেন আর আপনার রাগ উঠলে আমি চুপ থাকবো।
হয়রত উমর (রঃ) বলেছেন -- স্বামী কে রেগে যেতে দেখলে স্ত্রী চুপ থাকবে আর স্ত্রী কে রেগে যেতে দেখলে স্বামী চুপ থাকবে।কারন,পানিই আগুনকে নেভাতে পারে,আগুন কখনো আগুনকে নেভাতে পারেনা বরং আরও বাড়িয়ে দেয়।
কি যা বললাম করবেন তো?
সেদিন তার হাতে হাত রেখে তার কপালে চুমু দিয়ে নেক আমল করার ওয়াদা করেছিলাম,, যা আজও আমরা দুজন প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছি।
অফিসে বসে এসব ভাবছিলাম, এমন সময় স্যার এসে বেতন দিয়ে গেলেন।
প্রতি মাসেই বেতন পেয়ে মা বাবা ভাই বোনের জন্য কিছু কিনে তার জন্যও কিছু কিনে নিয়ে যাই।
আজও অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে তার জন্য একটা নীল শাড়ি,কতগুলা গোলাপ আর বেনী করার জন্য বেলিফুলের মালা নিয়ে এসেছি,সাথে এনেছি তার পছন্দের কিছু চকলেট। কারন বাসায় ফেরার পথে স্ত্রী জন্য কিছু নিয়ে আসা সুন্নত।
বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কলিং বেল টিপতেই সে এসে দরজা খুলে দিয়ে আমাকে জরিয়ে ধরলো। প্রতিদিনই এমনটাই করে সে তাই আজও তার ব্যতিক্রম না।
আমার হাতে এসব কিছু দেখে সে বললো -- এত কিছু আনার কি প্রয়োজন ছিল?তোমার হালাল রোজগারের অল্পতেই আমি সন্তুষ্ট।
আমি হেঁসে বললাম -- এমনি এমনি তো আর আনিনি,,রাসুল (সাঃ) বলেছেন -- যে স্বামী তার স্ত্রীর জন্য মন খুলে ব্যায় করবে,কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে পুন্যে ধনী বানিয়ে দিবেন.||
#আমিন ইয়া রাব্বুল আলামীন।

Share:

রাগি মেয়ের প্রেমে💓💔 part.....2 Writer...#sky_

Indian girls wechat id
মেয়েটা, আমাকে বলছিল চখে দেখেন না।।।
আমি,,,,সরি আন্টি 🤣🤣(মজা করে বললাম)
তখনি ও জা করলো তা আমি ভাবতেও পারিনি,,,,
ও আমাকে,,,,ঠাসসসসসসসস ঠাসসসসস,,,।
হুম আপ্নারা যেটা ভাবছেন সেটাই ওই মেয়েটি আমাকে এক্টা থাপ্পর মারলো আর,,,,, আমি তো পূরা সক খেয়ে গেলাম,,,,,তখনি ওই মেয়েটা বলল যে
মেয়েটা,,,, ওই আমি তোর আন্টি হই,,,😠😠
আমি,,,,,সরি আমি আপনাকে চিনি না তাই আন্টি বলছি,,,,,(ফাজলামো করে)মনে মনে বললাম)
মেয়েটা বল্ল,,,,।।
মেয়েটা,,, ওই তুই আমাকে চিনতে পারছিস না,,
আমি,,,🤔🤔🤔নাতো,,,,আপু কে আপ্নি,,
মেয়েটা,,,, 🤬🤬🤬ওই আমি তোর আপু হই,,,।
আমি,,,,আচ্ছা আমি আপনাকে আন্টি বললাম আমাকে মারলেন আবার আপু বলছি তাও আপনি রেগে জাচ্ছেন। তাইলে আমি বলব টা কি(করুন ভাবে বললাম)😣😣😣
মেয়েটা,,,,, আরে আকাশ আমি তোর ছোট সময়ের বন্ধু জারা,,,😋
আমি,,,,,আমিতো অবাক কারন আমি যখন 4 এ পরি তখন এই যারার সাথে আমার বন্ধুত্ত ছিল।।।
কিন্তু আমি ওঁকে চিনতে না পারলেও ও আমাকে চিনতে পারছে,,,,,(আসলে আমরা যখন পাবনাতে ছিলাম তখন যারাদের সাথে আমাদের পরিচয় ছিল,,,আর এখন আমরা ঢাকা চলে আসাতে যারার সাথে আর কনো যোগাযোগ হয়নি,,তাই আমি অকে চিনতে পারলাম না)
part.....2
Writer...#rai
😘
মেয়েটা, আমাকে বলছিল চখে দেখেন না।।।
আমি,,,,সরি আন্টি 🤣🤣(মজা করে বললাম)
তখনি ও জা করলো তা আমি ভাবতেও পারিনি,,,,
ও আমাকে,,,,ঠাসসসসসসসস ঠাসসসসস,,,।
হুম আপ্নারা যেটা ভাবছেন সেটাই ওই মেয়েটি আমাকে এক্টা থাপ্পর মারলো আর,,,,, আমি তো পূরা সক খেয়ে গেলাম,,,,,তখনি ওই মেয়েটা বলল যে
মেয়েটা,,,, ওই আমি তোর আন্টি হই,,,😠😠
আমি,,,,,সরি আমি আপনাকে চিনি না তাই আন্টি বলছি,,,,,(ফাজলামো করে)মনে মনে বললাম)
মেয়েটা বল্ল,,,,।।
মেয়েটা,,, ওই তুই আমাকে চিনতে পারছিস না,,
আমি,,,🤔🤔🤔নাতো,,,,আপু কে আপ্নি,,
মেয়েটা,,,, 🤬🤬🤬ওই আমি তোর আপু হই,,,।
আমি,,,,আচ্ছা আমি আপনাকে আন্টি বললাম আমাকে মারলেন আবার আপু বলছি তাও আপনি রেগে জাচ্ছেন। তাইলে আমি বলব টা কি(করুন ভাবে বললাম)😣😣😣
মেয়েটা,,,,, আরে আকাশ আমি তোর ছোট সময়ের বন্ধু জারা,,,😋
আমি,,,,,আমিতো অবাক কারন আমি যখন 4 এ পরি তখন এই যারার সাথে আমার বন্ধুত্ত ছিল।।।
কিন্তু আমি ওঁকে চিনতে না পারলেও ও আমাকে চিনতে পারছে,,,,,(আসলে আমরা যখন পাবনাতে ছিলাম তখন যারাদের সাথে আমাদের পরিচয় ছিল,,,আর এখন আমরা ঢাকা চলে আসাতে যারার সাথে আর কনো যোগাযোগ হয়নি,,তাই আমি অকে চিনতে পারলাম না)
চলবে😑

Share:

#সিনিয়র_মিস 😍 #লেখকঃ- Tamim #পর্বঃ- ৯ (শেষ পর্ব)

রূপ না গুণ? মেয়েদের কোনটা আগে ...
,,
যখন জ্ঞান ফিরল তখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখি আমি একটা অন্ধকার রুমে আছি।। একটা চেয়ারের সাথে আমার হাত পা কেন যেন বেধে রেখেছে, যার কারণে একটুও নড়তে পারছি না।।
এমন সময় দরজা খুলার আওয়াজ পেয়ে সামনে তাকিয়ে যাকে দেখলাম, তাকে দেখার পর আমি অবাক না হয়ে পারলাম না।। কারণ এইমাত্র দরজা খুলে যে ভিতরে ঢুকেছে সে আর কেউ না ইমা😱।। কিন্তু ইমা এইখানে কীভাবে এলো, তার মানে কি ইমাই আমায় এইখানে কিডন্যাপ করে এনেছে..? কিছুই তু বুঝতেছি না, এদিকে ইমাও হেটে হেটে আমার কাছে চলে এসেছে।।
ইমাঃ কিরে কেমন লাগছে এইখানে তোর..?
আমিঃ ইমা তুমি এইখানে কি করছ, আর আমাকেই বা এইখানে কারা এনেছে..?
ইমাঃ আমি এনেছি তোকে এইখানে।।
আমিঃ তুমি!! তুমি আমায় কেন এইখানে নিয়ে এসেছ😲..?
ইমাঃ তোর থেকে পুরনো হিসাব নিব তাই তোকে ধরে এনেছি😈।।
আমিঃ মানে আমি তোমার কি ক্ষতি করেছি যার কারণে এইখানে ধরে এনেছ..?
ইমাঃ আমার নয় ক্ষতি করেছিস আমার ভাইয়ের।।
আমিঃ মানে কি বলতে চাচ্ছ তুমি..?
ইমাঃ হে আমি ঠিক বলছি তোর জন্য আমি ওইদিন আমার ভাইকে হারিয়েছি।। মনে আছে রাফির কথা কীভাবে মেরেছিলি তুই ওকে😠 (আমার কলার চেপে ধরে)।।
আমিঃ রাফি কোন রাফির কথা বলছ যাকে ৬ মাস আগে ভার্সিটির সবার সামনে মেরেছিলাম ওই রাফির কথা..?
ইমাঃ হে ওই রাফির কথাই বলছি আর ও আমার ভাই ছিল যাকে তুই ভার্সিটির সবার সামনে তোর বন্ধুদের নিয়ে মেরেছিলি।। আমার ভাইটা এই অপমান সহ্য করতে না পেরে ওইদিনই গলায় দড়ি দিয়ে আমাদের ছেড়ে সারাজীবনের জন্য চলে যায়।। আর এইসব কিছু শুধু তোর জন্য হয়েছে আমি আজ তোকে ছাড়ব না।। আজ তোকে মেরে আমি আমার ভাইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিব😠।।
আমিঃ দেখ ইমা ওর মৃত্যুর জন্য ও নিজেই দায়ি ছিল।। আর আমি ওকে ওইদিন ইচ্ছে করে মারি নি।। ও আমাদের ভার্সিটির একটা মেয়ের সাথে মিথ্যে ভালবাসার নাম করে ওর জীবন নষ্ট করে ফেলেছিল।। যার কারণে আমি এই বিষয়টা মেনে নিতে পারি নি তাই ওইদিন ওকে ওর শাস্তি দেওয়ার জন্য ভার্সিটির সবার সামনে মেরেছিলাম।। এখন তুমিই বল এইখানে ওর মৃত্যুর জন্য কি আমি দায়ি..?
ইমাঃ হে তুই দায়ি তোর জন্য আমার ভাইটা মরেছে।। আর আজ আমি তোকে মেরে আমার ভাইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিব (রাগে চিৎকার করে)।।
আমিঃ কিন্তু তুমি তু আমায় ভালবাসার কথা বলেছিলা সেটা কি ছিল..?
ইমাঃ সেটা তু তোকে শুধু একটা উছিলা করে আমার কাছে আনতে চেয়েছিলাম।। যাতে তোকে সহজে মারতে পারি, কিন্তু তুই তু এর আগেই বিয়ে করে ফেলেছিস যেটা আমি আগে যানতাম না।। তাই আর কোনো উপায় না পেয়ে আমার লোকজন দিয়ে তোকে তুলে আনলাম।।
আমিঃ দেখ ইমা তোমার ভাই যা করেছিল আমরা শুধু সেটার শাস্তি ওকে দিয়েছিলাম।। আর এইখানে (আমায় থামিয়ে)
ইমাঃ তোর এতো কথা শুনার জন্য তোকে এইখানে তুলে আনি নাই।। আজ তোকে মেরে এই পৃথিবী থেকে বিদায় করার জন্য তোকে এইখানে আনা।। মৃত্যুর জন্য তৈরি হয়ে নাউ মিস্টার তামিম (বলেই ইমা ভিতরে কাকে যেন আসতে বলল)
কিছুক্ষণ মধ্যে ৩-৪টা লোক হাতে লোহার রড নিয়ে ভিতরে আসল।। এসেই ইমার পিছনে দাড়িয়ে পরল।। মনে হচ্ছে এরাই আমায় এইখানে তুলে এমেছে।।
ইমাঃ ওই সবাই ওকে মারতে শুরু কর আর হে তোদের মার খেয়ে যাতে ও আর বাচতে না পারে।। যদি বেচে থাকে তাহলে আমি তোদের মেরে ফেলব😡।।
ম্যাডাম আপনি চিন্তা করবেন না আপনার কাজ হয়ে যাবে, আপনি বাহিরে যান আমরা একে দেখছি (লোকগুলোর মধ্যে একটা লোক কথাটা বলল)।।
ইমা আর এখানে ১সেকেন্ডও দাড়ালো না রুমের বাহিরে চলে গেল।। আর এদিকে লোকগুলো এসে আমায় এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করল রড দিয়ে।। এদিকে মার খেতে খেতে আমার নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল।। কথা বলার শক্তি যেন একদম হারিয়ে ফেলেছি।। আর সহ্য করতে পারলাম না সেইখানেই জ্ঞান হারালাম।।
যখন জ্ঞান ফিরল তখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখি আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি।। আমার পাশেই তখন একটা নার্স ছিল আমার জ্ঞান ফিরতে দেখে দৌড়ে বাহিরে গিয়ে বলল, রোগির জ্ঞান ফিরেছে।। এ কথা শুনে তু মা-বাবার খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল।। সবাই মিলে ভিতরে ঢুকে আমার পাশে চলে আসল।। আম্মু তু এসেই আমায় জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিলেন।।
আম্মুঃ বাবা তুই ঠিক আছিস তু জানিস আজ ২দিন পর তোর জ্ঞান ফিরেছে আমি যে আজ কি খুশি বলে বুঝাতে পারব না।।
আমিঃ আম্মু আমি ঠিক আছি আর আমি এইখানে এলাম কীভাবে..?
আম্মুঃ মিম মামনি তোকে এইখানে এনেছে, ওইদিন যদি মিম না থাকতো তাহলে কি যে হতো।।
আমিঃ কিহ মিম আমায় এইখানে এনেছে কিন্তু কীভাবে😲..? (অবাক হয়ে)
আব্বুঃ এইসব কথা পরেও শুনতে পারবা এখন তুমি একটু রেস্ট নাউ।। এমনিতেই তোমার শরীর এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি।।
আমিঃ আচ্ছা
এরপর আম্মু আব্বু বাহিরে চলে গেলেন আর আমি শুয়ে শুয়ে ভাবছি মিম আমায় কীভাবে এইখানে আনল কিছুই তু বুঝতেছি না।। আর তা ছাড়া মিম কই ওকে তু একবারও দেখলাম না।। না আর ভাবতে পারছি না যত ভাবছি ততই মাথা ব্যাথা বেড়ে যাচ্ছে।। আর কিছু না ভেবে একটু ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পরলাম খেয়ালই নেই😪।।
যখন ঘুম ভাঙল তখন বুকের উপর ভারি কিছু একটা অনুভব করলাম।। চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি এ তু মিম আমার বুকের উপর শুয়ে আছে😱।। মিম এইখানে কি করে এলো তার উপর এসেই আমার বুকের উপর শুয়ে আছে।।
আমিঃ মিম এই মিম তুমি এইখানে কি করছ, কখন এলে..? (হালকা ধাক্কা দিয়ে)
মিমঃ ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে দেখে যে আমি উঠে পরেছে।। তা দেখে মিম খুশিতে আমায় জড়িয়ে ধরল।। তুমি ঠিক আছ তু জান ২দিন ধরে তুমি অজ্ঞান অবস্থায় ছিলা।। আমার যে কি চিন্তা হচ্ছিল নিজেই জানি (বলেই কেদে দিল)।।
আমিঃ ওর কান্না দেখে কেন যেন থাকতে পারলাম না আমিও ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বুকের মধ্যে নিয়ে আসলাম।। এই পাগলি কান্না করছ কেন দেখ আমার কিছুই হয়নি আমি একদম ঠিক আছি।।
মিমঃ যদি তোমার কিছু হয়ে যেত তাহলে আমি আর বাচতাম না সত্যি সত্যি মরে যেতাম😭।।
আমিঃ দিব একটা চড় এইসব কথা আর ভুলেও মুখে আনবা না নাহলে কিন্তু তোমার সাথে আর কখনো কথা বলব না (রাগ দেখিয়ে)।।
মিমঃ আচ্ছা সরি আর এইসব কথা বলব না তবুও রাগ কর না প্লিজ।।
আমিঃ হুম, আচ্ছা এখন বল আমি এইখানে কিভাবে আসলাম..?
মিমঃ তাহলে শুন, যখন তোমাকে কিছু লোকজন কিডন্যাপ করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই আমি ভার্সিটির দিকে আসছিলাম আর এসে দেখি কারা যেন তোমায় তুলে নিয়ে যাচ্ছে।। এটা দেখে আমিও একটা রিক্সা নিয়ে ওদের পিছু নিলাম।। তারপর এসে দেখি যে ইমা নামের মেয়েটাই তোমায় কিডন্যাপ করে এনেছে।। আর আমি তোমাদের সব কথাও শুনেছিলাম।। এরপরেই আমি পুলিশ স্টেশনে কল করে পুলিশকে আসতে বলি।। কিন্তু তখন অনেক দেড়ি হয়ে গেছিল ওরা ততক্ষণে তোমায় মারতে মারতে অজ্ঞান করে ফেলেছে।। এর পরেই পুলিশ এসে ওদের ধরে ফেলে সাথে ইমাকেও।। আমি অবশ্য ইমাকে ইচ্ছামতো কয়েকটা চড় দিয়েছিলাম তারপর পুলিশেরা ওদের সবাইকে ধরে নিয়ে যায়।। আর আমি একজন পুলিশের সাহায্যে তোমাকে এইখানে নিয়ে আসি তারপর বাড়ির সবাইকে ফোন করে তোমার কথা বলে এইখানে আসতে বলি।।
আমিঃ ওর কথা শুনে কি বলব বুঝতে পারছি না সত্যি মিম যদি ওইদিন না থাকত তাহলে আজ আমি এইখানে হতাম না।। তারপর একবার ভালো করে মিমের দিকে তাকালাম।। দেখলাম এই ২দিনে চোখের নিচে হালকা কালি পরে গেছে, আর অনেকটাই শুকিয়ে গেছে মনে হয় ঠিকমতো খাওয়া করেনি এই ২দিন।।
মিমঃ এই কি হল এইভাবে কি দেখছ..? (ধাক্কা দিয়ে)
আমিঃ দেখছি তোমাকে এই কয়দিনে অনেকটা শুকিয়ে গেছ মনে হচ্ছে ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া কর নাই।।
আম্মুঃ হে তোকে এইখানে আনার পর থেকে মেয়েটা একবারের জন্যও চোখ লাগায় নাই।। আর একবেলা ঠিকমতো খেয়েছে বলেও মনে হয়না।। নে ধর তোদের জন্য খাবার নিয়ে এসেছি দুজন মিলে খেয়ে নে।। আর হে মিম মামনি খাওয়া শেষ হলে তামিমকে এই ঔষধগুলো খাইয়ে দিও তু (খাবার আর ঔষধ দিয়ে মিমের হাতে দিয়ে)।।
মিমঃ আচ্ছা আম্মু
আম্মুঃ আচ্ছা তাহলে আমি এখন গেলাম তোরা খেয়ে নে (বলেই আম্মু চলে গেলেন)।।
আমিঃ তুমি আমার জন্য এতো কষ্ট করেছ আর আমি কি না দিনের পর দিন তোমার ভালবাসার অবহেলা করে এসেছি😓।।
মিমঃ এইসব কথা এখন বাদ দাউ তু আর খাবারগুলো খেয়ে নাউ।।
এরপর মিম আমায় ওর নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিল।। আমিও মিমকে আমার হাতে খাইয়ে দিলাম।। খাওয়া শেষ হলে মিম আমায় কিছু ঔষধ খাইয়ে দিয়ে প্লেট নিয়ে বাহিরে চলে গেল।। আর আমি শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম কি ভুলটাই না করেছু এতোদিন।। যে মেয়ে আমাকে পাগলের মতো ভালবাসে তাকেই কি না আমি এতদিন অবহেলা করে এসেছিলাম।। নাহহ অনেক হয়েছে আমি বুঝে গেছি মিম আমাকে সত্যি মন থেকে ভালবাসে।। আমিও ওকে এখন থেকে আমার সবটুকু দিয়ে ভালবাসব।। ওকে তিল পরিমাণও কষ্ট দিব না যাইহোক না কেন।।
এইভাবে আরও ২দিন হাসপাতালে থাকার পর ডক্টরের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।। এই ২দিনে মিম সবসময় আমার পাশে ছিল একটু সময়ের জন্যও আমায় ছেড়ে কোথাউ যায়নি।। এই কয়দিনে যেন মিমকে আমিও মন থেকে ভালবেসে ফেলেছি।। বন্ধুরা অবশ্য আমার এমন অবস্থার কথা শুনে রিলিজ নেওয়ার আগের দিন এসে দেখে গেছিল।। বাসায় এসে আরও কয়েকদিন লেগে গেল ভালো ভাবে সুস্থ হতে।। ওরা যেই রকম ভাবে মেরেছিল তাতে হাটতে প্রথম প্রথম একটু সমস্যা হলেও এখন ঠিকমতো হাটতে পারি।।
তু রাতে সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া শেষ করে যার যার রুমে চলে আসলাম।। রুমে এসে একা একা বসে আছি কিন্তু মিমের আসার নাম গন্ধই নেই।। প্রায় কিছুক্ষণ পর মহারানী এসে রুমে ঢুকলেন আর এসেই আমার পাশে বসে পরলেন।।
মিমঃ কি হলো এইভাবে বসে আছ কেন ঘুমাবে না..?
আমিঃ হুম তবে তার আগে তোমায় আমি কিছু কথা বলতে চাই।।
মিমঃ কি কথা বল..?
আমিঃ মিম আমি এতদিন যা যা করেছি সবকিছুর জন্য আমি সত্যি অনুতপ্ত প্লিজ আমায় মাফ করে দাউ।। আমি সত্যি এতদিন ধরে তোমার ভালবাসাটা বুঝতে পারি নি।। আমায় কি আরেকটা সুযোগ দিবা তোমার মনের মতো হয়ে উঠতে😔।।
মিমঃ এইভাবে বলছ কেন তুমি যে তোমার ভুল বুঝতে পেরেছ এটাই যথেষ্ট।। আর হে সুযোগ পেতে হলে আগে আমার ২টা কথা মানতে হবে পারবা..?
আমিঃ হুম পারব ইনশাআল্লাহ বল আমায় কি করতে হবে..?
মিমঃ আগে আমায় কথা দাউ আমার কথাগুলো ফেলতে পারবা না..?
আমিঃ আচ্ছা মহারানী কথা দিলাম এখন বল আমায় কি কি করতে হবে..?
মিমঃ উমম এখন না আগে আমরা ছাদে গিয়ে চাঁদ দেখব তারপর এসে বলব😊।।
আমিঃ আচ্ছা মহারানী যেটা আপনি বলেন, তাহলে এখন চলেন।।
মিমঃ চলেন মানে আমাকে কুলে করে নিয়ে যেতে হবে নাহলে আমি যাব না😤 (গাল ফুলিয়ে)।।
আমিঃ আচ্ছা বাবা রাগ করতে হবে না নিচ্ছি (বলেই মিমকে কুলে তুলে নিলাম)।।
মিমও তার ২হাত দিয়ে আমায় গলা জড়িয়ে ধরল।। এরপর আসতে আসতে হেটে মিমকে নিয়ে ছাদে চলে এলাম।। এসেই মিমকে একটা দোলনায় বসিয়ে দিলাম।।
আমিঃ উফফ এতো ভারি কেন তুমি হে আরেকটু হলে তু আমায় খুজেই পেতা না (একটু রাগানোর জন্য)।।
মিমঃ কিহহ আমি ভারি তাইনা মানে তুমি বলতে চাউ আমি বেশি খাই।। যাউ তোমার সাথে আর কথা নাই😤 (বলেই অন্যদিকে মুখ করে বসে পরল)।।
আমিঃ ধীরে ধীরে ওর পাশে গিয়ে বসলাম তারপর ওকে আমার দিকে ঘুরিয়ে এনে বুকের মাঝে শক্ত করে চেপে ধরলাম।। নিজেকে ছাড়ানোর জন্য অনেক চেষ্টা করছে কিন্তু কিছুতেই আমার সাথে পেরে উঠতে পারছে না।। আহা এতো নড়াচড়া করছ কেন..?
মিমঃ ছাড় আমাকে আমি তু বেশি খাই আমাকে ধরতে হবে না যা তুই (রাগ দেখিয়ে)।।
আমিঃ সরি সোনা পাখি ওইটা তু শুধু তোমাকে একটু রাগানোর জন্য বললাম।। আর একটা কথা কি জান রাগলে না তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে😊।।
মিমঃ হইছে আর বলতে হবে না।।
এরপর মিম তার হাত ২ হাত দিয়ে আমার হাত জড়িয়ে ধরল আর আমার কাধে মাথা রেখে চাঁদ দেখতে লাগলো।। এইভাবে প্রায় অনেক্ষণ থাকার পর মিমকে বললাম, অনেক রাত হয়েছে এখন রুমে চল।।
মিমঃ হুম তবে যেভাবে নিয়ে আসছিলা সেভাবেই নিয়ে যেতে হবে।।
আমিঃ বুঝেছি ও কি বলতে চাচ্ছে তাই আর বসে না থেকে দোলনা থেকে উঠে ওকে কুলে নিয়ে রুমে চলে এলাম।।
রুমে এসে ওকে নামিয়ে দিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলাম।। ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দেখি মিম বিছানায় বসে আছে।।
আমিঃ কি হলো ঘুমাবা না..?
মিমঃ ঘুমাব মানে মনে নেই এখনও আমার ২টা শর্ত বাকি রয়েছে।।
আমিঃ ওহ হে মনেই নেই আচ্ছা বল এখন তোমার শর্ত কি কি..?
মিমঃ ১ম শর্ত এখন থেকে আমায় অনেক ভালবাসতে হবে, কখনো আমায় কষ্ট দিতে পারবা না।।
আমিঃ হুম অনেক ভালবাসব কথা দিলাম😊।। এবার ২নাম্বারটা বল..
মিমঃ ২য় টা হলো আমার একটা বাবু চাই ঠিক তোমার মতো🙈 (বলেই আমার বুকে এসে মুখ লুকাল)।।
আমিঃ তু অবাক মিমের এমন কথা শুনে😳।। বাবু রাজকন্যা নাকি রাজকুমার হুম..?
মিমঃ তোমার মতো দেখতে একটা রাজকুমার (লজ্জা মাখা মুখ নিয়ে)।।
আমিঃ তাহলে তু দেখছি ওইদিনের বাসর রাতের কাজ আজকে সেড়ে ফেলতে হবে😁।।
মিমঃ না করেছে কে তোমার যা ভালো মনে হয় কর।।
আমিঃ আর কিছু না বলে ধীরে ধীরে মিমের দিকে এগুতে লাগলাম।। এরপর আমার ঠোঁট দিয়ে ওর ঠোঁট গুলো নিজের আয়ত্তে নিয়ে আসলাম।। মিমও আমায় কোনো বাধা দিল না সেও আমায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে পাগলের মতো কিস করতে লাগলো।।
(লুচ্চা পাঠক পাঠিকা এক একটা, অন্যের বাসর রাতও এহন দেখবার চায়😡।। খাইয়া দাইয়া কি কাজ কাম নাই আপনাগো যে অন্যের বাসর রাত দেখতে আইছেন😤।। যান যান আর ওদেরকে ওদের কাজ করতে দেন)।।
The End.......
লিখার মধ্যে ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন আর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পটা সবার কাছে কেমন লেগেছে সেই বিষয়ে একটা মন্তব্য করে যাবেন প্লিজ🙏।। আর হে নতুন গল্প আগামী ১৫ জুলাই পেয়ে যাবেন।। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন আর সবসময় নামায পড়বেন😊।।

Share:

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label