Joy Bhaiya Youtube Channel

পর্দাশীল মেয়েটি যখন ডাক্তার পর্ব: (০৭) লেখা: তিশা


পর্দাশীল মেয়েটি যখন ডাক্তার
পর্ব: (০৭)
লেখা: তিশা
_____

রাজ,,,,,,
সামনের দিকে ইশারা করে বলে, 
ঐ সামনে কবরস্থান তুমি কি যেতে ভয় পাবে?
সাথে সাথে ইকরা চিৎকার দিয়ে রাজের পাশে এসে দাড়ায় আর বলে,
,,,,
আমার কবরস্থান দেখলে ভয় করে। এখন কেমন করে যাবো??।
রাজ তখন মুচকি হেসে বলল,
ভয় কিসের?  চলো তো?
__ না আমি এ দিক দিয়ে যাবো না। ( ইকরা)
__ আরে চলো আমি আছি তো? ( রাজ)
*- ইকরা বিড় বিড় করে বলে সেটাই তো ভয়।
___ কিছু বললে আমায় /(/??( রাজ)
__ না চলেন।( ইকরা).



তারপর ইকরা আর বাড়ি পৌছে যায়।বাড়ি যাওয়ার পর ইকরার মা বেড়িয়ে এসে বলে রাজ তুই শীতের কাপড় নিয়ে যাসনি কেন? এত শীত তোর কি শীত লাগছে না? তারাতারি রুমে গিয়ে শীতের কাপড় জরিয়ে নে?
,
__ হুমম,  যাচ্ছি আন্টি   বলেই রাজ রুমে চলে যায়।ি
ইকরা দাড়িয়ে  ভাবতে লাগলো আম্মু তো ভালোই নিজের মেয়ে এত দিন পরে বাড়ি আসলো আমাকে কিছু জিগ্যাস না করে রাজকে শীতের কাপড় নেয় নি বলে শাসাচ্ছে?
তখন ইকরাকে ওর আম্মু বলল,
কি রে ইকরা রুমে আসবি না?  বাইরেই থাকবি নাকি?
__ ইকরা আর কিছু না বলে রুমে চলে আসে  আর মনে মনে বলে এই ছেলে টা তো দেখি আমার মা কে ওর করে নিছে।
,
ইকরা রুমে গিয়ে কাপর চেইন্জ করে নেয়।তারপর অযু করে ইশারের নামাজ আদায় করে নেয়।
তারপর খাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়ে।
পরের দিন সকালে ইকরা উঠে আর রাজকে খুজে পায়।
ইকরা গিয়ে ওর মা কে বলে,
_ আম্মু নয়টা বাজে রাজ এখনো ওঠেনি?
__ রাজ নামাজ পড়ে টিউশনি তে গেছে।
__ ওহ, কখন আসবে আম্মু?
__ দশটার পর আসবে।
,
ইকরা আস্তে আস্তে রাজের রুমে যায়।
রাজের রুম টা খুব সুন্দর করে গুচানো।
ইকরা অবাক হয়একটা ছেলে এত সুন্দর করে রুম গুছাতে পারে?
দূর আমি কি ভাবছি আম্মু ও তো গুচিয়ে দিতে পারে।
ইকরা টেবিলে বই গুলো দেখতে লাগে।
সেখানে কুরআন ও দেখতে পায়।তারর মানে রাজ কুরআন ও পড়ে?
ইকরা একটু মুচকি হেসে দেয়।
পরখনেই ইকরা অবাক হয়।
একটা বই পেপারে মুরানো। আর পেপারটার ওপর ইকরা নাম লিখা।।
ইকরা বই টা দরতে গিয়ে ও ফিরে আসে।
এক জনের অনুমতি ছাড়া তার পার্সোনাল জিনিসে হাত দিতে নেই।
কিন্তু এতে আমার নাম লিখা কেন?
ইকরা ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখল সারে নয়টা বাজে। তার মানে রাজ দশটার পর আসবে। ইকরা বই টা নিয়ে রাজের রুমে চলে।
,
ইকরা পেপারটা খুলে দেখে একটা হাদিসের বই। আর তার সাথে একটা ছোট কাগজের টুকরো।
ইকরা ভাবতে থাকে খুলে পরবো কি?
ইকরা,লাস্ট খুলে দেখল
তাতে লিখা.
"
" ইকরা অনেক ভালোবাসি তোমায়।জানি না আমার জন্য তোমার মনে কত টুকু ভালোবাসা আছে।আমি তোমার জন্য বাবা মা ফিরে পেয়েছি। পেয়েছি একটা ছোট ভাই।আমি আল্লাহ কে চিনতে পেরেছি । জানি না তুমি দেখতে কেমন।তবে তুমি আমার কাছে আকাশের পরি। জানি আমি তোমাকে বিয়ের পর দেখতে পাবো। জানি না সেদিন আমার কি হবে।
,
ইকরা এই টুকু পরেই ফিক করে হেসে দেয়।
আবার পরতে শুরু করে,
আমি সব সময় নামাজ পরে দোয়া করি আমার বউটা যেন একটা বড় ডাক্তার হয়।
খুব করে ইচ্ছে করে তোমার সাথে একটু কথা বলতে?
তখন আমি মনে মনে তোমার সাথে কথা বলি।
প্লিজ ইকরা আমাকে পর করে দিও না।তোমার বাবা মার সন্তান হয়ে একটু স্থান দিও।
তোমাকে দিবার মতো আমার তেমন কিছু নাই।
তবে একটা,হাদিসের বই উপহার দিবো। তুমি পরে আমাকে শুনাবে আর শাসন করে বলবে এসব না মেনে চলবে খবর আছে কিন্তু
আমি বলবো জু হুকুম মহা রানি।
নিচের তারিখ টা দেখে অবাক হলো।
ইকরা আজকে আমি অনেক খুশি তুমি আসবে আর আমাকে যেতে বলছো।
,
তার একটু নিচে লিখা,
সত্যি ইকরা তোমার কথা আমি শুনতে পাবো ভাবতে পারিনি।
অনেক মিষ্টি করে কথা বলতে পারো তুমি।



তোমাকে নিয়ে আজ একটি কবিতা লিখতে ইচ্ছে করছে বাট ঘুম পাচ্ছে তাই আর লিখলাম না।
,
ইকরা পড়ে মুখ বেঙ্গচি কেটে বলল,
ইশশ কি আমার কবি?
তখন গেইট থেকে রাজ ডাকছিলো,
__ আন্টি গেইট খুলো।
<
oh my god
আমি এটা এখন কি করবো।
তারাতারি করে পেপার দিয়ে বইটা মুরে রাজের রুমে রেখে চলে আসলো।
ইকরা রুমে এসে রাজের কথা মনে করে হাসতে লাগলো

রাজ রুমে ডুকে বুজতে পারলো কেউ একজন ওর রুমে আসছিলো।
টেবিলে চোখ পরতেই রাজ দেখল হাদিসের বই টা ওল্টো করে রাখা 
মোরানো পেপারের এক পাশ দিয়ে লিখা কাগজ গুলো পড়ে আছে।
রাজ তারাতারি করে খুলে দেখল কেউ এটা কে পরছে মনে হচ্ছে কারন আগের মতো গুছালো নেই

রাজ আন্টিকে ডাক দিয়ে বলল,
আন্টি আমার রুমে কে আসছিলো?
_= কি জানি। বলতে পারি না 
ইকরা কথা গুলো শুনে ভয় পেয়ে গেলো রাজ যদি কিছু বলে।
রাজ বুজতে পারলো হয়তো ইকরা আসছিলো।
রাজ আবার আগের মতো সব টিক করে রেখে দিলো।
বিকালের দিকে ইকরার বাবা আর ভাই বাড়ি ফিরে আসলো।
ইকরা ওর বাবার সাথে কথা বলে রুম আসার পর ওর ছোট ভাই ইভান ও আসলো।
__
আপু তোকে  একটা কথা বলি?
__ বল কি কথা?
__ তুই কি ফারহান ভাইয়াকে ভালোবাসিস??
__ ইভানের কথা শুনে ইকরা অবাক হয়ে গেলো
       <<
__ কেনো এসব বলছিস ইভান?
__ দেখ আপু যা বলতে বলছি বল কিন্তু?
__ আমি ফারহান কে ভালোবাসতে যাবো কেন? আর তুই আমাকে এসব বলছিস কেন?
__ আমি আসার সময় ফারহান আর তার বন্ধুরা  মিলে বসে ছিলো।পাশ দিয়ে আসার সময় ওরা বলছিলো
কি রে ফারহান তোর শালা যাচ্চে তো।
আর ফারহান বলছিলো হে রে। ইকরা তো আমারি । শালা রাজ দেখি কেমন করে বিয়ে করে ইকরাকে 
আপু এসব কথার মানে কি?
দেখ আপু রাজ ভাইয়া কে তুই যা যা শর্ত দিয়েছে সব মেনে চলছে। আব্বু আম্মু নিজের ছেলের মতো আদর করে।
আপু রে রাজ ভাইয়া কে ঠকাস না । আল্লাহ ও সহ্য করবে না।ভাইয়া তোকে অনেক ভালোবাসে। আপু তোকে শুধু একটা কথাই বলবো আব্বু আম্মু আর রাজ ভাইয়া তোকে অনেক বিশ্বাস করে।
এই বিশ্বাস টা ভেঙ্গে দিস না।
আর ফারহান এতটা ভালো ছেলে নয়।আরে ডাক্তার হলেই কোন ডাক্তার ছেলেকে বিয়ে করতে হবে নাকি?
বলেই ইভান চলে গেলো।
,
ইকরা ইভানের মুখে এসব কথা শুনে তব্দা হয়ে গেলো।কি বলবে ও বুজতে পারছে না।
ফারহান এসব কেন বলছে?
ইকরা আর ভাবতে পারছে না।যদি আম্মু আব্বু জানতে পারে তো কেমন হবে?
,
সেদিন টা ইকরার খুব অসস্তিতে কাটলো।
ইকরা নামাজ পরে দোয়া করলো।
হে আল্লাহ আমাকে কোন বিপদে ফেলো না।
,
,
দুদিন কেটে গেলো।ইকরার মনে অশান্তি চলছে ফারহান আসলে কি করতে চায়?
,
,
রাত এগারো টা বাজে ইকরা শুয়ে আছে। তখন ইভান দরজায়,নক করে বলল,
__ আপু, আপু তারাতারি ওঠ
__ ইকরা তারতারি ওঠে দরজা খুলে বলে কি হয়েছে ইভান?
__ ইভান তখন হাফাতে হাফাতে বলল,
আপু ফারহান আর তার বন্ধুরা মিলে রাজ ভাইয়াকে অনেক মেরেছে।



।কি বলছিস এসব কেন মারলো আর রাজ কেমন আছে এখন?
_=
রাজ ভাইয়া কে বাসায়,নিয়ে আসছি। বলেই ইভান রাজের রুমে চলে গেলো।।
ইকরাও রাজের রুমের পাশে গিয়ে দাড়ালো।
দূর থেকে ইকরা দেখতে পেল
রাজ মাথা নিচু করে বসে আছে,
আর ইকরার বাবা রাজকে প্রশ্ন করছে,
__ তোকে ফারহান মারলো কেন? এলাকায় তো আরো ছেলে আছে তোকেই মারলো কেন? তুই কি করেছিস?
 __ রাজ তখনো মাথা নিচু করে শুনছে কোন জবাব দিচ্ছে না
_< কি রাজ তুই কি করেছিস?  তোকে সব সময় বলতাম কোন ছেলের সাথে মিশবি না। কোন জগরা আমার ভাল লাগে না। কেন জগরা করতে গেলি?
__ রাজ তখনও চুপ করে আছে  তখন ইকরা বাবা বলল,
যদি ভালো না হতে পারিস তো আমার বাড়ি ছেড়ে চলে যাবি।
বলেই ইকরার বাবা চলে আসলো


ইভান আর ইকরার আম্মু তখনও সেখানে দাড়িয়ে আছে।
ইকরার মা বলল,
রাজ তুই ফারহান কি বলেছিস যার জন্য তোকে মারলো বল বাবা চুপ করে থাকিস না।
__ রাজ কান্না করে বলল আন্টি আমি কিছু করিনি। জানি না কেন ফারহান আমাকে মারলো।
,
,
ঠিক আছে বলে ইকরার মা চলে আসলো।
সামনে এসেই দেখলো ইকরা দাড়িয়ে আছে,
__ইকরা রাজের কয়েক জায়গায়য়,কেটে গেছে দেখতো গিয়ে।
ইকরার মা চলে যাবার পর ইকরা ভিতরে আসলো।
রুমে এসে সেভলুন দিয়ে খত জায়গা গুলো পরিষ্কার করে ব্রেন্ডেজ করে দিলো
রাজ তখনো মাথা নিচু করে আছে।
হাত ব্রেন্ডেজ করার সময় রাজের চোখ থেকে দুফোটো জল ইকরার হাতে পড়ে গেলো।।
ইকরা তারাতারি করে রুমে চলে আসলো।
ইকরার আজ অনেক কান্না পাচ্চে। জানি রাজ তোমার অনেক কষ্ট হচ্চে। তোমাকে আমাকে অনেক ভালোবাসো। কিন্তু তুমি এটা জানো না এই ইকরা তোমাকে ছাড়া আর কাউকে নিয়ে কোন স্বপ্ন দেখে না।
ইকরা ঠিক করে নিলো কালকে সকালে রাজের সাথে কথা বলবো।
সেরাতে ইকরা ঘুমিয়ে যায়।
যখন গুম ভাঙ্গে তখন শুনতে পেল ইকরার বাবা রাজকে ডাকছে,
রাজ এই রাজ নামাজ পরতে যাবি না?
এই ভাবে ইকরার বাবা অনেক ডাকছেন কিন্তু রাজের কোন সাড়া নাই।



ইকরা তারাতারি ওঠে বলে,
আব্বু কি হয়েছে?
__ রাজকে ডাকছি কোথায়য় কোন সারা শব্দ নেই।
__ মনে হয়ে ঘুমিয়ে গেছে তুমি আবার ডাকতো তো।
ইকরার বাবা আবার ও ডাকে।
লাস্ট ওনি দরজায় ধাক্কা দিতেই দরজা টা খুলে যায়।
রুমে লাইট অফ করা।ইকরার বাবা লাইট অন করে দেখে রাজ রুমে নেই।
ইকরার বাবা বের হয়ে ইভান কে ডেকে বলে,
__ ইভান রাজ কোথায় রে?  রাজ তো রুমে নেই?
__ ইকরার বাবার কথা শুনে ইকরা ইভান দুজনেই রুমে যায়। হ্যা রাজ নেই
ইকরা রাজের টেবিলে একটা কাগজ দেখতে পায়।
ইকরা কাগজ টা হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করে,
" সরি ইকরা আমি মনে হয় তোমার দেয়া শর্ত গুলো পালন করতে পারি নাই। তাই আমি তোমার জীবন অনেক দূরে চলে গেলাম।বিশ্বাস করো আমি জানতাম না তুমি ফারহান কে ভালো বাসো।
কাল যখন বাড়ি ফিরছিলাম।ফারহান আর তার বন্ধুরা সামনে এসে দাড়ালো
,
তখন জানতে পারলাম ফারহান কে তুমি ভালোবাসো আর আমি সে পথের কাটা।প্রথম বিশ্বাস হয়নি তাই ফারহানকে বকা দিয়েছিলাম পরে যখন আমাকে মারতে শুরু করলো আর বলল,
তুমিও ওকে ভালোবাসো তখন আর প্রতিবাদ করিনি। কি হবে প্রতিবাদ করে বলো।তুমি একজন ডাক্তার বিয়ে তো ডাক্তারকেই করবে তাই না।আর আমি তো একটা এতিম ছেলে। আংকেল কে বলার সাহস হয়নি তাই চলে গেলাম।। আমি অনেক কিছু পেয়েছি এই চার বছরে।
নিজের মা ছয় বছরের রেখে কারো হাত ধরে চলে গিয়েছিলো বাবা মায়ের অভাব বুজতে দেয়নি। যেদিন চলে গেলো আমি নি: স্ব হয়ে গেলাম।চাচারা মারতো তবুও সেখানে থাকতাম।কিন্তু সেদিনের মারটা অনেক ছিলো তাই তোমার বাবা পায়ে পরেছিলাম।উনি আমাকে তোমাদের বাসায় নিয়ে আসলেন। যখন আংকেলের সাথে আসলাম পিছন থেকে একজন বলল,
নিয়ে তো যাচ্ছে ঘরে একটা মেয়ে আছে সে খেয়াল কি আছে?
আমি দু পা পিছিয়ে গেলাম।।
আংকেল আমাকে জুরে নিয়ে আসলো।
আসার উনি যখন তোমাকে ডেকে বিয়ের কথা বলল,
আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
তুমি যখন সময় নিলা ভাবলাম তুমি রাজি হবে না কিন্তু তুমি রাজি হলে।জুরে দিলে কত গুলো শর্ত।
আমি শর্ত গুলো মেনে নিলাম চোখ বন্ধ করে কারন শর্ত গুলো ভালো ছিলো।
সেদিন খুশিতে আমি মাথা নেরে হা জবাব দিলাম।
তারপর থেকে চারটি বছর এই পরিবার আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। বাবা মায়ের আদর। ইভানের মতো ছোট ভাই।
আর তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা।
আমি মায়ায় পরে গিয়েছিলাম ভুলে গেলাম আমি এতিম। কিন্তু কাল রাতে আমি সব বুজতে পারলাম।তাই চলে গেলাম।ভেবো না ইকরা তোমাকে ভুলে যাবো।যাকে ভালোবাসা যায় তাকে ভুলা যায়,না।আসলে কিছু মানুষ তার ভালোবাসার মানুষ কে পায় না। আমিও তেমন দূরে থেকে ভালোবাসতাম আজও বাসবো। পারলে ক্ষমা করে দিও। জানি আন্টি আংকেল আমাকে খারাপ ভাববে তাই পালিয়ে চলে গেলাম।এবার ফারহানের সাথে তুমি বিয়ে করতে পারো।
আর হ্যার আসার আগে একটা খারাপ কাজ করেছি আংকেল আমার কাছে পাচ হাজার টাকা রেখেছিলো আমি নিয়ে আসছি যাতে আংকেল আমাকে খারাপ ভাবে । আর কিছু আনিনি । কি আছে আমার বলো?.তোমাকে দেখার অনেক ইচ্ছে ছিলো  হলো না।আসলে আমার কপাল টাই খারাপ ইকরা

তোমাকে ভালোবাসি কথাটা বলবো না ইকরা কারন সেই যোগ্যতা আমার নেই।দোয়া করি ফারহান কে বিয়ে করে সুখি হও।
ইতি
এতিম ছেলেটি।
ইকরা কাগজ টা ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বলে ওঠলো
হে আল্লাহ কি করলে এটা তুমি?
রাজ একবার আমার কাছ থেকে জানতে চাইলে না। নিজেই সব ফয়সালা করে চলে গেলে?
ইভান ইকরাকে বলে আপু কি লিখা আছে এতে?
ইকরা,তখনও কান্না করেই যাচ্চে।
ইভান কাগজ টা হাতে নিয়ে তব্দা হয়ে গেলো।তখন ইকরার বাবা মা এসে বলল,
ইকরা কান্না করিস কেন?  ইভান এটাতে কি লিখা পরে শুনাতো?
_ ইভান ওর আব্বু আম্মুর দিকে তাকিয়ে কান্না করছে আর ভাবছে কেমন করে এসব আমি শুনাবো বলো?
তখন ইকরার বাবা বলল,
কি হলো ইভান পড়?
,
ইভান তখন বলল,
________<
<___♥ চলবে??
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label