Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্পের নামঃ সিনিয়র আপুর রোমান্টিক অত্যাচার।☺️ পর্ব ১১



গল্পের নামঃ সিনিয়র আপুর রোমান্টিক অত্যাচার।☺️
পর্ব ১১
আমিঃ এখন আবার রুমে কেন?
রিমিঃ তকে ছারা কিছুই ভালো লাগে না।
চল না আমরা বিয়ে করে ফেলি।
আমিঃ সময় হক তখন করবো।তুমি তোমার রুমে যাও আম্মু এসে পড়বে
রিমিঃ বড় আম্মু গুমিয়ে পড়েছে।
এখন একটা কিস কর তাছারা গুম আসবে না।
তারপর আর কি রিমি আপু কে একটু আদর করে
আপুর রুমে পাঠিয়ে দিলাম।
এভাবেই ভালোবাসা রাগ অভিমানের মাজেই কেটে গেলো দুটো মাস।
ত একদিন সকালে গুমিয়ে আছি রিমির
ডাক।
রিমিঃ এই নীল উঠ কলেজে যাবো।
আমিঃ উম একটু পড়ে।
রিমিঃ উঠবি না।
আমিঃ যাও এখন গুমাবো।
তারপর রিমি আর কিছু বললো না মনে হয়
চলে গেছে আমি আবার ও গুমিয়ে পড়লাম।
একটু পড়ে মনে হয় আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। চোখ খুলে দেখি রিমি আপু আমার
নাক দরে আছে।
আমিঃ কি হয়েছে।
রিমিঃ উঠ কলেজে যাবো।
তারপর আমি উঠে ফ্রেশ হয়ে রিমি আপুকে
নিয়ে কলেজে চলে গেলাম।
রিমি আপুর একটা গুরত্ব পূর্ন ক্লাস আছে
তাই রিমি আপু ক্লাসে চলে গেলো।
আমি আর কি করব তাই লাইব্রেরি তে
যেতে লাগলাম।
ঠিক তখনি হাত দরে টান দিয়ে কে যানি আমাকে
ক্লাসে নিয়ে গিলো।
ক্লাসে গিয়ে দেখি একটা মেয়ে। মেয়েটা মনে
হয় নতুন এর আগে কখনো দেখিনী।
আমিঃ এভাবে হাত দরে ক্লাস নিয়ে আসলেন কেন।
মেয়েটিঃ প্রতিশোধ নিতে।
আমিঃ মানে।
মেয়েটিঃ ওইদিন যেভাবে আমার ভাইকে মেরেছিলি তার প্রতিশোধ নিতেই।
তারপর মেয়েটি দরজা লাগিয়ে দিলো।
তারপর তার হাতে থেকে কাপড়ের
কিছু অংশ ছিরে ফেললো।
আমি শুদু অবাক হয়ে দেখতাছি।
তারপর মেয়েটি চিল্লানি শুরু করলো হেল্প
বাচাও আমাকে, মেয়েটির চিল্লানি শুনে
অনেকেই ক্লাসের দরজা দাক্কাচ্ছে।
তারপর মেয়েটি দৌড়ে গিয়ে রুমের দরজা
খুলে ওইদিন যাকে মেরেছিলাম ওই ছেলে
টাকে জরিয়ে দরলো।
মেয়েটিঃ দেখ ভাইয়া এই ছেলেটা আমাকে
এখানে ডেকে এনে ইজ্জত নষ্ট করার।
(কেঁদে কেঁদে বললো মেয়েটি)
এখানে অনেক শিক্ষক ও এসেছে।
আমিঃ বিশ্বাস করেন আমি কিছু করি নি।
তারপর মেয়েটির ভাই এসে আমাকে একটা
থাপ্পর মারলো।।
তারপর দাক্কা দিয়ে ক্লাস রুমের বাহিরে পাঠিয়ে দিলো।
সবাই শুধু বলছে এরকম ছেলের কোনো খমা নেই।
একে উচিৎ শাস্তি দেওয়া দরকার।
অনেক শিক্ষক রাও বলছে।
আমিঃ পিন্সিপাল স্যার আপনিও বিশ্বাস করেন,
আমি এরকম একটা কাজ করতে পারি।
পিন্সিপালঃ নিজের চোখে যা দেখলাম তাতে
বিশ্বাস না করে পারছি না তোমাকে দিয়ে এটা
আশা করি নি।
তারপর আমি জয় আর রাজুর কাছে গেলাম।
আমিঃ দোস্ত তরাও কি একটা বিশ্বাস করস।
রাজুঃ না এটা আমরা নিজের চোখে দেখলেও
বিশ্বাস করতাম না।
তারপর রিমি আপু আসলো রিমি আপু এসে
সব কাহিনী শুনলো।
আমিঃ তুমিও কি বিশ্বাস করো এমন আমি এমন একটা কাজ করতে পারি।
তারপর রিমি আপু আমাকে একটা থাপ্পর মারলো
তখনি আমি সাইটে দেওয়ালে তাকিয়ে দেখি
একটা সি সি টি ভি ক্যমেরা লাগানো।
তারপর রিমি আপু বলতে লাগলো।
রিমিঃ তকে অন্ধের মতো ভালোবাসতাম
আর তুই কিনা আমার ভালোবাসা
নিয়ে খেলা করলি। কি দেয়নি তকে তর এসব লাগবে তুই একবার আমাকে বলতে আমার সব দিয়ে দিতাম তকে।
আমিঃ আমাকে ফাসানো হয়েছে।
রিমিঃ চুপ তুই আর একটা কথাও বলবি না।
লম্পট চরির্ত হীন ছেলে কে কিনা আমি
ভালোবাসি ভাবতেও গৃণা করতাছে।
আমিঃ আমার কথা টা ত শুনো।
রিমিঃ আসলে তর বাবা- মা ই তকে সু-শিক্ষায়
শিক্ষিত করতে পারে নাই।
(বাবা - মার কথা বলাতে কেনো জানি আর চুপ
থাকতে পারলাম না?)
আমিঃ সেট-আপ মিস রিমি। অনেক বলেছেন।
আমাকে নিয়ে বলতেন কিছুই বলতাম না বাট
বাবা মা কে নিয়ে বলে কাজ টা ঠিক করলেন না।
তারপর আমি পিন্সিপাল স্যার কে বললাম।
আমিঃ স্যার আপনাদের কাছে কোনো প্রমাণ আছে
যে আমি এই কাজ টা করেছি।
স্যারঃ নিজের চোখে দেখার পর আমি কোনো প্রমাণের প্রয়োজন মনে করি না।
আমিঃ আর আমি প্রমাণ দিতে পারবো আমি
এই কাজ টি করি নি।
স্যারঃ কিভাবে।
আমিঃ সাইটে দেখেন।
তারপর সবাই দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে।
দেখলো ক্যমেরা লাগানো আছে।
তখনি ওই মেয়েটার মুখ টা একদম কালো হয়ে গেলো।
আমিঃ সি সি টিভি ক্যমেরার ফুটেজ কোথায়।
স্যারঃ হল রুমে।
আমিঃ তাহল হল রুমেই চলেন।
তারপর হলরুমে শুদু ওই মেয়েটি ওর ভাইয়া।
আমি সকল স্যার আর রিমি গেলাম।
তারপর ফুটেজ চালু করলাম। যাতে
স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
মেয়েটি আমার হাত দরে টান দিয়ে ক্লাসে
নিয়ে গেলো। তারপর নিজেই নিজের কাপর
ছিরলো তার পর চিল্লাতে শুরু করলো।
আমিঃ বিশ্বাস হয়েছে ত স্যার।
পিন্সিপালঃ হুম স্যারি।
আমিঃ মাজে মাজে চোখের দেখাও ভুল হয়।
আর আপনাকে বলেছিলাম এই ছেলেটাকে
সাসপেন্ট করতে বাট করেন নাই। আপনিও
তৈরি থাকেন স্যার।
তারপর আমি ওই মেয়েটির কাছে গেলাম।
আমিঃ মেয়েদের কাছে তার সবচেয়ে
দামি জিনিস জানো কি তার ইজ্জত তাই
নেক্সট টাইম এরকম করার আগে ভেবে
দেখবা। আমি ছেরে দিলাম সবাই কিন্তুু
আর ছেরে দিবে না।
এই বলেই আমি রুম থেকে বাহির হয়ে গেলাম।
আমার পিছনে পিছনে রিমি ও আসতে লাগলো।
রিমিঃ প্লীজ নীল দারা আমার কথা টা শুন।
আমি কোনো কথা না বলেই হাটতে লাগলাম।
রিমি দৌড়ে এসে আমার সামনে দাড়ালো।
রিমিঃ প্লিজ ভুল হয়ে গেছে।
আমি কিছু না বলে পাশ কাটিয়ে বাইক
নিয়ে চলে গেলাম।
সত্যিই আজকে রিমির কথা গুলো তিরের মতো
লেগেছে। এগুলা ভাবছি আর বাইকের স্পিড
বারাচ্ছি।
হঠাত করেই সামনে দেখি একটা কার
এসে পড়েছে। আমি গাড়ি সাইট করতে গিয়ে
রাস্তার লেম্পপোস্টের সাথে বারি খেলাম।
আস্তে আস্তে আমার চোখ জাপসা হয়ে আসছে।
কিছু মানুষ দৌরিয়ে আমার দিকে আসছে।

Share:

বজ্জাত_বস_রোমান্টিক_হাজবেন্ড (পর্ব ১৮)

·
·
·
হঠাৎ করে দরজা কেউ টুকা দেয়,,,তিথি আবির কে একটু ধাক্কা দিয়ে বিছানায় যে শাড়িটি ছিল তা নিয়ে বাথরুমে চলে যায়,,,, আবিরের ঘোড় কাটে তিথির ধাক্কায়,,আবির নিজে ও জানে না সে তিথির এত টা কাছে হঠাৎ করে কেন গেলো,,আবির এই সব ভাবতে থাকে আর তখন আবার দরজায় কেউ বারি দেয়,,,,,
আবির গিয়ে দেখে তার মা
মাঃ কি রে তোরা কি আজকে রুমে থাকবি সারাদিন র তিথি কই
আবিরঃ আম্মু ও রেডি হতে গেছে,,,
মাঃ ও আচ্ছা,, তোর জন্য কফি পাঠিয়ে দিবো
আবিরঃ হুম।।
মাঃ আচ্ছা র শুন তিথিকে তাড়াতাড়ি আসতে বলিস কেমন
আবির মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ জানালো,,,
আবির তিথির এত টা কাছে কেন গেল তা ভাবতে থাকে র তখন মা এসে তাকে কফি দিয়ে যায়,,,,আবির কফি কাফ হাতে নিয়ে বারান্দায় চলে যায়,,,তিথি শাড়ি পরে বের হয়ে দেখে আবির রুমে নাই,,তিথি একটা বড় নিশ্বাস ফেলে বের হয় র আবিরকে গালি দিতে দিতে রেডি হয়ে নেয়,,,,,
তিথিঃ শয়তান টার জন্য আজকে আমার এত দেরি বজ্জাত টাকে তো ইচ্ছে করে পুকুরের চুবিয়ে মারি,,,,র তো ইচ্ছে করে তাকে কাঁকড়ার মতো রান্না করে নেবালে বসে বসে খাই😃😃😜হিহিহি আইডিয়া টা তো খারাপ না,,বজ্জাত টা একটা কাজে হলে ও আসবে 😜😃এমনি তো কোনো কাজে আসে না😃😜
তিথি কথা গুলো বলে পিছনে ফিরে যেতে লাগে র তখন সে এত টা শকড খেলো যে বার বার ঢোক গিলতে থাকে,,,কারণ তার সামনে আবির😃😃😃
আবির বারান্দা থেকে তিথির আওয়াজ পেয়ে রুমে আসে র তিথির সব কথা শুনে ফেলে।। আবির তো সে রেগে আছে অগ্নি দৃষ্টিতে তিথির দিকে তাকিয়ে থাকে,,তিথির তো ভয়ে গলা কাঠ হয়ে গেছে একটা শব্দ ও করতে পারছে না,,,তার পর ও অনেক ভয়ে ভয়ে আবিরকে বলে
তিথিঃ স,,,,,,স্যার আ,,,,পনি
আবির কোনো কথা না বলে তিথির দিকে আসতে থাকে র তিথি পিছনে যেতে থাকে,,,আবির এক পা সামনে বারাছে র তিথি এক পা পিছনে,,তিথি যেতে যেতে দেওয়ালের সাথে লেগে যায়,,,,,আবির তিথির অনেক টা কাছে যায় র তিথির কানের কাছে গিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে
আবিরঃ তোমার তো দেখি অনেক সাহস
আবির এত কাছে আসায় তিথি অনেক টা ভয় পেয়ে যায় ,,,তিথি অনেক চেস্টা করে কিন্তু যেতে পারে না,,,আবির দুই হাত দিয়ে তিথিকে ঘিরে ধরেছে,,তিথি ভয়ে চেহারার যা অবস্থা করলো,,,,,,যআবির তিথির ভীতু চেহারা দেখে আরো মুগ্ধ হয়ে যায়,,,,আবির যেন তার চোখ সরাতে পারছে না তিথির উপর থেকে,,,আবিরের চোকাহে তাকাতে তিথিও যেন এক অন্য দেশে হারিয়ে যায়,,,আবিরের চোখে যে এত মায়া তা তিথি কখনো খেয়াল করে নাই,,,আবিরের চোখের মায়ায় তিথি পরে যায়,,,দুজন দুজনের চোখে হারিয়ে যায়,।।আবির তিথির গালে আলতো করে চুমু দেয় আবিরের ছোঁয়ায় তিথি কেঁপে ওঠে,,,,,,আবির তিথির গালে নিজের গাল দিয়ে ঘষা দেয় আবিরের খোচা খোচা দাড়ি গুলো তিথির গালে লাগায় তিথি শিউরে উঠে তার বুকের মধ্যে যেন কেউ ঢোল বাজাচ্ছে,,,,তিথি তার শাড়ি আকড়ে ধরে রাখে আবির তিথি র এক গালে চুমু দেয়,,,,,যখন তিথির ঠোঁটের দিকে এগোতে যাবে ,,,হঠাৎ কেউ দরজায় টুকা দেওয়া আবির একটু সরে দাঁড়ায়,,,,,
আবির খেয়াল করে তিথি এখনো চোখ বন্ধ করে আছে,,,আবির তিথি কানের কাছে গিয়ে বলে
আবিরঃ লজ্জা তো দেখি তুমি পুরো টমেটো হয়ে গেছো😃তুমি এত টা লজ্জাবতী আগে জানতাম না তো
তিথি আবিরের কথায় চোখ খুলে দেখে আবির একটু পিছনে দাঁড়িয়ে আছে,,,,
তিথি অনেকটা লজ্জা পায় র নিজের শাড়ি ঠিক করতে থাকে,,,,তিথির এমন চেহারা দেখে আবির হাসতে হাসতে শেষ,,,,,তিথি আবিরের হাসি দেখে দূরে রুম থেকে চলে যায়,,,,,
তিথি গিয়ে তার মামনির পাশে বসে মামনি তিথিকে নিয়ে হলরুমে বসায়,,, পাড়ার সব মহিলারা আসে র তিথিকে দেখে সবাই অনেক প্রশংসা করে র তিথির হাতে গিফট দেয়,,,সবাই তিথির সাথে অনেক গল্প করে,,,,,,,অনেক ক্ষন পর সবাই খাওয়া দাওয়া করে চলে যায়,,,,
দুপুরের তিথি নিজের রুমে গিয়ে দেখে আবির রুমে নাই তিথি একটু হাঁপ ছেড়ে বাঁচলো,,সকালে যা হলো তিথি আবিরের সামনে আসতে ও চায় নাই।৷ এখন যখন আবির রুমে নাই তিথি অনেক টা বেটার ফিল করছে র সারাদিন তিথির সাথে আবিরের র দেখা হয় নাই,,,,তিথি বারান্দায় গিয়ে গল্পের বই পড়তে থাকে,,,,,এই ভাবে কেটে যায় সারাদিন,,,, মামনির রাতের খাবার রেডি করে তিথিকে ডাকে,,,,
হঠাৎ কেউ মেন দরজায় টুকা দেয় তিথি গিয়ে দরজা খুলে দেখে আবির র তার মামা।।।তিথি গিয়ে তার মামাকে জড়িয়ে ধরে বলে
তিথিঃ কথায় ছিলে তুমি মামা সারাদিন
বাবাঃ পাগলী মেয়ে।।।আমি কাজে ছিলাম র কি?? মিস করছিলি বুজি
তিথিঃ অনেক
বাবাঃ আচ্ছা চল খেতে
সবাই এক সাথে ডিনার করে।।।ডিনার শেষ যে যার যার রুমে চলে যায়,,,,,আবির রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পরে,,,তিথি রুমে এসে দেখে আবির শুয়ে গেছে তিথি ও গিয়ে শুয়ে পরে,,,কিন্তু তার ঘুম না আসায় সে উঠে বারান্দায় যায়,,,, অনেক ক্ষন পর আবির খেয়াল করে তার পাশে তিথি নাই।।।আবির উঠে চারপাশে খুঁজে কিন্তু কথায়ও পায় নাই,,,
আবিরঃ আরে মেয়েটা গেল কথায়??
আবির হঠাৎ খেয়াল করে তিথি বারান্দায় আবির গিয়ে থমকে যায় কারন বাতাসে তিথির চুল গুলো উড়ছে আবির তিথির পাশে গিয়ে দাঁড়ায় র তিথির হাতে হাত রাখে,,,,, হঠাৎ কারো হাতের ছোঁয়া পেয়ে তিথি চমকে যায় র তাকিয়ে দেখে আবির,,,,
আবিরঃ না ঘুমিয়ে এখানে কি করছো??
তিথিঃ আসলে আমার ঘুম আসছে না তাই।।।
আবিরঃ ও আচ্ছা ছাদে যাবে?
তিথিঃ এত রাতে?
আবিরঃ হুম যাবে না ভয় পাচ্ছো?
তিথিঃ আমি ভয় পাই না..
আবিরঃ তাই তাহলে চলো
তিথিঃ ওকে
আবিরঃ আচ্ছা তুমি একটু অপেক্ষা করো আমি আসছি তার পর যাবো কেমন
তিথি মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ জানাল।।।আবির অনেক ক্ষন পর এসে তিথিকে নিয়ে ছাদে যায়,,,
তিথি ছাদে গিয়ে পুরো শকড হয়ে যায়,,,,আবির তিথির হাত টা আরেকটু শক্ত করে ধরে বলে
আবিরঃকি হলো চলো না ভয় পাচ্ছো
তিথি র কিছু না বলে যায় ছাদে একটা দোলনা আছে সে দোলনার পাশে একটা ছোট টেবিল রাখা আছে র টেবিলের উপর দুই কাফ কফি রাখা আছে র একটা শাল।।।।।
আবির র তিথি গিয়ে দোলনায় বসে আবির তিথির হাতে একটা কফির কাফ এগিয়ে দেয়,,,,তিথি কফি টি নিয়ে তাতে ফুঁ দেয় ফুঁ দেওয়ার সাথে সাথে কফি কাফের ধোয়া গুলো উপরে উঠে তা দেখে তিথি একটু মুচকি হাসে তিথির হাসি দেখে আবির ও মুচকি হাসে,,,,,,,আবির র তিথি অনেক গল্প করতে থাকে,,,হঠাৎ আবির খেয়াল করে ঠান্ডায় তিথি কাঁপছে আবির শাল টা নিয়ে তিথির গায়ে মুড়িয়ে দেয় তিথি অনেকটা অবাক হলো
তিথিঃ আপনার ঠান্ডা লাগছে না
আবিরঃ হুম কিন্তু একটা শাল এনেছি
তিথিঃ তো কি হয়েছে আমার সাথে শেয়ার করুন
আবিরঃ আর ইউ শিউর
তিথিঃ হুম
আবির শাল টা একটু টেনে নিজের গায়ে মুড়িয়ে নেয়,,,,এক শালে বসে আছে তারা,,হাতে গরম কফি চারপাশে ঠান্ডা বাতাস র আকাশের চাঁদটা ও যে অনেক উজ্জ্বল লাগছে,,তিথি খুব ভালো লাগছে এমন একটা মোমেন্ট আবিরের সাথে কাটাতে,,দুইজনের মনে একটু একটু করে ভালোবাসা জন্ম নেয় একে অপরের জন্য,,,আবির তো বুজে গেছে যে সে তিথিকে ভালোবাসে,,শুধু সময়ের জন্য অপেক্ষা করছে বলার,,,,
আবির তিথিকে নিজের মনের কথা গুলো এমন ভাবে বলতে চায় যাতে ওই দিনটি তিথি কখনো না ভুলে,,,
তিথি কথা বলতে বলতে আবিরের ঘাড়ে ঘুমিয়ে পরে,,,,,,,আবির সে কখন থেকে কথা বলে যাচ্ছে কিন্তু কোনো উত্তর না পেয়ে তিথির দিকে তাকিয়ে দেখে তিথি ঘুমিয়ে গেছে আবির একটু মুচকি হাসে,,,,তিথির মাথাটা একটু ধরে আলতো করে চুমু একে দেয় এই পরশ যে ভালোবাসার পরশ,,,,,আবির যে তিথিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছে,,,,তা আবির ঠিক বুজতে পারছে,,,,
আবির তিথিকে কোলে নিয়ে রুমে নিয়ে যায় র বিছানায় শুয়ে দেয়,,,,,র আবির ও তিথির পাশে গিয়ে শুয়ে পরে,,,,
সকালে,,,
তিথি ঘুম থেকে উঠে দেখে আবির তার পাশে নাই,,তিথি ওয়াশরুমে দেখে কিন্তু সেখানে ও আবির নাই তাই সে বারান্দায় যায় সেখানে ও পেল না,,,তিথি ফ্রেশ হয়ে মামনির কাছে যায় র গিয়ে দেখে মামনি কাজ করছে র অনেক আয়োজন করা হচ্ছে তিথি একটু চমকে যায় তিথি তার মামনি কে জিজ্ঞেস করে
তিথিঃ আম্মু আজকে কি বাসায় কেউ আসবে যে এত আয়োজন করা হচ্ছে
মামনিঃ হ্যাঁ আজকে আবিরের কিছু বন্ধু আসবে,,,অনেক বছর পর তারা এখানে আসবে র আবিরের সাথে অনেক বছর পর দেখাও এই জন্য তো আবির সকাল সকাল বের হয়ে যায় ওদের পিক আপ করতে
তিথিঃ ও আচ্ছা ( এই জন্য বজ্জাতটা কে দেখি নাই কিন্তু আমাকে বলেও তো যেতে পারতো)
মামনিঃ কি রে কি ভাবছিস
তিথিঃ কিছু না
মামনিঃ আচ্ছা যা নাস্তা করে নে র আমার সাথে রান্নার কাজ টা একটু দেখ
তিথি নাস্তা করে নেয় র মামনির সাথে রান্নার কাজে ব্যস্ত হয়ে পরে,,,,,,দুপুর হয়ে গেছে
মামনিঃ তিথি যা শাওয়ার টা সেরে আয় পরে ওরা আসলে বার যেতে পারবি না,,
তিথি গিয়ে শাওয়ার টা সেরে চলে আসে র মামনির পাশে গিয়ে বসে তারা দুইজনেই অনেক গল্প করে,,,,হঠাৎ দরজার বেল বাজে
মামনিঃ মনে হয় ওরা চলে এসেছে যা গিয়ে দরজা খুলে দে.... তিথি গিয়ে দরজা খুলে দেয় র দরজা খুলে যা দেখলো তা দেখে তিথি পুরো শকড
তিথিঃ (এ,,,,,এই শ,,,,,য়তান টা এখানে কেন😨😨😨😨)
·
·
·
চলবে..................

Share:

Search This Blog

Labels

Recent Posts

Label