Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্প : "কলেজের রাগী মেয়ে (রাগরাণী)" ,

গল্প : "কলেজের রাগী মেয়ে (রাগরাণী)"
,
সম্পূর্ণ গল্প
,
লিখা : MD Abir Hasan
,
কলেজে বরাবরের মতোই আমাকে ক্যাপ্টিন বনালো, মানে আমাদের ক্লাশের ক্যাপ্টিন। পুরো কলেজে গার্ড দেওয়ার জন্য আছে লিডার, আমি শুধু আমাদের ক্লাশের কেপ্টিন, আমার সহকারি হিসেবে রেখেছি আমার দু বন্ধুকে।
আমি আবির হাসান। অনার্স প্রথম বর্ষ।
এবার গল্পে আসি। ক্লাশে বসে আছি। বাহিরে থেকে সাইদ এসে বললো........
আবির তোর সিনহা তো বাহিরে মাইরপিট লাগাইছে!!!!
আমিঃ কি বলিস,,,,,,! দৌরে বাহিরে গেলাম, গিয়ে দেখি সত্যিই সিনহা একটা ছেলেকে মারছে, ওরে সেকি মাইর, আমি গিয়ে তারাতারি সিনহার সামনে দাড়ালাম,
সিনহার চোখ দেখে রিতিমতো ভয় পেয়ে গেলাম, রক্তবর্ন ধারন করেছে, অবস্থা বেসি সুবিধার না দেখে ছেলেটাকে পাসকাটিয়ে নিয়ে এলাম।
ছেলেটাকে জিগাসা করলাম......
আমিঃ কিরে ভাই ও তোরে মারতেছিলো কেনো??
ছেলেঃ প্রপোজ করছিলাম ভাই,,
আমিঃ সালা তোরেতো আরো মারা উচিৎ, আমি ঘুরতেছি এক বছর পর্যন্ত প্রপোজ করার সাহস পাচ্ছি না, আর তুই কি না ডিরেক্ট প্রপোজ করলি, ভাগ এখান থেকে | ছেলেটা দৌরে চেলে গেলো।

এবার আসুন সিনহার সম্পর্কে বলি।
সিনহা হলো হলো রাগী একটা মেয়ে, যাকে সবাই প্রচন্ড রকম ভয় পায়। ওর রাগ উঠলে চোখ রক্তের মতো লাল হোয়ে যায়। মেয়েটাকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসি।
সেই ইন্টার থেকে ওকে পছন্দ করি।
দুজন আমাদের কলেজ থেকে ইন্টার শেষ করে একই কলেজে ভর্তি হোয়েছি।
কখনো ভালোবাসি বলা হয় নি !
সিনহা যে আমাকে পছন্দ করে না তা না, সেও আমাকে পছন্দ করে। আমাদের দুজনের সামনাসামনি কথা হয়না, খুবই কম হয়। চোখে চোখে কথা হয় বেশি।
যাক এবার বর্তমানে আসি।
ক্লাশে চলে আসলাম। সিনহা আমার দিকে কিছুক্ষন পর পর আর চোখ তাকাচ্ছে।
চোখে চোখ পরতেই ফিরিয়ে নিচ্ছে।
এ যেনো এক অন্যরকম অনুভুতি। ক্লাশ শেষ হলে সিনটা বসে থাকে। আমি আর সিনহা এক সাথে বের হই। এটা আমাদের নিত্যদিনের রুটিন।
কলেজের মাঠে বসে আছি। দূরেই সিনহা তার বান্ধুবিদের সাথে জালমুড়ি খাচ্ছে।
দেখতে বেস লাগছে।
কিছুক্ষন পর ওর এক বান্ধুবি জালমুড়ি নিয়ে এলো।
বান্ধুবিঃ আবির.....সিনহা পাঠিয়েছে তোমার জন্য।
সিনহার দিকে তাকালাম। দুর থেকে চোখ দিয়ে ইশারা করলো নেওয়ার জন্য।
জালমুড়ি নিলাম।
সিনহা একটা মুচকি হাসি দিলো।
সামনাসামনি কথা হোকবা নাহোক.....
চোখে চোখে আমাদের ঠিকই কথা হয়।
তবে সব থেকে বেসি ভয় পাই ওর রক্ত রাঙা চোখকে।
ও রেগে গেলে নিজেকে কন্ট্রল করতে পারে না, চোখ আগুন হোয়ে যায়।
এই তো সেদিন...........
ক্লাসে বসে আছি। ক্যাপ্টিন হিসেবে সবার সাথে দু একটু কথা বলতে হয়।
তো আমাদের ক্লাশমেট মীমের সাথে কথা বলছি। একটা বিষয় নিয়ে বেস খানিকক্ষন কথা বলছি।
হঠাৎ চোখ গেলো সিনহার দিকে।
ভয় চরমে উঠে গেল আমার। সিনহার চোখ রাগে লাল হোয়ে গেছে।
তখন মীম ওর হাত দিয়ে নিজের দিকে ফিরিয়ে বললো .......
আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলো।
,
হঠাৎ ঠাসস করে একটা শব্দ হলো!!!
কি ভাবছেন থাপ্পর মেরেছে?
না, একদমই না,,
ও যত রেগে যাক আমাকে কিছু করবে না। নিজের সাথে যা করার করবে।
সিনহা রাগের চোটে দেয়ালে ঘুশি মেরেছে। হাত বেয়ে রক্ত পরছে।
দৌড়ে গিয়ে হাত চেপে দরলাম,,
অভিমানে চোখ ফিরিয়ে নিলো সিনহা।
আমি বুঝিনা, এই মেয়ের এত জিদ কোথাথেকে আসে,,
পকেট থেকে রুমালটা বের করে ওর হাতে পেচিয়ে দিলাম,,
ওর সাথে কথা বলতে গেলে বুক কাপে,,
তাই কথা বেসি একটা বলতে পারিনা।
-
আমিঃ কি করেছো হাতকে দেখছো,,,?
সিনহা আমার চোখের দিকে আরো ক্ষিপ্র ভাবে তাকালো,,
ভয়ে আর কিছু বলার সাহস পেলাম না,,,
কবে যে এই মেয়েকে ভালোবাসি বলতে পারবো আল্লাই জানে,,,
আজ শুক্রবার.... তাই আমি, সাইদ, রোমান মিলে বাহিরে ঘুরতে গেলাম,,
ঢুকলাম একটা কফি সফে,,
অনেক দিন কফি খাওয়া হয় না,,
কফির অর্ডার দিয়ে টুকটাক কথা বলছি ,,
তখন রোমান বললো......
রোমানঃ মামা ওইটা সিনহা না.........?
আমিঃ চুপ বেটা, এখানে সিনহা আসবে কোথা থেকে ?
রোমানঃ তাকিয়েতো দেখ আগে,,,,
আমি তাকিয়ে তো রিতিমতো অবাক!!!!
সিনহা আমাদের বিপরীত পাসে বসে আছে!!!
সাইদঃ সাথে কে.....? ওইটা আমাদের সাগর না.....?
আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম,,
সিনহার সামনে সাগর বসা,,
সবচেয়ে কষ্টদায়ক দৃশ্য হলো ওদের দুজনের মাঝে গোলাপ ফুলটা,,
ওয়েটারঃ স্যার কফি,,
আমিঃ রাখ তোর কফি,,, তোর কফি তুই খা,,
ওয়েটারঃ বিলটা,,,,,,
পকেট থেকে টাকা বের করে দিলাম
আমিঃ চল,,ওদের একা থাকতে দে,,
বেরিয়ে আসার সময় সিনহা আমাকে দেখে ফেললো,,
হা করে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকলো,,
ওর চোখের দিকে এক নজর তাকিয়ে চোলে আসলাম,,
মনে মনে ভাবছি এভাবে ধোকা দিলো!!!
সালার কেনো যে আগে প্রপোজ করলাম না,,,
সাইদঃ মামা সাগর হালারে ধইরা বাটাম দিমু নাকি,,,?
আমিঃ আরে না বেটা,,আমাগো ফ্রেন্ড হয়তো,,,
রোমানঃ তো এখন কি করবি,,,?
আমিঃ আমারে সুলতান বিড়ি দে টানি,,,
সাইদঃ দামি সিগারেট খা,,সুলতান বিড়ি মানুষ খায়,,?
আমিঃ হালা মসকরা করছ,,,?
আজ দু বছর হতে চললো সিনহাকে ভালোবাসি,,
আর ও করলো টা কি,,,,
মুজে মালুম নেহি আতি,,,
আমারে মারিহালা,,,,
সিনহা শাকচুন্নিটা আমার সব শেষ করে দিলো রে,,
এখন আমার কি হবে রে,,,,
রোমামঃ থাক কাঁনদিস না,,
ধর গান শোন,,
কানে ইয়ার ফোন দিতেই বেজে উঠলো,
"চোলে গেছো তাতে কি,
নতুন একটা পেয়েছি,
তোমার চেয়ে আরো সুন্দরি,,।"
কান থেকে ইয়ার ফোন খুলে সোজা রোমানকে একটা লাথি মারলাম,,
রোমানঃ মারলি কেন,,
আমিঃ হালা কি গান শুনাস,,,?
নতুন একটা কইথেইকা পাইলাম,,,?
রোমানঃ আরে ওটাতো গান,,
আমিঃ চল,,আর ভালোলাগে না,, ।
বাসায় চোলে আসলাম,,,
রাতে আর ঘুম হলো না,,,,
সকালে আয়নায় মুখ দেখে ভয় পেয়ে গেলাম,,,!!
চোখ পুরো সিনহার মতো লাল হোয়ে আছে।
কলেজে চলে গেলাম,,,
সিনহা বসে আছে ক্লাশে,,
আহ কত সুন্দর মেয়ে,,,,,
আমার কপালে জুটলো না,,,,,
আহা কান্না আসে ক্যারে।
নিজের মতো করে বসলাম,,,
তাকাবো না, তাকাবো না,,
সিনহার দিকে তাকাবো না,,
মন কে বুঝাচ্ছি,,
না হ এভাবে হবে না, বারবার চোখ চলে যাচ্ছে সিনহার দিকে,,,
পিছন গিয়ে সিনহার আড়ালে বসলাম,,
সিনহা বারবার পিছন ঘুরে আমার দিকে তাকাচ্ছে,,
আরে শাকচুন্নি বারবার আমার দিকে তাকানোর কি আছে,,
সাগরের দিকে তাকা,,
আমি আমার মতো করে ক্লাশ করছি,,
মুঝে এতো কষ্ট ক্যাছে লাগে,,,,?
ক্লাস শেষে সবার সাথে বেরিয়ে আসলাম,,
সিনহা শুধু হা করে তাকিয়ে আছে,,,!!
ওর জন্য অপেক্ষা না করে চলে আসলাম।
পথে দেখা হোয়ে গেলো সাগরের সাথে,,
গিয়েই থাস থাসস করে কয়েকটা মেরে দিলাম পিঠে,,,
সাগরঃ কিরে মারিস কেনো,,
আমিঃ ধুর পাগল, এটাকে মারা বলে নাকি,,,,,?
তুই আমার বন্ধু মানুষ,, এরকম দু একটু দিতেই পারি,,
তা প্রেম চলছে কেমন,,,,
সাগরঃ ভালো,,
সাগরকে জড়িয়ে ধরার উছিলায় একটা চাপ দিলাম,,
আমার জিনিস ছিনিয়ে নেস হালা,, সাগরঃ কি রে কি হলো,,
আমিঃ নারে কিছু না,,
ভালোবাসা, তুই আমার কাছের বন্ধু,,
সাগরঃ তুই আমায় এত ভালোবাসিস,,,,?
দিলাম দুটো লাথি,, সাগর বললো.....কিরে লাথি মারলি কেনো,,?
আমিঃ পাগল, এটা লাথি না, এটা ভালোবাসা,,
সাগরঃ তোর ভালোবাসার ধরন এমন ভিন্ন কেনো রে,,,?
আমিঃ এখন থেকে তোকে এইভাবে ভালোবাসবো,,,
সাগরঃবাপু তোর এমন ভালোবাসা আমার দরকার নেই,,
আমার ভালোবাসা আছে,,আমি গেলাম,,
সালা তোর জন্য বড় কষ্টে আছি,,
পর দিন আবার কলেজে গেলাম,,,
ক্লাশের সবার এসাইনমেন্টের খাতা আমি জমা নিচ্ছি,,,
সাইদ কে পাঠালাম মেয়েদের খাতা তুলতে,,
আমি ছেলেদের খাতা তুলছি,,,
সিনহা সাইদের কাছে খাতা দিলো না,,
খাতা নিয়ে আমার সামনে চলে আসলো,,,
আমার চোখের দিকে তাকিয়ে খাতাটা বাড়িয়ে দিলো,,
আমি একনজর ওর দিকে তাকিয়ে চোখটা ফিরিয়ে নিলাম,,,
খাতাটা নিয়ে সরে আসলাম,,
সিনহা শুধু আমার মুখ পানে তাকিয়ে আছে,,,,
সাগরকে তো রাগ উঠলেই ভালোবাসা দেই,,,
সিনহার দিকে তাকাতে ইচ্ছে হয়,,,
পন করেছি তাকাবো না,
তাই অন্যদিকে তাকিয়ে থাকি,,
ক্লাসে মিশুর সাথে কথা বলছি,
সিনহা তা দেখছে আর চোখ লাল হচ্ছে,,
অবস্থা বেসি সুবিধার না মনে করে আমি সেখান থেকে বারান্দায় চলে আসলাম,,
হঠাৎ চোখের সামনে একটা রুমাল দেখতে পেলাম,,
আরে এটাতো আমার রুমাল,,
সেদিন সিনহার হাতে পেঁচিয়ে দিয়েছিলাম,,,
পাশে তাকাতেই দেখি সিনহা,,,
আমার দিকে রুমাল বাড়িয়ে দিলো,,,
আমিঃ ধন্যবাদ,,
চলে আসতে যাবো তখন সিনহা বললো,,,
সাগরের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই,,,
আমি ওর চোখের দিকে একটু তাকিয়ে চলে আসলাম,,
ঢং করে,, হাদা বুঝায়,,,
মেরা দিল নিয়া আকুবাকু করবে,,
ক্লাশ শেষে সবার সাথে বেরিয়ে আসলাম,,
সিনহাও চুপচাপ পাশাপাশি হেটে চোলে আসলো,,,,
পরের দিন............
মাঠে বসে আছি,,
আমি, সাইদ, রোমান, সেই সাথে এসে যোগ দিলো জুই।
হাসাহাসি চলছে আমাদের মাঝে,,
কলেজের বারান্দায় তাকিয়ে দেখি সিনহা দাড়িয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,,,
একটু পর বোতল খুলে মাথায় পানি দিচ্ছে,,
বুঝেছি রেগে গেছে,,
আমি বুঝিনা....নিজে প্রেম করিস, আবার রাগ দেখিয়ে ঢং দেখাস,,
যাওয়ার সময় জুই শুরু করলো আরেক ঢং,,
আমার সাথে রিকসায় চড়ে বসলো,,
বুঝিনা জুই কি সিনহাকে দেখানোর জন্য এমন করছে,,,
এই কদিন যা ই এড়িয়ে চলেছি সমস্যা ছিলো না,,
পঞ্চম দিন এসে বাঁধলো বিপদ,,,
ক্লাশে আজ জুঁই বেস গা ঘেঁসে কথা বলেছিলো,,
মাঝে মাঝে হাতও ধরেছে,,
যা সিনহা ভালো চোখে নেয় নি,,
ক্লাশ শুরু থেকে সিনহার চোখ লাল হয়ে আছে,,
রক্ত বর্ন ধারন করেছে,,
ভয়ে আর তাকাতে পারিনি,,
ক্লাশ ক্যাপ্টিন হিসেবে একটু কাজ টাজ করতে হয় স্যারেদের সাথে,,
তো আজও কাজ শেষ করতে করতে অনেক টা দেরি হোয়ে গেছে,,
সব ছাত্রছাত্রীরা চলে গেছে শুধু সিনহা আর ওর দুই বান্ধুবি আছে,,, ।
,
আমি বই খাতা ঘুছিয়ে যেই ক্লাশ থেকে বের হতে যাবো তখনই সিনহা এসে আমার সামনে দাড়ালো,,
ওর বান্ধুবিরা বাহির থেকে দরজা আটকিয়ে দিলো,,
ভয় চরম সীমায় গিয়ে পৌছালো,,,
,
আমিঃকিক কি হলো দরজা আটকালেন কেনো,,।
,
সিনহা ওর রক্ত রাঙা চোখে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে এক পা এক পা করে আমার দিকে এগুতে লাগলো,,
আমি পিছাতে পিছাতে বললাম,,
আমিঃ কি হলো এগুচ্ছেন কেনো,,
সিনহা একটু থেমে বলা শুরু করলো,,
সিনহাঃ আজ চার দিন ঘুমাতে পারিনা, চারটা দিন চোখে ঘুম নেই,, বলছে আর এগুচ্ছে,,
আমিঃ কি করেছি আমি? পিছাতে পিছাতে দেয়ালে এসে পিট ঠেকলো আমার,,,
সিনহাঃ তুই জানিস না,তুই জানিস না কি করছিস,,
আমিঃ আর এগুবেন না, এগুবেন না,,
সিনহাঃ নরা চরা করবি না,, চারটা দিন আমার ঘুম নষ্ট করেছিস,, কাল জুই এর সাথে যেটা করেছিস সেটা আমি ক্ষমা করবো না,,
আমিঃ কিক কি করেছি,,
সিনহাঃ নরাচরা করবি না,,একদম নরবি না,,
সিনহা আমার কাছে এসে খপ করে দুহাত দিয়ে মাথার চুল খামছে দরে ঠোঁটে এলোপাথারি কিস্ করতে লাগলো,,,
যত রাগ ছিলো, সব ঠোটের উপর ঝারতে লাগলো,,
শেষে ঠোট কামুড় দিয়ে ধরলো,,
তারপর ছেড়ে দিয়ে আমার চোখের দিকে তাকালো, আমি হাঁপাতে লাগলাম,,
ঠোঁট কেটে রক্ত বের হতে লাগলো,,
সিনহার রাগ এখনো কমেনি,, চোখ এখনো আগুের মতো লাল,,
,
সিনহাঃ জড়িয়ে ধর আমায়,,
আমি চুপ করে থাকলাম,,
সিনহাঃ কি হলো, শক্ত করে জড়িয়ে ধর,, দেখ রাগ এখনো কমেনি,, কি হলো ধর,,
সিনহা ওর বান্ধুবিকে ডাক দিয়ে বললো,,
সিনহাঃ নিহা, বাহির থেকে দরজা তালা মেরে দে,,
এবার ভয়ে ওর চোখের দিকে তাকালাম,,
সিনহাঃ জড়িয়ে ধরবি না,,
এই বলে সিনহা তার একটা হাত জামাতে নিলো ছিড়বে বলে,,
আমি ভয়ে জড়িয়ে ধরলাম,,
সিনহাঃ আরো শক্ত করে ধর,,,যতক্ষন না বলবো ছাড়বি না,,
আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম,,
সিনহা আমার বুকের মাঝে মুখ লুকালো,,
কিছুক্ষন পর অনুভব করলাম,
বুকটা ভিজে যাচ্ছে,,
সিনহার মুখটা বুক থেকে টেনে উপরে তুললাম, একি সিনহা কাঁদছে,,!!
ওকে কখনো কাঁদতে দেখিনি,,
আসলে রাগী মেয়েরা সহজে কষ্ট না পেলে কাঁদে না,,
আমিঃ কাঁদছো কেনো,,??
সিনহা বুকের ভিতর মুখ গুঝে দিয়ে বললো, কষ্ট দেও কেনো,,??
তোমার টেনশনে চারদিন ঘুমাতে পারিনি, খেতে পারিনি,,
কেনো জানি আমার চোখ দিয়েও পানি বের হোয়ে গেলো,,অভিমানের কান্না, আমিও কেঁদে দিয়ে বললাম,,
তাহলে তুমি সাগরে সাথে প্রেম করো কেনো??
কষ্ট হয় না বুঝি আমার,,
সিনহাঃ সত্যি বলছি,, ওর সাথে কোনো রিলেশন নেই আমার,,
ওই দিন আমরা তিনজন ছিলাম,,
মাঝখান থেকে আমার বান্ধুবি ওঠে ওয়াস রুমে চোলে গিয়েছিলো, আর তখন তুমি আমাকে আর সাগর কে দেখছো,, আর ভুল বুঝছো,, সাগর আমার বান্ধুবির বয় ফ্রেন্ড,,
সত্যি বলছি, ওর সাথে কোনো রিলেশন নেই আমার,, কাল যখন দেখলাম তুমি আর জুই এক রিক্সায় উঠে বসেছো, তখন যে কত কষ্ট লেগেছিলো,,
রাগ তো কন্ট্রলের বাহিরে চোলে গিয়েছিলো,,কাছে পেলে দুজনকে কাল কি করতাম নিজেও জানি না,,
আমিঃ সরি,রিয়েলি সরি,,ক্ষমা করে দেও,,
সিনহা আমার চোখের পানি মুছে দিয়ে বললো,
ছেলেরা কাঁদে পাগল,,?
আমার কাছে তোমার সব অপরাধ ক্ষমা,,,দেখি ঠোঁটটা থেকে তো রক্ত বের হচ্ছে,,
আমিঃ তুমিইতো এমন করেছো,,এইভাবে কেউ করে,,??
সিনহাঃ রাগ ছিলো প্রচুর,, আচ্ছা এদিকে আসো,,
সিনহা আমার রক্তমাখা ঠোঁটটা তার ঠোঁটে নিয়ে চমুক দিয়ে ধরলো,,
ছেড়ে দিয়ে বললো হইছে, এবার চলো,, বাহিরে এসে সিনহা তার বান্ধুবিদের বললো,, তোদের কাল ট্রিট দেবো,,চলি,,,
,
দুজন রিক্সায় বসে আছি,,
সিনহা আমাকে জড়িয়ে ধরে বসে আছে,,,
আমিঃ কোথায় যাবে,, ..
সিনহাঃ রেষ্টুরেন্টে চলো,,কাল থেকে কিছু খাইনি,,
আমিঃ কেনো,,?
সিনহাঃ তুমি ওই জুই শাকচুন্নিটার সাথে কাল রিক্সায় উঠছো কেনো,,,,
আর যদি দেখি ওই মুটকিটার সাথে তখন দেইখো,,
আমিঃ আচ্ছা চলো, তোমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দেবো,,,
সিনহা পরম যত্নে আমার বুকের ভিতর মুখ লুকালো,,
ভালোবাসার নতুন পথে পা বাড়াতে যাচ্ছি,
এই রাগরাণীর মন কুটুরে স্থায়ীভাবে বসত গড়তে যাচ্ছি,,দোয়া করবেন,,,
ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন। কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।
. .......সমাপ্ত......

*সপ্নে দেখা রাজকুমারীর সন্ধানে MD Abir Hasan™
Share:

২০২০ সালের গল্প পড়ুন হাসতে চাইলে গল্প পরুন🤣😂😂

🤣🤣🤣
❤️😂😂🤣হাসতে চাইলে গল্প পরুন🤣😂😂

পরশু রাতে বউয়ের সাথে তুমুল ঝগরা করেছি !!
ওকে...
বলেছি......."তুমি যদি মানুষের বাচ্চা হও তাহলে
আমার সাথে কথা বলবে না"
ব্যাস,কাজ হয়েছে, আর কথা বলে না...।
খালি রাগে ফোলে,,,সারারাত নাক টেনে কান্না করছে........
না নিজে ঘুমাচ্ছে না আমাকে ঘুমাতে দিচ্ছে।
সকালে খেতে বসে দেখি আজব কান্ড,আমার
খাওয়ার পাশে খাতা কলম রাখা।
বললাম
এগুলা কি......?? বউ তার খাতায় কি জানি লেখলো।
তারপর আমাকে দেখালো,
আমি পড়লাম..? লেখা আছে......"আমি মানুষের বাচ্চা,
তাই কোনোও কথা নাই" আজব কাহিনি।
যাই হোক...... সে নিজে আমাকে মাংস দিলো ৩ পিস,,,
আমি খাতায় লিখলাম, "২ পিস দাও"
খাওয়ার
মাঝে লিখলাম,"পানি দাও"।
রাতে ঘুমানোর আগে আমি শুয়ে আছি।
সে গুন গুন
করে গান গাইছে আর চুল আঁচড়াচ্ছে।
কি চমৎকার দৃশ্য
আমি খাতায় খস খস করে লিখলাম "প্রিয় জানু, আগামিকাল
সকাল ৮ টায়
আমার অফিসে একটা জরুরী মিটিং আছে।
প্লিজ সকাল ৭ টায় ডেকে দিও।
চিঠি টা
বউয়ের হাতে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে
গেলাম।
ঘুম থেকে উঠে দেখি ৯টা ৩৫...?
চিৎকার
দিয়ে উঠে বসছি... এইটা কি......? পাশ ফিরে দেখি বউ
নাই।
বউয়ের এর জায়গায় একটা চিঠি।
তড়িঘড়ি
করে খুলে দেখি, একটা লেখা-- ওগো শুনছো
সকাল সাড়ে ৭টা বাজে প্লিজ উঠো
তোমার
দেরি হয়ে যাচ্ছে!!!
.
.
এহন কেমনডা লাগে বলেন.......????

👉ভালো লাগলে like,, comment করবেন👈
Share:

Search This Blog

Labels

Recent Posts

Label