-- তুমি সারাক্ষন ঝগড়া করো আমার সাথে আমি তোমার সাথে আর থাকতে চাই না। (বর্ষা)
-- আমিও থাকতে চাই না কোনো বট গাছের পেত্নির সাথে। (আমি)
-- কিহহহহ 


তোর এতো বড়ো আস্পর্ধা হুম খুব বেড়ে গেছিস তাই না। 

এই বলে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়লো আর আমার সাধের চুল গুলা টানতে লাগলো
-- এই পেত্নি ছাড় ছাড়, তোকে বিয়ে করে সবচেয়ে বড়ো ভুল আমি করেছি। 

-- করেছিলে কেন হুহ 
আমার তো ভুল ছিলো তোর প্রপোজ এক্সেপ্ট করা।
-- হুম তা তো বলবেই, যাও আমি আজইই চলে যাবো যাও।
-- যা যা আমি কি তোকে আটকাতে যাবো নাকি?
এটা শুনেই আমার মিষ্টি বৌ এর চোখে পানী এসে গেলো, মেয়েটা খুব রাগি আমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছে। কিন্তু বাসা থেকে মেনে নেইনি, কারন আমাদের ধর্ম আলাদা, ও হিন্দু আর আমি মুসলিম তাতে কি ভালোবাসা কি জাতপাত দেখে হয় নাকি, তাই সবার অমান্য করে আমরা কোর্টে বিয়ে করে নিয়েছি আমি ছোটো খাটো একটা জব করি আমাদের দুজনের ভালোভাবেই সংসার চলে যায়। আর উনি সংসারের হাল ধরেছেন। বর্ষার সাথে ঝগড়ার একটাই কারন ও সিগারেট খাওয়া পছন্দ করে না আর আমি মাঝে মধ্যেই খাই কিন্তু বাবা এলাচ এর খেলে বুঝতে পারে না। 
কিন্তু ভাই আজ শালা বাবা এলাচ না খেয়েই বৌকে চুমু দিতে গিয়েছিলাম ভাই আর তাতেই বৌ হেব্বি কেলিয়েছে মাইরি। 




না না মারেনি অনেক বকেছে আর আমিও, তাহলে কি হয়েছিলো একটু জেনে নিন আপ্নারাও......
এখন বাজে সন্ধা ছয়টা, আমি বাসার পথে আসতে আসতে একটা সিগারেট কিনে খেতে খেতে আসছি হঠাৎ মামাতো ভাই এর ফোন এলো....
-- হ্যাঁ ভাই হ্যালো।(আমি)
-- কেমন আছিস ভাই।
এসব কথা বলতে বলতে আমি আমাদের বাসার সামনে এসে কলিং বেল টিপতে লাগলাম,
আর হ্যাঁ আমার বৌ এর একটা শুধু পাওয়া আমার কাছে আমি রোজ অফিস যাওয়ার আগে আর বাসাতে আসার পর একটা করে চুমু ওর কপালে দিতেই হবে নাহলে আমাকে মেরেই ফেলবে।
আর মেয়েটাকেও আমি অনেক ভালোবাসি, মেয়েটা দেখতে পুরাই পরীর মতো, মেয়েটাকে আমি দেখলে সবসময় নিজেকে হারিয়ে ফেলি। আর বর্ষার ওর ওই মুখের মিষ্টি হাসি হায় হায় দিল ঘায়েল করে দেতা রে 



এবার আমার বৌ দরজা খুলতেই আমি ওর কপালে কিস দিলাম সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পেরে গেলো ভাই। 



-- এই তুমি কি খেয়েছো? 
(বর্ষা)
-- কই কি খেয়েছি শুনি 
এটা বলেই আমি রুমে চলে এলাম।
এবার বর্ষা রুমে এসে....
-- তুমি সিগারেট খেয়েছো তাই না।
আমি খুব রেগে গেলাম।।
-- তাতে তোর কি? আমি আমার টাকায় খেয়েছি।
-- ওহ তাই তো আমি কে যে আমার কোনো কথার কি দাম আছে নাকি?
-- চুপ কর তুই।
-- নাহ আমি চুপ করে কেন থাকবো? তুমি খাবে কেন?
-- দূর কিচ্ছু ভালো লাগে না?
এটা বলে আমি ফ্রেশ হয়ে রুমে এসে মাথা নামিয়ে বসে আছি রাগ করে, শালা দিনে একটাও সিগারেট খাওয়া যাবে না, আচ্ছা পাঠক ভাইয়ারা আপ্নারাই বলেন সিগারেট না খেয়ে থাকা যাই না, আর উনি সহ্য করতে পারে না।
দেখি বর্ষাও রেগে বসে আছে আর মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছে, আর ওর ওমন লুক দেখলে আমি নিজেই গলে যায়, আর এখন এমনই হলো ওর ওমন লুক দিতেই আমি মুচকি হাসি দিলাম আবার তাকাতেই আবার হাসলাম আর ও তাতে আরো রেগে আগুন হয়ে গেলো


-- হুম হুম হাসো হাসো খুব ভালো করে হাসো। 

-- হিহিহি হাহাহা হিহিহি
-- ওইইই 

-- যাহ বাবা তুই তো হাসতে বললি।
-- ওকে হাসো কতো হাসবে। (দেখি পুরা মুখটা লাল হয়ে গেছে
)
-- হিহিহি হাহাহা হিহিহি।
-- আমি আজই চলে যাবো।
-- কোথায় যাবে আমার সোনা।
-- বাপের বাড়ি, আর সোনা কে শুনি?
-- যাহ বাবা তুমিই তো আমার সোনা গো, আর হ্যাঁ বাপের বাড়ি গেলে না তোমার বাপ বাটাম নিয়ে দাঁড়িয়ে যাও না যাও 

-- ভুল করেছি তো আমি খুব ভুল করেছি
-- কেন গো।
-- এইই কুত্তা তোর খুব মজা লাগছে না।
-- হুম গো।
-- আমি সত্যিই আর থাকবো না,
- কেন?
এবার উপরের উল্লেখিত ঘটনা স্থাপন করুন পাঠক ভাইয়ারা বেশ বুঝতে পারবেন।
এবার দেখি বর্ষা বসে পড়লো, মেয়েটা খুব কষ্ট পেয়েছে তাই আমি ওর একটু ক্লোজ হয়ে....
-- এই বৌ (আমি)
-- চুপ।(বৌ)
-- এই বাবু
-- চুপ।
-- এই লক্ষিসোনা
-- চুপ
-- এই সোনা
-- চুপ।
-- আমার দুষ্টু মিষ্টি বৌ আমি আর কোনোদিন খাবো না রাগ করে না।
-- চুপ।
-- এবার আমি ওকে আমার বুকে টেনে নিলাম।
মেয়েটার চোখের পানী চিবুক বেয়ে আমার বুকে হাল্কা হাল্কা স্পর্শ করছে আর জানিনা তাতে আমার একটু একটু করে হৃদস্পন্দন শুরু করে গেলো।
এবার আমি বর্ষার মাথায় একটা কিস করে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললাম....
-- আচ্ছা বাবা সরি, আমি একটু রেগে গিয়েছিলাম।
বর্ষা কেঁদেকেঁদে..
-- জানো তো এই দুনিয়ায় তুমি ছাড়া কেউ আমার আপন নেই, আপনজনদের ছেড়ে তোমার আমার খুশির জন্য আমরা পালিয়ে এসেছি এখানে।
-- আচ্ছা বাবা সরি, আর কোনোদিন এমন করবো না।
-- না প্রতিবার তুমি এমনই বলো
-- আচ্ছা আর বলবোনা।
-- আমার সোনা বৌ। দেখি দেখি আমার বৌটাকে।
এবার আমার দিকে তাকাতেই মেয়েটা কেমন লজ্জাই লাল হয়ে গেলো।
-- বাবু আমার না খুব কষ্ট হচ্ছে? (আমি)
-- কেন?
-- তুমি কান্না করছিলে বলে?
-- তা মমহাশয় আমাকে এখন কি করতে হবে না।
-- এই যে তোমার ঠোঁটকে আমার ঠোঁটের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
মেয়েটা আরো লজ্জা পেয়ে...
-- ধ্যাত
বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
মেয়েটার প্রতিটা শ্বাস আমার কানের কাছে ভেসে উঠছে, নিজেকে খুব মহান অনুভব করছি কত ভাগ্যে করেই না এমন একটা বৌ পেয়েছি







-- ওই বৌ আমাকে খেতে দিবিনা খুব খিদা লেগেছে যে।
-- ওহ হ্যাঁ তাই তো, চলো চলো....
এবার খাওয়া করে TV এর সামনে গেলাম, বর্ষার জন্য শুধু সিরিয়াল এই সন্ধায় তখন রিমোট আমি নিয়ে নিলে আমাকে মেরে ফুটবল বানিয়ে দেবে।
আমি একটু রাগানোর জন্য....
-- বাবু একটু রিমোটটা দাও না।
-- নাহ দেখতে পাচ্ছো না আমার সিরিয়াল হচ্ছে।

-- শালা এই সিরিয়াল গুলো কোন আবাল বানিয়েছিলো সেটা আল্লাহই জানে। অসহ্য। (আস্তে আস্তে)
বর্ষা সঙ্গে সঙ্গে আমার দিকে চোখ তুলে 
-- কিহহহ বললি।
-- না না কিছু না।
-- বল বলছি
-- বললাম যে আজ না মনটা অনেক ভালো আছে চলো না এক দান লুডো না খেলি 

-- বাদ দাও, সিরিয়াল দেখছি ডিস্টার্ব করো না তো।
-- ওকে
আমি এবার মোবাইলে গল্প লিখতে লাগলাম, মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছিলো বর্ষা, প্রায় ১০ মিনিট দেখতে ওই ভাবে, সঙ্গে সঙ্গে আমার ফোনটা নিয়ে.....
-- দেখি কার সাথে কি করছো? 


-- দূর শালা,
ও ভাই আমাকে মারো আমাকে মারো, শালা এতো সন্দেহ কেন 






-- ওকে ঠিক আছে।
সব সিরিয়াল শেষ হলো, এখন বাজে রাত ১১.৩০, বৌ আমার সব কিছু ঠিক করে ঘুমাতে এলো। আমি শুয়ে শুয়ে PUBG খেলছি।
বর্ষা আমার পাশে এসেই...
-- তোমাকে না বলেছি এসব গেম না খেলতে। (বর্ষা)
-- বাবু একবার দাও, চিকেন ডিনার পাবো এখনই।
-- না পেতে হবে না।
-- দূর ভালো লাগে না।
এটা বলে আমি রেগে শুয়ে পড়লাম, কিছুক্ষন পর বর্ষা আমার কানের কাছে এসে....
-- এই পাগল...
-- কি হয়েছে
আমি একটু রাগ দেখিয়ে....
-- ভালোবাসি
-- হুম আমিও। জ্বালিও না তো।
-- তোমাকে না।
-- কাকে
-- আমার ওই হাসানটাকে।
-- ভালো যাও তো।
-- ভালোবাসি
-- হুম যাকে ভালোবাসো তার কাছে যাও আমার কাছে কেন?
-- হুম তার কাছেই তো আছি।
এবার আমার কানে কামড় দিতেই আমি...
-- আহহহহহহ
শালা এই মেয়েটার জ্বালায় দেখি কোথাও রক্ষা নেই।
-- I love you।
-- আমি বলবোনা।
আবার আমার কানে কামড় দিয়ে...
-- বল 
-- ok lv u too, এ কেমন মেয়েরে ভাই জোর করে সব নিচ্ছে।
-- হুম আমি এমনই, তুমি বুঝি জানো না।
-- হুম জানি তো, তুমি একটা পেত্নি।
-- আমি পেত্নি না ওকে।
-- ওহ বুঝলাম শাঁকচুন্নি তাহলে।
-- না।
-- তাহলে 
-- আমি তোমার জন্য পেত্নি ওকে।
-- হুম জানি,
-- এই বর শোনো না,
-- আমাকে একটা গিফট দেবে?
-- কি শুনি?
-- আমার না একা একা বাসায় ভালো লাগে না, আমাদের জন্য একটা বাবু লাগবে।
-- বুঝলাম না।
-- যাও তুমি কিচ্ছু বোঝো না।
আমি না বোঝার বাহানা করলাম।
দেখি মেয়েটা অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে আছে..
আমি এবার ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম...
-- বৌ আমারো না একটা গিফট লাগবে কি জানো?
-- কি শুনি?
-- আমার না একটা বেবি লাগবে?
-- হুহ যাও নিজেই নিয়ে আসো।
-- দূর পাগলি তুমি না রাজি হলে কি করে হবে শুনি?
-- তাই।
বর্ষা এবার আমার দিকে ঘুরে আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে...
-- জানো বাবু তোমাকে না আমি খুব খুব খুব ভালোবাসি। তুমি আমাকে রাগ দেখালে আমার অনেক কষ্ট হয়।
আমি এবার ওর কপালেও একটা আলতো ছোঁয়াও কিস এঁকে দিলাম...
-- আর কখনো রাগ দেখাবো না।
-- হুম বাবু, আমার সোনাটা জানি তো আমার বাবু আমাকে অনেক ভালোবাসে।
-- হুম, এই শোনো আমার না একটা মেয়ে লাগবে। 

-- হুম তোমার যেটা ইচ্ছা সেটাই আমাত ইচ্ছা।
-- আচ্ছা তার কি নাম রাখবে শুনি?
-- উম তোমার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে অনুটাই বেটার।
-- হুম, আমার অনুর আম্মু।
-- জ্বি আমার অনুর আব্বু।
-- এবার গিফটের কাজ শুরু করি নাকি তাহলে 
-- চুপ।
-- কি হলো 
-- দেখছো না তোমার পাঠক ভাইয়ারা তোমার লেখাটা পড়ছেন, ওদের যেতে বলো তারপর 
-- এই ভাইয়ারা যান যান যে যার বাসায় যান, যার বিয়ে হয়েছে সিনেমা করেন গিয়ে আর যাদের বিয়ে হয়নি তারা মুড়ি খান 

সমাপ্ত.....
পাশে থাকুন এই । পারলে একটু আইডিতে গিয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দেন।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার মার্জনীয়।
like share cmnt mst....
-- তুমি সারাক্ষন ঝগড়া করো আমার সাথে আমি তোমার সাথে আর থাকতে চাই না। (বর্ষা)
-- আমিও থাকতে চাই না কোনো বট গাছের পেত্নির সাথে। (আমি)
-- কিহহহহ 


তোর এতো বড়ো আস্পর্ধা হুম খুব বেড়ে গেছিস তাই না। 


এই বলে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়লো আর আমার সাধের চুল গুলা টানতে লাগলো 
-- এই পেত্নি ছাড় ছাড়, তোকে বিয়ে করে সবচেয়ে বড়ো ভুল আমি করেছি। 


-- করেছিলে কেন হুহ 
আমার তো ভুল ছিলো তোর প্রপোজ এক্সেপ্ট করা।
-- হুম তা তো বলবেই, যাও আমি আজইই চলে যাবো যাও।
-- যা যা আমি কি তোকে আটকাতে যাবো নাকি?
এটা শুনেই আমার মিষ্টি বৌ এর চোখে পানী এসে গেলো, মেয়েটা খুব রাগি আমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছে। কিন্তু বাসা থেকে মেনে নেইনি, কারন আমাদের ধর্ম আলাদা, ও হিন্দু আর আমি মুসলিম তাতে কি ভালোবাসা কি জাতপাত দেখে হয় নাকি, তাই সবার অমান্য করে আমরা কোর্টে বিয়ে করে নিয়েছি আমি ছোটো খাটো একটা জব করি আমাদের দুজনের ভালোভাবেই সংসার চলে যায়। আর উনি সংসারের হাল ধরেছেন। বর্ষার সাথে ঝগড়ার একটাই কারন ও সিগারেট খাওয়া পছন্দ করে না আর আমি মাঝে মধ্যেই খাই কিন্তু বাবা এলাচ এর খেলে বুঝতে পারে না। 
কিন্তু ভাই আজ শালা বাবা এলাচ না খেয়েই বৌকে চুমু দিতে গিয়েছিলাম ভাই আর তাতেই বৌ হেব্বি কেলিয়েছে মাইরি। 




না না মারেনি অনেক বকেছে আর আমিও, তাহলে কি হয়েছিলো একটু জেনে নিন আপ্নারাও......
এখন বাজে সন্ধা ছয়টা, আমি বাসার পথে আসতে আসতে একটা সিগারেট কিনে খেতে খেতে আসছি হঠাৎ মামাতো ভাই এর ফোন এলো....
-- হ্যাঁ ভাই হ্যালো।(আমি)
-- কেমন আছিস ভাই।
এসব কথা বলতে বলতে আমি আমাদের বাসার সামনে এসে কলিং বেল টিপতে লাগলাম,
আর হ্যাঁ আমার বৌ এর একটা শুধু পাওয়া আমার কাছে আমি রোজ অফিস যাওয়ার আগে আর বাসাতে আসার পর একটা করে চুমু ওর কপালে দিতেই হবে নাহলে আমাকে মেরেই ফেলবে।
আর মেয়েটাকেও আমি অনেক ভালোবাসি, মেয়েটা দেখতে পুরাই পরীর মতো, মেয়েটাকে আমি দেখলে সবসময় নিজেকে হারিয়ে ফেলি। আর বর্ষার ওর ওই মুখের মিষ্টি হাসি হায় হায় দিল ঘায়েল করে দেতা রে 




এবার আমার বৌ দরজা খুলতেই আমি ওর কপালে কিস দিলাম সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পেরে গেলো ভাই। 




-- এই তুমি কি খেয়েছো? 
(বর্ষা)
-- কই কি খেয়েছি শুনি 

এটা বলেই আমি রুমে চলে এলাম।
এবার বর্ষা রুমে এসে....
-- তুমি সিগারেট খেয়েছো তাই না।
আমি খুব রেগে গেলাম।।
-- তাতে তোর কি? আমি আমার টাকায় খেয়েছি।
-- ওহ তাই তো আমি কে যে আমার কোনো কথার কি দাম আছে নাকি?
-- চুপ কর তুই।
-- নাহ আমি চুপ করে কেন থাকবো? তুমি খাবে কেন?
-- দূর কিচ্ছু ভালো লাগে না?
এটা বলে আমি ফ্রেশ হয়ে রুমে এসে মাথা নামিয়ে বসে আছি রাগ করে, শালা দিনে একটাও সিগারেট খাওয়া যাবে না, আচ্ছা পাঠক ভাইয়ারা আপ্নারাই বলেন সিগারেট না খেয়ে থাকা যাই না, আর উনি সহ্য করতে পারে না।
দেখি বর্ষাও রেগে বসে আছে আর মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছে, আর ওর ওমন লুক দেখলে আমি নিজেই গলে যায়, আর এখন এমনই হলো ওর ওমন লুক দিতেই আমি মুচকি হাসি দিলাম আবার তাকাতেই আবার হাসলাম আর ও তাতে আরো রেগে আগুন হয়ে গেলো



-- হুম হুম হাসো হাসো খুব ভালো করে হাসো। 


-- হিহিহি হাহাহা হিহিহি
-- ওইইই 


-- যাহ বাবা তুই তো হাসতে বললি।
-- ওকে হাসো কতো হাসবে। (দেখি পুরা মুখটা লাল হয়ে গেছে
)
-- হিহিহি হাহাহা হিহিহি।
-- আমি আজই চলে যাবো।
-- কোথায় যাবে আমার সোনা।
-- বাপের বাড়ি, আর সোনা কে শুনি?
-- যাহ বাবা তুমিই তো আমার সোনা গো, আর হ্যাঁ বাপের বাড়ি গেলে না তোমার বাপ বাটাম নিয়ে দাঁড়িয়ে যাও না যাও 


-- ভুল করেছি তো আমি খুব ভুল করেছি
-- কেন গো।
-- এইই কুত্তা তোর খুব মজা লাগছে না।
-- হুম গো।
-- আমি সত্যিই আর থাকবো না,
- কেন?
এবার উপরের উল্লেখিত ঘটনা স্থাপন করুন পাঠক ভাইয়ারা বেশ বুঝতে পারবেন। 
এবার দেখি বর্ষা বসে পড়লো, মেয়েটা খুব কষ্ট পেয়েছে তাই আমি ওর একটু ক্লোজ হয়ে....
-- এই বৌ (আমি)
-- চুপ।(বৌ)
-- এই বাবু
-- চুপ।
-- এই লক্ষিসোনা
-- চুপ
-- এই সোনা
-- চুপ।
-- আমার দুষ্টু মিষ্টি বৌ আমি আর কোনোদিন খাবো না রাগ করে না।
-- চুপ।
-- এবার আমি ওকে আমার বুকে টেনে নিলাম।
মেয়েটার চোখের পানী চিবুক বেয়ে আমার বুকে হাল্কা হাল্কা স্পর্শ করছে আর জানিনা তাতে আমার একটু একটু করে হৃদস্পন্দন শুরু করে গেলো।
এবার আমি বর্ষার মাথায় একটা কিস করে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললাম....
-- আচ্ছা বাবা সরি, আমি একটু রেগে গিয়েছিলাম।
বর্ষা কেঁদেকেঁদে..
-- জানো তো এই দুনিয়ায় তুমি ছাড়া কেউ আমার আপন নেই, আপনজনদের ছেড়ে তোমার আমার খুশির জন্য আমরা পালিয়ে এসেছি এখানে।
-- আচ্ছা বাবা সরি, আর কোনোদিন এমন করবো না।
-- না প্রতিবার তুমি এমনই বলো
-- আচ্ছা আর বলবোনা।
-- আমার সোনা বৌ। দেখি দেখি আমার বৌটাকে।
এবার আমার দিকে তাকাতেই মেয়েটা কেমন লজ্জাই লাল হয়ে গেলো।
-- বাবু আমার না খুব কষ্ট হচ্ছে? (আমি)
-- কেন?
-- তুমি কান্না করছিলে বলে?
-- তা মমহাশয় আমাকে এখন কি করতে হবে না।
-- এই যে তোমার ঠোঁটকে আমার ঠোঁটের সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
মেয়েটা আরো লজ্জা পেয়ে...
-- ধ্যাত
বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
মেয়েটার প্রতিটা শ্বাস আমার কানের কাছে ভেসে উঠছে, নিজেকে খুব মহান অনুভব করছি কত ভাগ্যে করেই না এমন একটা বৌ পেয়েছি








-- ওই বৌ আমাকে খেতে দিবিনা খুব খিদা লেগেছে যে।
-- ওহ হ্যাঁ তাই তো, চলো চলো....
এবার খাওয়া করে TV এর সামনে গেলাম, বর্ষার জন্য শুধু সিরিয়াল এই সন্ধায় তখন রিমোট আমি নিয়ে নিলে আমাকে মেরে ফুটবল বানিয়ে দেবে।
আমি একটু রাগানোর জন্য....
-- বাবু একটু রিমোটটা দাও না।
-- নাহ দেখতে পাচ্ছো না আমার সিরিয়াল হচ্ছে।


-- শালা এই সিরিয়াল গুলো কোন আবাল বানিয়েছিলো সেটা আল্লাহই জানে। অসহ্য। (আস্তে আস্তে)
বর্ষা সঙ্গে সঙ্গে আমার দিকে চোখ তুলে 

-- কিহহহ বললি।
-- না না কিছু না।
-- বল বলছি

-- বললাম যে আজ না মনটা অনেক ভালো আছে চলো না এক দান লুডো না খেলি 


-- বাদ দাও, সিরিয়াল দেখছি ডিস্টার্ব করো না তো।
-- ওকে 
আমি এবার মোবাইলে গল্প লিখতে লাগলাম, মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছিলো বর্ষা, প্রায় ১০ মিনিট দেখতে ওই ভাবে, সঙ্গে সঙ্গে আমার ফোনটা নিয়ে.....
-- দেখি কার সাথে কি করছো? 



-- দূর শালা,
ও ভাই আমাকে মারো আমাকে মারো, শালা এতো সন্দেহ কেন 







-- ওকে ঠিক আছে।
সব সিরিয়াল শেষ হলো, এখন বাজে রাত ১১.৩০, বৌ আমার সব কিছু ঠিক করে ঘুমাতে এলো। আমি শুয়ে শুয়ে PUBG খেলছি।
বর্ষা আমার পাশে এসেই...
-- তোমাকে না বলেছি এসব গেম না খেলতে। (বর্ষা)
-- বাবু একবার দাও, চিকেন ডিনার পাবো এখনই।
-- না পেতে হবে না।
-- দূর ভালো লাগে না।
এটা বলে আমি রেগে শুয়ে পড়লাম, কিছুক্ষন পর বর্ষা আমার কানের কাছে এসে....
-- এই পাগল...
-- কি হয়েছে
আমি একটু রাগ দেখিয়ে....
-- ভালোবাসি
-- হুম আমিও। জ্বালিও না তো।
-- তোমাকে না।
-- কাকে
-- আমার ওই হাসানটাকে।
-- ভালো যাও তো।
-- ভালোবাসি
-- হুম যাকে ভালোবাসো তার কাছে যাও আমার কাছে কেন?
-- হুম তার কাছেই তো আছি।
এবার আমার কানে কামড় দিতেই আমি...
-- আহহহহহহ
শালা এই মেয়েটার জ্বালায় দেখি কোথাও রক্ষা নেই।
-- I love you।
-- আমি বলবোনা।
আবার আমার কানে কামড় দিয়ে...
-- বল 

-- ok lv u too, এ কেমন মেয়েরে ভাই জোর করে সব নিচ্ছে।
-- হুম আমি এমনই, তুমি বুঝি জানো না।
-- হুম জানি তো, তুমি একটা পেত্নি।
-- আমি পেত্নি না ওকে।
-- ওহ বুঝলাম শাঁকচুন্নি তাহলে।
-- না।
-- তাহলে 

-- আমি তোমার জন্য পেত্নি ওকে।
-- হুম জানি,
-- এই বর শোনো না,
-- আমাকে একটা গিফট দেবে? 
-- কি শুনি?
-- আমার না একা একা বাসায় ভালো লাগে না, আমাদের জন্য একটা বাবু লাগবে।
-- বুঝলাম না।
-- যাও তুমি কিচ্ছু বোঝো না।
আমি না বোঝার বাহানা করলাম।
দেখি মেয়েটা অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে আছে..
আমি এবার ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম...
-- বৌ আমারো না একটা গিফট লাগবে কি জানো?
-- কি শুনি?
-- আমার না একটা বেবি লাগবে?
-- হুহ যাও নিজেই নিয়ে আসো।
-- দূর পাগলি তুমি না রাজি হলে কি করে হবে শুনি?
-- তাই।
বর্ষা এবার আমার দিকে ঘুরে আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে...
-- জানো বাবু তোমাকে না আমি খুব খুব খুব ভালোবাসি। তুমি আমাকে রাগ দেখালে আমার অনেক কষ্ট হয়।
আমি এবার ওর কপালেও একটা আলতো ছোঁয়াও কিস এঁকে দিলাম...
-- আর কখনো রাগ দেখাবো না।
-- হুম বাবু, আমার সোনাটা জানি তো আমার বাবু আমাকে অনেক ভালোবাসে।
-- হুম, এই শোনো আমার না একটা মেয়ে লাগবে। 


-- হুম তোমার যেটা ইচ্ছা সেটাই আমাত ইচ্ছা।
-- আচ্ছা তার কি নাম রাখবে শুনি?
-- উম তোমার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে অনুটাই বেটার।
-- হুম, আমার অনুর আম্মু।
-- জ্বি আমার অনুর আব্বু।
-- এবার গিফটের কাজ শুরু করি নাকি তাহলে 

-- চুপ।
-- কি হলো 

-- দেখছো না তোমার পাঠক ভাইয়ারা তোমার লেখাটা পড়ছেন, ওদের যেতে বলো তারপর 

-- এই ভাইয়ারা যান যান যে যার বাসায় যান, যার বিয়ে হয়েছে সিনেমা করেন গিয়ে আর যাদের বিয়ে হয়নি তারা মুড়ি খান 


সমাপ্ত.....
পাশে থাকুন এই । পারলে একটু আইডিতে গিয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দেন। 
ভুল ত্রুটি ক্ষমার মার্জনীয়।
like share cmnt mst....






No comments:
Post a Comment