Joy Bhaiya Youtube Channel

#মান_অভিমান #পর্ব :১ পর্ব #Ñîşhì

Indian Girl Happy Smile - Free photo on Pixabay
বাসর ঘরে বিছানার উপর ভয়ে কুঁকড়িমুকড়ি হয়ে দু হাত দিয়ে শক্ত করে হটু ধরে তার মাঝে মুখ লুকিয়ে কান্না করছে একটি মেয়ে।
হুম আজ তার বিয়ে হয়েছে।
একটুপর বাসর ঘরের দরজা খুলে মাতাল অবস্থায় একজন প্রবেশ করে,,,
দরজা লক করার শব্দে সামনে একবার তাকিয়ে লোকটাকে দেখে নিজেকে আরো গুটিয়ে নিয়েছে সে।
বর মদের বোতল হাতে বিছানর দিকে যতো এগিয়ে যাচ্ছে তোতটাই ভয়ে নতুন বউয়ের কলিজার পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।
বিছানার পাশে দাড়িয়ে বলে কি ভেবেছিস কি তুই তোকে বিয়ে করে সংসার করবো কখনো না,,,
আরে তোকে তো একটু ভোগ করতে চায়ছিলাম,,কিন্তু তোর মতো এমন খালাম্মা টাইম মেয়েকে নিয়ে সংসার No,,never, impossible,, কোনোদিন সম্ভব নয়,,,
আর তোর জন্য আমাকে যতোটা আপমানিত হতে হয়েছে তার শোধ তোর উপর নিবো,,,
তারপর তোকে ছুড়ে ফেলে দিবো।তাই বলে নতুন বউয়ের হাত ধরে এক ঝটকানি দিয়ে নিচে ফেলে সে বিছানায় উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে যায়,,
নিচে যে একটি মেয়েকে ফেলে দিয়েছে তার দিকে আর কোনো খেয়াল নেই।
নিচে আচমকা এভাবে পড়ার জন্য আরিয়াতের চোখের চশমাটা খুঁলে পড়ে যায়,তার হাটুতে ব্যাথা লাগে,,
আর টেবিলের কোণায় লেগে কপালের এক সাইডে কেটে যায়।
নিজের হাত দিয়ে দেখে কপালে রক্ত।তা দেখে চিৎকার করে বলে,,,
আপুনি কোথায় তুমি,,
দেখো আমি আজ কতোটা রক্তাক্ত।
আমার জীবনটা বুঝি শেষ।
তুমি তোমার বোনকে নিয়ে যায়,,
প্লিজ আপুনি,, আমি মরে যাবো।
কোনোদিন একা ছাড়ো নাই তবে আজ কেনো আমাকে এ নরকে আসতে দিলে আপুনি।
দেখো তোমার বোনটি কোথায়।।
বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখে তার বর তো ঠিকি ঘুমিয়ে আছে,,
আর বউকে ছুড়ে ফেলেদিয়েছে মনে হয় বিছানা থেকে কেনো নোংরা ছুড়ে ফেলেছে সে।
আমি কি এতোটাই খারাপ দেখতে,
তাহলে কেনো আমাকে আপু এমন করে রাখতো ,,,
কে দিবে সব উওর,,,
কান্নাকাটি করতে করতে সে মেঝেতেই কখন ঘুমিয়ে যায় যানে নাহ....
(এতোক্ষণ যাদের দেখলেন নতুন বউ আরিয়াত চৌধুরী আশা। ,,,আর তার বর রাজিন খান। বড় লোক বাবার অতি আদরে বিগড়ে যাওয়া ছেলে,বাকিটা গল্পের মাঝে জেনে যাবেন।)



এদিকে....
মিসেস কুহুল আফরিন আপনার সাহস কি করে হয় আমার থেকে এতো বড় কথা লুকিয়ে রাখার???
আপনি কোন অধিকারে আমার বোনের জীবনের এতো বড় সিন্ধান্ত নিয়েছেন,,??How dear you??
কুহুল :এভাবে রিয়াক্ট করার মতো কিছুই হয়নি,,তোমার বোন বড় হয়েছে,, আর সে নিজের সঠিক জায়গা তে আছে।
আভা :আপনি বলবেন আমার বোনের কোনটা ঠিক জায়গা সে অধিকার আপনার নেই মিসেস কুহুল আফরিন।
কুহুল :আভা ভুলে যাবে না আমি তোমার মা,,,তুমি আমার সাথে এভাবে কথা বলতে পারো না,,??
ওহ মিসেস চৌধুরী আভা আভা করবেন না তো,,আমার নাম আবিদা চৌধুরী সো কল মি আবিদা,,আর আমাকে মনে করতে বলছেন আপনি আমার মা,,,How funny..নিজে কোনোদিন আমার মা হবার চেষ্টা করেছেন যে,,
কুহুল আফরিন :তুমি তোমার সব লিমিটক্রসিং করছো,,ওর জন্য এটাই ভালছিল,,
ওর মতো মেয়েকে কেউ কোনোদিন বিয়ে করতো না।
আবিদা : just shut up,,মিসেস কুহুল চিৎকার দিয়ে বলে,,আমার বোন সম্পর্ক্যে কোনো কথা শুনতে রাজি না তাও আপনার মুখে।
এবার তার সামনে দাড়িয়ে থাকা মানুষ টাকে জড়িয়ে ধরে তার বুকে মাথা গুজে কান্না করতে করতে বলে,,
পাপা মিসেস কুহুল কি করে আমার কলিজা কে জাহান্নামে রেখে আসতে পারে,,
পাপা তুমি কিছু করো,,পাপা তুমি কিছু করো।
আবিদ চৌধুরী তার মেয়েকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে মামুনি বিয়ে তো কোনো ছেলে খেলা না,,যখন বিয়েটা হয়েগেছে তখন আর তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নাহ,,।
আমি মানিনা এ বিয়ে,,,মানিনা,,আমার বোনের জীবনের সব সিদ্ধান্ত শুধু আমার,,,
ও শুধু আমার ওর কোথায় ভাল কোথায় খারাপ হবে সে সব দেখার দায়িত্ব আমার অন্য কারো না,,
আমাকে আমার আশাকে এনে দাও পাপা না হলে আমি মরে যাব,বলে আবিদা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
কুহুল আবিদা কে ধরতে আসলে আবিদ কুহুলের হাত ধরে বলে মেয়েটা আমার আমাকে বুঝতে দাও।
কুহুল বলে,,আবিদ আমি ওর মা।
আবিদ একটা তাছিল্যের হাসি দিয়ে বলে মা বলে নিজের মেয়েকে এতটা কষ্ট দিতে পারলে তুমি?? আরিয়াত ও তো আমাদের মেয়ে তার সাথে এমন কি করে করতে পারছো।??
দেখো আবিদ কোন পরিস্থিতিতে পড়ে বাধ্য হয়ে করছি একটু বুঝতে চেষ্টা করো প্লিজ।
থাক আর পরিস্থিতি বোঝাতে এসো না,,,আরিয়াতের স্থানে আবিদা থাকলে দিতে পারতে ওর বিয়ে,,কখনো পারতে না।
তাই বলে আবিদ আভাকে কোলে নিয়ে আভার রুমে বিছানয় শুয়ে দেয়।
মেয়ের গায়ে চাদর টেনে দিয়ে দাড়িয়ে একবার মেয়ের দিকে তাকিয়ে দেখছে,,,
ফর্শা চেহারাটা রাগে লাল হয়ে আছে কেউ একটু ছুঁয়ে দিলেই রক্ত ঝরবে।।
আর আজ ওর পাশে আরিয়াত নেই,,
সকালে ঘুম থেকে উঠে না জানি আবার কোন ঝড় আনবে আবিদা কেউ জানে না,,
ওহ যে আরিয়াতের জন্য নিজের প্রাণটা হাসতে হাসতে দিয়ে দিতে পারে,,
আরিয়াত টাও সেই বোনের জন্য সব করতে পারে।
মেয়ের কপালে একটা চুম্মা দিয়ে দরজার বাহিরে এসে দেখে ওর মা বাবা দাড়িয়ে আছে।
আবিদ ওর বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে,,
আমি জানতাম না যে আরিয়াতের সাথে এমন কিছু হবে তাহলে কখনো ওকে যেতেদিতাম না কুহুলের সাথে,,
সত্যি বাবা আমার আভার কথা শোনা উচিৎ ছিলো।
আবিদের মা ছেলের মাথায় হাত দিয়ে বলে কে বা জানতো বল বাবা মেয়েটার সাথে এমন হবে,,
মা বাপ মরা মেয়েটা মনে হয় সুখ কোনোদিন ওর ছিলো না যদি থাকতো তাহলে কি এভাবে কষ্ট পেতে হতো ওকে।।
তা না হলে কি একদিনে মা বাবা দু জনকে হারায়।
আবিদ দুজনকে ধরে বলে আমি পারি নাই মা আমার ভাইয়ের আমানত ঠিকমতো ধরে রাখতে।
আবিদের মা বলে থাক বাবা থাক ,,
আরিয়াতের কপালে যা আছে তাই হবে,,
ওর ভাগ্য নিয়ে এখন আমাদের আর কিছু করার নাই কিন্তু ওর জন্য আবিদার কিছু হবে তা মানা যাবে নাহ,,পারবো না।দুইটা ফুল এভাবে নুইয়ে পড়বে তা হতে পারে নাহ।
এখন আর কিছু করার নেই,,এখন শুধু আবিদা কে নিয়ে ভয় না জানি কি করবে মেয়েটা সকালে ঘুম থেকে উঠে।
আমারো সেই একি ভয়,, মেয়েটা যে আরিয়াত বলতে পাগল,,এখন ওদের কপালে কি আছে কেউ জানে না।
আবিদ নিজের রুমে এসে কোনো কথা না বলে,, বারান্দাতে চলে যায়।
কুহুল ও আবিদের সাথে কোনো কথা বলার চেষ্টা করে না।
আবিদ দু মেয়ের চিন্তায় সারারাত বারান্দায় নিঘুম রাএি পাড় করে দেয়।
মেয়ে দুইটার সুখের জীবনে না জানি কার নজর লেগে গেছে।হঠাৎ কি হলো ওদের সুখের।
না জানি কি আছে ওদের ভাগ্যে।
এখন তো ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়ছে ঘুম ভাঙ্গলে যে সুনামি উঠবে।
জানিনা দু বোনের জীবনে এ কোন নতুন সকাল আসবে,,
সে সকাল কি সুখের আলো আনবে না কি অন্ধকার ডেকে আনবে।
এসব ভাবতে ভাবতে নিজের চোখেরজল গুলা সে বার বার মুছে নিচ্ছে,,,কারণ সে যে বাবা,,বাবাদের বুক ফাটে তবুও মুখ ফুটে কথা আসে না,,,আর যখন প্রশ্ন আসে মেয়েদের তখন পৃথিবীর কোনো বাবাই সহ্য করতে পারবে না এ কষ্ট।
ঘুম থেকে উঠেই দেখে মেঝেতে নিজেকে গুটিয়ে আরিয়াত ঘুমিয়ে আছে।তার কাছে গিয়ে
Hey dirty girl,,, weak up,,, কথা গুলা বলার সময় সে আরিয়াতের চুলের মুঠি ধরে কথা গুলা বলে,,
চুলে হঠাৎ এইভাবে টান পড়ার কারণে ঘুমঘুম চোখমেলে সামনে রাজিন কে দেখে ভয়ে কষ্টে আরিয়াতের চোখ থেকে গড়িয়ে অশ্রূ পড়তে শুরু করে।
একটু ভালভাবে খেয়াল করে দেখে রাজিন একদম ফ্রেশ হয়ে পুরোপুরি রেডি।
রাজিন বলে যা তারাতারি ফ্রেশ হয়ে আয় বলে উঠিয়ে ঘাড় ধরে আরিয়াত কে বাথরুমে পাঠিয়ে দেয়।
বাথরুমের শাওয়ারের নিচে বসে বসে আরিয়াত কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে,,
কেউ কোনোদিন বিয়ের পরেরদিন সকালে তার বউয়ের সাথে এমন করে,,
কই আমি তো আমার বিয়ে নিয়ে কোনো স্বপ্ন দেখিনি সব তো আপু দেখছে কোথায় সে।
এসব কোথার ঘোড় ভাঙ্গে রাজিনের কথায়,, বাথরুমে কি সারাদিন পার করার ইচ্ছা আছে আর যদি থাকে তা তোর বাবার বাড়িতে করিশ এখানে করবি না।
আরিয়াত এবার বলে আমার তো কোনো ড্রেস নাই কি পড়বো।
রাজিন ভাবে সত্যি তো থাক্কা দিয়ে তো পাঠিয়েছি এখন কি পড়বে।
আরিয়াত কে বলে তুই অপেক্ষা কর আমি আসছি।
রাজিন তার মায়ের কাছে যায়,,
আয়েশা বেগম ছেলেকে তার ঘরে দেখে বলে,, কোনো কিছুর দরকার আছে বাবা।
রাজিন বলে হুম আরিয়াত বাথরুমে কিন্তু...
ওর মা থামিয়ে দিয়ে নিজের আলমারি খুলে একটা সোনালি পাড়ের লাল শাড়ি হাতে ধরিয়ে দেয়।
তা হাতে নিয়ে দ্রুত নিজের রুমে চলে আসে,,
বাথরুমে নক করে দরজা খুলে শাড়ি ভেতরে নিয়ে আরিয়াত পড়ে মহা বিপদে শাড়ি কেমনে পড়ে সে জানে না।এখন কি করবে,,
তাই কোনোরকম জড়িয়ে বাহিরে চলে আসে।
রাজিন সোফাতে বসে মোবাইলে কি করছিল বাথরুমের দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে কোনোরকম শাড়ী জড়িয়ে রেখেছে সে,,
রাজিন জোড়ে ধমক দেয়,,,
এই তোর বোন তোকে কি শিখাই ছে,শুধু ছেলেদের সামনে শাড়ি খুলতে পারিশ তাই না,
আরিয়াত এমন খারাপ কথার কি জবাব দেবে ভেবে পায়না।,,
কোনো কাজ ঠিক মতো শেখাই নি,,,
এখন ডাক তোর গুণ্ডি বোন কে।
গুণ্ডি বোন শুধু অন্যের ক্ষতি করতে পারে।আরিয়াত কাপা কাপা কন্ঠে বলে আমার আপু কোনো গুণ্ডি নাহ,,
সাথে সাথে ওর মুখে খুব জোরে চাপ দিয়ে ধরে বলে,,
আমার সামনে আর কখনো কথা বলার সাহস করবি না।
আরিয়াত অশ্রু সিক্ত নয়নে রাজিনের দিকে তাকিয়ে আছে রাজিনের এদিকে কোনো খেয়াল নেই সে আরিয়াত কে শাড়ি পড়াতে ব্যস্ত,,
শাড়ী পড়ানো শেষে আশার মুখের দিকে ভাল করে খেয়াল করে দেখে কপালের কোনে কেটে গেছে,,
কোনো কিছু না বলে সে ফাস্টএইড বক্স থেকে মেডিসিন নিয়ে লাগিয়ে দেয় আরিয়াত মুখ থেকে কোনো শব্দ বাহির করে না।
তারপর আরিয়াতের মাথায় ঘোমটা দিয়ে বলে এবার তোকে আমার বউ মনে হচ্ছে কিন্তু লাভ নেই তোর মতো খালাম্মা টাইম মেয়ে নিয়ে সংসার আর যে করুক রাজিন খান করবে না।



আবিদা ঘুম থেকে উঠেই পাশে চোখ বন্ধ করে আরিয়াত কে খুঁজ তে থাকে,,
এই সোনা বনু কই রে।।পাশে তাকিয়ে দেখে বিছনা ফাঁকা,,মনে পড়ে কালকের কথা।।
সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে ওঠে আরিয়াত রে,,,
রুমের সব কিছু রেগে ভেঙ্গে চুড়ে একাকার করছে সে।
আবিদার রুমের শব্দ শুনে আবিদ, দাদা দাদু সবাই চলে আসে,,
কেউ আবিদার সামনে যাবার সাহস পাচ্ছে না।কিন্তু এভাবে তো চলতে পারে না,,
তাই আবিদ নিজের মেয়েকে শান্ত করতে জড়িয়ে ধরে বলে,,মামুনি এমন করে না,,,
তুই নিজেকে শান্ত কর।।
নাহলে আরিয়াতের কি হবে বল মা।
আবিদা কান্না করে বলে পাপা আমার আরিয়াত কে চায়,,
এনে দাও ঐ মহিলা আমার থেকে আরিয়াত কে দূরে করে দিছে।
আবিদ বলে নিজেকে শান্ত কর মা,,,
নাহলে তুই অসুস্থ হয়ে যাবি,,
তখন যদি আরিয়াত তোকে এভাবে দেখে কতো কষ্ট পাবে বল।
থাক পাপা আমাকে আর শান্তনা দিও না,,,
আমাকে আমার বনুর কাছে যেতে হবে।
বলে নিচে চলে আসে,,,
সেখকানে দেখে কুহুল বসে নাস্তা করছে।
আবিদা তার মায়ের সামনে দাড়িয়ে বল,,
আমার বোনকে কোন বাড়িতে রেখে আসছেন??
কুহুল শান্ত স্বরে উওর দেয় জানি না!!
আবিদার রাগ এবার চরমে উঠে যায়,,,
জানি না মানে কি,,
ও কি রাস্তার মেয়ে যে ওর বিয়ে দিয়ে দিছেন আর কোনো খোঁজ জানেন না।
কুহুল বলে কালকে এতো কাহিনী হয়েগেছে যে সব কিছু জানার সময় ছিলো না তাই জানি না আরিয়াত এখন কোন বাড়িতে আছে।
আপনি তো ওর খালা প্লাস চাচীমা তাহলে না জেনে শুনে বিনা নাম ঠিকানাতে মেয়েটাকে পাঠিয়ে দিতে পারলেন,,,
ওর জায়গাতে আমি থাকলে এমন করতে পারতেন??
কুহুল বলে তুমি তো এর জায়গাতে ছিলে না তাই তোমার সাথে এমন কিছু কোনোদিন আমি হতে দিবো না,,,
বলে কুহুল সেখান থেকে উঠে চলে যায়।
কুহুল বাহিরে যাবার সময় আবিদ পেছন থেকে বলে যাবার আগে ছেলের নাম তো বলে যাও।
রাজিন খান,,,এর বেশি কিছু জানি নাহ আমি।বলে চলে যায়।



রাজিন আরিয়াত কে সাথে করে নিচে আসে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে।
আরিয়াত কে দেখে আয়েশা বেগম তাড়াতাড়ি আরিয়াত কে জড়িয়ে ধরে দু হাতে চুমো খেয়ে বলে আমার মেয়েটা অনেক মিষ্টি হয়ছেরে রাজিন।
রাজিন বলে আরিয়াত আমার আম্মা,,
আরিয়াত তারাতারি নিচু হয়ে শাশুড়ি কে সালাম করতে যায়,, কিন্তু আয়েশা বেগম থামিয়ে দিয়ে বলে পায়ে হাত দিও না,,তুমি আমার মেয়ে আমার বুকে আসো,,তাই বলে আরিয়াত কে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে আদর করে আর কপালে চুমা দেয়। আরিয়াত আজ কোনো মায়ের ভালবাসার আদরে নিজেকে সিক্ত মনে করছে।
পেছন থেকে কর্কশ গলায় একজন মহিলা বলে,,খুব তো মেয়ে মেয়ে করে গলে যাচ্ছ,,ঐ মেয়ের জন্য যে আমাদেন মান সম্মান শেষ সে দিকে খেয়াল আছে তোমার??
বড় ভাবি আসলে,,
চুপ করো তুমি তোমার ছেলের জন্য বাড়ির বড় ছেলে থাকতে ছোট ছেলের বউ আসছে,,সমাজে জানাজানি হলে আমাদের স্ট্যাটাস কোথায় যাবে যানো।
তুমি জানবে কি করে ঐ রান্নাঘর ছাড়া বাহিরে দেখছ কখনো??
আয়েশা বেগম চুপ করে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে।
এবার আরিয়ার হাত ধরে রাজিন বড় মার সামনে দাড়িয়ে বলে বড় মা রিলেক্স বিয়ে করছি তাতে বড় ভাইয়ার সম্মানে কোনো আচ আসবে না।।এই নাই আরিয়াতকে তোমাকে দিয়ে দিলাম তুমি কি করবা জানি না,,এখন আমি ভুলে গেছি একে আমি বিয়ে করছি,,বাকিটা তুমি ভালই জানো।
বড় মা কে জড়িয়ে ধরে বাহিরে চলে যায়।
বড় মা আরিয়াত কে বলে এই মেয়ে নাম কি তোমার??
আরিয়াত মাথা নিচু করে বলে,,জ্বি আরিয়াত চৌধুরী আশা।
যে না চেহারা সুরত তার নামের কি বাহার,,এতো বড় নাম ধরে ডাকতে পারবো না,,আশা বলেই ডাকবো।।।আর যাও নতুন শাড়ি চেন্জ করে আসো।
আয়েশা বেগম বলে ভাবি ও এ বাড়ির বউ!
বড় মা কিসের বউ ওর বর ওকে বউ বলে মানে না,,সো আর আমার ছেলের বউয়ের আগে এ বাড়িতে কোনো বউ থাকতে পারবে না।এখন তুমি কি চাও বলো।
আয়েশা বেগম একবার আরিয়াতের দিকে তাকিয়ে বলে,, আচ্ছা আপনি যা ভাল বোঝেন বলে সে সেখান থেকে চলে যায়।।
বড় মা বাড়ির কাজের মেয়ে ফুলির সাথে পাঠিয়ে দেয়।
একটু পর বাড়ির সার্ভেন্ট দের কাপড় পড়ে চলে আসে।
বড় মা ফুলিকে বলে যা ফুলি ওকে সব কাজ দেখিয়ে দে ওহ আজ থেকে তোর সাথে থাকবে আর তোর সাথে কাজ করবে।
ফুলির সাথে আরিয়াত রান্নাঘরে চলে যায়,,
আয়েশা বেগম আরিয়াত কে বলে মা বড় ভাবির কথায় কিছু মনে করো না,,সে তোমার চাচী শাশুড়ি,, এ বাড়ির সব দায়িত্ব তার।এ পরিবারের সবার খেয়াল রাখে সে।তুমি কিছু মনে করো না।
আসলে আমাদের পরিবারের সম্মানের উপর ভাবী কোনো আচ আসতে দেয় না।তার থেকে বড় কথা সে তার ছেলে রিয়াদ আর রাজিনের মাঝে কোনো বিভেদ করে না তাই বড় বউ না আসা পর্যন্ত তোমাকে মনে হয় ছোট বউয়ের অধিকার দিবে না।
আরিয়াত শাশুড়ি মার হাত ধরে বলে না মা আমার সমস্যা নেই।।আচ্ছা আমি কি আপনাকে মা বলে ডাকতে পারি??
আয়েশা বেগম বলে আরে পাগলি মেয়ের কথা শোনে মা কে মা বলে ডাকতে অনুমিত লাগবে না।
আচ্ছা তোমার কপাল কেটে গেছে কি করে।।
আসলে মা বাথরুমে পড়ে গেছিলাম।
দেখছো মেয়ের কান্ড,,এর পর সাবধানে চলাফেরা করবা।।জ্বি মা।
তা তুমি কোনো কাজ করতে পারো??
মাথা নিচু করে আরি উওর দেয় নাহ।
আয়েশা বেগম বলে সমস্যা নাই আমি সব শিখিয়ে পড়িয়ে নিবো।
পেছন থেকে বড় মা বলে ওঠে তুমি ঐ রান্নাকরা ছাড়া আর কি বা শেখাতে পারো,,যেমন তুমি তেমন এই মেয়েটা।তাড়াতাড়ি গল্প বাদ দিয়ে রান্নাতে মন দাও।
রান্নাকরার সময় আয়েশা বেগম আরিয়াত কে নিজে হাতে খাইয়ে দেয় আর বলে জানো আমার একটা মেয়ের শখ ছিলো কিন্তু কপালে মেয়ে নেই।যাক আমার মেয়ের শখ তুমি পূরণ করবা পারবে না।
আরিয়াত বলে,,মা যখন ডাকছি তখন তো তোমার মেয়ে হয়েগেছি আমি।মা মেয়ের ঘরকন্না চলছে।


আবিদা কি করবে বুঝতে পারছে না।কি ভাবে তার বনু কে খুজে বাহির করবে,,কি জানি আমাকে ছাড়া একা একা কি করছে,, না জানি খেয়েছে কি না,,কোন পরিবেশে আছে তাও কেউ জানে নাহ।
আবিদ এসে বলে ছেলের নাম রাজিন খান।
আবিদা রাজিন খান নাম শুনে ৪৪০ ভোল্টের ঝটকা খায়।
পাপা ও ছেলে কোনোদিন আমার বনু কে ভাল রাখতে পারবে না।।(আমি যা করছি তারপর আর ভাল কিছু আশা করি না ঐ রাজিনের থেকে) মনে
আবিদ বলে তুমি এতো শিউর কি করে।
তা অনেক কথা তোমার জানতে হবে না।
(অনেক বড় মিস্টেক করছেন মিসেস কুহুল আফরিন,, এর ফল আপনাকে ভোগ করতে হবে।
মনে মনে বলে)
এখন আমি কি করে আমার বোনোর কাছে যাবো।
#2য়_পর্বের_লিংক (ভালো গল্প পেতে পেজে সকল এ এড হওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো)
https://www.facebook.com/370249216773353/posts/987596268371975/?app=fbl
(গল্প সবার কেমন লাগছে জানাবে কিন্তু 😊😊)
.
.
.
চলবে.....

Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label