গল্প:#একমুখী ভালবাসা"।
"আমি বিয়া করবো"
"হু কর না।জামাই কে?"
-জানিস না
--না।
-আমার মাথা।
--মানুষ মাথার সাথে বিয়ে করে কিভাবে?
-তুই ফালতু কথা বন্ধ করবি?
--ওকে। নো সাউন্ড।
-রায়হান কে বিয়ে করবো। ফ্যামিলি কে বোঝাবো কিভাবে সেটাই তো বুঝছি না।
--রায়হান কে বিয়ে করার কি দরকার আমি আছি না।
-আমি এখানে সিরিয়াস কথা বলছি ,তুই তোর ফাজলামো নিয়ে পড়ে আছিস।তুই থাক,আমি গেলাম।
--আরে বস বস।এবার সিরিয়াস আগে বল তুই রায়হানের মধ্যে পেলি টা কি?
-আমার মনের মত সব।তার সব কিছুই ভালো লাগে তার স্টাইল,কথা বলা,পড়াশুনায় বেষ্ট পারফেক্ট।
--ওহ,এজন্য নিরফা মহাজন পটে গেছে।
-এখন তুই কিছু আইডিয়া দিতে পারবি?
--আমি বলি কি,তুই রায়হান কে ফিটফাট করে তার বাবা মা সহ তোর বাসায় পাঠা দেখবি তোর বাবা মা তাকে রিজেক্ট করতেই পারবে না।আর আমি তো আছিই।তোর বাবা তো আমাকে খুব পছন্দ+বিশ্বাস করে,আমার কথা ফেরাবেন না।
-গুড আইডিয়া,এইনা আমার বেষ্ট টু।
নিরফা চলে গেল।
ভেতর দিয়ে কেমন মোচড় দিয়ে উঠলো।সে মনে হয় আমার সাথে রায়হান কে নিয়ে এমনি মজা করছে।
রাতে,
নিরফা কে কল করলাম। কিন্তু,
কল ওয়েটিং এ।"কার সাথে এত রাতে কথা বলছে। যার সাথে কথা না বলে ঘুম আসত না।কিন্তু আজ কার সাথে এত কথা।
পরদিন,
কলেজ গেলাম।
ক্লাস শেষ করে আবার গাছতলার দিকে গেলাম নিরফার সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্য, নিরফা সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল কিন্তু একা না সাথে ছিল একটা সুদর্শন ছেলে।
বুঝতে তো আর বাকি নেই,এনি হচ্ছেন রায়হান।
আজ ভেবেছিলাম নিরফাকে নিজের মনের কথা টা বলবো।সেটা আর হল না।বিধাতা হতে দিল না। হটাৎ করে সব যেন কেমন এলো মেলো লাগা শুরু করলো।
আর সেখানে না থেকে ,ক্যাম্পাসের অন্য এক গাছ তলায় বসলাম।
মাথা নিচু করে বসেছিলাম।যাকে সবচেয়ে কাছের মানুষ মনে হয় সে যখন দূরে চলে যায়।তখন যে অনুভূতিটা হয় সেই অনুভূতিটাই হচ্ছে।
চোখ দিয়ে দুফোঁটা পানি পড়ে ও গেছে।
হঠাৎ কেউ যেন আমায় ডাকলো।
"এই যে"
মনে হল নিরফা ডাকলো ।আমি মাথা তুললাম কিন্তু এত অন্য কেউ।
"এই যে, ইশ!আপনি কাদছেন? ছেলেরা না কাদে না!"
আমি হাত দিয়ে চোখ মুছলাম।নিজেকে ঠিক করার চেষ্টা করলাম,যতটা সম্ভব।
এখন তাকিয়ে দেখি ,একটা মেয়ে।সম্ভত আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর না।তারপর ও ,একটু চেনা লাগছে।
"হুম,না কিছু না।এমনি চোখে পানি এসে পড়ছে"
"আসলেই মানুষের যখন ইমোশনাল হয় যায়,তার মাথায় একটু খানিও সেন্স কাজ করে না।একটা মিথ্যে কথা ঠিক করে বলতে পারে না, উঠুন"
আমি দাড়ালাম।
আমাকে একটা টিস্যু এগিয়ে দিল সে।আমি তার দিকে তাকালাম।
-মুছুন এত হ্যান্ডসাম পোলা, কাদলে পোরা রোহিঙ্গা লাগে। হা হা হা ।
বলেই হেসে দিলো।
হাসিটা অপরূপ সুন্দর খুব মায়াবী।
এবার সে হাসি থামিয়ে আমার দিকে তাকালো।
মুখে একটা বিরক্তির ভাব নিয়ে আমার দিকে তাকালো।
"আপনি এখনো দাড়িয়ে আছেন!"
আমি নিজের হুসে এসে নিজের মুখ মুছলাম।
"যাবেন,এখন?"
"কোথায়?"
"কাজী অফিস"
"কাজী অফিস!! কেন?"
"কেন আবার বিয়ে করতে"
"বিয়ে, ফাইজলামি চলতাছে নাকি আমার সাথে"
"হুম,আমার কি খাইয়া দাইয়া কাম নাই নাকি? আসলেই নাই।তাই বলে কি কাজী অফিস যাবো নাকি।বলছিলাম ,ক্যাম্পাসের ক্যাফে যেতে।কিছু নাস্তা করবো।"
আমি মাথা নাড়িয়ে তার সাথে পিছু পিছু চলে গেলাম। মাথায় কিছু ডুকছে না,এই মেয়ে যেটা বলছে সেটাই আমি করছি কেন?
ক্যাফে বসার আগেই সে কিছু অর্ডার করে নিল।
"আচ্ছা,আমাকে এখানে কেনো নিয়ে এসেছেন?"
"ও আচ্ছা,বলা তো হয় নি।আসলে মাইন্ড করবেন না।আমি আজকে তাড়াহুড়ো করে বাসাতে থেকে বের হতে গিয়ে পার্স ও আনে নি। আর খেয়েও আসি নি।এখানে অনেক ক্ষুদা লেগে যায় আর আমার ফ্রেন্ড দের ও কাউকে পাচ্ছিলাম না।"
"তো সকাল সকাল আমাকে পেলেন হালাল করার জন্য"
"আসলে তেমন,আপনাকে দেখে মনে হচ্ছিল আপনি একা,আর মনটাও খারাপ।তাই একটু সঙ্গ দিতে আসলাম আরকি।"
বলেই একটু হাসে, তবে আমার রাগান্বিত চেহারা দেখে একটু ভয় পায়।
"সরি" বলেই নিজের ব্যাগ দিয়ে নিজের মুখটা আড়াল করে ফেলে।
মেয়ে টার কাহিনী দেখে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারলাম না। হেসে দিলাম।
সে ব্যাগ সরিয়ে আমাকে হাসতে দেখে আশ্বাস পেলো। সে ও হাসলো।
তার সাথে সাথে আমিও অর্ডার দিয়ে নাস্তা শুরু করে দেই।
"আচ্ছা,তোমার নাম কি?"
"বজ্জাত নী, কাম চোর"
"কি!!!!"
"না আসলে আমার বান্ধবীরা আর আম্মু এই নামে ডাকে"
"ও আচ্ছা"
"এমনে নাম জোবাইদা"
"জোবাইদা।"
"আচ্ছা ,তখন আপনি কাদছিলেন কেন?"
তার প্রশ্ন করায় আবার নিরফার কথা মনে পড়লো।এতক্ষন মনে ছিল না।মন আবার খারাপ হয় গেল।
আমি কোনো উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে রইলাম।
"কি গার্লফ্রেন্ড ছেকা দিছে"
মাথা নাড়িয়ে না করলাম।
"বউ অন্য কারো সাথে পালিয়ে গেছে"
"এ্যা"
"কি বউ পালিয়ে গেছে!!"
"আরে বউ থাকলো ত পালাবে"
"তাহলে"
"থাক,অন্যদিন"
জোবাইদা যাওয়ার আগে ফোন নাম্বার নিয়ে বলে গেল, আমার এই ঋণ খুব ফাস্ট শোধ করে দেবে।
আজ ক্লাস না করে বাসায় চলে যাই।এখানে থাকলে আরো বেশি নিরফার কথা মনে পড়বে
।
বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
রাতে,
কল আসে আননোন নাম্বার থেকে, আমি রিসিভ করি।
"হ্যালো,আসসালামুআলাইকুম"
"অলাইকুম আসসালাম" (নারীকণ্ঠ)
"কে বলছেন?"
"উমম, আমি বলছি"
" আমি টা কে?"
" আপনার সকালের নাস্তা পার্টনার"
একটু ফ্ল্যাশ ব্যাক এ গেলাম।
মনে পড়ছে।
"ও হ্যা,আমাকে হঠাৎ কল!"
"এভাবেই,ঘুম আসছে না। বা ইচ্ছে করছে না।তাই আমার মত আরেকজনকে রাত জাগা পাখি বানাতে চাই।"
আমারও ঘুম আসছিলো না।কারন সারা সকাল ঘুমিয়েছি।আর জেগে থাকলে নিরফার কথা মনে পড়বে।
"আচ্ছা,বানান"
এরপর থেকে জোবাইদার সাথে একটু একটু করে সময় কাটানো।সময়টায় খুব ভালই কাটছিল বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। শুধুমাত্র নিরফা কাছে ছিল না সময় দিচ্ছিল না।
এরই মাঝে একদিন বাসায় কলিং বেল বেজে ওঠে।
আমি শুয়ে শুয়ে গান শুনছিলাম । আম্মু দেখে বলল, মেহেদী তোর বান্ধুবি এসেছে।
আমি মনে মনে বলি এখন কে আসতে পারে।
গিয়ে দেখি!!
"কিরে কয়েকদিন ধরে কোনো খোঁজ খবর নাই,ফোন টোন তো আর দেস না।"
নিরফা সামনে দাড়িয়ে।
নিরফা আরো কিছু কথা বলে আমার দিকে একটা কার্ড এগিয়ে দিল।
"কার বিয়ের কার্ড?"
"খুলে দেখ"
খুলে দেখি ,এটা নিরফার বিয়ের কার্ড।
আমি কি খুশি হব না কাদবো ,আমি বুঝতে পারছিলাম না।শরীর পুরো পাথর মত অনুভব হতে লাগে।
সে আমার হাত ধরে জোর দিয়ে বলল,
"আমার বিয়ের সব কাজ কিন্তু তোর হাতেই দিলাম,বিয়ের পাচদিন আগে আমার বাড়িতে দেখতে চাই"
বলেই চলে গেল।
আমি হয়ত কখনই যেতাম না বিয়েতে।কিন্তু নিজের বুন্ধত্ব রক্ষার্থে আর তার মন যাতে না ভাঙ্গে ,আমি পাঁচদিন আগে যাই তার বাড়িতে।
সেখানে আমাদের আরো কিছু ফ্রেন্ডসরা আসে।
যেহুতু,আমাকে দায়িত্ব দেওয়া বিয়ের কাজের,তাই ব্যাস্ততায় সময় টা চলেই যাচ্ছিল।মাঝে কয়েকবার কল করেছিলাম জোবাইদাকে। কিন্ত ফোন বন্ধ।
বিয়ের আগের দিন,
রুমে আরামে ঘুমাচ্ছিলাম স্বপ্নে দেখতেসি এক বিশাল বড় পিপড়া আমার হাতের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।কেমন একটা সুড়সুড়ি ভাব।হটাৎ করে পিপড়া টা কামড় দিয়ে উঠলো।আমি হাঁ করে উঠলাম।ঘুম ভেংগে যায়।চোখ খুলে দেখি একটা মেয়ে আমার সামনে বসে অনবরত হাসছে।চেহারাটা অস্পষ্ট ঘোলা ঘোলা। একটু পর যখন পরিষ্কার দেখি।তখন দেখতে পেলাম সামনে বসে জোবাইদা হাসছে। মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছিলো সে এখানে কিভাবে?
চলবে..........
লেখক:-মোঃ মেহেদী হাসান (কাব্য লেখক)।
(আগামী পর্বেই শেষ)......
"হু কর না।জামাই কে?"
-জানিস না
--না।
-আমার মাথা।
--মানুষ মাথার সাথে বিয়ে করে কিভাবে?
-তুই ফালতু কথা বন্ধ করবি?
--ওকে। নো সাউন্ড।
-রায়হান কে বিয়ে করবো। ফ্যামিলি কে বোঝাবো কিভাবে সেটাই তো বুঝছি না।
--রায়হান কে বিয়ে করার কি দরকার আমি আছি না।
-আমি এখানে সিরিয়াস কথা বলছি ,তুই তোর ফাজলামো নিয়ে পড়ে আছিস।তুই থাক,আমি গেলাম।
--আরে বস বস।এবার সিরিয়াস আগে বল তুই রায়হানের মধ্যে পেলি টা কি?
-আমার মনের মত সব।তার সব কিছুই ভালো লাগে তার স্টাইল,কথা বলা,পড়াশুনায় বেষ্ট পারফেক্ট।
--ওহ,এজন্য নিরফা মহাজন পটে গেছে।
-এখন তুই কিছু আইডিয়া দিতে পারবি?
--আমি বলি কি,তুই রায়হান কে ফিটফাট করে তার বাবা মা সহ তোর বাসায় পাঠা দেখবি তোর বাবা মা তাকে রিজেক্ট করতেই পারবে না।আর আমি তো আছিই।তোর বাবা তো আমাকে খুব পছন্দ+বিশ্বাস করে,আমার কথা ফেরাবেন না।
-গুড আইডিয়া,এইনা আমার বেষ্ট টু।
নিরফা চলে গেল।
নিরফা কে কল করলাম। কিন্তু,
কল ওয়েটিং এ।"কার সাথে এত রাতে কথা বলছে। যার সাথে কথা না বলে ঘুম আসত না।কিন্তু আজ কার সাথে এত কথা।
"আসলেই মানুষের যখন ইমোশনাল হয় যায়,তার মাথায় একটু খানিও সেন্স কাজ করে না।একটা মিথ্যে কথা ঠিক করে বলতে পারে না, উঠুন"
আমাকে একটা টিস্যু এগিয়ে দিল সে।আমি তার দিকে তাকালাম।
বলেই হেসে দিলো।
হাসিটা অপরূপ সুন্দর খুব মায়াবী।
এবার সে হাসি থামিয়ে আমার দিকে তাকালো।
মুখে একটা বিরক্তির ভাব নিয়ে আমার দিকে তাকালো।
"কোথায়?"
"কাজী অফিস"
"কাজী অফিস!! কেন?"
"কেন আবার বিয়ে করতে"
"বিয়ে, ফাইজলামি চলতাছে নাকি আমার সাথে"
"হুম,আমার কি খাইয়া দাইয়া কাম নাই নাকি? আসলেই নাই।তাই বলে কি কাজী অফিস যাবো নাকি।বলছিলাম ,ক্যাম্পাসের ক্যাফে যেতে।কিছু নাস্তা করবো।"
আমি মাথা নাড়িয়ে তার সাথে পিছু পিছু চলে গেলাম। মাথায় কিছু ডুকছে না,এই মেয়ে যেটা বলছে সেটাই আমি করছি কেন?
"ও আচ্ছা,বলা তো হয় নি।আসলে মাইন্ড করবেন না।আমি আজকে তাড়াহুড়ো করে বাসাতে থেকে বের হতে গিয়ে পার্স ও আনে নি। আর খেয়েও আসি নি।এখানে অনেক ক্ষুদা লেগে যায় আর আমার ফ্রেন্ড দের ও কাউকে পাচ্ছিলাম না।"
"আসলে তেমন,আপনাকে দেখে মনে হচ্ছিল আপনি একা,আর মনটাও খারাপ।তাই একটু সঙ্গ দিতে আসলাম আরকি।"
বলেই একটু হাসে, তবে আমার রাগান্বিত চেহারা দেখে একটু ভয় পায়।
"সরি" বলেই নিজের ব্যাগ দিয়ে নিজের মুখটা আড়াল করে ফেলে।
মেয়ে টার কাহিনী দেখে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারলাম না। হেসে দিলাম।
"বজ্জাত নী, কাম চোর"
"কি!!!!"
"না আসলে আমার বান্ধবীরা আর আম্মু এই নামে ডাকে"
"ও আচ্ছা"
"এমনে নাম জোবাইদা"
"জোবাইদা।"
"আচ্ছা ,তখন আপনি কাদছিলেন কেন?"
"এ্যা"
"কি বউ পালিয়ে গেছে!!"
"আরে বউ থাকলো ত পালাবে"
"তাহলে"
"থাক,অন্যদিন"
।
"অলাইকুম আসসালাম" (নারীকণ্ঠ)
"কে বলছেন?"
"উমম, আমি বলছি"
" আমি টা কে?"
" আপনার সকালের নাস্তা পার্টনার"
মনে পড়ছে।
"এভাবেই,ঘুম আসছে না। বা ইচ্ছে করছে না।তাই আমার মত আরেকজনকে রাত জাগা পাখি বানাতে চাই।"
আমারও ঘুম আসছিলো না।কারন সারা সকাল ঘুমিয়েছি।আর জেগে থাকলে নিরফার কথা মনে পড়বে।
আমি শুয়ে শুয়ে গান শুনছিলাম । আম্মু দেখে বলল, মেহেদী তোর বান্ধুবি এসেছে।
"কিরে কয়েকদিন ধরে কোনো খোঁজ খবর নাই,ফোন টোন তো আর দেস না।"
নিরফা সামনে দাড়িয়ে।
নিরফা আরো কিছু কথা বলে আমার দিকে একটা কার্ড এগিয়ে দিল।
"কার বিয়ের কার্ড?"
"খুলে দেখ"
আমি কি খুশি হব না কাদবো ,আমি বুঝতে পারছিলাম না।শরীর পুরো পাথর মত অনুভব হতে লাগে।
"আমার বিয়ের সব কাজ কিন্তু তোর হাতেই দিলাম,বিয়ের পাচদিন আগে আমার বাড়িতে দেখতে চাই"
বলেই চলে গেল।
রুমে আরামে ঘুমাচ্ছিলাম স্বপ্নে দেখতেসি এক বিশাল বড় পিপড়া আমার হাতের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।কেমন একটা সুড়সুড়ি ভাব।হটাৎ করে পিপড়া টা কামড় দিয়ে উঠলো।আমি হাঁ করে উঠলাম।ঘুম ভেংগে যায়।চোখ খুলে দেখি একটা মেয়ে আমার সামনে বসে অনবরত হাসছে।চেহারাটা অস্পষ্ট ঘোলা ঘোলা। একটু পর যখন পরিষ্কার দেখি।তখন দেখতে পেলাম সামনে বসে জোবাইদা হাসছে। মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছিলো সে এখানে কিভাবে?






No comments:
Post a Comment