Joy Bhaiya Youtube Channel

story : cute love story !!😍


story : cute love story !!😍😍
writer : SAGOR SHEIKH
------------------------S♥S----------------------
মেয়টাঃ কী করেন??
আমিঃ খাইতেছি।।
মেয়াটাঃ একা একা কিছু খাইতে নাই!! সাথে কেউ থাকলে তাকেও দিতে হয়??
আমিঃ সিগারেট খাচ্ছি!!খাবেন??
মেয়েটাঃ ছি ছি আপনি এই সব খান??
আমিঃ হুম খাইতো!!
মেয়েটাঃ সেদিন না বললেন আপনি এই সব খান না!!
আমিঃ সেদিন মিথ্যে বলেছিলাম!!
মেয়েটাঃ কিন্ত কেন মিথ্যে বলছিলেন?
আমিঃ আপনি যাতে মনে করেন আমি ভালো ছেলে!!
মেয়েটাঃ তাইলে কী আপনি খারাপ ছেলে??
আমিঃ লোকে বলে... তাই আমিও বলি??
মেয়েটাঃ তাইলে আপনি খারাপ কেনো??
আমিঃ জানিনা... এমনিই খারাপ!!
মেয়েটাঃ তাইলে ভালো হয়ে জান না কেনো??
আমিঃ চেষ্টা করি না.... তাই হয় না!!
মেয়েটাঃ তারাতারি ভালো হয়ে যান!! ভালো হতে পয়সা লাগে না??
আমিঃ তাহলে কী লাগে??
মেয়েটাঃ ভালো হতে একটা ভালো মন এবং ভালোবাসা লাগে??
আমিঃ এর একটাও আমার মধ্যে নাই!!
মেয়েটাঃ তাইলে তো আপনি মানুষের মধ্যেই পরেন না??
আমিঃ হুম.... ঠিক বলছেন!!
মেয়েটাঃ ঘোড়ার ডিম বলছি!!
আমিঃ কে ঘোড়ার ডিম??
মেয়েটাঃ আপনি ঘোড়ার ডিম!!
আমিঃ আপনি তাইলে ভাজি করে খান??
মেয়েটাঃ আমি ডিম খাই না।।
আমিঃ তাইলে কী ঘুমানোর আগে মুখে মাখান!!
মেয়েটাঃ আমি আপনার মতো রূপচর্চা করি না??
আমিঃ হা-হা-হা!! আমি কী মেয়ে মানুষ যে রূপচর্চা করবো??
মেয়েটাঃ হুম!!এখন থেকে করবেন??
আমিঃ এখন থেকে কেনো করবো??
মেয়েটাঃ কারণ আপনি অনেক খ্যাত??
আমিঃ বাংলাদেশ যেহেতু কৃষি প্রধান দেশ তাইলে এই দেশে দুই একজন খ্যাত থাকতেই পারে!!কী বলেন??
মেয়েটাঃ হা-হা-হা-!! আপনি আসলেই খ্যাত??
আমিঃ আপনার হাসিটা খুব সুন্দর??
মেয়েটাঃ সুন্দর না..... ছাই!!
আমিঃ না আমি একদম সত্যি বলছি!!
মেয়েটাঃ বাদ দেন তো এই বিষয় টা।
আমিঃ আচ্ছা বাদ দিলাম।। তবে আপনার হাসিটা অনেক সুন্দর!!
মেয়েটাঃ আপনি কী সত্যি ই সিগারেট খান?
আমিঃ আপনাকে যেহেতু বলছি,, তাহলে খায়!!
মেয়েটাঃ তাইলে আপনি সত্যিই সিগারেট খান??
আমিঃ এখন পর্যন্ত খাইনি....তবে ভবিষ্যৎে খেতে লাগতে পারে!!
মেয়েটাঃ ভবিষ্যৎে কেনো খাওয়া লাগবে??
ছেলেটাঃ ছেলেদের সিগারেট খাওয়ার পেছনে কিন্তু মেয়েদের কাছ থেকে দুঃখ পাওয়ার বিষয়টিই বেশি থাকে।।তাই ভবিষ্যৎে খেতে লাগতে পারে।।
মেয়েটাঃ তবে কী আপনি রেডি হয়ে আছেন দুঃখ পাওয়ার জন্য??
আমিঃ যদিও আমার জীবনে কোনো মেয়ে মানুষ আসেনিই.. তাই রেডি হওয়ার প্রয়োজন নেই!!
মেয়েটাঃ এখন থেকে রেডি হয়ে যান!!
আমিঃ মানে?????
মেয়েটাঃ মানে....আমি আপানার জীবনে এসেগেছি তাই!!!
আমিঃ আপানর কথা শুনে সত্যিই হাসি পেলো!!
মেয়েটাঃকেনো??
আমিঃ আমার দাদুর কাছে শুনেছি আগের যুগে নাকি বাড়িতে ডাকাত আসতো তারিখ দিয়ে...ডাকাতি করার জন্য। আপনিও ঠিক তাই তারিখ দিয়ে আসতে চায়ছেন নাকি...যে আমি রেডি থাকবো??
মেয়েটাঃ হা-হা-হা আপনিতো মজার মজার কথা জানেন!!
আমিঃ কই কথা জানি!! আমি তো আপনার কথার জবাব দিলাম!!
মেয়েটাঃ না, না!!আমার কারণে আপনাকে কোনোদিন সিগারেট খেতে হবে না।মেয়েদের কারণে ছেলেদের সিগারেট খেতে হয় আপনার এই ধারণা আমি পাল্টে দিবো।তবে আমার একটা শর্ত আছে??
আমিঃ কী শর্ত??
মেয়েটাঃ অনেক মেয়েদের ধারণা ছেলেদের কারণে চোখের জলে বালিশ ভিজাতে হয় মেয়েদের!!আপনিও এই ধারণা পাল্টে দিবেন??.....কী দিবেন না??
আমিঃ হুম! অব্যশয় দিবো!!
মেয়েটাঃ তবে আমরা কিন্তু সারা জীবন দুজন দুজনকে তুমি বলে সম্মোধন করবো!!...কী বলেন??
আমিঃহুম!! আপনি একদম ঠিক বলছেন!!
মেয়েটাঃ আবারো আপনি বললেন আমাকে??😡😡
আমিঃ হা-হা-হা!!আচ্ছা আরর বলবো না।।
মেয়েটাঃ আচ্ছা!! এইতো ঠিক আছে!!
আমিঃ আচ্ছা... তাহলে আজকের মতো যাই!!💃💃
মেয়েটাঃ যায় না.....বলো আসি!!
আমিঃ আচ্ছা আসি তাহলে 😊😊
মেয়েটাঃ l love You💜
আমিঃ I Love You T😍o
----**-----**------**------**-----**------**----
😍{ভালো থাক ভালোবাসার মানুষগুলো}😍
Share:

গল্প : ‌"ফেসবুক_লাভের_পরিনাম"😍


~গল্প : ‌"ফেসবুক_লাভের_পরিনাম"😍
.
আমি বেশ ভালোই ফেইসবুক ইউজ করি ফ্রি
হলেই ফেসবুকেতে ঢুকি, কয়েক বছর হয়ে গেল আমি ফেসবুক চালাই,
মাঝে মাঝে দু-একটা গল্পও লিখি।সেই সূত্রেই,,,
একদিন হঠাৎ করেই একটা ফিমেল
আইডি থেকে আমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায়।
আমার আইডিতে বরাবরই খুব সাধারণ একটা
ছেলের আইডিতে যেমন হয় তেমনই ৷
তেমন কোনো ফ্রেন্ডও ছিলো না
চেনা পড়িচিত ছারা। আর মেয়ে
ফ্রেন্ড তো একদমই না ৷ মেয়েদের আমি
কখনও ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিয়নি, মাঝে মধ্যে
১/২ টা মেয়ে রিকুয়েস্ট দিলেও একসেপ্ট
করতাম না ৷
মেয়েদেরকে আমি আবার খুব ভয়
পাই তাই ৷ কোন মেয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
দিলেই ফেক আইডি ভাবতাম তাই কখনও
একসেপ্ট করতাম না ৷ফেইসবুকের এই নেটের রঙ্গিল
জগৎটা তখন আমার কাছে সাদামাটা
ছিলো ৷ কিন্তু এই মেয়ের আইডিটা আমি
কি মনে করে যেন একসেপ্ট করে ফেলি ৷
এরপর,,
মেয়েটা, hi,hlw ,যেভাবে শুরু হয় তেমন করেই শুরু হল কথা বলা ,
কিছু দিনের মধ্যে আমাদের মধ্যে
একটা সুন্দর বন্ধুত্ব গড়ে উঠল!!
,একে অপরের সাথে কথা না বললে ভালোই
লাগত না, সময় কাটতে চাইতো না৷ প্রতিটা মহুর্তে ওর সাথে কথা
হত ৷ মেয়েটার নাম ছিল অমৃতা ভালোই
চলছিলো আমাদের বন্ধুত্বটা ৷
,,, এর মধ্যে কয়েক.. ..
বার ঝগড়াও হয়েছিলো আমাদের ...তারপর
আর কি??সবার মতো স়্যরি ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা করে
দাও,এই ,আবার আগের মত কথা শুরু হত ৷ একদিন,,,,
আমি কাজে ব্যাস্ত ‌থাকায়,অনলাইনে আসতে পাড়িনি ,আর আমার প্রোফাইল‌ থেকে নাম্বার নিয়ে আমায় কল করেছে,,
আমি আন-নন নাম্বার‌ ভেবে‌,কল রিসিভ করলাম ,সঙ্গে সঙ্গেই একটা মেয়ে ফোনের ওপাস থেকে বকাবকি করতে থাকলো,,এভাবেই
চলছিলো,,
দেখলাম আমি অমৃতার সাথে কথা
বলার জন্য যতটা না পাগল অমৃতা তার
থেকে বেশি !!ওর কথা বার্তা দেখে বোঝা
যাচ্ছিল যে আমাকে ভালোবেসে ফেলেছে
কিন্তু বলতে পারছে না ৷
ও সব সময় দাদা, দাদা বলে ডাকতো আমায়,
অতিরিক্ত দাদা ডাকা প্রেমে পড়ার
লক্ষণ , ও মুখ ফুটে কিছু বলতে না পাড়ায়,
আমি একদিন প্রোপোজ করে বসলাম
প্রথমে রাজি না হলেও পরেরদিন ঠিক
রাজি হয়ে গেল ৷এর পর তো
কেউ কাউকে না দেখেই,
শুধু ফোনে কথা আর sms
 করেই প্রেমে পরে গেলাম দুজন।
"দুজনে বললে ভুল হবে বস্
ঠিক দুজনে না আমি একা"
তারপর???
বেশ ভালোই কাটছিলো দিন গুলি,,
প্রতিদিন রাত জেগে জেগে গল্প‌, কত প্রতিশ্রুতি‌, রাগ-অভিমান ,এমনকি দুজনে একসঙ্গে ছোট্ট একটা সংসার পাতার স্বপ্নও দেখেছিলাম,,,  আরো কত কী!
দুজনে মিলে মনে মনে অকটা ঘরও বেধেছিলাম একটু একটু করে !!
আর সেই ঘরটা এক সেকেন্ডও সম‌য় লাগেনি, ওর ভেঙ্গে ফেলতে,,
ঠুনকো কাচের মতো আমার মনটাকে ভেঙ্গে টুকরো ,টুকরো করে দিয়েছে‌,,
বুঝতে পারিনি কখনো যে, কিছু দিনের ভালোবাসা দিয়ে, বাকি‌ জীবনের‌ সব টুকু সুখ কেরে নেবে,,,,আর আমিও আজব চিজ্স মাইরি,টাইম পাসকে লাভ ভেবে ভুল করেছিলাম।
আর সেই ভুলের মাশুল আজো একা আমি গুনছি,,এখন আমার সঙ্গি শুধু কিছু স্মৃতি
আর দুচোখ ভর্তি চোখের জল।
সব কিছু ভুলে থাকতে আমায় নেশার দুয়ারে প্রবেশ করতেই হলো,,,
কি করবো বলুন,খুব
ভালোবাসতাম ওকে,পাগলের মত
ভালোবাসতাম ৷ ওর সব কথাই শুনতাম ,
ও যেটা বলতো সেটাই, কোন প্রশ্ন ছারাই হ্যাঁ
বলে দিতাম ,সব আবদার পুরণ করতাম ৷ তবে,,
ওর সাথে কথা বলতে কখনও আমার টাকা
খরচ করতে হতো না,সব সময় ওই ফোন করতো আমায়,,
 আমি কল করলে ধরতো না বলতো তোমার টাকা খরচ
হবে ,কনো কনো সময় ফোনে টপ-আপও মেরে দিতো ৷ দুজন
দুজনকে খুব বিশ্বাস করতাম ,সব প্রেমিক
প্রেমিকার fb আইডি একে উপরের কাছে থাকে,কিন্তু আমাদের ছিল না।
,,, কারন খুব
বিশ্বাস করতাম কিন্তু এই বিশ্বাসি একদিন কাল হলো, মিষ্টি প্রেম আর
বেশিদিন টিকলো না ৷ একদিন হঠাৎ করে
অমৃতা আমাকে বলল ,‘
;;তুমি আমাকে ভুলে যাও!! পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও' ৷
কারণটা,,,
জানতে চাইলে, ও যেটা বললো সেটা শুনে
আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল,সব কিছু
এলো মেলো হয়ে গেল পৃথিবীটাকে মিথ্যা
মনে হতে লাগলো ৷ ও বলল ,ওর নাকি অন্য
একজনের সাথে রিলেশন আছে আর সেটা
গত তিন বছর ধরে, ,তারা একে অপরকে খুব
ভালোবাসে, একে অপরকে ছাড়া বাঁচতে
পারবে না ৷ ওদের মধ্যে কিসের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল
তাই ব্রেকাপ হয়েছিল এই ৪ মাস!!
,,এরপরই ব্লক করে দিল,নাম্বার
চেঞ্জ ও চেঞ্জ জীবন টাই আমার চেঞ্জকরে দিল ৷ অমৃতাকে পাগলের মত
ভালোবাসতাম,ওকে ছাড়া নিজেকে
কল্পনাও করতে পারিনি ৷ ওর বদলে যাওয়া
টা আমার কাছে এতটাই কষ্টের ছিল ,টানা
২ মাস ঠিক মতো কিছু খেতে
পারছিলাম না।
সারাদিন নেশা করে পড়ে‌ থাকতাম,,
ওর জন্য সব সময় কান্না পেতো ,সবার থেকে
লুকিয়ে লুকিয়ে খুব কাঁদতাম এমন কি আমার হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছিল।
,,,আমি এখনও ওকে ভুলতে
পারিনি,ওর কথা মনে পড়লেই চোখের কোণে জল চলে আসে ৷
,,,তবে যানতো এখন আর তেমন কষ্ট হয় না, সয্য হয়ে গেছে,ছোটো খাটো কারণে আর চোখের জল পড়ে না, সেটাও হয়তো বুঝতে পেড়ে গেছে,,এই দুনিয়ায় চোখের জলের দাম নেই কনো। তবুও চাই নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে সুখে থাকো,আমার মতো কষ্ট তুমি যেনও কখনো না পাউ☹

ʼʼদুর থেকেই প্রার্থনা করিʼʼ
আমার ভালোবাসার মানুষটি যেন ভালো
থাকে যদিও সে আমাকে ধোকা দিয়েছে,
তবুও ভালোবাসার মানুষের তো কখনও ক্ষতি চাওয়া যায় না ৷

ফেসবুকের প্রেম আর সেখানে কিছুদিনের
আবেগময় সম্পর্কের পর আবার হঠাৎ করেই সব শেষ, এ যেনো ছেলে খেলা।
সম্পর্ক গুলি শুরু হতেই যা দেড়ি,
শেষ হয় খুব তারাতারি,সম্পর্কটা দুটি
মানুষের হলেও দেখা যায় এখানে কষ্ট
পাওয়ার ক্ষেত্রে সব সময় একজন,
কারণ ,,,একজন চাই ছেড়ে দিতে আরেকজন চাই
সব টুকু শক্তি দিয়ে সম্পর্কটাকে টিকিয়ে
রেখে ভালোবাসাটাকে বাঁচিয়ে রাখতে,
 দেখা স্বপ্ন গুলোকে সত্যি করতে।
এক্ষেত্রে সব থেকে বড় ক্ষতির
শিকার হয় সমর্পটাকে আকরে ধরে থাকতে চাওয়া মানুষটার,কারণ ,,,
সে ততোদিনে বিপরীত
মানুষটার প্রেমে পড়ে গেছে,
কিন্তু,, প্রেমে পড়া মানুষটা হয়তো আবেগের বসে ভুলে গিয়েছিলো খুব অল্প
কয়েকদিনের ম্যাসেজিং বা মোবাইলে
কথা বললেই প্রেম হয় না ৷একটা দুটো
না,ফেসবুকে সম্পর্কে জরিয়ে অনেক
মানুষকে আমি কাঁদতে দেখেছি এই ভাবে। , যদিও আমি তোমাদের থেকে ছোটো তাই দাদারা / বোনেরা
আপনাদের বলছি ,অল্প কিছুদিনের
ম্যাসেজিং বা মোবাইলে কথা বলাতে
কখনো ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন
না,সেখান থেকে ভালোবাসা না এলে ও
আপনার জন্য ভয়ংকর ধোকা অপেক্ষা করছে হয়তো ৷ কাউকে সত্যিকরে ভালোবাসতে না পারলে তাকে নিয়ে মিথ্যা প্রেমের খেলা খেলবেন না, এটা
কারও কারও জীবনের বাঁচা মরার উপর নির্ভর করে৷
___________________________________
*অনেক_ধন্যবাদ🙏সব_বন্ধুদের
*কেমন_লাগলো_জানাতে_ভুলো_না
Share:

গল্প : বাসর রাত


গল্প : বাসর রাত
লেখক : No nam...

রুমের দরজাটা লাগিয়ে দিলাম । আমার বিয়ে করা বউটা বিছানায়
বসে আছে । জানেনেই তো আমার জন্যই অপেক্ষা করছে । তিন মাসে আগে আমদের
বিয়ে ঠিক হয়েছে । একটা পিক এ আমার বউটাকে দেখেছিলাম ।
সেই থেকে আমার ঘুম হারাম হয়েগেছে । কিন্তু আমারতো
এখন লজ্জা লজ্জা লাগছে । থাক বাসর রাত লজ্জা পেলে চলবে না বিড়াল মারতে হবে
তো । তাই আবল তাবল না ভেবে বিছানায় উঠতে যাব তখনি......
.
-এই কি করছেনটাকি...??? ( আমার বউ )
-কেন বিছানায় উঠছি ..। (আমি হালকা ভয় পেয়ে)
-কেন বিছানায় উঠছেন কেন??
-কেন তাহলে কি করবো ??
-কি করবেন মানে ???
-না মানে বিছানায় উঠবো না কেন ???
-না উঠতে পারবেন না ।।
-তাহলে কি করবো ???
-আমি কি জানি । জান সোফায় গিয়ে বসে থাকেন ।
.
.
আমি উৎস । বিদেশ থেকে লেখাপড়া শেষ করে মাত্র তিন দিন
হলো দেশে এসেছি । আর এরই মধ্যে আমার জীবনের 12টা বাজিয়ে
দিল । কি আর করা বিয়েটা করতে হলো । মেয়েটার নাম
অনামিকা । কিন্তু আমি ভেবেছি ঢং কইরা অনু ডাকবো ।
কিন্তু মা ভাবি মিলে
কেমন বউ এনে দিল আমাকে । বিছানায়ই উঠতে দিচ্ছে না ।
আমি আবার তাহসান স্টাইল তো তাই মেযেদের সাথে
তেমন ইজি ফিল করতে পারি না । কিন্তু বাসর রাতেই
আমার সাথে অত্যাচার করা হচ্ছে । না এটা হবে না ....
.
-শুনো ( এটা বলতেই আমার দিকে গরম চোখে তাকালো
তাই ভয় পেয়ে বললাম...
-না মানে শুনুন ।
-কি ....???(অনামিকা)
-দেখো তুমি না মানে আপনি আমার বিয়ে করা বউ ।(আমি)
-সো হোয়াট...??(অনামিকা)
-না মানে একটু বিছানায় উঠি ??? এটাতো আমারও বিছানা .......ভাগ আছে ।
-ওয়েট ওয়েট আপনারও ভাগ আছে রাইট ।বাট আপনাকে বিছানায়
উঠতে হলে কিছু কাজ করতে হবে । (অনামিকা)
-কাজ করতে হবে কেন ??? আচ্ছা কি কাজ ?? (আমি)
-আপনাকে কিছু শাস্তি আর জরিমানা দিতে হবে ???
-অ্যাঁ .....
-হুমমমম । আপনি যদি এই গুলো সঠিক ভাবে পালন করেন তাহলেই
বিছানায় উঠতে পারবেন ।
.
মেয়েটার কথা শুনে মাথা ঘোরাচ্ছে । কি বলে এই মেয়ে ।
বাসর রাতের মত একটা রাত । স্বামীকে সালাম করে আদর করবে কিনা
স্বামীর কাছ থেকে জরিমানা নিচ্ছে ।
.
-এই যে বির বির করে কি বলছেন ?? (অনামিকা)
-না কিছু না । আচ্ছা আমার সাথে তো তোমার কোনদিন
কথাই হয় নি । তাহলে শাস্তি আর জরিমানা কিসের ?
আমি কি করেছি ????(আমি)
-কি করেছেন শুনবেন??? (অনামিকা)
-হুমম বলো .... সরি বলুন ।(আমি)
-শুনুন আমি জীবনে কোনদিন প্রেম করিনি । কারন আমি
আমার স্বামীর সাথে প্রেম করবো বলে । (অনামিকা)
-কিযে বলেন না । (আমি)
-ওই এত ঢং করতে হবে না । আপনার জন্য সেই স্বপ্ন আমার পূরন হয় নি ।
ভেবেছিলাম হবু স্বামীর সাথে বিয়ের তিন মাস আগে থেকে প্রেম করবো ।
তিন মাস আগে বিয়ে ঠিক হইছে ঠিকই আমি প্রেম করতে পারলাম না ।(অনামিকা)
-সো স্যাড ....!!!! (আমি)
-এখন আমি প্রতিশোধ তুলবো । (অনামিকা)
-কি করবেন ?? (আমি)
-তিন মাস প্রেম করতে পারি নি সে হিসাব পরে হবে ।
তিন মাসের প্রতি সপ্তাহে 2 দিন ঘুরতাম । সেখানে দুজনের খরচ হতো 4 হাজার এর মতো
তাহলে আমার 2 হাজার । মাসে চার সপ্তাহ । তিন মাসে 12 সপ্তাহ । তাহলে আমার
24 হাজার টাকা হচ্ছে । টাকা টা নিয়ে আসুন । (অনামিকা)
-কিহ? এখন তোমাকে এত টাকা দিতে হবে ?? (আমি)
-রুম থেকেই বের করে দিব কিন্তু ....(অনামিকা)
-আচ্ছা দিচ্ছি ।
.
.
কি আর করা টাকা টা দিতে হচ্ছে এখন । না জানি এই
আমার জীবনে কত টাকা এভাবে মেরে দিবে ।......
.
-এই নিন টাকা । (আমি)
-পুরোটাই আছে তো ??? (অনামিকা)
-আপনি গুনে নিন । (আমি)
-থাক কম হলে পরে নিয়ে নিব । এখন নেক্সট.....
-আবার কি....
-শুনুন প্রতি সপ্তাহে 2 দিন যে ঘুরতে যেতাম আপনার তো গিফট দেওয়া লাগতো
সেই বাবদ 15 হাজার টাকা নিয়ে আসুন ।
-আমার কাছে তো আর নেই ।
- নেই মানে । জান বাইরে জান ।
-আচ্ছা তুমি এখন না মানে আপনি এখন টাকা নিযে কি করবেন ??? (আমি)
-জরিমানা নিচ্ছি । বেশি কথা না বলে জান টাকা নিয়ে আসুন ।নয়তো দুর হন ( অনামিকা)
.
হে আল্লাহ আমি কার হাতে পরলাম ।আমার বাসর রাত কি জরিমানা দিতে দিতেই যাবে ..............
.
কি আর করা ।আবার 15 হাজার টাকা এনে দিলাম । ...
.
-হুম ঠিক আছে । এখন আমি যে তিন মাস প্রেম করতে পারি নি
তার হিসাব হবে । (অনামিকা)
-আবার কত টাকা দিতে হবে । আমার কাছে কিন্তু আর টাকা নেই । (আমি)
-এবার টাকা দিতে হবে না । তিন মাস প্রেম করতে না পারার
জন্য মাসে তো 30 দিন । তিন মাসে 90 দিন । 90 বার কানধরে উঠবস করতে
হবে । (অনামিকা)
-ওয়াট । আমি উঠবস করবো ?? (আমি)
-জি হ্যাঁ ।
-ইম্পসিবল ।
-গেট আউট ।
-এতো রাতে আমি কোথায় যাব ???
-জানি না । তারাতারি রুম থেকে বের হন ।
.
.
উপায় না পেয়ে ভাবলাম শাস্তি একটু কমিয়ে নেই ।
তাও আজকের মতো ঘুম টা অন্তত ভালো হোক।
.
-বলছিলাম কি । আমার তো এখানে কোন দোষ নেই ।
আমি তো দেশে ছিলাম না তাই না । তা না হলে তো
প্রেম করতাম । তাই বলছি কি শাস্তি টা একটু কম করা যায়
না ???? (আমি)
-আচ্ছা 80 বার ???(অনামিকা)
-না না একটা কথা বলি ..... 10 বার করি ।
-কিহ এত কম ??
-দেখো আজ অনেক টাইয়ারড । এত বার উঠবস করলে
আমাকে আর খুজে পাওয়া যাবে না ।তাই বলছি একটু শাস্তি টা কম করুন না ।
-ওকে 20 বার করুন ফাস্ট ।
.
ভাবলাম এবার অনেক কম হইছে । ভাগ্যের কি করুন পরিনতি । বাসর রাতে
উঠবস করতে হচ্ছে । জানি না কি পাপ করেছিলাম ।
.
.
এইভেবে কান ধরতে যাবো তখনি.....
-শুনুন বেলকুনিতে গিয়ে দেখে আসুন তো চাদ উঠেছে কিনা । (অনামিকা)
.
শাস্তির ভয়ে তারাতারি দেখতে গেলাম । দেখি অনেক বড় চাদ উঠছে ।
বাইরে চাদের আলোতে ঝিকমিক করছে । আজকের চাদ টা আমার
ঘরের চাদের মত এত সুন্দর নয় । যাই হোক রুমে এসে বললাম
আপনার মত একটা চাদ উঠেছে এত বড় ।
খুশি হয়ে বললো ....
-ওকে চলো ...(অনামিকা)
-কোথায় ? (আমি)
-বেলকুনিতে
.
.
যাক শাস্তি টা মাফ হয়ে গেল । আমিও খুশি মনে বেলকুনিতে
গেলাম ।
.
তার 10 হাত দুরে দাড়িয়ে আছি ।
বেলকুনির সোফায় বসে ......
-এখানে বসুন । (অনামিকা)
.
তার থেকে দুরে সরে বসলাম ।
-একি এত দুর কেন ???(অনামিকা)
-না আপনি যদি কিছু মনে করেন ??(আমি)
-কিছু মনে করবো মানে । আমি তোমার বোউ না বুদ্ধু ।
-হুমম ।
-কাছে আসো ।
.
কাছে গেয়ে বসলাম । অনামিকা আমার হাত ধরে বসে রইলো ।
আমি কোন কথা বলছিনা ।
অনামিকা বললো কিছু বলছো না কেন ?।
আমি বললাম কি বলবো ।
অনামিকা মনটা খারাপ করে আমার হাত জরিয়ে কাধে মাথা রেখে
বসে রইলো ।
কিছুক্ষন পর.....
-উৎস....(অনামিকা)
-হুমম বলো....(আমি)
-আই লাভ ইউ....
-কবে থেকে (আমি)
-তিন মাস আগে থেকে ?? (অনামিকা)
-আই লাভ ইউ ঠু ।(আমি)
.
হঠাৎ আমার ঠোটে মিষ্টি একটা নরম ঠোটের স্পর্শ ....
নিজেকে মনে হয় হারিয়ে ফেলেছি ।
প্রকৃতির সব কিছু যেন থমকে গেছে ।
কিন্তু আমার মনের ভেতর ঢেউ খেলছে....
মধুর সময়টা পার করার পর...অনামিকার দিকে তাকালাম...
লজ্জায় আমাকে জরিয়ে ধরে আমার বুকে মুখ লুকালো ।
চাদের জোছোনায় ওর মুখের একপাশ টা ঝলমল করছিল ...
কিছু চুল ওর চওল টা ঢেকে দিতে চাচ্ছে ...
আমি চুলে হাত দিতেই ও আরো শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে
ধরলো ।আমিও ওকে পরম যত্নে আগলে রেখেছি......
.
-আমাকে এভাবেই সব সময় আগলে রাখবে তো ???(অনামিকা)
-হুম ....(আমি)
-কখনো কষ্ট দিবা না তো ??? (অনামিকা)
-তোমায় কখনোই কষ্ট দিব না ।। খুব ভালোবাসবো । (আমি)
-মাঝে মাঝে জরিমানা চাইলে দিবা তো???(অনামিকা)
.
তখন ওর মুখটা তুলে কপালে একটা আলতো চুমু একে
দিয়ে বল্লাম ...
-আচ্ছা দিব ।
-আর কখনো দুরে চলে যাবে না তো ???(অনামিকা)
.
.
.
.
.
আমি তো দুরে চলে যাই নি তাহলে তুমি কেন দুরে চলে গেলে ...??
আমি তোমাকে কখনোই একটুও কষ্ট দিই নি ।
তবুও কেন আমাকে একা করে দিয়ে গেলে ।
.
তোমাকে আমার অন্তরের গভীরে বেধে রেখেছিলাম ...
সেই খান টা তুমি খালি করে দিয়ে কেমন করে আছো...
.
.
চোখের পানি টপ টপ করে গড়িয়ে পরছে... আর
বাসর রাতের সেই মধুর মুহুর্ত গুলো ভাবছিলাম ।
.
.
একই জাযগায় বসে আছি ।সেই চাদটা আজকেও উঠেছে ।
প্রকৃতি টাও একই রকম আছে
কিন্তু আমার বুকটা হয়ে আছে শূন্য.......
.
.
আমাকে বলেছিল আমাকে নাকি
ছোট্ট একটা বাবু উপহার দিবে...
স্বারর্থপরের মত উপহার টা না দিয়েই
চলে গেলে ....
কেমন করে থাকবো আমি এখন....
.
.
.
কিছু কিছু ভালোবাসা অনেক মধুর হয় ।
কিন্তু তার স্থায়ীত্ব টা এরকম বেশি দিন থাকে না ।
.
.
.
বন্ধু হও যদি....
তবে সঙ্গী হবো আমি ।।।।
হাতে হাত রেখে এসো......
আমার গল্পে তুমি ।।।।।
Share:

করোনা কে...? মাত্র 5 মিনিট মন দিয়ে পড়ুন।


প্রশ্ন: করোনা কে...?
মাত্র 5 মিনিট মন দিয়ে পড়ুন।
আসলে তুমি কে?🌴🌴
করোনা: আমি তো আমার মহান মালিকের হুকুম মাত্র।
প্রশ্ন: কে তোমার মালিক?
করোনা: যিনি তোমার মালিক তিনিই আমার মালিক।
মহান আল্লাহ্ তায়ালা।
প্রশ্ন: মানুষ তোমাকে অনেক ভয় করছে তুমি চলে যাও।
করোনা: মানুষ কি আমাকে দেখেছে?
না দেখেনি 😭😭😭
করোনা: আমাকে না দেখেই এত ভয় করছে মানুষ।
মানুষ তো আল্লাহ্ কেউ দেখেনি কই আল্লাহ্ কে তো কেউ ভয় করে না।
Ami আল্লাহর সৃষ্টি মাখলুক আমার ভয়ে গোটা দুনিয়া গৃহবন্দী তবে তো আল্লাহর ভয়ে মানুষের সিজদা থেকে ওঠার কথা নয়।
প্রশ্ন: সারা দুনিয়া কে তুমি গৃহবন্দী করলে কেন?
করোনা: যেদিন সিরিয়া,আফগান,ফিলিস্তান,চিনের ওই ঘর মুসলিমদের গৃহবন্দী করা হলো হত্যা করা হলো, মুসলিম মেয়েদের বেপর্দা করা হলো, ভারতের বাবরি মসজিদ ভাংগা হলো, সেদিন তোমরা দুনিয়া বাসিরা কি করছিলে বলো কেন প্রতিবাদ করলে না?
প্রশ্ন: তুমি কেন আসছো?
করোনা: আল্লাহর হুকুমে পুরো পৃথিবী টাকে আমি একটা রিস্টার্ট মারবো যেমন তোমরা কম্পিউটারে বা মোবাইলে মেরে থাকো।😖😖
প্রশ্ন: এতে কি লাভ হবে?
করোনা: ১. পৃথিবীর যাবতীয় পাপ কাজ কমে গেছে।
২. ডি.জে ক্লাব বন্ধ, নাইট ক্লাব এবং প্রস্টিটিউশন বন্ধ। হত্যা কমে যাবে।
৩. মুসলিম দেশগুলোর উপর হত্যা জুলুম বন্ধ।
৪. বায়ু দূষন বন্ধ
৫. আমি অবিশ্বাসি দের জন্য ভয়ের আর বিশ্বাসি দের জন্য সাধারন সর্দি কাশি,
বিত্ববান আর সম্পদ ওয়ালারা সম্পদের পাহাড় গড়েছে, অথচো দান, সদকা করে না। তাদের সম্পদ তারা সম বন্টন করছে না।
দরিদ্ররা নির্যাতিত। আমার জন্য গোটা দুনিয়ায় অর্থ সংকট হবে এতে অনেক বিত্যবান ধনী ফতুর হবে।
করোনা: উইঘুরের মুসলিম নিধন কমেছে।
সিরিয়া, আফগান যুদ্ধ থেমেছে।
প্রশ্ন: তুমি আর কত জীবন নেবে? অনেক ভয়ে আছে সবাই।
করোনা: যাদের হায়াত শেষ তাদের আর কেন তোমরা কি বিশ্বাসি নও যে মহান আল্লাহ যখন যেভাবে মৃত্যু দেবেন সেভাবে হবে। আমাকে ভয় না করে আল্লাহকে ভয় করো।👀
৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করো।
আল্লাহর জিকির করো।
নবী করিম (স:) এর সুন্যত মতো চলো। সৎ কাজে আদেশ করো, অসৎ কাজে নিষেধ করো।
মনে রেখো এই ২০২০ সালে আল্লাহ আমার মত অদৃশ্য এক মাখলুক পাঠিয়ে মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন তাদের বানানো বিশাল যুদ্ধ বিমান, পারমানবিক বোমা কিছুই করতে পারছে না।👍
কাজেই বাহাদুরি জমিনে নেই ওই আসমানের বাদশা এক আল্লাহ তিনি যখন যাকে যেভাবে খুশি সেভাবে মৃত্যু দিতে পারেন আবার তিনিই জীবন দাতা কারো কিছু করার নেই। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন আমিন।
Share:

বেচে গেলো করোনা থেকে জিপি সিমের কারনে

_ #না_পড়লে_মিস

#আজ_রাস্তায়_নামার পর পরই সেনাবাহিনীর হাতে পড়লাম। আমার পাশে আরো পাঁচজন কে ধরল।
ওরাও আমার মতো বেরিয়েছিল, তবে আমার অপরিচিত ছিল।

আমাদের ছয়জনকে একপাশে এনে পাশাপাশি লাইন ধরে দাঁড় করানো হলো।

আমি দুর্ভাগ্যক্রমে সবার শেষে পড়ে গেলাম।

 বড় একটা লাঠি নিয়ে গ্রুপ প্রধান লাইনের ১ম জনের সামনে এলেন। লাঠিতে হাত দিয়ে মালিশ করতে করতেই, সেদিকে তাকিয়ে প্রথম জনকে জিজ্ঞাসা করলেন,"তুই রাস্তায় কেন নেমেছিস, এই কারফিউতে?"

সে আমতা আমতা করে বলল," স্যার! আমি ছাত্রলীগ! তাই নেমেছি!"

 "কি ছাত্রলীগ? " বলেই, স্যার  দিলেন আগাগোড়ায় মাইর। আমরা  সবাই নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। শুধু কানে বেচারার ছাত্রলীগের শব্দ আসতে লাগল," ওমাগো, ও আল্লাহ গো, ও আব্বা গো, আমি কছম আর ছাত্রলীগ  করুম না!"

এই শব্দগুলো শুনে আমি ঢুক গিলতে থাকলাম।
আধাঘন্টা মারার পর, এবার এম্বুলেন্স এসে তাকে নিয়ে গেল।

 এবার, এলো লাইনের ২য় জনের কাছে।
তাকে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন,"তুমি কেন এসেছো!"
সে কাঁদতে কাঁদতে বলল," স্যার! আমার দাদা অসুস্থ, তাই ওষুধ নিতে এসেছি।"

স্যার বললেন," মশকরার করার জায়গা পাওনা? ওষুধের দোকান তো অনেক আগেই ফেলে এসেছিস।"

"মিথ্যা কথা" আর বলবি বলেই স্যার উড়াধুড়া মাইর দিতে থাকলেন।

কানে শুধু তার আর্তচিৎকার কানে আসতে লাগল।
সে চিল্লাতে লাগল," ও দাদা, ও দাদী, ও নানা, ও নানী  বলে!"

পরে তাকে ২০ মিনিট ধরে মেরে কোমড় ভেঙ্গে ঘাড় ধরে পিছনে আরেক লাথি মেরে তাড়িয়ে দিলো।

এবার, এলো স্যার ৩য় জনের কাছে।

ওর কাছে আসতেই সে স্যারের পা ধরে হাউমাউ করে কান্নাকাটি শুরু করে দিলো। বলল," আমি আর জীবনেও আমি রাস্তায় আসমু না। আমার ভুল হইছে। আমার চৌদ্দগোষ্ঠিও আর আসবেনা। আমারে মাফ কইরা দেন!"

স্যার" আজ এলি কেন?" এটা বলেই কিল ঘুষি মারতে লাগলেন। চেহারার ১০ মিনিটে আলু কয়েকটা বানিয়ে ছেড়ে দিলেন।

ফানি ও রোমান্টিক গল্প পড়তে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিয়ে পাশে থাকুন 😊😊

এবার এলেন,৪র্থ  জনের কাছে।
সে কি বলবে,  কার নাম নিবে, এগুলো ভেবেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল।

তাকে এম্বুল্যান্স করে হাসপাতালে পাঠানো হলো।

আমি মনে মনে ভাবলাম আমাকে জিজ্ঞাসা করলেই বলব, আমার করোনা ভাইরাস। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার পাশের জন বলে দিলো," স্যার! আমার করোনা ভাইরাস। তাই আইডিসিআর এ যাইতেছিলাম।"

স্যার তাকে জিজ্ঞাসা করলেন," কীভাবে বুঝলা তোমার করোনা ভাইরাস।

সে ভয়ে উল্টা বলে দিলো, বলল, " স্যার! আমার দুইদিন ডায়রিয়া! তাই বুঝছি।"

স্যার, একমিনিট "থ" হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার পর,
এবার লাঠি সব গুলো একত্র করে তারে পিঠাতে লাগলেন। তাকে শেষে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দিলেন।

এবার, আমার সামনে এলেন আমি কি বলব, সব তো আমার পূর্বের বক্তা বলে ও করে দিয়ে গেছে। আবার না বললেও বেশী মাইর খেতে হবে।

তাই আমি কিছু না ভেবেই আমি বললাম," স্যার! আমি নেটওয়ার্কের জন্য রাস্তায় নামছি। একটা ইমার্জেন্সি ফোন দিতে হবে, তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে।  আপনি যা করার করতে পারেন!

স্যার, কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর, তিনি লাঠি গুলো রেখে, আমার কাঁধে হাত দিয়ে বললেন," তুমি কি জিপি মানে গ্রামীণফোন ইউজ করো?"
আমি বললাম," জ্বী স্যার।"
স্যার, বললেন, " তুমি যেতে পারো। কারণ এটা আমিও ইউজ করি। হারামজাদার সিম, যদি বাসায় একটু নেটওয়ার্ক থাকত। দোকান খুললে রবি সিম নিয়ে নিবো। যাও বাবা।"

আমি স্যারকে সালাম দিয়ে দৌড় দিয়ে চলে এলাম।।

#জিপি_সিম।
Writer: Nil Chowdury
Share:

Corona virus হোম কোয়ারেন্টাইনের মজার গল্প!

হোম কোয়ারেন্টাইনের মজার গল্প!
স্পেন থেকে দেশে ফিরলেন ইসমাইল। এয়ারপোর্ট থেকে ইসমাইলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বললেন এবং হাতে একটা সিল মেরে দিলেন। ইসমাইলও হাসি মুখে জানালেন,‘এর কোন ব্যতয় ঘটবে না জনাব! আমি বাড়ি গিয়েই নিজেকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলবো!
ইসমাইল গতরাতে গ্রামের বাড়ি এসেছে। এসেই ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘুমিয়ে পড়ার আগে রাতে বাবা মাকে ডেকে ইসমাইল বললেন,‘ তোমরা আমার কাছে আসবেনা! একটু দূরে দূরে থাকবে!’
ইসমাইলের বাবা মার কপালে চিন্তার ভাজ। ইসমাইলের বাবা ছেলের এই আচরণ পছন্দ করলেন না। রাতে পান খেতে ইসমাইলের মাকে তিনি বলেই ফেললেন,‘পাঠাও, আরো পাঠাও তোমার ছেলেকে দূর দেশে! দূর দেশে থাকতে থাকতে আদব কায়দা সব ভুলে গেছে!’
ইসমাইলের মা বললেন,‘কী করলো আমার ছেলে?’
ইসমাইলের বাবা গজগজ করতে করতে বললেন,‘এতদিন পর আসলো ছেলেটা! বাবাকে একটা কদমবুসিও করলো না! বেয়াদব কোথাকার!আবার বলে কি না দূরে দূরে থাকতে!’
ইসমাইলের মা কিছু বললেন না। মনে মনে ভাবলেন, আসলেই তো। বিদেশে গেলেই কী এভাবে আদব কায়দা সব ভুলে যেতে হবে! সকালে ছেলেকে বলে ওর বাবাকে কদমবুসি করাতে হবে!
সকাল বেলা ইসমাইলদের উঠানে তিন গ্রামের মানুষ ভেঙ্গে পড়েছে। তারা খবর পেয়েছে, ইসমাইলকে হোম কোয়ারেন্টিাইনে থাকতে বলা হয়েছে! তাই তারা নিজের চোখে দেখতে এসেছে হোম কোয়ারেন্টাইন আসলে কী জিনিস!গ্রামের চেয়ারম্যান গণি মিয়া তো ইসমাইলের বাবাকে বলেই বসলেন,‘ইদ্রিস ভাই, আপনার ছেলে আমাদের গ্রামের নাম উজ্জ্বল করেছে!আশেপাশের দশগ্রামেও কেউ হোম কোয়ারেন্টাইনে নাই! কিন্তু আমাদের গ্রামে আছে! আমি তাই আজ বিকালে ইসমাইলকে একটা সংবর্ধনা দিতে চাই!’
ইসমাইলের বাবা খুশি হয়ে গেলেন। গতরাতে ছেলের বেয়াদবি তিনি ক্ষমা করে দিলেন। ছেলে যে এত বড় একটা অর্জন করেছে তা তো তিনি জানতেনই না। ইসমাইলের মাও কিছু বলেনি তাকে! অবশ্য সে বেকুব টাইপের মহিলা! এই অর্জনের সে কী বুঝবে!’
এদিকে তিন গ্রামের লোক ইসমাইলদের উঠানে। তারা ব্যপক সোরগোল করছে। মানুষের সোরগোলে ইসমাইলের ঘুম ভাঙ্গলো। দরজা খুলেই সে অবাক হয়ে গেল। চারদিকে মানুষ আর মানুষ! সবাই একনজর দেখতে চায় ইসমাইলকে! এর আগে তারা কেউ কোনদিন হোম কোয়ারেন্টানে থাকা মানুষ দেখে নাই।
ইসমাইল ভয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন। এসব কী হচ্ছে। এরা কী সব পাগল হয়ে গেছে।
ভিড় আরো বাড়ছে। ইসমাইলের বাবা নতুন পাঞ্জাবি পড়ে সেই ভিড়ের মধ্যে ছুটাছুটি করছেন। এমন সময় ইসমাইলের মা তাকে ডেকে বললেন,‘ছেলে যে আমার এত বড় সম্মান নিয়ে এলো, এত মানুষ আসছে দেখতে। তাদের তো আপ্যায়ন করা লাগে!’
ইসমাইলের বাবা জিভ কেটে বললেন,‘ঠিক বলেছো ইসমাইলের মা! আমি এখনি বাজারে যাচ্ছি। পরিতোষের দোকানের রসগোল্লা নিয়ে আসছি! সবাইকে আজ মিষ্টি মুখ করাবো!’
এমন সময় খবর পেয়ে ইসমাইলের ছোট মামাও চলে আসলেন ইসমাইলদের বাড়ি। এসেই তিনি রাগ দেখিয়ে বললেন,‘ভাগ্নে আমার এত বড় একটা সম্মান অর্জন করলো আর আমাকে কেউ একটা খবরও দিলো না!মানুষের মুখে নিজের ভাগ্নের খবর শুনে ছুটে এলাম!’
ইসমাইলের মা তার ভাইকে বোঝাচ্ছেন,‘মন খারাপ করিস না বটু! তোকে অবশ্যই জানাতাম! গতরাতেই তো ও এলো!’
ইসমাইলের মামা এবার তার দুলাভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন,‘গরু জবাই করেন দুলাভাই! শুধু রসগোল্লায় হবে না! ভাগ্নের এই অর্জন আমাদের খুব বড় করে সেলিব্রেট করা দরকার!’
ইসমাইলের বাবা তার ছোট শ্যালকের কথায় খুশি হয়ে বললেন,‘ঠিক বলেছো তুমি! আসলে আমিও তাই ভাবছিলাম!’
ইসমাইলদের বাড়ির উঠানে ভিড় আরো বেড়েছে। সবাই পরিতোষের দোকানের রসগোল্লা খেতে খেতে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ইসমাইলদের উঠানের কোনায় তিনটা গরু জবাই হয়েছে। সালাম বাবুর্চি তার দলবল নিয়ে চলে এসেছে। ইসমাইলের বাবা উঠানে দাঁড়িয়ে ঘোষণাও দিয়ে দিলেন,‘আজ দুপুরে আপনারা সবাই আমার বাসায় খাবেন! আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন!’
গ্রামের ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ছদরুল বিনা খরচে ইসমাইলদের উঠানে প্যান্ডেল টানায় দিয়ে গেল! পাঁচশ চেয়ারও দিয়ে গেল! ইসমাইলের বাবা টাকা নেয়ার জন্য অনেক করে বললেন,‘ টাকা নাও! এটা তোমার ব্যবসা!’
ছদরুল জিভ কেটে বললেন,‘কি বলেন চাচা! ইসমাইল ভাই আমাদের গ্রামের গর্ব! ধইরা নেন তার হোম কোয়ারেন্টাইন হওয়ার লাইগা এইটা আমার একটা ছোট্ট উপহার!’
ওদিকে সারা গ্রাম জুড়ে শুধু ইসমাইলের কথা। গ্রামের চায়ের দোকানে উচ্চ শিক্ষিত কিছু পোলাপান তর্ক জুড়ে দিয়েছে, আসলে কথাটা হবে হোম কোয়ারেন্টিন! হোম কোয়ারেন্টাইন না!
আরেক দল সাথে সাথে প্রতিবাদ করে বলছে,‘হোম কোয়ারেন্টাইনই হবে!’
তুমুল বিতর্ক শুরু হলো। এর মধ্যে একজন বললো,‘চল ইসমাইল ভাইকে জিজ্ঞেস করে আসি। ওনিই ভালো বলতে পারবে।’
ওরাও সবাই মিলে ইসমাইলদের বাসায় চলে আসলো।
এদিকে ইসমাইলের এই বিরল অর্জনের জন্য গ্রামের হায় হায় স্পোর্টিং ক্লাব বিকালে বিয়াইত্যা ও আবিয়াইত্যা এই দুই একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করলো! এই ফরম্যাটের নিয়ম হলো, গ্রামের যারা বিবাহিত তারা এক দলে, যারা বিয়ে করে নাই তারা আরেক দলে! এখন ওরা এসেছে ইসমাইল আসলে কোন দলে খেলবে সেটা জানতে! বিয়াইত্যা নাকি আবিয়াইত্যা! কারণ স্পেন যাওয়ার আগে ইসমাইল বিয়ে করে নাই! কিন্তু যদি স্পেন গিয়ে করে থাকে তাহলে তো দল বদল হয়ে যাবে! খেলার নিয়ম খুব কড়া! বিবাহিত কাউকে আবিয়াইত্যা দলে নেয়া যাবে না! আবার অবিবাহিত কাউকে বিয়াইত্যা দলেও নেয়া যাবে না!
ইসমাইল এখনো ঘরের জানালা দরজা সব বন্ধ করে বসে আছেন। গ্রামের মুরুব্বিরা সব বসে আছেন। এক মুরুব্বি আর থাকতে না পেরে বলেই ফেললেন,‘ছেলে একটু বেয়াদব আছে! আমরা এত এত মুরুব্বি কতক্ষণ ধরে বসে আছি আর সে বেরই হচ্ছে না! কই আমাদের সাথে দেখা করবো! কোলাকুলি করবে! কদমবুসি করে দোয়া নিবে তা না!’
আরেক মুরুব্বি আবার এই কথাকে সমর্থন জানালো-‘ঠিকই বলছেন! বিদেশ গেলে পোলাপাইন বদ হইয়া যায়!’
দুপুরবেলার একটু আগে ইসমাইল আর থাকতে না পেরে একটা মাস্ক পরে ঘর থেকে বের হয়ে এলো। তার টাট্টিঘরে যাওয়া দরকার! ঘটনা খুব জরুরি!
ইসমাইল বের হতেই সবাই তাকে ঘিরে ধরলো। জনতা সব হৈ হৈ করে উঠলো-এই বের হয়েছে, বের হয়েছে!’
কিন্তু ইসমাইলের মুখে মাস্ক দেখে সবাই একটু চুপসে গেল! গ্রামের স্কুল শিক্ষক ইসমাইলের বাপকে বললেন,‘ও ইদ্রিস ভাই, তোমার পোলা গরুর লাহান মুখে জোয়াল পড়ছে ক্যান?’
ইসমাইলের বাবা চিন্তিত হয়ে ছেলের দিকে তাকালেন। এবার ইসমাইলেদের প্রতিবেশী, এলাকার বিবিসি সংবাদ হিসেবে পরিচিত ফরিদের মা বলে উঠলেন,‘বুঝেন নাই ভাইসাহেব! বৈদেশ গিয়া আপনার পোলার যাতে পাতে মুখ দেয়ার স্বভাব হইছে! তাই এইসব লাগায় ঘুরতেছে! আমার ফরিদ জীবনেও এইসব পরে নাই! সে ভালা পোলা! ধর্ম! কম্ম করে!’
এদিকে গ্রামের চেয়ারম্যান সাহেব ছুটে এসে ইসমাইলের গলায় বিশাল এক ফুলের মালা পড়িয়ে দিলেন। তারপর কোলাকুলি করে বললেন,‘বিকালে স্কুল মাঠে চইলা আসবা বাজান! তোমাকে সংবর্ধনা দেয়া হবে।গঞ্জে লোক পাঠাইছি, তোমার জন্য গোল্ড মেডেল আনতে!’
ইসমাইল মাথা কাত করে জানালো সে আসবে। ইসমাইলের ছোট মামা ছুটে এসে ইসমাইলকে জড়িয়ে ধরে বললো,‘আমি জানতাম ভাগ্নে! সেই ছোটবেলায় তোকে দেখেই আমি বুঝছিলাম বড় হয়ে তুই হোম কোয়ারেন্টাইন সম্মান অর্জন করবি!’
ভিড়ের মধ্যে ইসমাইলের চোখ গেল তার ছোটবেলার প্রেমিকা পাখির উপর! এই পাখি গত দুই বছর আগে তাকে ছ্যাকা দিয়ে এক সরকারি কেরানির সাথে উড়াল দিয়েছিলো! সেই পাখিও আজ ইসমাইলের কাছে এসে মিনমিন করে বললো,‘আমি ভুল করেছি ইসমাইল! তখন যদি জানতাম তুমি এতবড় সম্মান পাবা তাহলে আমি কখনোই তোমাকে ছেড়ে যেতাম না!’
ভিড়ের মধ্যে পাখি আবার হারিয়ে গেল। এবার সামনে এলো ইসমাইলের মা। তিনি ইসমাইলের হাতে নতুন লুঙ্গি আর পাঞ্জাবি ধরিয়ে দিয়ে বললেন,‘বাড়ির ছাদে চল! সেখানে তোকে গোসল দেয়ার আয়োজন করা হইছে! বালা মসিবত দূর করার জন্য সোনা-রুপার পানির এন্তেজাম করা হইছে। এত এত মানুষ আসছে কে কখন বদ নজর দেয় তার ঠিক আছে!’
ইসমাইলের গোসল দেয়া হয়েছে। গোসলে হলুদ বাটাও ছিলো। মা খালারা সবাই ডলে ডলে ইসমাইলকে গোসল দিলো। ইসমাইল কী বলবে তা বুঝতে পারছে না! আজ কী তার বিয়ে নাকি? মা বাবা কী গোপনে তার জন্য কাউকে ঠিক করে রেখেছে। ইসমাইল বিরাট চিন্তার মধ্যে ডুবে গেল!
এদিকে উঠানে গ্রামের সবচেয়ে ধনী মানুষ চৌধুরি সাহেবের আগমন ঘটলো। তিনি ইসমাইলের বাবাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন,‘ এখন আমার একমাত্র মেয়ের সাথে আপনার ছেলের বিয়ে দিতে কোন আপত্তি নাই! গতমাসে আপনাদের ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন!’
ইসমাইলের বাবা হাসি মুখে চৌধুরি সাহেবকে জড়িয়ে ধরে বললেন,‘ক্ষমা চাওয়ার কী আছে! বুকে আসেন বেয়াই সাহেব!”
ইসমাইলের এই হোম কোয়ারেন্টাইন ও তার বাড়িতে জনসমাগমের এই খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো। সেই খবরের গন্ধ শুঁকে শুঁকে ঢাকা থেকে বেশ কিছু টিভি সাংবাদিকও চলে আসলো। তারপর ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে মুখে মাস্ক লাগিয়ে জ্বালাময়ী নিউজ করা শুরু করলো,‘এই গ্রামের এক যুবককে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য বলা হয়েছিলো। কিন্তু দেখুন তার বাড়ির কী অবস্থা! দেখে মনে হচ্ছে কোন বিয়ে বাড়ি! এভাবেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে সারা গ্রামে! এমন দায়িত্বহীনতার জন্য আমরা সবাই বিপদে পড়বো! গ্রামের মানুষের এই মূর্খতার জন্য করোনা পরিস্থিতি দেশে মহামারি আকারে দেখা দিতে পারে! বকবক বাতেন, আনন্দপুর!
নিউজ শেষ। ক্যামেরা বন্ধ হতেই ইসমাইলের বাবা পরিতোষের রসগোল্লা নিয়ে সাংবাদিকদের বললেন,‘আমাদের গ্রামের সেরা রসগোল্লা! পরিতোষের দোকানের! একটু খেয়ে দেখেন!’
সব সাংবাদিক রসগোল্লা দেখে দ্রুত তাদের মুখের মাস্ক খুলে ফেললেন! তারপর গপাগপ সাটাতে থাকলেন! গ্রামের চেয়ারম্যান এসে বললেন,‘আমি এই গ্রামের পরপর টানা চারবার চেয়ারম্যান হয়েছি! আমার একটা ইন্টারভিউ নিয়েন!আর গ্রামের নামটা বেশ কয়েকবার বলবেন! সারা বিশ্ব দেখুক এই গ্রামকে! দেখুক এই গ্রামের ইসমাইলকে!’
ইসমাইলের বাবা এবার বিনয়ে বিগলিত হয়ে সাংবাদিকদের বললেন,‘আপনারা অবশ্যই দুপুরে খেয়ে যাবেন! ছেলের হোম কোয়ারেন্টাইন সম্মান অর্জনের জন্য গরুর রেজালা, প্লেইন পোলাও, মুরগীর রোস্ট, বোরহানি, জদ্দা সহযোগে চারটা ডাল ভাতের আয়োজন করেছি!আমি গরিব মানুষ! এর বেশি কিছু আর করতে পারি নাই! এর জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন!’a rokom golpo Porte hole add den....
Share:

করোনা ভাইরাস

মৃত্যুপুরী ইতালি থেকে আমি
আকাশ টাকে দেখার জন্য ছাদে এসেছি,
না জানি কাল আকাশটা নাও দেখা হতে পারে,
আমি এবং আমারা এখানে বন্ধি!
বুঝতেসিনা কি করা উচিত?
সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আল্লাহ ক্ষমা করুন।।
বাংলাদেশ নিয়ে অনেক চিন্তা হয়,
ইতালির মত অবস্থা যদি বাংলাদেশে হয় তাহলে  লাখ লাখ মানুষ রাস্তাই মরে পড়ে  থাকবেন দেখার কেও থাকবে না, তাই সবাই সচেতন হোন।

এটা ইতালি এক প্রবাসী ভাই কোন  এক পোষ্টে কোমেন্ট করে বলছে। কোমেন্টটা পড়ে চোখে আমার পানি এসে গেছে। আর বার বার মাথায় একটাই চিন্তা আসছিল।
যেখানে ইটালি আমেরিকা স্পেনের মত উন্নত দেশ গুলো করোনা ভাইরাস ১৯ কবিডের  মোকাবিলা করতে পারছে না। সেখানে আমাদের মত সল্প উন্নত ও গণবসতি মানুষের কি হবে?

মহাল আল্লাহ জানে আমাদের কপালে কি আছে।

লিখা-- সাগর
Share:

বেষ্টফ্রেন্ড যখন বউ~~ Part: পিচ্ছি

-- বেষ্টফ্রেন্ড যখন বউ~~
Part: পিচ্ছি

~~ঠাস,,,তুই যদি আমাকে আর একবার ভালোবাসি বলস তর সাথে আর কথায় বলবো না থাক তুই আমি গেলাম,,,,মিম,,,চলে গেলো মিম আর আর আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবছি,,,আর মনে মনে আন্টিকে গালি দিতাছি কি জিনিস জন্ম দিলেন আন্টি,,,, একটুও বুঝে না আমায়,, আছে শুধু রাগ আর হাতে মাইর,,,কথায় কথায় হাত চলে,,,,যাই বাসায় যাই গা,বাসায় আসার জন্য রওনা হলাম,,,,

এর মাঝে আপনাদের পরিচয় টা দিয়ে নেই,,,,আমি আজিজুর রহমান স্বপন,,, মা বাবার বড় ছেলে এবার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পরি,,আর যে আমায় চড় দিয়ে গেলো ঐটা হলো আম্মুর বান্ধবীর মাইয়া নাম মিম,ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে ,একটু সুন্দরী বলে পার্ট বেশি,,,,,তবে সে আমায় ভালো বন্ধু মানে আর আমি বন্ধুর থেকে বেশি মানি বউ বলে ডাকি,,,,,, আপনাদের পরিচয় দিতে দিতে বাসায় চলে আসলাম,,,

--- নবাবজাদা আসছস,,,,(মা)

--- হয় আসলাম দুপুর থেকে তোমাদের না দেখে আছি তাই তারাতারি চলে আসলাম ,,, (আমি)

--- হয় পেটে টান লাগলে আমাদের দেখতে মন চাইবেই,,,,,(মা)

-- ঐ তুমি কি আমার আসল মা নাকি সৎ মা,,,,(আমি)

--- কি বললি হারামজাদা,,, ঐখানে দাড়া এক পা নরবি না,,,,,(মা)

-- আচ্ছা নরবো না দৌড়াই,,এক দৌড়ে  রুমে চলে আসলাম,,ফ্রেস হইয়া খাইতে গেলাম,,,,,,

খাবার টেবিলে বসছি,,,তখন বাবা বলে উঠলো,,,

--- দেখ ভালোভাবে পড়াশোনা করিস না,,, না পড়লে দেশের বাহিরে চলে যা,,,,সিংগাপুরের ট্রেনিং করে সিংগাপুর যা,,,,,(বাবা)

---- হুম যাবো যাবো করোনা ভাইরাস শেষ হোক আগে তারপর,,,,, (আমি)

--- তর বাহানার অভাব নেই,,,,,একটার পর একটা,,,(বাবা)

---- সব তো বুঝই তাহলে এক কাজ করো মিম কে ঘরের বউ হিসেবে আনো তাই যাবো,,,,,(আমি)

--- তর লজ্জা করে না ঐ তরে বিয়ে করবে না তাও কেনো ওর সাথে মরতে যাস,,,,আমার সামনে এসব বলবি না আর,,,,(বাবা)

--- ওকে বলবো না যাও,,,,,খাওয়া বাদ দিয়ে উঠে চলে আসলাম,,,,

--- একটু খাইতেও সান্তি দিবে না ছেলেটাকে বাবার উদ্দেশ্য মা বললো,,,,,

--- হ আদর দিয়ে মাথায় তুলে নাচো,,,(বাবা)

--- তো কি করবো একটা মাত্র ছেলে আমার,,,, ঐ তামান্না যা তর ভাইয়াকে খাবার দিয়ে আয় রুমে,,,,

আমি রুম থেকে এসব তরকো শুনছি,,,,, আর তামান্না হলো আমার ছোট বোন,, আরো একটা বোন আছে আমার ওর বিয়ে হয়ে গেছে,,,,,,,

-- ফেসবুকিং করছিলাম তখন মিম এর মেসেজ আসলো,,,,

--- ঐ কুত্তা খাইছস,,,,,,(মিম)

--- না খুদা নাি আর তুই আমায় মেসেজ দিলি কে মনে নাই দুপুরে আমায় মারলি,,,,,,)(আমি)

--- জোরে লাগছিলো কি সরি রে,,,(মিম)

--- হইছে,,তুই খাইছস,,,,,(আমি)

---- না তুই খাওয়ার পর আমি খাবো( মিম,),,,(

---- আহ আলগা পিরিত খাইয়ে নি বাই,,,,(আমি)

--- ঐ শোন,,,,,( মিম)

--- আমি ডাটা অফ করে শুয়ে আছি,,,,,তখন তামান্না এসে ডাকলো,,

--- ভাইয়া তর খাবার টা খাইয়ে নি---(তামান্না)

--- ঐ তরে কে খাবার আনতে বলছে যে খাবার রেখে আসছি আর খাবো না আজ ভাগ এখান থেকে,,,,,, (আমি)

--- হ যাচ্ছি তো,,, কপাল আমার সব কথা আমায় শুনতে হয়,,,,,এসব বগর বগর করতে করতে রুম থেকে চলে আসলো,,এবার একটু ঘুম দেই,,,,চোখ ব্নধ করছি মাত্র তখন একটা মেসেজ আসলো,,তুই না খাইলে আমিও খাবো না,,,, তর যা ইচ্ছে কর,,,,,(মিম)

আমি মেসেজ টা দেখে,, ঘুমিয়ে পরলাম,,,,

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে খাওয়া দাওয়া করে কলেজে গেলাম,,,, যাওয়ার পর একটা বেন্চে বসে পরলাম, মিম এখনো আসে নাই,,,আসলে তো খবর আছেই আমার,,,একটু পর মহারানির আগমন,,,

+---- ঐ শোন,,, (মিম)

-- না শুনার ভান করে আরেক দিকে তাকিয়ে আছি,,

--- ঐ শুনবি নাকি থাপরানি দিমু,,(মিম)

--- দিতে হবে না বল কি বলবি--- (আমি)

--- আগে বল রাতে খাস নি কেন আমিও তো খাই নি,,,,,(মিম)

--- তো আমি কি করবো বাদ দে,,,,,আমার হোমওয়ার্ক টা করছিস,,,(আমি)

--- না কাল আমার কথা শুনিস নাই রাতে খাইতে বলছি খাস নি,,,তো আমি তর হোমওয়ার্ক করে দিবো কেন নিজের টা নিজে কর,,,(মিম)

--- সত্যি করিস নাই,,তাহলে বাসায় যাইগা বকা শুনতে পারবো না (আমি,,,,,,যাওয়ার জন্য পা বাড়ালাম,,,

--- ঐ কুত্তা করছি তো,, যাইতে হবে না থাক,,,,(মিম)

--- এই না হলে আমার বউ গাল টেনে,,,,

--- ঐ তুই আমার গাল টানলি কেন,,আর আবার বউ,,,(মিম)

----- আমি তর গাল টানি নাই আমার বউ এর গাল টানছি,,,,বলেই দৌড়,,,,,

কলেজের সবাই মনে করে আমরা একে অপরকে ভালোবাসি,,,কিন্তু বাস্তববতা ভিন্ন,,,, যা হোক ক্লাসে বসে আছি আর মিম এর সাথে গল্প করতাছি,,,,এর মাঝে স্যার আসলো ক্লাস শুরু হলো,,,২ টা ক্লাস শেষে একটা ছেলে ডাকলো মিম কে,,,,, আমার মেজাজ টা গরম হয়ে গেলো,,,,

--- ওমা এই মদন  দেখি ফুল হাতে নিয়ে হাটুগেড়ে বসে  ওরে প্রপোজ করতাছে,,,,

+---- মিম ওর হাত থেকে ফুল টা নিয়ে ঠাস করে চড়  দিয়ে দিলো একটা,,,,,তারপর চলে আসলো,,,

--- আমার খুব হাসি পাইলো,, কেমন মজা চান্দু ওর চড় শুধু আমি খাই না আরো ২ /১ জন খাইতাছে,,,,

কলেজ ছুটির পরে,,চল ফুসকা খামু,,,,(মিম)

--- হুম চল,,, (আমি)

--- মামা ২ প্লেট ফুসকা দেন,,, আর ঝাল বেশি দেন,,, (মিম)

--- ফুসকা খাইতাছি আর ওর মুখের দিক তাকিয়ে আছি,,,,আহ ফর্সা গাল দুটো লাল হয়ে আছে,,,,একদম টমেটোর মতো,,,

+--- ঐ মুখের দিকে তাকাবি না,,,,(মিম)

+--- কুত্তার মতো মুখ ওর মুখের দিক আমার তাকিয়ে থাকতে হবে,,, মনে মনে,,,

---- কিছু বললি,, নিশ্চয় আমাকে গালি দিলি তুই,,,(মিম)

--- না না আমি আমার বউকে গালি দিতে পারি,,,,

খাওয়া শেষে,, বিল দে,,, (আমি)

--- হু দিতাছি,,, তুই তো ফকির দিতে পারবি না,,,(মিম)

--- হু যা বলবি তাই,,,

--- চল এবার বাসায় যাই,,,,মিম,,,

--- কয়টা টাকা দে তো ধার,,, (আমি)

--- আগের টা তো এখনো দেস নাই, ,, (মিম)

--- কয়টাকা পাবি লাগবে না যা,,, (মিম)

--- এই নে ৫০ টাকা নিয়ে,,,আর এখন তর হলো ৪৪৫০ টাকা পেলাম,,,(মিম)

-- চাকরির পর সব শোধ করে দিবো যা,,,,,(আমি)

---- হইছে চাপা কম মার যা এবার,,,,(মিম)

একটা রিকশা নিয়ে বাসায় আসার জন্য রওনা হলাম,,,রিকশা বসে আছি আমি ইচ্ছে করে ওর গায়ের সাথে গা লাগাইতাছি,,,,,,

--- ঐ দিকে সরে বস,,,লুচ্চা একটা,, (মিম)

-- ধুরু যা,, আমি এক সাইট চেপে বসলাম,,,

মিমের বাসার সামনে আসলাম মিম নেমে চলে গেলো,,,,,আমার বাসা এখান থেকে ৫ মিনিট লাাগে আরো,,,আমিও বাসায় চলে আসলাম,,,
অামার পরের পর্ব গুলো পেতে অামার অাইডিতে friend request দিয়ে সাথে নক করবেন অামি accept করে নিবো

চলবে......!!!!
Share:

করোনা ভাইরাস নিয়ে এক মুসলিম যুবকের অবাক করা স্বপ্নের কথা

যাদের বিশ্বাস না হয় তারা আমার টাইম লাইনে একটা ভিডিও সেয়ার করা আছে দেখে নিবেন প্লিজ

করোনা ভাইরাস নিয়ে এক মুসলিম যুবকের অবাক করা স্বপ্নের কথা,,, যা বললেন "মুফতি কাজী ইব্রাহীম"।
আল্লাহু আ'লাম করোনা ভাইরাস কি হতে যাচ্ছে !!!
আশা করি সবাই পড়বেন
করোনা ভাইরাসের ইন্টারভিউ স্বপ্ন যুগে !!!
ইতালি থেকে মামুন মারুফ নামের এক বাংলাদেশী ভাই স্বপ্ন দেখেছেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে যা মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব থেকে শুনলাম ।যেই স্বপ্নটি কাজী ইব্রাহিম সাহেবের কাছে গ্রহণ যোগ্য বলে মনে হলো
তবে এটা কুরআন না হাদিস না তবে কেয়ামতের আগে মুমিনের স্বপ্ন সত্যি হবে এটা সহীহ হাদিস
স্বপ্ন : করানো ভাইরাসটি কদম ফুলের মতো হয়ে আমার সামনে আসলো আমি প্রশ্ন করলাম তোমরা পৃথিবীতে কখন আসছো
করোনা ভাইরাস উত্তর দিলো : আমরা ২৩ শে অক্টবর পৃথিবীতে এসেছি এবং চিনে এসেছি ।
চিনে যখন তিনজন সৈন্য মিলে আয়শা নামে একজন মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এবং সে নিহত হয় চীন সৈন্যরা আয়শার ঠোঁট সিলায় করে দেয় যেন সে চিৎকার করতে না পারে । তখন আল্লাহ তায়ালা ( আমাদেরকে ) করোনা ভাইরাসকে বললো যাও তোমরা এদের আক্রমণ করো । এরপর আমরা আসলাম এবং ওই সৈন্যদের খতম করলাম আরো দুজন পাহারাদার ছিল তাদের খতম করলাম, তারপর যে ডাক্তার চিকিৎসা দিতে চাইলো তাকে খতম করলাম ।
প্রশ্ন : চিনে কেন আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিলো আসার জন্য আরোতো অন্যান্য দেশে যেমন মায়ানমার, ফিলিস্তিন, সিরিয়া সহ আরো কত দেশে নির্মম নির্যাতন হচ্ছে সেখানে আল্লাহ পাঠালেননা কেন ?
করোনা উত্তর দিলো : এটা এইজন্য যে একমাত্র একটা দেশ যে দেশের নাম চীন নির্যাতিত এলাকার নাম উইঘর যেখানে চীনের তাদের বিশাল বিশাল ওয়ালের ভিতরে বন্দি করে এমন ভাবে নির্যাতন করছে তাদের আহ! চিৎকার পর্যন্ত কেউ শুনতে পায়নি, কিন্তু আল্লাহ শুনতে পেলেন তাই আমাদের পাঠালেন আক্রমণ করার জন্য ।
প্রশ্ন: তোমরা কতদিন অবস্থান করবে ?
করোনা উত্তর দিলো : আমরা আসছি আবার চলে যাবো এমন না আমরা এখান থেকে নর্থ ও সাউথ আমেরিকা যাবো সেখানে মেচাকার করবো , তারপর ইরান যাবো সেখানে ধ্বংস করবো কারণ তারা কুরআনকে বিকৃত করছে , তারপর আমরা আরব দেশগুলোকে ধরবো কারণ সেখানে মুনাফেকে ভরে গেছে ,
এভাবে আমরা পৃথিবীর সাথ ভাগের দেড় ভাগ মানুষকে মেরে ফেলবো প্রায় ১.৫ কুটি মানুষ। যার বেশির ভাগ হবে বৈদ্ধ ।
প্রশ্ন : তোমাদের আক্রমণে কি মুসলমানেরা মারা যাবে ?
করোনা উত্তর দিলো : না আমরা মুসলমানদের বিতর যারা পাঁচ বার নামাজ আদায় করে তাদের ধরবো না কারণ তারা ওযু করে তাদের চেহারা থেকে, চোখ থেকে, হাতের তালু থেকে পায়ের তালু থেকে একটা নূর জ্বলবে আমরা তাদের দেখে চিনে যাবো যে তারা আল্লাহ ওয়ালা, তাই আল্লাহ ওয়ালাদের কোনো ভয় নাই ।
প্রশ্ন : মামুন মারুফ যেহেতু বাংলাদেশী তাই তিনি বাংলাদেশ নিয়ে প্ৰশ্ন করে বললেন, বাংলাদেশ নিয়ে তোমাদের কি পরিকল্পনা ?
করোনা উত্তর দিলো : তোমাদের বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই কারণ পৃথিবীর কোনো দেশে ইসলামের এতো আলোচনা নেই যত আলোচনা তোমাদের দেশে হয় ।
তবে কিছু ইসলাম বিরোধী মুনাফিকদের শেষ করে দিবো ।
প্রশ্ন : তোমাদের থেকে বাঁচার উপায় কি ?
করোনা উত্তর দিলো : 1.Q 7+ 6=13
এটা স্বপ্ন দ্রষ্টা মামুন টেলিফোনে কাজী ইব্রাহিম সাহেবকে এই সব বিষয় জানালেন এবং বললেন এই বিষয়টা আমি জানি আর আমি ঔষদ বানাচ্ছি তবে আপনি কাউকে জানাবেন না ইটা গোপন থাকবে ।
মামুন মারুফ কোরোনাকে আবার প্রশ্ন করলেন : এর পরে তোমাদের পরিকল্পনা কি ?
করোনা উত্তর দিলো : আমরা আরো অফগ্রেড হয়ে আরো হামলা করবো ভারত হয়ে নিচ থেকে উপরে দিকে, তারপর পাকিস্তানের ইসলাম বিদ্ধেষী মুনাফিকদের ধরবো , তবে আমরা আফগানিস্তাকে ধরবোনা কারণ তারা ইমাম মাহাদির সৈন্য ।
প্রিয় ভায়েরা এভাবে করোনা ভাইরাস স্বপ্ন যোগে এসে এইভাবে করে আরো কিছু কথা বলে গেছে, যেমন ভারত মুসলমানদের দখলে চলে আসবে, আর ইহুদিদের আমরা মারবোনা আমাদের অনুমতি নাই, কারণ তাদের মারবে ঈসা আ : তবে বায়তুল মোকাদ্দাস এর আশ- পাশ্বে যারা ইহুদি আছে তাদের আমরা শেষ করবো বায়তুল মুকাদ্দাসটা মুসলমানদের হাতে তুলে দিবো ইনশা আল্লাহ
উল্লেখ যে মুফতি কাজী ইব্রবীমি সাহেব কুরআন হাদিসে যথেষ্ঠ জ্ঞান রাখেন তিনি স্বপ্নটি কুরআন হাদিসের সাথে মিলিয়ে দেখলেন যে , স্বপ্নটি কুরআন হাদিসের সাথে মিলে গেছে । বাকিটা আল্লাহ ভালো জানে ।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক, আমাদের ঈমানকে মজবুত করুক, সারা বিশ্বের মুসলমানদের বিজয় দান করুক ।। আমিন
Share:

ব্রেকাপ ফর করোনা পর্ব--৩

#ব্রেকাপ ফর করোনা

#পর্ব--৩

#লেখক--সুমন খান।

#সুমন 👉 স্যার, একটা কথা বলি?

#পুলিশ👉 বল

#সুমন👉 স্যার আপনার সাথে একটা ভিডিও করতে পারি?
সেখানে,আমি বলব- পুলিশ জনগণের বন্ধু, তারা বিপদে জনগণের পাশে থাকে, যেমন আজকে আমার গার্লফ্রেন্ড এর অসুখ তাই আজকে আমাকে সাথে নিয়া যাচ্ছে তার বাসায় যাচ্ছি, জাস্ট এ কথাটা বলব,পরে এটা ফেইসবুক এ দিলে আপনাদেরকে সবাই স্যালুট জানাবে, আপনারা ভাইরাল হয়ে যাবেন।

#ওকে ঠিক আছে, কর,তবে তুই না, আমি করতাসি,তোর ফোন দে, এই বলে তার পকেট থেকে ফোনটা নিয়া ভিডিও করলো,,এদিকে সুমন মনে মনে বলতাসে, আমাকে আাবার বাসায় আসার জন্য এটাই হলো একমাত্র উপায়।

#এতক্ষনে তারা সুমনের গার্লফ্রেন্ড এর বাসার সামনে এসে পড়লো,,

#সুমন-স্যার আপনারা যান,আমি এখানে আছি।

#পুলিশ-কেন?

#সুমন- আমি গেলে ওর মা বাবা দেখলে আমার ১২ টা বাজিয়ে দিবে,কারণ ওর মা বাবা আমাকে দেখতে পারেনা,

#পুলিশ-ওকে ঠিক আছে,এ বলে পুলিশ দুইজন চলে গেলো বাসার দিকে,পরক্ষণেই সুমন প্রিতিকে ফোন দিলো,কই তুমি? আমি তোমার বাসায় আসছি,আমি তোমার বাসার পিছনে আসছি,

#িপ্রতি-- ওকে আসো।

৩ মিনিট পর তাদের দেখা হলো,তাদের কথা চলছে,এখন আসেন পুলিশের সাথে কি হচ্ছে তা দেখে আসি।
 দরজায় নক করল এক পুলিশ।
দরজা খোলার পর প্রিতির বাবা তো অবাক,পুলিশ আমার বাসায়?
  পুলিশকে লক্ষ্য করে িপ্রথির বাবা--কি ব্যাপার আপনারা?

পুলিশ 👉আমিও তো অবাক, আপনাকে দেখে তো মনে হচ্ছে কিছুই হয়নি?

কি হবে?

কেন, আপনার মেয়ের নাকি করোনা ভাইরাস এর লক্ষ্মণ দেখা দিসে,

কি বলেন এগুলো,কে বলসে?

কেন? আপনার মেয়েই তো তার বয়ফ্রেন্ডকে এ বলে মেসেজ দিসে,,

আমার মেয়ে?
বসেন, আমি আমার মেয়েকে ডেকে আনছি,এ বলে সে চলে গেলো,তার রুমে গিয়া দেখে নাই,যখন ডাক দিলো,ডাক শুনে তার মেয়ে বলল--বাবু,তুমি চলে যাও,আব্বু আমাকে ডাকছে,খুব খুশি হয়সি তুমি আসছো। i love you,babu.ummmmmmmmmah.
ওকে,বাবু i love you too. এ বলে সুমন সেখান থেকে এসে বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলো

এদিকে প্রিতি তো রুমে পুলিশ দেখে অবাক,, আপনারা?
আপনারা কেন আমাদের বাসায়?

#পুলিশ--মানে কি? আপনার কিছু হয়নি?

#প্রিতি--আমার আবার কি হবে?

#পুলিশ--কিন্তু আপনার বয়ফ্রেন্ড তো আমাদের আপনার মেসেজ দেখালো যে আপনার করোনা ভাইরাস লক্ষ্মণ দেখা দিসে,,তারমানে আপনার বয়ফ্রেন্ড আমাদের এভাবে বোকা বানালো,দাড়া তোকে পেয়ে নেয় পরে।

 #প্রিতি--কি,আমার বয়ফ্রেন্ড?  দাড়ান,আমি ফোন দিচ্ছি।

#সুমন--ফোন রিসিভ করে, হ্যা,বলো বাবু।

#প্রিতি--তুমি আমার বাসায় পুলিশ নিয়া আসছো?

#সুমন--দেখো,বাবু,এ ছাড়া তোমার সাথে দেখা করার আর কোনো পথ ছিলোনা।

#প্রিতি--তাই বলে পুলিশ,, ওকে আজ থেকে তুমি আর কোনদিন আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবানা।

#সুমন--ওকে ঠিক আছে,আমিও তোমার কাছ থেকে মুক্তি চায়,আমি আর তোমার এ প্যারা নিতে পারিনা,আমি এসব ইচ্ছা করেই করসি।

#প্রিতি--কি, কি বলসো তুমি? আমি তোমাকে প্যারা দেই,আমি তোমাকে পেইন দেয়। এদিকে সুমন ফোনটা কেটে দিলো।

প্রিতির অবস্থা দেখে পুলিশ বুজলো,আসলে মেয়েটা ছেলেটাকে অনেক ভালোবাসে,

#পুলিশ --আচ্ছা, কান্না করেন না,আসলে ওর মত ছেলেকে আপনার ভুলেই যাওয়া উচিত। আমরা আসি এ বলে পুলিশ চলে গেলো।
এদিকে সুমন বাসায় যাওয়ার পথে আবার পুলিশ সামনে,তখন ওই যে ভিডিও টা করসিলো সেটা দেখিয়ে চলে আসলো,যেখানেই পুলিশ ধরসে সেখানেই এই ভিডিও দেখিয়ে চলে আসলো।

 প্রায় ৪ দিন সুমন আর প্রিতির মধ্যে কোনো কথা নাই।

হঠাৎ একদিন প্রিতি ফোন দিলো...

#প্রিতি--কেমন আছো, সুমন?

#সুমন--ভালো,আর তুমি আমাকে সুমন বলতাসো কেন,বাবু বলবানা 🤣🤣🤣

#প্রিতি--জানি, এখন তুমি অনেক সুখেই আছো,কারণ আমি তো এখন আর তোমাকে বিরক্ত করিনা,তাছাড়া তোমাকে বাবু ডাকার অধিকার টা তো হয়তো হারিয়ে পেলেছি। কি করো তুমি?

#সুমন--কিছুনা শুয়ে আছি,,

ঠিক এই মূহুর্তে সুমনের গার্লফ্রেন্ড ফোন দিসে,অবাক হওয়ার কিছু নাই প্রিথির সাথে ব্রেকাপ হওয়ার পর সুমন ফেইসবুক এ আরেকটা মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পরসে।

#সুমন--আরো কিছু বলবা? আমার এক বন্ধু ফোন দিসে,আমি এখন ফোনটা রাখবো

কথাটা শুনে প্রিতির চোখ দিয়া দু ফোটা জল বের হয়ে আসলো,,তারপর বলল-সুমন,তোমার সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ছিলো,

#সুমন-- ওকে,বন্ধুর সাথে কথা বলা শেষে তোমাকে কল ব্যাক করতাসি, এ বলে ফোনটা কেটে তার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলা শুরু করছে,
প্রায় ১ ঘন্টা হয়ে গেলো,তবু সুমনের কথা শেষ হয়না,এদিকে প্রিতি ফোন হাতে নিয়া থাকিয়ে আছে,কিন্তু কল তো আাসেনা,এ দিকে তার খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।
যায়হোক প্রায় ১ঘন্টা ২০ মিনিট পর ফোন আসলো,

#সুমন--হ্যা, বলো কি কথা তোমার,বিরক্তিসূচক ভাব নিয়া বলল, প্রিতিও বুজতে বাকি রইলো না,এখন যে সে সুমনে মনে নাই।

#প্রিতি--আচ্ছা তুমি কি সত্যি আামাকে ভুলে গেসো, সুমন?

#সুমন-- হুম,শুধু ভুলেই গেসিনা,আমি এখন আরেকজনকে ভালো বাসি,

#কথাটা শুনে প্রিতি ততটা কষ্ট পাইনি কারণ তার মনে এরকমি ধারণা ছিলো,,

#প্রিতি--আচ্ছা, আমি কি তোমাকে খুব বিরক্ত করতাম,কথাগুলো বলতেসে, আর গলায় খুব ব্যাথা করতাসে,শ্বাসকষ্ট হচ্ছে প্রিতির,

#সুমন--খুব,আমি অতিষ্ঠ হয়ে গেসি তোমার প্যারাই। এখন আমি খুব সুখে আছি,

#প্রিতি-আচ্ছা,আমি রাগ করতাম তাই তুমি আমার সাথে ব্রেকাপ করসো,সারাক্ষণ কথা বলতে চায়তাম, একদিন না দেখে থাকতে পারতাম না,তাই তুমি ব্রেকাপ করসো?
আমার এই পাগলামি গুলো কিন্তু শুধু তোমাকে নিয়েই,আমার ২৪ ঘন্টা কাটে শুধু তোমাকে ভেবে, আমি আমার কাছ থেকে এক মূহুর্তের জন্য তোমাকে ছাড়তে মন চায়তোনা,তোমার অনেক বকা শুনসি এই বেশি কেয়ারিং এর জন্য। আমিও অনেক চেষ্টা করতাম কিন্তু পারতাম না।তোমার সাথে কথা না বললে,মনে হয় আমার নিশ্বাস টা বন্ধ হয়ে যায়,তোমাকে না দেখলে মনে হয় দুনিয়াটা অন্ধকার লাগে,হায়রে,সুমন, তুমি শুধু আমার রাগ,অভিমানটাই দেখলা, একবার এটা ভাবলানা,কেন করি এমন।

#সুমন--এত কথা শুনার সময় নাই,কি বলবা বলো।

#প্রিতি--মাত্র এই কয়দিনে এতটা পর হয়ে গেলাম আমি? আরে বৈইমান তুই জানতে চাস, কি কি করসি তোর জন্য?  আমার জিবনে কেন তুই এত দামি জানোস? জানোস না, তাহলে শুন..........

#আগামি পর্বে বাকিটা। রিকুয়েষ্ট দিয়ে সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ
Share:

করোনা ভাইরাস নিয়ে ট্রল করবেন না



যারা করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রতিনিয়ত মজা করে যাচ্ছেন, ট্রল করছেন,হাসাহাসি করছেন, তারা দয়া করে এই লেখাটুকু পড়ে দেখবেন।

ধর্ম এর দোহাই দিচ্ছেন কেউ কেউ, ইসলাম ধর্ম অন্য কারো বিপদে হাসি তামাশা করার শিক্ষা দেয়নি।
নিজেরা তো সচেতন হচ্ছেন না, কেউ সচেতনতার চেষ্টা করলে তাকে নিয়েও কটুক্তিমূলক মন্তব্য করছেন।

"চায়নায় কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় সরাসরি নিয়োজিত ৯০
শতাংশ চিকিৎসক এবং নার্স হলেন মহিলা।

প্রতিরক্ষা মূলক জিনিসপত্র সরবরাহের অভাবে তারা তাদের মাথার চুল সম্পূর্ণ কেটে ফেলেছেন, এডাল্ট ডায়াপার ব্যবহার করছেন এবং এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জন্মনিরোধক ওষুধ সেবন করেই যাচ্ছেন তাদের মাসিক বন্ধ রাখার উদ্দেশ্যে।

এই নারীজাতি চিরকাল মানবতার যোদ্ধা হয়ে থাকবেন।"

তথ্যঃ Contento Days
অনুবাদঃ উরবি সারাফ
Share:

গল্প: করোনার প্রস্থান অতঃপর শেষ_পর্ব

গল্প: করোনার প্রস্থান অতঃপর
শেষ_পর্ব

আমার বুক ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। মুখ দিয়ে কথা বের  হচ্ছিল না। চোখের পানিতে স্ক্রিন ভরে যাচ্ছিল।

-আমার জন্য দোয়া করিস ভাই! ভাল করে পড়াশোনা করিস। মা আর বাবাকে দেখেশুনে রাখিস সারাজীবন।

মনে হচ্ছিল যেন স্ক্রিন ভেঙে জড়িয়ে ধরি। হাসপাতাল থেকে ভাইয়ার লাশের কিছু ছবি  পাঠানো হয়েছিল তারপর দিন। তার বেশি আর কিছুই করার ছিল না তাদের। নিজের ভিতরে অপরাধবোধ কাজ করছিল খুব। ইশ্ লাশটা ছুঁয়ে  দেখার সৌভাগ্যও হলো না।

এক কান্না বিজরিত কন্ঠ শুনে চেতনা ফিরে এল আমার।

এই অধমরে সবাই কিছু সাহায্য করেন। দুনিয়ায় আর কিছু নাই আমার। করোনায় সব কাইরা লইয়া গেছে। পেটের দায়ে আত্নসম্মান বেইচ্চা দিছি বাজান। আল্লার দোহাই লাগে। সবাই কিছু দেন। আমার জামাই আছিল শিক্ষক.....

হাতের ইশারায় মহিলাটিকে চুপ করালাম। এসব শুনতে শুনতে ভাল লাগে না আর। পকেট থেকে খুচরা টাকা বের করে এগিয়ে দিলাম। একজনকে দুইটাকার কয়েনও দিতে দেখলাম। প্রোফেশনাল ভিক্ষুক হলে গোলমাল বাধিয়ে বসতো নিশ্চিত।

গাজীপুরার খুব একটা পরিবর্তন নেই। আগের সেই ধূলাবালি একইরকম। বাস থেকে নেমে রিকশা নিলাম। প্রবীণ রিকশাচালক খুব একটা চোখে পড়ছে না। চোখে পড়ছে না নাকি নেই? চেহারায় চুপচাপ আবহাওয়াবিশিষ্ট চালক বেছে নিয়েছি। ভেবেছিলাম নতুন কোন কাহিনী আর শুনতে হবে না।

-আমনের বাড়ি কই মামা?

-এইতো শ্রীপুর।(যথাসম্ভব ছোট উত্তর দেয়ার চেষ্টা)
-আমার বাড়ি অইছে গিয়া মোমেশিং(ময়মনসিংহ)। আমরার বাড়ির দিগে মনে করেন যে না খাইয়াই মারা গেছে......

-মামা সাইড করেন। নামব আমি।

এর থেকে হেটে যাওয়া অনেক ভাল। সত্যিই কি হেটে যাওয়া ভাল? আজকাল যেন প্রকৃতিও গল্প শুনাতে চায়। মৃত্যুর গল্প।

[গ]

মেসে ফিরে যেমন আনন্দ পাওয়া যাবে ভেবেছিলাম তার এক ক্ষুদ্রাংশও পাওয়া গেল না। সবার মুখে কেমন মলিন হাসি। ছয় মাস পর দেখা হওয়াটা যেন কিছুই না।

বিকেলে মেসের রুটিনমাফিক সবাই একসাথে জব্বার চাচার চা স্টলে  গেলাম।
স্টল নেই। সেখানে নতুন দোকানের কাজ চলছে। কারো কাছে জানতেও চাইলাম না জব্বার চাচা কোথায়।

পাশের স্টলে বসে পড়লাম। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উঠেছে দিন দুই এক হবে। আজকে বাংলাদেশ আর নিউজিল্যান্ডের খেলা। সবার হাতে কালো ব্যাজ। এক মিনিট নীরবতাও পালন করতে দেখলাম। ক্রিকেট বিশ্ব কি ভেবেছিল এতগুলো তারকা ছাড়াই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে? কোপা আমেরিকা, উয়েফা ইয়রো কিংবা অলিম্পিক গেমসেরও তো একই দশা।

ঘরে ফিরলাম সন্ধ্যার আগেই। মাগরিবের আজান হচ্ছে। ক্ষণিকের জন্য কেমন যেন একটা শান্তি অনুভূত হচ্ছে। ওয়ারড্রব খুলে জায়নামাজটা বের করলাম। দাদুর দেয়া জায়নামাজ। হজ্জ্ব থেকে ফিরে আমাকে উপহার দিয়েছিলেন। আহ্ জায়নামাজ জুড়ে দাদুর পরশ মিশে আছে। সেই যে হাতপাতালে ভর্তি হলেন। তারপর কোয়ারেন্টাইন আর আইসোলেশন শব্দগুলোর সাথে পরিচিত হতে হতে উনার মৃত্যুর খবরটাও শুনতে হলো।

-মনে রাখিস দাদুভাই! তোর বউ না দেখে কিন্তু আমি মরব না।

কথাটা আজও কানে বাজে।নির্লজ্জের মতো বাজতেই থাকে চোখ ভেজা অবধি।

[ঘ]

ছ'মাস পর ক্লাস শুরু। কোলাহল নেই বিন্দুমাত্র। ক্লাস টপার আর ব্যাকবেঞ্চারদের একাকার হয়ে যেতে দেখলাম এই প্রথম। ক্লাসে এক মিনিট চুপ করে থাকতে না পারা ছেলেটাও গালে হাত দিয়ে এদিক ওদিক চোখ নাড়ছে। মুখ বন্ধ। হাসিটা আজকাল সোনার হরিণ। পেয়াজ কিংবা মাস্কের দামকেও ছাড়িয়ে গেছে।

সহপাঠীদের কে আছে কে নেই তা নিয়ে মাথা ঘামালাম না। কাউকে ঘামাতেও দেখলাম না। দু'একজন নতুন স্যার দেখা গেল পুরনোর বদলে। ব্যাপারটাগুলো সবাই খুবই স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছে। যেন মৃত্যুর খবর এড়িয়ে যেতে পারলেই বাচা যায়।

ছুটির পর সজিব ডাক দিল।

-তোমার সাথে কথা আছে। একটা নাঈম ছিল না আমাদের শাখায়? পিছনে বসতো। মোটা করে?
-হ্যাঁ কোথায় ও?
-মৃত্যুর আগের দিন নাম্বার চেয়েছিল তোমার। ওর ফেসবুক আইডিতে নাকি তোমার কি একটা স্ট্যাটাস লিখে দেয়ার কথা ছিল? আমাকে পাসওয়ার্ড বলে গেছে। আমি তোমাকে বলছি। তুমি লিখে দিও।

আমার মনে পড়ল আমার পার্সোনাল ডায়েরিতে লেখা সাদাত হোসাইনের লেখা  চারটি লাইন ও পোস্ট দিবে বলেছিল।লাইন চারটি বিষকাটা হয়ে আমার অন্তরে বিধতে লাগল ততক্ষনাৎ।

" আমি একদিন নিখোঁজ হবো,উধাও হবো রাত প্রহরে,
সড়ক বাতির আবছা আলোয়,খুঁজবে না কেউ এই শহরে,"

পরিশিষ্ট:

 এক  মাস কেটে গেছে মোটামুটি। সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে অনেকটাই। আমি যাচ্ছি চট্টগ্রাম। গতকাল ফোন এসেছিল একটা।

-আসসালামু আলাইকুম। আমি তোমার ভাইয়ের বন্ধু বলছি। ইতালি থেকে ছুটিতে এসেছি দুইদিন হলো। তোমার ভাইয়ের ওয়ারড্রপের তালা ভেঙে দেখলাম সে তোমাদের জন্য জিনিসপত্র কিনেছিল কিছু। তাই জিনিসগুলা নিয়ে আসলাম। আমার বাসা চট্রগ্রাম। তোমার মা-বাবাকে নিয়ে বেড়াতে এসে নিয়ে যেও। সাথে একটা আইফোন এক্সও আছে।
Share:

গল্প: করোনার প্রস্থান অতঃপর #প্রথম_পর্ব

করোনা নিয়ে আমার অবচেতন মনের নানা কল্পনা থেকে নিচের গল্পটি লেখা যার সাথে বাস্তবতার মিল নেই।কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না। দয়া করে সবাই পরবেন।

গল্প: করোনার প্রস্থান অতঃপর
#প্রথম_পর্ব

[ক]

ঘরে বসে বসে শরীরে এক প্রকার জং ধরে গেছে বলা চলে। বন্ধ ঘোষণা করার তারিখটা মনে করার চেষ্টা করলাম।তারিখ মনে পড়ল না। ও হ্যাঁ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর আগের দিন।তার মানে ছয় মাস গেল মাত্র। আমার তো দু'বছরের কম মনে হচ্ছে না। যাইহোক, সব প্রতিষ্ঠান খোলার খবরটা শিহরণ বইয়ে দিল শরীর জুরে। আহ্ বন্ধুদের সাথে আবার দেখা হচ্ছে। বিষাদের খবরগুলো খোঁচা দিতে চাইল। আমি নতুন আনন্দের চাদরে বিষাদের খবরগুলোকে ঢেকে দিতে চেষ্টা করলাম। পুরোপুরি ঢাকা গেল না। মাস্কের প্রয়োজন ছিল বোধ করি।

ব্যাগ গুছানো শেষ প্রায়। দু'দিন পর ক্লাস শুরু। চলে যাব আজই। দখিনের জানালায় মুখ করে স্তব্ধ হয়ে আছে মা। কাছে গিয়ে কাঁধে হাত রাখলাম। নিরব সান্ত্বনা। হঠাৎ আমার দিকে মুখ করে সজোরে জরিয়ে ধরলেন।

-তুই কখনো তোর ভাইয়ের মত হারিয়ে যাস্ না। তবে আমি মরেই যাব।
-কি আবোল তাবোল বকছো? পৃথিবীতে তো কেউ বেচে থাকবে না তাইনা? জীবনে পরপর অনেক ক্রাইসিস আসবে। তাই বলে জীবন থামিয়ে রাখতে হবে? কাদবে না একদম। হাসিমুখে বিদায় দাও।

চুল সরিয়ে আমার কপালে চুমু খেলেন তিনি।

-তোর ভাইয়া আর দাদুর জন্য দোয়া করিস।
-করবো করবো।

দাদু ছাড়া বাকী সবার কাছ থেকে বিদায় নিলাম। দাদুর ঘরের কাছেও গেলাম না। খালি ঘর দেখতে ভাল দেখায় না।

[খ]

পৃথিবীটা কেমন যেন নতুন নতুন লাগছে। আকাশ,রোদ,সূর্য সব যেন স্বাগতম স্বাগতম বলছে। জেল ফেরত কয়েদীর অবস্থা এমনি হয় সম্ভবত। গাজীপুরার উদ্দেশ্যে বাসে উঠেছি। বাসটা অনেকটা খালি। শহর, নগরজুরে জনসমাগম হতে শুরু করেছে মাত্র।ভরা কোন বাস দেখে উঠা উচিৎ ছিল। একা থাকলেই নানান কথা মনে আসতে শুরু করে। মুহুর্তেই মন খারাপ হয়ে যায়।

ভাই ছিল ইতালি প্রবাসী। ইতালি সংক্রামিত হবার পর দেশে ফিরেছিল অবশ্য। বাড়িতে আসার সৌভাগ্য হয়নি। এয়ারপোর্ট গিয়েছিলাম দেখা করতে। শখের আইফোন এক্স আনেনি বলে কথা বলিনি।
জানতাম না এমন দিন আসতে পারে যে চাইলেও আর কথা বলতে পারবো না। কথা না বলে দিব্যি একমাস কাটিয়ে দিয়েছি। তারপর মৃত্যুর আগে অবশ্য বলেছি একটু। ভিডিও কলে যতটুকু বলা যায়।
-এখনও কি আমার সাথে কথা বলবি না? একটু বল না ভাই! প্লিজ বল! শেষবারের মতো একটু ভাইয়া বলে ডাক! ডাকবি না?

(চলবে)
Share:

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label