#বন্ধুর_জি-এফ_যখন_বউ
#পর্ব-০৩
১ম, ২য় পর্ব গল্প মিস করলে আমায় ফলো করুন
সব গল্প আমি এই গ্রুপ পোস্ট করবো
লেখক:আমার ছোট ভাই (সৌরভ হোসেন)
ব্যথাই একটু কেঁদে 😢উঠলো তাতে আমার কি আমার সাথে যে ব্যবহার করছে।ঘুম থেকে সাথে সাথে উঠে পড়লো😴। ঘুম থেকে উঠেই বলে আপনি আমাকে স্পর্শ করলেন কেন?আমি না আপনাকে বলছি আমাকে স্পর্শ করবেন না😡।
তুমি থাম এইবার🖐। তুমি সেদিনের ঘটনা পুরোটা জানো না। তুমি যে ডাইরি পড়ে যেনেছো সেটা আমি দেখেছি ওটাতে অর্ধেক লেখা আছে📖।বাকিটা আমি এখন তোমাকে বলবো।তিথি-কিন্তু আমি শুনতে চাইনা🤦♀। কারণ আপনি এখন যা বলবেন সেটা আপনার মন গড়া বানোয়াট কথা।🤤
আপনাদের মতো ছেলেদের আমার ভালো করে চেনা আছে😟।
আমি: তুমি আগে আমার কথা শনো তারপর বিচার করো কথাগুলো বানোয়াট কি-না🙏।
তিথি:যদিও আপনি এখন যা বলবেন সেটা সম্পুন্ন মিথ্যা বানোয়াট কথা তাও বলেন।দেখি আপনি কতো বানাতে পেরেছেন🤷♀।
আমি:আমি জানি তুমি আমার আর কনো কথা বিশ্বাস করবে না। তারপরেও বলছি😳।
তিথি:আমার শোনার ইচ্ছা নাই তারপরেও বলেন।
আচ্ছা আমি তাহলে প্রথম থেকে শুরু করলাম।
ঘটনাটা ঘটেছিল আজ থেকে প্রাই ৪ বছর আগে।আমার HSC পরিক্ষা শেষ হলে আমি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসি।তখন অবশ্য তুমি (তিথি)বাড়িতে ছিলে না।তোমার SSC পরিক্ষা শেষ হয় তাই তুমি তোমার মামাদের বাড়িতে বেড়াতে চলে যাও🙎।আর তুমিতো জানো আমি গ্রামের তেমন কনো ছেলেদের সাথে মিশতাম না।আমি ছোট থেকেই তোমার সাথেই থাকতাম👫।যেহেতু তুমি বাড়িতে ছিলে না তাই আমার কনো সঙ্গী ছিল না🙇।এক-একাই বাড়িতে বসে থাকতাম। তোমার বড় বোন আনিকা একদিন আমার দাদুর বাড়িতে আসে, দেখে আমি একা একা বসে আছি তাই আনিকা আমাকে সাথে করে তোমাদের বাড়িতে নিয়ে যাই। মূলত এখান থেকে আনিকার সাথে আমার কথা বলা শুরু হয়👩❤️💋👩। এর আগে আমি তেমন কনো কথা বলতাম না সেটা তুই ভালো করেই জানো👱।
আনিকা ছিল আমার দুই বছরের বড়। তাই আমি মনে করতাম আপু বলাই শ্রেয়🙂।কিন্তু আনিকাকে আমি যখনি আপু বলতাম তখনি ওর মুখ কালো হয়ে যেত😐। তখনি বুঝতে পেরেছিলাম আমার প্রতি আনিকার কিছুটা দূরবলতা আছে। তুমি বিশ্বাস করো আমি কখনো এই দূরবলতা সুযোগ নিতে চাই নাই😣।আমি তখনো আনিকাকে আমার বড় আপুর মতো দেখতাম।আমি একদিন একা -একা তোমাদের বড় পুকুরটার পাড়ে বসে ছিলাম এমন সময় আনিকা এসে আমার পাশে বসে😌।ঐ দিন আমার মন খারাপ ছিল কারণ পরের দিন আমার রেজাল্ট দেওয়ার তারিখ ছিল। ও এসে আমাকে বুঝাচ্ছিল।এমন সময় গ্রামের করিম চাচা দেখে ফেলে আনিকা আমার মাথাই হাত দিয়ে আছে👩❤️👩।
ব্যাচ সোজা গিয়ে আমার দাদুর কাছে বলে দেই।কিন্তু সেই সময়ো আমাদের মাঝে কনো সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।কিন্তু দাদু ঐই সময় কিছু বললো না🧐। কারণটা মনে হয়, পরের দিন আমার রেজাল্ট।😫
পরের দিন রেজাল্ট দিল আমি খুব ভাল রেজাল্ট করলাম😍।আনিকা একটা পিচ্চিকে দিয়ে খবর পাঠালো আমি যেন পুকুর পাড়ে দেখা করি বিকাল ৫ টার সময় 😇। আমি একটু দেরি করে গেলাম। গিয়ে দেখি আনিকা একটা লাল শাড়ি পরে আসছে ওকে অসাধারণ লাকছে💃। তাই আমি আমার নিজের মুখকে আটকে রাখতে পারলাম না😍। বলেই ফেললাম আপু তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাকছে😍😘।কিন্তু আপু বলাতে রেগে গেল😡। তাই আমি আর কনো কথা বললাম না😞।
দুইজনি চুপ করে বসে আছি কেউ কনো কথা বলছি না। ৫থেকে৭ মিনিট পর আনিকা আমাকে বলছে তুই জানতে চাস না তুই আমাকে আপু ডাকলে আমি কেন রেগে যাই😡। আমি বোকার মতো বলেই ফেললাম কেন? তখন আনিকা বললো তুই বুঝিস না একটা মেয়েকে কখন আপু বললে সে রেগে যাই😕। আমি আনিকার কথা গুলো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না😲। তাই আমি চুপ করেই বসে ছিলাম😔।
হটাৎ আপু (আনিকা)উঠে দাড়িয়ে বলে আমার তোকে খুব ভালো লাগে🤫।তখনি আমিও বলি আমার ও তোমাকে খুব ভালো লাগে তবে আমার বড় আপু সিহাবে কারণ তুমি আমাকে অনেক সাপোর্ট দাও☺😚।তখনি আনিকা বলে তুই আমার কথা বুঝতে চাচ্ছিস না, বা বোঝার চেস্টা করছিস না😏🙄।
আমি বললাম কেন?
তখনি আনিকা বলে তোর জন্য আমার অন্য রকম একটা ভালোলাগা কাজ করে😍। আমি সত্যি বলছি আমি তোকে অনেক ভলোবাসি😘। কিন্তু আপনি তো আমার দুই বছরের বড়🙄😏।তো.......
কিছু না।দ্যাখ সাগর আমি তোকে ছাড়া থাকতে পারবো না। তুই বিশ্বাস কর আমি তোকে ছাড়া বাচতে পারবো না এই বলে আনিকা দৌড়ে বাড়ি চলে গেল।আমি চিন্তাগ্রস্ত মনে বাড়ি এসে বিছানাই গা হেলিয়ে দিলাম💤তারপর ঘুমের রাজ্যে।
পরদিন বিকালে সেই পিচ্চিটা এসে বলে আনিকা আপু আপনার সাথে কথা বলবে। তাই আবার সেই পুকুর পাড়ে গিয়ে আমি বসে আছি কিন্তু আজকে আনিকা আর আসলো না।সন্ধ্যার পর বাড়ি চলে আসলাম।বাড়ি ওসে আমি আর দাদী বসে আছি এমন সময় খবর আসে আনিকা নাকি অসুস্থ🤒🤒।আমি এক মিনিট ও দেরি না করে আনিকাদের বাসাই চলে গেলাম।তারপর যা দেখলাম সেটাদেখার জন্য আমি মটেও প্রস্তুত ছিলাম না😒।
দেখি আনিকা বিছানাই শুয়ে আছে, হাতে সেলাইন দেওয়া🤕। আমি পাশে গিয়ে বসলাম।এশার আজান দেওয়ায় সবাই রুম থেকে চলে গেল।আমি আর আনিকা দুজোনেই রুমে ছিলাম আর কেউ ছিল না।আমি আনিকাকে বললাম আপনি আমাকে এতো ভালোবাসেন💏।কিন্তু আনিকা কিছু বলছে না। আনিকা ৩থেকে৪ মিনিট পর বললো ওখন তুই যা কাল বিকাল ৫ টার সময় পুকুর পাড়ে আসিস দেরি করিস না কিন্তু🙂।আমি ওর কথা মতো চলে আসলাম। এসে বিছানাই গা হেলিয়ে দিলাম তারপর ঘুমের দেশে চলে গেলাম😴।
##গল্প পড়ে কেউ কেটে পাড়বেন না। সবাই লাইক কমেন্ট করবেন।কারণ আপনাদের লাইক কমেন্ট আমার পরর্বর্তী পর্ব লেখার অনুপ্রেরণা। ♥♥
পরদিন বিকালে এক সেকেন্ডও দেরি করলাম না।সোজা পুকুর পাড়ে চলে গেলাম🏃।দেখি তাও আনিকা আগে এসে বসে আছে🤷♀।আমি যেতেই বললো তা তুই কি ভাবলি। আমি আর না বলতে পারলাম না এইখান থেকে শুরু হলো আমাদের পথ চলা💏😘।আমরা ভালোই চলছিলাম।আমার সামনে আরো তিন মাস বন্ধ ছিল।তাই পড়লেখার তেমন কনো চাপ ছিল না।আর আনিকা গ্রামের কলেজে অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়তো তাই ওর ও কনো চাপ ছিল না। ভালোই কাটছিল আমাদের দিন গুলো😍😘😘।সবসময় খুব অনন্দে থাকতাম।আর মাজার বেপার হলো দাদুর কাছে যে নালিশ করছিল দাদু নাকি তকে উল্টো বকাদিয়ে দেয় পক্ষান্তরে আমাদের কিছু বলে না😎😘।
কিন্তু আর বেশিদিন আমরা এইভাবে থাকতে পারলাম না। অনেক বড় ঘরের ভাল একটা ছেলে আনিকাকে দেখতে আসলো🕴🕴।আনিকাকে দেখা মাএই ছেলের পছন্দ হয়ে গেল। অবশ্য আনিকাকে অপছন্দ করুরি হবে না।ওকে একবার দেখলেই ভালো লেগে যাই ওর চোখে একটা মায়া আছে যে মায়া কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না😍।ওর মুখে টোল পড়ে যা কনো ছেলেই অবহেলা করতে পারবে না। ওর মুখে একটা হাসি আছে যে দেখবে সে সারাজীবন ভুলতে পারবে না💞। ছেলে লন্ডন থাকে আনিকাকেও নাকি বিয়ের পরে নিয়ে যাবে তাই আনিকাদের পরিবারের সবাই রাজি হয়ে গেল🕴।ছেলে পক্ষকে এই বলে পাঠালো যে সামনেই শুক্রবার আনিকার আব্বুরা ছেলের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করবে কিন্তু আনিকা এসবের কিছুই জানতো না😞। পরের শুক্রবারে বিয়ের দিন ঠিক করা হলো ১৩ তারিখ মাএ দুইদিন সময় হাতেরেখে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হয়😐।
আনিকাকে সবাই বুঝিয়ে বলাতে আনিকা আর না করতে পারে না। কারণ আনিকার আব্বু ছিল
হার্টের রুগি😠।সেই পিচ্চিটাকে দিয়ে আনিকা খবর পাঠালো আমি যেন ঠিক সময় পুকুর পাড়ে আসি। আমি দেরি না করে সময় মতো পুকুর পাড়ে চলে গেলাম।আনিকা এসেই আমাকে
জড়িয়ে ধরে আমার বুকে মাথা ঠেকালো,আর সুধু কাঁদছে। ওর কান্না দেখে আমিয় কেঁদে দিলাম💏😢😭।
আমাদের মধ্যে কনো কথা হচ্ছে না। সুধু কাঁদছি😭।এমন সময় বাজার থেকে আসছিল আনিকার আব্বু আমাদের এই অবস্থায় দেখে ফেলে কিন্তু কিছু না বলে চলে যায়😟।শেষ পযন্ত আমি আর আনিকা ঠিক করলাম আমরা পালিয়ে যাব।আমাদের সব পরিকল্পনা হলো😲।বিয়ের আগের দিন রাতে আমি আনিকাদের আম বাগানে আমার লাগেজ নিয়ে রেডি হয়ে দাড়িয়ে আছি কিন্তু আনিকা আসলো না। প্রাই দুই ঘন্টা দাড়িয়ে থাকার পর পেছোন থেকে কারোর আসার শব্দ পেলাম । পেছনে তাকাতেই একি😧!
আনিকার আব্বু কেন?তাহলে কি সব যেনে গেল? আমি এখন কি করবো।আনিকার আব্বু এসে কিছু না বলে আমার সামনে দুই হাত জোড় করে ধরে দাড়িয়ে আছে আর কাঁদছে🙏😥😭, কনো কথা বলছে না। আমি জীবনে কনোদিন মানুষের এমন অসহয়াত্ত দেখি নাই।কিছু সময় এই অবস্থা থাকার পর বললো বাবা তুমি শহরে চলে যাও।দেখ বাবা আমি পাএ পক্ষকে কথা দিয়ে ফেলেছি😭।এখন যদি আমি কথা রাখতে না পারি তাহলে আমার আত্নহত্যা ছাড়া কনো উপয় নাই🙊।তোমরা যাদি আগে বলতে তাহলে আমি কিছু করতে পারতাম বাবা🙏।
চাচার কথা গুলো আমার হৃদয়ে লেগেছিল।তাই নিজের ভালোবাসাকে বলি দিয়ে শহরের পথে রউনা দিই🏃🚶।শহরে এসে একটা বারে ঢুকে এক বতল মদ🍷 কিনে খেতে খতে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হেটে আসছিলাম এমন সময় একটা প্রাইভেট কার এসে আমাকে ধাক্কাদেয় 🚘তারপর আমার আর কিছু মনে নাই।প্রাই ১-২ মাস পর আমার জ্ঞান ফেরে। বাড়ির সবাই ভেবেই নিয়েছিল আমি আর কনোদিন উঠে দাড়াতে পারবো না🥴। আমি যখন সম্পুন্ন সুস্থ তখন আমি আনিকার খোজ নিয়ে শুনি ও নাকি আত্নহত্যা😭😢😭 করেছিল বিয়ের দিন রাতে।আর ছেলে পক্ষের অপমান আর মেয়ের শোকে নাকি চাচা হার্ড এটাক করে তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় নাকি মারা যাই😭😢।
এসব শুনে আমার মাথা ঠিক থাকে না। তাই আমি গ্রামে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠি।কিন্তু পরিবার থেকে আর যেতে দেই না কারণ সামনে আমার এ্যাডমিশন ছিল।তারপর থেকে আমার নিত্য সঙ্গি হয়ে গেল সিগারেট। আমি সিগারেট খেতাম সব কিছু ভুলে থাকার জন্য।আমি যখন সিগারেট খাই তখন একটা শান্তি পাই।তখন আমি চিন্তামুক্ত হয়ে যাই।
আমার কথা গুলো শেষ করে পেছনে তাকাতেই দেখি ..........................
চলবে................
পর্ব ৪: Coming Soon..............
আশা করি আপনারা বেশি বেশি করে লাইক, কমেন্ট,শেয়ার করবেন।পরবর্তী পর্বের জন্য কমেন্ট সেকশনে Next লিখে যান।
(বিঃ দ্রঃ যদি লিখতে ভুল হয়ে থাকে তবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)
আর গল্প ভালো লাগলে আমায় Followed See Fast করে রাখতে পারেন ।
#মোবাশির_হোসেন_রাকিব
সব গল্প আমি এই গ্রুপ পোস্ট করবো
লেখক:আমার ছোট ভাই (সৌরভ হোসেন)
আপনাদের মতো ছেলেদের আমার ভালো করে চেনা আছে😟।
আচ্ছা আমি তাহলে প্রথম থেকে শুরু করলাম।
ঘটনাটা ঘটেছিল আজ থেকে প্রাই ৪ বছর আগে।আমার HSC পরিক্ষা শেষ হলে আমি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসি।তখন অবশ্য তুমি (তিথি)বাড়িতে ছিলে না।তোমার SSC পরিক্ষা শেষ হয় তাই তুমি তোমার মামাদের বাড়িতে বেড়াতে চলে যাও🙎।আর তুমিতো জানো আমি গ্রামের তেমন কনো ছেলেদের সাথে মিশতাম না।আমি ছোট থেকেই তোমার সাথেই থাকতাম👫।যেহেতু তুমি বাড়িতে ছিলে না তাই আমার কনো সঙ্গী ছিল না🙇।এক-একাই বাড়িতে বসে থাকতাম। তোমার বড় বোন আনিকা একদিন আমার দাদুর বাড়িতে আসে, দেখে আমি একা একা বসে আছি তাই আনিকা আমাকে সাথে করে তোমাদের বাড়িতে নিয়ে যাই। মূলত এখান থেকে আনিকার সাথে আমার কথা বলা শুরু হয়👩❤️💋👩। এর আগে আমি তেমন কনো কথা বলতাম না সেটা তুই ভালো করেই জানো👱।
তখনি আনিকা বলে তোর জন্য আমার অন্য রকম একটা ভালোলাগা কাজ করে😍। আমি সত্যি বলছি আমি তোকে অনেক ভলোবাসি😘। কিন্তু আপনি তো আমার দুই বছরের বড়🙄😏।তো.......
কিছু না।দ্যাখ সাগর আমি তোকে ছাড়া থাকতে পারবো না। তুই বিশ্বাস কর আমি তোকে ছাড়া বাচতে পারবো না এই বলে আনিকা দৌড়ে বাড়ি চলে গেল।আমি চিন্তাগ্রস্ত মনে বাড়ি এসে বিছানাই গা হেলিয়ে দিলাম💤তারপর ঘুমের রাজ্যে।
হার্টের রুগি😠।সেই পিচ্চিটাকে দিয়ে আনিকা খবর পাঠালো আমি যেন ঠিক সময় পুকুর পাড়ে আসি। আমি দেরি না করে সময় মতো পুকুর পাড়ে চলে গেলাম।আনিকা এসেই আমাকে
জড়িয়ে ধরে আমার বুকে মাথা ঠেকালো,আর সুধু কাঁদছে। ওর কান্না দেখে আমিয় কেঁদে দিলাম💏😢😭।
পর্ব ৪: Coming Soon..............
আর গল্প ভালো লাগলে আমায় Followed See Fast করে রাখতে পারেন ।
#মোবাশির_হোসেন_রাকিব






No comments:
Post a Comment