পর্ব ১১
.................#লেখক_আরিফুল_হক_চৌধুরী................
আমিঃ এখন আবার রুমে কেন?
রিমিঃ তকে ছারা কিছুই ভালো লাগে না।
চল না আমরা বিয়ে করে ফেলি।
আমিঃ সময় হক তখন করবো।তুমি তোমার রুমে যাও আম্মু এসে পড়বে
রিমিঃ বড় আম্মু গুমিয়ে পড়েছে।
এখন একটা কিস কর তাছারা গুম আসবে না।
তারপর আর কি রিমি আপু কে একটু আদর করে
আপুর রুমে পাঠিয়ে দিলাম।
এভাবেই ভালোবাসা রাগ অভিমানের মাজেই কেটে গেলো দুটো মাস।
ত একদিন সকালে গুমিয়ে আছি রিমির
ডাক।
রিমিঃ এই নীল উঠ কলেজে যাবো।
আমিঃ উম একটু পড়ে।
রিমিঃ উঠবি না।
আমিঃ যাও এখন গুমাবো।
তারপর রিমি আর কিছু বললো না মনে হয়
চলে গেছে আমি আবার ও গুমিয়ে পড়লাম।
একটু পড়ে মনে হয় আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। চোখ খুলে দেখি রিমি আপু আমার
নাক দরে আছে।
আমিঃ কি হয়েছে।
রিমিঃ উঠ কলেজে যাবো।
তারপর আমি উঠে ফ্রেশ হয়ে রিমি আপুকে
নিয়ে কলেজে চলে গেলাম।
রিমি আপুর একটা গুরত্ব পূর্ন ক্লাস আছে
তাই রিমি আপু ক্লাসে চলে গেলো।
আমি আর কি করব তাই লাইব্রেরি তে
যেতে লাগলাম।
ঠিক তখনি হাত দরে টান দিয়ে কে যানি আমাকে
ক্লাসে নিয়ে গিলো।
ক্লাসে গিয়ে দেখি একটা মেয়ে। মেয়েটা মনে
হয় নতুন এর আগে কখনো দেখিনী।
আমিঃ এভাবে হাত দরে ক্লাস নিয়ে আসলেন কেন।
মেয়েটিঃ প্রতিশোধ নিতে।
আমিঃ মানে।
মেয়েটিঃ ওইদিন যেভাবে আমার ভাইকে মেরেছিলি তার প্রতিশোধ নিতেই।
তারপর মেয়েটি দরজা লাগিয়ে দিলো।
তারপর তার হাতে থেকে কাপড়ের
কিছু অংশ ছিরে ফেললো।
আমি শুদু অবাক হয়ে দেখতাছি।
তারপর মেয়েটি চিল্লানি শুরু করলো হেল্প
বাচাও আমাকে, মেয়েটির চিল্লানি শুনে
অনেকেই ক্লাসের দরজা দাক্কাচ্ছে।
তারপর মেয়েটি দৌড়ে গিয়ে রুমের দরজা
খুলে ওইদিন যাকে মেরেছিলাম ওই ছেলে
টাকে জরিয়ে দরলো।
মেয়েটিঃ দেখ ভাইয়া এই ছেলেটা আমাকে
এখানে ডেকে এনে ইজ্জত নষ্ট করার।
(কেঁদে কেঁদে বললো মেয়েটি)
এখানে অনেক শিক্ষক ও এসেছে।
আমিঃ বিশ্বাস করেন আমি কিছু করি নি।
তারপর মেয়েটির ভাই এসে আমাকে একটা
থাপ্পর মারলো।।
তারপর দাক্কা দিয়ে ক্লাস রুমের বাহিরে পাঠিয়ে দিলো।
সবাই শুধু বলছে এরকম ছেলের কোনো খমা নেই।
একে উচিৎ শাস্তি দেওয়া দরকার।
অনেক শিক্ষক রাও বলছে।
আমিঃ পিন্সিপাল স্যার আপনিও বিশ্বাস করেন,
আমি এরকম একটা কাজ করতে পারি।
পিন্সিপালঃ নিজের চোখে যা দেখলাম তাতে
বিশ্বাস না করে পারছি না তোমাকে দিয়ে এটা
আশা করি নি।
তারপর আমি জয় আর রাজুর কাছে গেলাম।
আমিঃ দোস্ত তরাও কি একটা বিশ্বাস করস।
রাজুঃ না এটা আমরা নিজের চোখে দেখলেও
বিশ্বাস করতাম না।
তারপর রিমি আপু আসলো রিমি আপু এসে
সব কাহিনী শুনলো।
আমিঃ তুমিও কি বিশ্বাস করো এমন আমি এমন একটা কাজ করতে পারি।
তারপর রিমি আপু আমাকে একটা থাপ্পর মারলো
তখনি আমি সাইটে দেওয়ালে তাকিয়ে দেখি
একটা সি সি টি ভি ক্যমেরা লাগানো।
তারপর রিমি আপু বলতে লাগলো।
রিমিঃ তকে অন্ধের মতো ভালোবাসতাম
আর তুই কিনা আমার ভালোবাসা
নিয়ে খেলা করলি। কি দেয়নি তকে তর এসব লাগবে তুই একবার আমাকে বলতে আমার সব দিয়ে দিতাম তকে।
আমিঃ আমাকে ফাসানো হয়েছে।
রিমিঃ চুপ তুই আর একটা কথাও বলবি না।
লম্পট চরির্ত হীন ছেলে কে কিনা আমি
ভালোবাসি ভাবতেও গৃণা করতাছে।
আমিঃ আমার কথা টা ত শুনো।
রিমিঃ আসলে তর বাবা- মা ই তকে সু-শিক্ষায়
শিক্ষিত করতে পারে নাই।
(বাবা - মার কথা বলাতে কেনো জানি আর চুপ
থাকতে পারলাম না?)
আমিঃ সেট-আপ মিস রিমি। অনেক বলেছেন।
আমাকে নিয়ে বলতেন কিছুই বলতাম না বাট
বাবা মা কে নিয়ে বলে কাজ টা ঠিক করলেন না।
তারপর আমি পিন্সিপাল স্যার কে বললাম।
আমিঃ স্যার আপনাদের কাছে কোনো প্রমাণ আছে
যে আমি এই কাজ টা করেছি।
স্যারঃ নিজের চোখে দেখার পর আমি কোনো প্রমাণের প্রয়োজন মনে করি না।
আমিঃ আর আমি প্রমাণ দিতে পারবো আমি
এই কাজ টি করি নি।
স্যারঃ কিভাবে।
আমিঃ সাইটে দেখেন।
তারপর সবাই দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে।
দেখলো ক্যমেরা লাগানো আছে।
তখনি ওই মেয়েটার মুখ টা একদম কালো হয়ে গেলো।
আমিঃ সি সি টিভি ক্যমেরার ফুটেজ কোথায়।
স্যারঃ হল রুমে।
আমিঃ তাহল হল রুমেই চলেন।
তারপর হলরুমে শুদু ওই মেয়েটি ওর ভাইয়া।
আমি সকল স্যার আর রিমি গেলাম।
তারপর ফুটেজ চালু করলাম। যাতে
স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
মেয়েটি আমার হাত দরে টান দিয়ে ক্লাসে
নিয়ে গেলো। তারপর নিজেই নিজের কাপর
ছিরলো তার পর চিল্লাতে শুরু করলো।
আমিঃ বিশ্বাস হয়েছে ত স্যার।
পিন্সিপালঃ হুম স্যারি।
আমিঃ মাজে মাজে চোখের দেখাও ভুল হয়।
আর আপনাকে বলেছিলাম এই ছেলেটাকে
সাসপেন্ট করতে বাট করেন নাই। আপনিও
তৈরি থাকেন স্যার।
তারপর আমি ওই মেয়েটির কাছে গেলাম।
আমিঃ মেয়েদের কাছে তার সবচেয়ে
দামি জিনিস জানো কি তার ইজ্জত তাই
নেক্সট টাইম এরকম করার আগে ভেবে
দেখবা। আমি ছেরে দিলাম সবাই কিন্তুু
আর ছেরে দিবে না।
এই বলেই আমি রুম থেকে বাহির হয়ে গেলাম।
আমার পিছনে পিছনে রিমি ও আসতে লাগলো।
রিমিঃ প্লীজ নীল দারা আমার কথা টা শুন।
আমি কোনো কথা না বলেই হাটতে লাগলাম।
রিমি দৌড়ে এসে আমার সামনে দাড়ালো।
রিমিঃ প্লিজ ভুল হয়ে গেছে।
আমি কিছু না বলে পাশ কাটিয়ে বাইক
নিয়ে চলে গেলাম।
সত্যিই আজকে রিমির কথা গুলো তিরের মতো
লেগেছে। এগুলা ভাবছি আর বাইকের স্পিড
বারাচ্ছি।
হঠাত করেই সামনে দেখি একটা কার
এসে পড়েছে। আমি গাড়ি সাইট করতে গিয়ে
রাস্তার লেম্পপোস্টের সাথে বারি খেলাম।
আস্তে আস্তে আমার চোখ জাপসা হয়ে আসছে।
কিছু মানুষ দৌরিয়ে আমার দিকে আসছে।










