শারিরিক সম্পর্ক ছাড়াই মেঘা প্রেগন্যান্ট ?
এটা আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছ না ।
।
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া প্রেগন্যান্ট হয় কি করে?
মেঘা আমার স্ত্রী
।
আমার সাথে ওর ৪ মাস হলো বিয়ে হয়েছে ।
।
বিয়েটা পারিবারিক ভাবেই হয়েছে ,,,,,,
।
মেঘা দেখতে অনেক সুন্দর।
।
সবসময় পর্দা করে চলে ,
।
পরপুরুষের সাথে মেলামেশা তো দূরের কথা,
।
সামনেই যায় না।
।
বিয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত
।
আমি ওকে স্বামীর অধিকার দেইনি।
।
ওকে বঞ্চিত করেছি স্বামীর আদর, সোহাগ,ভালবাসা থেকে।
।
অবশ্য তারও একটা কারণ আছে।
।
কারনটা হলো
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,আমি একজনকে ভালোবাসতাম ।
।
ভালবাসতাম না এখনো ভালবাসি ,
।
তবে আগের মতো না কারণ
।
আমি এখন মেঘাকে একটু হলেও
।
ভালোবাসতে শুরু করেছি, দুর্বল হয়ে যাচ্ছি ওর প্রতি ।
।
মাঝে মাঝে ভাবি আমার ভুলে ও কেন কষ্ট পাবে
।
, দিয়ে দেবো ওকে স্বামীর অধিকার।
।
তখনই মনে পড়ে যায় নদীর কথা ।
।
যাকে আমি নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে ভালোবেসেছি।
।
যে এই সাগরের বুকে অনেকটা জায়গা দখল করে আছে।
।
তাই আজো পারিনি নদীকে ভুলতে।
।
পারিনি তার স্মৃতি গুলো ভুলতে।
।
খুব সাজানো গোছানো ছিল আমাদের প্রেমটা ।
।
প্রতিদিন ফোনে কথা বলা ,
।
মাঝে মাঝে ঘুড়তে যাওয়া ।
।
কিন্তু এতো সুখ আমার জীবনে সয়নি ।
।
ওর বাবা নদীকে এক বড়লোকের ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দেয়।
।
যেই মেয়েটা একসময় বলতো
।
আমি তোমার জন্য সব করতে পারবো সাগর ।
।
সেই মেয়েটিই বিয়েতে নিসংকোচে রাজি হয়ে গেল।
।
আমার হাতে বিয়ের কার্ড দিয়ে বললো ভুলে যাও আমাকে ।
।
আমি তখন ওর হাত ধরে বলেছি যেওনা ,,,,, কিন্তু
।
ও হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বললো সম্ভব না ।
।
পারলে ক্ষমা করে দিও।
সেই থেকে মেয়েদের প্রতি আমার ঘৃনা জন্মে গেছে ।
।
এরা শুধু সার্থ বোঝে মন বলে এদের কিছুই নেই ,,,, কিন্তু
।
মেঘার সাথে বিয়ের পর আস্তে আস্তে আমার সেই ধারনা বদলে গেছে ।
।
শুরু করেছি ওকে নতুন করে ভালবাসতে।
।
ওতো কোন ভুল করেনি আমি ওকে মেনে নিবো ।
।
স্বামীর অধিকার দেবো ওকে,
।
যেটার জন্য মেঘা বিয়ের পর থেকে অপেক্ষা করে আছে ।
বিকেলে অফিস থেকে আসার সময় ওর জন্য একটা শাড়ি নিয়ে আসলাম
।
মেঘাকে প্রপোজ করে আপন করে নিবো তাই ।
।
আমি বাসায় এসে দেখলাম মেঘা
।
মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।
।
আমি ওকে কোলে করে রুমে বিছানায় শুয়ে দিলাম।
।
ডাঃ আতিক ,,,, আমার বন্ধু কে ফোন করে
।
বাসায় আসতে বললাম আর কেন আসতে বলছি সেটাও বললাম।
।
আতিক এসে ওকে চেক করে মুখে হাসি নিয়ে আমাকে বললো
।
দোস্ত মিষ্টি আন তুই বাবা হতে চলেছিস।
।
কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরবে ।
।
আতিক চলে গেল।
।
আমিও ওকে হাসি মুখে বিদায় দিলাম কারন
।
এসব বিষয়ে বাইরের লোক না জানলেই ভালো।
।
কিন্তু আমি আমার মনকে স্থির করতে পারছি না।
।
বার বার নিজের মনকে জিজ্ঞেস করছি ,,
।
শারিরিক সম্পর্ক ছাড়াই মেঘা প্রেগন্যান্ট ?
।
এটা আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছ না ।
।
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া প্রেগন্যান্ট হয় কি করে।
।
নিশ্চয়ই নিজের স্বামী রেখে অন্য কারো সাথে রাত কাটিয়ে
।
এই বাচ্চার মা হতে চলেছে মেঘা।
।
এই বাচ্চা ওর পরকিয়ার ফসল ,
।
এবার ওর প্রতি নতুন করে জন্ম নেওয়া ভালবাসাটা
।
ঘৃনায় পরিনত হয়েছে,,,
।
না আমার ধারণাই সঠিক ছিল
।
সব মেয়েরাই এক এদের মনে ভালবাসা বলে কিছুই নেই
।
কিছুক্ষণ পর ওর জ্ঞান ফিরলে
।
আমি ওর পাশে গিয়ে বসলাম ।
।
বসতেই ও আমাকে জিজ্ঞেস করল আমি এখানে কেন?(মেগা)
আপনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলেন ।
।
তাই এখানে আমি নিয়ে এসেছি
।
আর অজ্ঞান হয়ে ছিলেন তাই ডঃ ডেকেছি,,,,
।
ডঃ কি বলেছেন তা আপনি জানেন?(আমি)
কি বলেছে ? (মেগা)
আপনি প্রেগন্যান্ট । (আমি)
এটা বলতেই ও মুখে হাসি এনে আমার হাত ধরে
।
ওর মাথার নিচে রাখতে চাইলে আমার খুব রাগ হলো ।
।
তাই হাতটাকে ছিটকে সরিয়ে নিয়ে বললাম ,,,,,,,,,,,,,
আমার হাত ধরার কোন অধিকার নেই তোর ।
।
তুই একটা নষ্টা অস্বতি , মেয়ে ,
।
নিজের স্বামী রেখে অন্য পুরুষের সাথে সময় কাটিয়ে
।
এই বাচ্চার জন্ম দিতে চাইছিস।
।
তোর থেকে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(আমি)
Next part porte follow diye sathe thakun,,,,na hole golpo paben na
শারিরিক সম্পর্ক ছাড়াই মেঘা প্রেগন্যান্ট ?
এটা আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছ না ।
।
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া প্রেগন্যান্ট হয় কি করে?
মেঘা আমার স্ত্রী
।
আমার সাথে ওর ৪ মাস হলো বিয়ে হয়েছে ।
।
বিয়েটা পারিবারিক ভাবেই হয়েছে ,,,,,,
।
মেঘা দেখতে অনেক সুন্দর।
।
সবসময় পর্দা করে চলে ,
।
পরপুরুষের সাথে মেলামেশা তো দূরের কথা,
।
সামনেই যায় না।
।
বিয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত
।
আমি ওকে স্বামীর অধিকার দেইনি।
।
ওকে বঞ্চিত করেছি স্বামীর আদর, সোহাগ,ভালবাসা থেকে।
।
অবশ্য তারও একটা কারণ আছে।
।
কারনটা হলো
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,আমি একজনকে ভালোবাসতাম ।
।
ভালবাসতাম না এখনো ভালবাসি ,
।
তবে আগের মতো না কারণ
।
আমি এখন মেঘাকে একটু হলেও
।
ভালোবাসতে শুরু করেছি, দুর্বল হয়ে যাচ্ছি ওর প্রতি ।
।
মাঝে মাঝে ভাবি আমার ভুলে ও কেন কষ্ট পাবে
।
, দিয়ে দেবো ওকে স্বামীর অধিকার।
।
তখনই মনে পড়ে যায় নদীর কথা ।
।
যাকে আমি নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে ভালোবেসেছি।
।
যে এই সাগরের বুকে অনেকটা জায়গা দখল করে আছে।
।
তাই আজো পারিনি নদীকে ভুলতে।
।
পারিনি তার স্মৃতি গুলো ভুলতে।
।
খুব সাজানো গোছানো ছিল আমাদের প্রেমটা ।
।
প্রতিদিন ফোনে কথা বলা ,
।
মাঝে মাঝে ঘুড়তে যাওয়া ।
।
কিন্তু এতো সুখ আমার জীবনে সয়নি ।
।
ওর বাবা নদীকে এক বড়লোকের ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দেয়।
।
যেই মেয়েটা একসময় বলতো
।
আমি তোমার জন্য সব করতে পারবো সাগর ।
।
সেই মেয়েটিই বিয়েতে নিসংকোচে রাজি হয়ে গেল।
।
আমার হাতে বিয়ের কার্ড দিয়ে বললো ভুলে যাও আমাকে ।
।
আমি তখন ওর হাত ধরে বলেছি যেওনা ,,,,, কিন্তু
।
ও হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বললো সম্ভব না ।
।
পারলে ক্ষমা করে দিও।
সেই থেকে মেয়েদের প্রতি আমার ঘৃনা জন্মে গেছে ।
।
এরা শুধু সার্থ বোঝে মন বলে এদের কিছুই নেই ,,,, কিন্তু
।
মেঘার সাথে বিয়ের পর আস্তে আস্তে আমার সেই ধারনা বদলে গেছে ।
।
শুরু করেছি ওকে নতুন করে ভালবাসতে।
।
ওতো কোন ভুল করেনি আমি ওকে মেনে নিবো ।
।
স্বামীর অধিকার দেবো ওকে,
।
যেটার জন্য মেঘা বিয়ের পর থেকে অপেক্ষা করে আছে ।
বিকেলে অফিস থেকে আসার সময় ওর জন্য একটা শাড়ি নিয়ে আসলাম
।
মেঘাকে প্রপোজ করে আপন করে নিবো তাই ।
।
আমি বাসায় এসে দেখলাম মেঘা
।
মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।
।
আমি ওকে কোলে করে রুমে বিছানায় শুয়ে দিলাম।
।
ডাঃ আতিক ,,,, আমার বন্ধু কে ফোন করে
।
বাসায় আসতে বললাম আর কেন আসতে বলছি সেটাও বললাম।
।
আতিক এসে ওকে চেক করে মুখে হাসি নিয়ে আমাকে বললো
।
দোস্ত মিষ্টি আন তুই বাবা হতে চলেছিস।
।
কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরবে ।
।
আতিক চলে গেল।
।
আমিও ওকে হাসি মুখে বিদায় দিলাম কারন
।
এসব বিষয়ে বাইরের লোক না জানলেই ভালো।
।
কিন্তু আমি আমার মনকে স্থির করতে পারছি না।
।
বার বার নিজের মনকে জিজ্ঞেস করছি ,,
।
শারিরিক সম্পর্ক ছাড়াই মেঘা প্রেগন্যান্ট ?
।
এটা আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছ না ।
।
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া প্রেগন্যান্ট হয় কি করে।
।
নিশ্চয়ই নিজের স্বামী রেখে অন্য কারো সাথে রাত কাটিয়ে
।
এই বাচ্চার মা হতে চলেছে মেঘা।
।
এই বাচ্চা ওর পরকিয়ার ফসল ,
।
এবার ওর প্রতি নতুন করে জন্ম নেওয়া ভালবাসাটা
।
ঘৃনায় পরিনত হয়েছে,,,
।
না আমার ধারণাই সঠিক ছিল
।
সব মেয়েরাই এক এদের মনে ভালবাসা বলে কিছুই নেই
।
কিছুক্ষণ পর ওর জ্ঞান ফিরলে
।
আমি ওর পাশে গিয়ে বসলাম ।
।
বসতেই ও আমাকে জিজ্ঞেস করল আমি এখানে কেন?(মেগা)
আপনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলেন ।
।
তাই এখানে আমি নিয়ে এসেছি
।
আর অজ্ঞান হয়ে ছিলেন তাই ডঃ ডেকেছি,,,,
।
ডঃ কি বলেছেন তা আপনি জানেন?(আমি)
কি বলেছে ? (মেগা)
আপনি প্রেগন্যান্ট । (আমি)
এটা বলতেই ও মুখে হাসি এনে আমার হাত ধরে
।
ওর মাথার নিচে রাখতে চাইলে আমার খুব রাগ হলো ।
।
তাই হাতটাকে ছিটকে সরিয়ে নিয়ে বললাম ,,,,,,,,,,,,,
আমার হাত ধরার কোন অধিকার নেই তোর ।
।
তুই একটা নষ্টা অস্বতি , মেয়ে ,
।
নিজের স্বামী রেখে অন্য পুরুষের সাথে সময় কাটিয়ে
।
এই বাচ্চার জন্ম দিতে চাইছিস।
।
তোর থেকে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(আমি)
Next part porte follow diye sathe thakun,,,,na hole golpo paben na






No comments:
Post a Comment