গল্প:: পরিবর্তন
রাইটার :: তাহসান মাহবুব রোদ
,পর্ব:: ১
দলগতভাবে ৫জন মিলে মেয়েটাকে যখন ধর্ষণ করে ক্লান্ত হয়ে আমরা সিগারেট টানছিলাম তখন মেয়েটা শুধু কানতে কানতে একটা কথাই বলছিলো,আমার মা আর মনেহয় বেচে নেই।😢😢 আজ যদি আমি আপনাদের নিজের বোন হতাম তবে কি এমনটা করতে পারতেন আমার সাথে??😢😢😢
,
আমি আদনান। বাবা মায়ের অতি আদরের বখে যাওয়া বখাটে সন্তান। ছোচবেলা থেকেই বাজে স্বভাবের ছিলাম। মারামারি ঝগড়া বিবাদ মানুষের ক্ষতি করা এসবই আমার নিত্য দিনের অভ্যাস ছিলো। বড়লোক বাবা আর তার ক্ষমতার জোরে বরাবরই বেচে যেতাম। আর সেখান থেকে প্রশ্রয় টা আরো বেড়ে গিয়েছে।😠😠
,
মেয়েটাকে রাত ১২ টার দিকে তিনরাস্তার মোড় থেকে মাইক্রোবাসে করে তুলে এনেছিলাম। দেখে মনে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে।তুুলে আনার সময় ওর হাতে কিছু ঔষধ ছিলো। জানিনা সেসব কার। সব ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওকে পাজকোলা করে নিয়ে আসি এই জঙ্গলের ভেতরে। বারবার চিল্লাতে চিল্লাতে কি যেন বলতে চাইছিলো। ওরনা দিয়ে বাধা মুখটা থেকে আসা অস্পষ্ট সে কথাগুলো আমরা কেউই বুঝতে পারিনি😢😢।মাতাল পাচটা বাবা মায়ের কুলাঙ্গার ছেলেদের চোখে তখন কামনার আগুন। মেয়েটার শরীরের প্রতি লালসা।😱😱
,
সর্বপ্রথম তাকে আমিই ধর্ষণ করি। এমন এক এক করে ৫জন মিলে যখন এই ১৫ বছরের যুবতি মেয়েটাকে ধর্ষণ করে ছেড়ে দিলাম তখন সে কান্না করে বললো, আমার মা মনে হয় আর বেচে নেই।😱😱
,
ততক্ষণে আমার নেশার ঘোর আর শারীরিক উত্তেজনা দুটোই কেটে গেছে।
মেয়েটার কথায় চমকে গিয়ে তার দিকে তাকালাম । পাচটা নরপশুর অত্যাচারে নখের আচড়ে, কামড়ের আঘাতে তার মুখের আশেপাশে কেটে গেছে।ঠোট কেটে রক্ত বের হচ্ছে। গাল দুটোতে থাপ্পরের দাগ।😢😢😢
,
এই প্রথমবার কোনো মেয়েকে দেখে আমার কিছুটা হলেও মায়া লাগছে। আমি চুপ করে আছি। মেয়েটা নিরবে কেদে যাচ্ছে।
,
হঠাৎ আমার কাছে এগিয়ে এসে আমার পা দুটো জড়িয়ে ধরে বললো, ভাইজান আমাকে মেরে ফেলবেন না প্লিজ। আপনারা যা করছেন করছেন। কথা দিচ্চি আমি কাউরে কিছু কমুনা আমারে খালি একটুু বাড়ি নামাই দেন। আমার আম্মার বুকে ব্যাথা । তার লাইগা ঔষধ কিনে নিয়ে যাইতেছিলাম। ৩ বছরের ছোট্ট বোনটা ঘরে একা সারাদিন সে না খাইয়া ছিলো।আমি পরের বাড়িতে কাজ করি। ঘরে দুধ ছিলোনা।তাই সারাদিন কাজ কইরা বাড়ি ফিরা আবার ছোটবোনের লাইগা দুধ আনতে বের হইছিলাম। 😢😢😢দয়া করেন ভাইজানেরা আপনারা আমারে আবার ভোগ করতে চাইলে করেন।তবু আমারে জানে মাইরেন না। আমি মইরা গেলে আমার অসুুস্থ মা আর বোনটারে কেউ দেখবার মতো লোক থাকবোনা। দয়া কইরা আমারে বাড়ি যাইতে দেন😢😢😢
,
এতোক্ষণ মেয়েটার কথা চুপ করে শুনছিলাম।হঠাৎ বুকের ভেতরটা ধুুক করে উঠলো। নিচে নামতে নামতে এতোটা নিচে নেমে গেছি যে , আজ নিজের শারিরিক উত্তেজনা মেটাতে গিয়ে একই সাথে তিন তিনটা অসহায় নিরাপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে যাচ্ছিলাম।কতোটা পশুর স্তরে নামলে একটা ছেলে এতো খারাপ হতে পারে 😢😢
,
আমি নিজে থেকে মেয়েটাকে বাড়ি পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত নিলাম।আমার বন্ধুরা রাজি হলোনা। ওরা বললো, ঝামেলা হবে। মেয়েটা পুলিশ বা লোকজন ডাকবে। আমি বললাম,তাতে কি?? প্রাণটা নাহয় চলেই যাক। বেচে থাকলে তো আবার সেই কোনো না কোন অসহায় মেয়ের সর্বনাশ করবো।👍👍👍
,
মেয়েটাকে গাড়িতে তুলে রওনা হলাম তাদের বাড়িতে।
আমাকে রিকুয়েষ্ট দাও পরের পর্ব পেতে, কারণ অনেক সময় অনেকের কাছ থেকে শুনতে হয় নেক্সট পর্ব পাইনা কেনো,
এমনটা আর হবে না, আমাকে রিকুয়েষ্ট বা follow দিয়ে রাখলে পরের পর্ব তোমরা পেয়ে যাবে তাড়াতাড়ি
চলবে,,,,
রাইটার :: তাহসান মাহবুব রোদ
,পর্ব:: ১
,
আমি আদনান। বাবা মায়ের অতি আদরের বখে যাওয়া বখাটে সন্তান। ছোচবেলা থেকেই বাজে স্বভাবের ছিলাম। মারামারি ঝগড়া বিবাদ মানুষের ক্ষতি করা এসবই আমার নিত্য দিনের অভ্যাস ছিলো। বড়লোক বাবা আর তার ক্ষমতার জোরে বরাবরই বেচে যেতাম। আর সেখান থেকে প্রশ্রয় টা আরো বেড়ে গিয়েছে।😠😠
,
মেয়েটাকে রাত ১২ টার দিকে তিনরাস্তার মোড় থেকে মাইক্রোবাসে করে তুলে এনেছিলাম। দেখে মনে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে।তুুলে আনার সময় ওর হাতে কিছু ঔষধ ছিলো। জানিনা সেসব কার। সব ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওকে পাজকোলা করে নিয়ে আসি এই জঙ্গলের ভেতরে। বারবার চিল্লাতে চিল্লাতে কি যেন বলতে চাইছিলো। ওরনা দিয়ে বাধা মুখটা থেকে আসা অস্পষ্ট সে কথাগুলো আমরা কেউই বুঝতে পারিনি😢😢।মাতাল পাচটা বাবা মায়ের কুলাঙ্গার ছেলেদের চোখে তখন কামনার আগুন। মেয়েটার শরীরের প্রতি লালসা।😱😱
,
সর্বপ্রথম তাকে আমিই ধর্ষণ করি। এমন এক এক করে ৫জন মিলে যখন এই ১৫ বছরের যুবতি মেয়েটাকে ধর্ষণ করে ছেড়ে দিলাম তখন সে কান্না করে বললো, আমার মা মনে হয় আর বেচে নেই।😱😱
,
ততক্ষণে আমার নেশার ঘোর আর শারীরিক উত্তেজনা দুটোই কেটে গেছে।
মেয়েটার কথায় চমকে গিয়ে তার দিকে তাকালাম । পাচটা নরপশুর অত্যাচারে নখের আচড়ে, কামড়ের আঘাতে তার মুখের আশেপাশে কেটে গেছে।ঠোট কেটে রক্ত বের হচ্ছে। গাল দুটোতে থাপ্পরের দাগ।😢😢😢
,
এই প্রথমবার কোনো মেয়েকে দেখে আমার কিছুটা হলেও মায়া লাগছে। আমি চুপ করে আছি। মেয়েটা নিরবে কেদে যাচ্ছে।
,
হঠাৎ আমার কাছে এগিয়ে এসে আমার পা দুটো জড়িয়ে ধরে বললো, ভাইজান আমাকে মেরে ফেলবেন না প্লিজ। আপনারা যা করছেন করছেন। কথা দিচ্চি আমি কাউরে কিছু কমুনা আমারে খালি একটুু বাড়ি নামাই দেন। আমার আম্মার বুকে ব্যাথা । তার লাইগা ঔষধ কিনে নিয়ে যাইতেছিলাম। ৩ বছরের ছোট্ট বোনটা ঘরে একা সারাদিন সে না খাইয়া ছিলো।আমি পরের বাড়িতে কাজ করি। ঘরে দুধ ছিলোনা।তাই সারাদিন কাজ কইরা বাড়ি ফিরা আবার ছোটবোনের লাইগা দুধ আনতে বের হইছিলাম। 😢😢😢দয়া করেন ভাইজানেরা আপনারা আমারে আবার ভোগ করতে চাইলে করেন।তবু আমারে জানে মাইরেন না। আমি মইরা গেলে আমার অসুুস্থ মা আর বোনটারে কেউ দেখবার মতো লোক থাকবোনা। দয়া কইরা আমারে বাড়ি যাইতে দেন😢😢😢
,
এতোক্ষণ মেয়েটার কথা চুপ করে শুনছিলাম।হঠাৎ বুকের ভেতরটা ধুুক করে উঠলো। নিচে নামতে নামতে এতোটা নিচে নেমে গেছি যে , আজ নিজের শারিরিক উত্তেজনা মেটাতে গিয়ে একই সাথে তিন তিনটা অসহায় নিরাপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে যাচ্ছিলাম।কতোটা পশুর স্তরে নামলে একটা ছেলে এতো খারাপ হতে পারে 😢😢
,
আমি নিজে থেকে মেয়েটাকে বাড়ি পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত নিলাম।আমার বন্ধুরা রাজি হলোনা। ওরা বললো, ঝামেলা হবে। মেয়েটা পুলিশ বা লোকজন ডাকবে। আমি বললাম,তাতে কি?? প্রাণটা নাহয় চলেই যাক। বেচে থাকলে তো আবার সেই কোনো না কোন অসহায় মেয়ের সর্বনাশ করবো।👍👍👍
,
মেয়েটাকে গাড়িতে তুলে রওনা হলাম তাদের বাড়িতে।
আমাকে রিকুয়েষ্ট দাও পরের পর্ব পেতে, কারণ অনেক সময় অনেকের কাছ থেকে শুনতে হয় নেক্সট পর্ব পাইনা কেনো,
এমনটা আর হবে না, আমাকে রিকুয়েষ্ট বা follow দিয়ে রাখলে পরের পর্ব তোমরা পেয়ে যাবে তাড়াতাড়ি
এমনটা আর হবে না, আমাকে রিকুয়েষ্ট বা follow দিয়ে রাখলে পরের পর্ব তোমরা পেয়ে যাবে তাড়াতাড়ি
চলবে,,,,






No comments:
Post a Comment