পর্বঃ১
আমার বাংলাদেশে যাওয়ার কোন ইচ্ছে নেই মম তুমি কেন বুঝতে চাইছ না আমরা লন্ডনেই তো অনেক ভালো আছি।বাংলাদেশে যাওয়ার কি দরকার
বেশি কথা বলিস না তোর বাপি বাংলাদেশে আমাদের জন্য একটা বাড়ি কিনেছে কালেই আমাদের বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে তোর বাপি যা বলেন তাই করেন তুই যানিস না।।
উফফ বিরক্তিকর...
জানিস তানি বাড়িটা নাকি অনেক সুন্দর..
-তো কি হইছে...
-তুই একদম বেশি বুঝিস
-হুম বুঝিই তো
বাপি এসে বলছে...
-কি হচ্ছে এইখানেই মা মেয়ে গল্প করছ বঝুই
আমিঃও বাপি আমরা লন্ডনে থেকে গেলে হয় না...?এইখানেই তো অনেক ভালো আছি।
বাপিঃআমি যা বলছি তার এক চুল ওহ নরবে না তোমরা কালকেই যাচ্ছ,,,
আমিঃআর তুমি কখন যাবা...?তুমি কি আমাদের সাথে যাবা না নাকি...?
বাপিঃআমার একটা important কাজ আছে ওইটা শেষ করে আমি যাব আগে তোমরা যাবে।আর হ্যাঁ রাফি কে ওহ সাথে করে নিয়ে যাবে।।
রাফি আমার ছোট ভাই
পরের দিন সকালেই এয়ারপোর্ট এ এসেছি আমি মুখ কালো করে রেখেছি..
আম্মুঃকিরে মুখটা কালো করে রেখেসিছ।বাংলাদেশে গেলে দেখিবি ভালো লাগবে..
আমিঃ চুপ করেই আছি যে কোন কথা না বলে...
রাফি এসে...
-হায় গাইজ...
-চুপ কর রাখ তোর গাইজ
-কিরে বুচি তোর আবার কি হলো..?
-কি হয়েছে বুঝতে পারছিস না
-ওহ অভি ভাইকে ছেড়ে যাচ্ছ বলে মন খারাপ নাকি..?
-মটে ও না...
-তাহলে কি অন্য কোনো চক্কর আছে নাকি...?
-মানে কি..?
-মানে বয়-ফ্রেন্ড...থাকতেই পারে কোন বেপার না...
-তুই চুপ করবি মাথা খারাপ করবি না তাহলে কিন্তু এইখানেই সবার সামনে খাবি মাইর...
-আচ্ছা বুচি সরি...
প্লেনে করে আমরা চলে আসি বাংলাদেশে
.
.
আমি ড্রাইভিং করছি যেহেতু আমি লন্ডনে বড় হয়েছি তাই ড্রাইভিং টা আমার জানা আছে।।
গাড়িতে বসে আমরা তিন জন কথা বলিছি হঠাৎ গাড়ি টা খারাপ হয়ে যায়।।
আমিঃএই গাড়িটার আবার কি হল উফফ কি বিরক্তিকর।।
গাড়ি থেকে নেমে গাড়ি চেকিং করে দেখি ইঞ্জিন গরম হয়ে গেছে পানি দিতে হবে।।
রাফি কে বল্লাম তুই গিয়ে আসে পাশে দেখত কোথাও পানি পাওয়া যায় কিনা....?
আমি এই সুজুগে চার পাশটা দেখছিলাম হঠাৎ আম্মু চিৎকার শুনে দৌড়ে গেলাম
আমিঃমম কি হয়েছে তোমার এইভাবে চিৎকার দিলা যে
আম্মু হাপাতে হাপাতে বলছে এই গাড়ি টা কেউ যেন অনেক জোরে ঝাকি দিল
আমি আশেপাশে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলাম না হঠাৎ রাফি এসে বলছে
নারে কোথাও কোন মানুষের দেখা পেলাম না
আমিঃ এর জন্যই বলছিলাম এইখানে আসব না হল তো এখন এই মাঝরাতে এইখানে আটকে থাকি।।
রাফিঃতানি দেখ দেখ দূরে একটা লোককে দেখা যাচ্ছে মনে হয় অনাকে জিজ্ঞেস কর আসে পাশে কোন দোকান বা ধাবা পাওয়া যাবে কিনা
আমিঃদাড়া আগে আসতে দে....
৫মিনিট পর উনি আমাদের সামনে আসছে
আমি এই যে ভাই শুনছেন আসে পাশে কি কোন দোকান পাওয়া যাবে আমাদের একটু পানি লাগবে আমাদের গাড়ি টা খারাপ হয়ে গেছে তো তাই....
কি আজিব তো এইভাবে কি কেউ কাউকে ইগনর করে কোন পাত্তাই দিল না কি আজিব মানুষ
ওহ হ্যালো আপনি কি আমাকে শুনতে পাচ্ছেন
অনেকক্ষন পরে উত্তর দিল
আমাকে বলছেন...?
কি আজিব আর কাকে বলব....
ওহ আচ্ছা!
এবার বলবেন একটু..?
হুম এই জঙ্গলের পাশ দিয়ে একটা রাস্তা আছে ওইখানে গেলে একটা পুকুর আছে গেলেই পাবে...কিন্তু
আমিঃকিন্তু কি ভাই...?
-তোমরা কি এইখানে নতুন নাকি
আমিঃজ্বী!কেন কি হয়েছে
না একটু সাবধানে যাবেন জায়গাটা ভালো না....
এইবলেই লোকটা চলে গেল।।
আবারও রাফিকে পাঠাই আমি
আমিঃরাফি তুই যা আমি মম এর সাথে থামি মম এর শরীরটা খারাপ
রাফিঃতুই আয় না কেমন ভয় ভয় লাগে
আমিঃধুর ছেলে হয়ে ভয় পাচ্ছিস। কিন্তু আম্মু কে একা কিভাবে রেখে যাই.....
আচ্ছা রাফি তুই থাক আমি নিয়ে আসছি
আমি যাচ্ছি চারপাশ টা অনেক অন্ধকার র কি ঘন জঙ্গল মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে যাচ্ছি হটাৎ কেউ একটা গেল আমার পিছন থেকে।আমি আবারও হাটছি
কেউ কি আছেন হ্যালো এনিবডি...?
কারো সাড়া পেলাম না দূরে একটা পুকুর দেখতে পেলাম বতলে পানি ভরছি হটাৎ মনে হল কেউ একজন পিছন থেকে দৌড়ে আসছে তাকিয়ে দেখি কেউ নাই হঠাৎ কে যেন পানির ভিতর থেকে আমার হাত টা ধরে টানতে লাগল আমি এক তাকিয়ে দেখি কি ভয়ংকর সেই চেহারা গায়ে কাটা দিয়ে উঠে আমার।আমি এক চিৎকার দিয়ে বতল নিয়ে দিলাম দৌড় আর কারা যেন আমার পিছু পিছু আসছে আমি আর পিছনেই তাকাই নাই এক দৌড়ে গাড়ি কাছে এসে দেখি মম আর রাফি অনেক ভয় পেয়ে আছে
আমি জিজ্ঞেস করি কি হইছে এইভাবে ভয় পেয়ে আছ যে,,,,,,
রাফি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে তানি এইখানে কিছু আছে দুইটা মাথা কাটা গোড়া আমাদের দিকে তেরে আসছিল পরে আচমকাই উধাও হয়ে যায়।তারপর আবার নেকড়ে আসে চোখ গুলো রক্তাক্ত অবস্থা....
আমিঃআরে তোর মনের ভুল এইসব হয় নাকি
রাফিঃনা মম ও দেখছে জিজ্ঞেস কর...
আমিঃথাক জিজ্ঞেস করতে হবে না আমি পানি নিয়ে আসছি।তুই গাড়িতে বস যা...
ওই দিকে যে আমি ও ভয় পেয়ে আছি ওইটা আর বলি নি এর জন্য লন্ডনি ভালো ভুতুড়ে জায়গা এইসব। আমি তাড়াতাড়ি ইঞ্জিনে পানি দিয়ে গাড়ি এস্টাট দিয় সোজা আমাদের বাড়ির সামনে....
মম আর রাফি বাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে
আমি বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়ে পড়ি আমার কেন যানি এই বাড়িটা অনেক চেনা লাগছে কিন্তু কিছু মনে করতে পারছিনা
আশপাশটা ভালো করে ঘুরে ঘুরে দেখছি
হঠাৎ একটা হাতের স্পর্শ....
......চলবে....
কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না।।
পর্বঃ১
আমার বাংলাদেশে যাওয়ার কোন ইচ্ছে নেই মম তুমি কেন বুঝতে চাইছ না আমরা লন্ডনেই তো অনেক ভালো আছি।বাংলাদেশে যাওয়ার কি দরকার
বেশি কথা বলিস না তোর বাপি বাংলাদেশে আমাদের জন্য একটা বাড়ি কিনেছে কালেই আমাদের বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে তোর বাপি যা বলেন তাই করেন তুই যানিস না।।
উফফ বিরক্তিকর...
জানিস তানি বাড়িটা নাকি অনেক সুন্দর..
-তো কি হইছে...
-তুই একদম বেশি বুঝিস
-হুম বুঝিই তো
বাপি এসে বলছে...
-কি হচ্ছে এইখানেই মা মেয়ে গল্প করছ বঝুই
আমিঃও বাপি আমরা লন্ডনে থেকে গেলে হয় না...?এইখানেই তো অনেক ভালো আছি।
বাপিঃআমি যা বলছি তার এক চুল ওহ নরবে না তোমরা কালকেই যাচ্ছ,,,
আমিঃআর তুমি কখন যাবা...?তুমি কি আমাদের সাথে যাবা না নাকি...?
বাপিঃআমার একটা important কাজ আছে ওইটা শেষ করে আমি যাব আগে তোমরা যাবে।আর হ্যাঁ রাফি কে ওহ সাথে করে নিয়ে যাবে।।
রাফি আমার ছোট ভাই
পরের দিন সকালেই এয়ারপোর্ট এ এসেছি আমি মুখ কালো করে রেখেছি..
আম্মুঃকিরে মুখটা কালো করে রেখেসিছ।বাংলাদেশে গেলে দেখিবি ভালো লাগবে..
আমিঃ চুপ করেই আছি যে কোন কথা না বলে...
রাফি এসে...
-হায় গাইজ...
-চুপ কর রাখ তোর গাইজ
-কিরে বুচি তোর আবার কি হলো..?
-কি হয়েছে বুঝতে পারছিস না
-ওহ অভি ভাইকে ছেড়ে যাচ্ছ বলে মন খারাপ নাকি..?
-মটে ও না...
-তাহলে কি অন্য কোনো চক্কর আছে নাকি...?
-মানে কি..?
-মানে বয়-ফ্রেন্ড...থাকতেই পারে কোন বেপার না...
-তুই চুপ করবি মাথা খারাপ করবি না তাহলে কিন্তু এইখানেই সবার সামনে খাবি মাইর...
-আচ্ছা বুচি সরি...
প্লেনে করে আমরা চলে আসি বাংলাদেশে
.
.
আমি ড্রাইভিং করছি যেহেতু আমি লন্ডনে বড় হয়েছি তাই ড্রাইভিং টা আমার জানা আছে।।
গাড়িতে বসে আমরা তিন জন কথা বলিছি হঠাৎ গাড়ি টা খারাপ হয়ে যায়।।
আমিঃএই গাড়িটার আবার কি হল উফফ কি বিরক্তিকর।।
গাড়ি থেকে নেমে গাড়ি চেকিং করে দেখি ইঞ্জিন গরম হয়ে গেছে পানি দিতে হবে।।
রাফি কে বল্লাম তুই গিয়ে আসে পাশে দেখত কোথাও পানি পাওয়া যায় কিনা....?
আমি এই সুজুগে চার পাশটা দেখছিলাম হঠাৎ আম্মু চিৎকার শুনে দৌড়ে গেলাম
আমিঃমম কি হয়েছে তোমার এইভাবে চিৎকার দিলা যে
আম্মু হাপাতে হাপাতে বলছে এই গাড়ি টা কেউ যেন অনেক জোরে ঝাকি দিল
আমি আশেপাশে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলাম না হঠাৎ রাফি এসে বলছে
নারে কোথাও কোন মানুষের দেখা পেলাম না
আমিঃ এর জন্যই বলছিলাম এইখানে আসব না হল তো এখন এই মাঝরাতে এইখানে আটকে থাকি।।
রাফিঃতানি দেখ দেখ দূরে একটা লোককে দেখা যাচ্ছে মনে হয় অনাকে জিজ্ঞেস কর আসে পাশে কোন দোকান বা ধাবা পাওয়া যাবে কিনা
আমিঃদাড়া আগে আসতে দে....
৫মিনিট পর উনি আমাদের সামনে আসছে
আমি এই যে ভাই শুনছেন আসে পাশে কি কোন দোকান পাওয়া যাবে আমাদের একটু পানি লাগবে আমাদের গাড়ি টা খারাপ হয়ে গেছে তো তাই....
কি আজিব তো এইভাবে কি কেউ কাউকে ইগনর করে কোন পাত্তাই দিল না কি আজিব মানুষ
ওহ হ্যালো আপনি কি আমাকে শুনতে পাচ্ছেন
অনেকক্ষন পরে উত্তর দিল
আমাকে বলছেন...?
কি আজিব আর কাকে বলব....
ওহ আচ্ছা!
এবার বলবেন একটু..?
হুম এই জঙ্গলের পাশ দিয়ে একটা রাস্তা আছে ওইখানে গেলে একটা পুকুর আছে গেলেই পাবে...কিন্তু
আমিঃকিন্তু কি ভাই...?
-তোমরা কি এইখানে নতুন নাকি
আমিঃজ্বী!কেন কি হয়েছে
না একটু সাবধানে যাবেন জায়গাটা ভালো না....
এইবলেই লোকটা চলে গেল।।
আবারও রাফিকে পাঠাই আমি
আমিঃরাফি তুই যা আমি মম এর সাথে থামি মম এর শরীরটা খারাপ
রাফিঃতুই আয় না কেমন ভয় ভয় লাগে
আমিঃধুর ছেলে হয়ে ভয় পাচ্ছিস। কিন্তু আম্মু কে একা কিভাবে রেখে যাই.....
আচ্ছা রাফি তুই থাক আমি নিয়ে আসছি
আমি যাচ্ছি চারপাশ টা অনেক অন্ধকার র কি ঘন জঙ্গল মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে যাচ্ছি হটাৎ কেউ একটা গেল আমার পিছন থেকে।আমি আবারও হাটছি
কেউ কি আছেন হ্যালো এনিবডি...?
কারো সাড়া পেলাম না দূরে একটা পুকুর দেখতে পেলাম বতলে পানি ভরছি হটাৎ মনে হল কেউ একজন পিছন থেকে দৌড়ে আসছে তাকিয়ে দেখি কেউ নাই হঠাৎ কে যেন পানির ভিতর থেকে আমার হাত টা ধরে টানতে লাগল আমি এক তাকিয়ে দেখি কি ভয়ংকর সেই চেহারা গায়ে কাটা দিয়ে উঠে আমার।আমি এক চিৎকার দিয়ে বতল নিয়ে দিলাম দৌড় আর কারা যেন আমার পিছু পিছু আসছে আমি আর পিছনেই তাকাই নাই এক দৌড়ে গাড়ি কাছে এসে দেখি মম আর রাফি অনেক ভয় পেয়ে আছে
আমি জিজ্ঞেস করি কি হইছে এইভাবে ভয় পেয়ে আছ যে,,,,,,
রাফি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে তানি এইখানে কিছু আছে দুইটা মাথা কাটা গোড়া আমাদের দিকে তেরে আসছিল পরে আচমকাই উধাও হয়ে যায়।তারপর আবার নেকড়ে আসে চোখ গুলো রক্তাক্ত অবস্থা....
আমিঃআরে তোর মনের ভুল এইসব হয় নাকি
রাফিঃনা মম ও দেখছে জিজ্ঞেস কর...
আমিঃথাক জিজ্ঞেস করতে হবে না আমি পানি নিয়ে আসছি।তুই গাড়িতে বস যা...
ওই দিকে যে আমি ও ভয় পেয়ে আছি ওইটা আর বলি নি এর জন্য লন্ডনি ভালো ভুতুড়ে জায়গা এইসব। আমি তাড়াতাড়ি ইঞ্জিনে পানি দিয়ে গাড়ি এস্টাট দিয় সোজা আমাদের বাড়ির সামনে....
মম আর রাফি বাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে
আমি বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়ে পড়ি আমার কেন যানি এই বাড়িটা অনেক চেনা লাগছে কিন্তু কিছু মনে করতে পারছিনা
আশপাশটা ভালো করে ঘুরে ঘুরে দেখছি
হঠাৎ একটা হাতের স্পর্শ....
......চলবে....
কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না।।






No comments:
Post a Comment