Joy Bhaiya Youtube Channel

ফুবুতো বোন যখন বউ লেখকঃ Rabi Al Islam পর্বঃ ৩


ফুবুতো বোন যখন বউ
লেখকঃ Rabi Al Islam
পর্বঃ ৩
বাসর ঘরে প্রবেশ করে আদিবার কাছে গেলাম

আদিবাঃ ঠাসসসস, ঠাসসসস ঠাসসসস ছোটলোকের বাচ্চা তুই আমার জিবনটা নষ্ট করে দিয়েছিস।

------ তুমি আমাকে যা বলার বলো,, কিন্তু আমার বাবাকে কেনো টানছো??

আদিবাঃ তোকে কে বলেছে আমার পিছু পিছু যেতে?? তুই যদি না আসতি তাহলে এসবের কিছুই হতো না।।

------ সব কিছু ভুলে গিয়ে চলো আমরা নতুন করে শুরু করি।।

আদিবাঃ তুই আর একটা কথাও বলবি না।।
আমি তোকে কখনই স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারবো না।।

শুধু বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে তোকে বিয়ে করেছি।।

ছয় মাস পর তোকে ডিবোর্স দিয়ে আমি রাব্বিকে বিয়ে করবো।।

----- তোমার বয়ফ্রেন্ড আছে?? আগে তো বলোনি?? ( অবাক হয়ে জিগ্গেস করলাম)

আদিবাঃ তুই কে??  যে তোকে বলতে হবে??

এতদিন আদিবার করা অপমানে যতটা না খারাপ লেগেছে তার থেকে বেশি খারাপ লাগছে ওর বয়ফ্রেন্ড আছে কথাটা শুনে।।

----- ঠিক আছে।।  তুমি শুধু এই ছয় মাস আমার বাবা- মায়ের সাথে একটু ভালো ব্যবহার করো??

আদিবাঃ তোর বাবা-মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করবো মানে,আমি তো তোদের বাড়ি থাকছি না।।

---- মানে?? বুজলাম না তোমার কথা।।

আদিবাঃ এখন বুজা লাগবে না।। কালকে ঠিকই বুজতে পারবি।।

আর এখন আমাকে একদমই বিরক্ত করবি না।।

তুই নিচে ঘুমাবি আর আমি খাটে।।

----- এই শীতে আমি নিচে কিভাবে ঘুমাবো।। তাও আবার কোনো বালিশ, চাঁদর ছাড়া??

আদিবাঃ কিভাবে ঘুমাবি তা তুই ভালো জানিস??

এই বলে আদিবা ঘুমাতে গেল।।

আমি কোনো রকমে নিচে শুয়ে পড়লাম।।

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সবাই একসাথে নাস্তা করলাম

আজকেই সবাই চলে যাবো।।

নাস্তা করার পর আদিবা আমার বাবাকে বললো---

আদিবাঃ বাবা বলছিলাম কি আমাদের পড়ালেখা তো এখনো শেষ হয় নাই।।

আর আপনাদের বাসা থেকে আমাদের কলেজও অনেক দুর।।

তাই বলছিলাম কি,, আমাদের পড়ালেখা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যদি আমরা আমাদের বাড়িতে থাকি তাহলে আপনার কোনো আপত্তি আছে??

যদি আপনার আপত্তি থাকে তাহলে থাকবো না।।

কিন্তু এতে আমাদের দুজনেরই পড়ালেখার জন্য ভালো হতো।।

বাবাঃ তুমিই ঠিকই বলছো।। তোমাদের ওই জাগায় থাকলে তোমাদের পড়ালেখার অনেক ভালো হবে।।

আর রবির তো একদমই পড়ালেখার প্রতি মন নেই।।

দেখ যদি ওকে একটু মানুষ করতে পারো।।

আদিবাঃ আপনি একদমই চিন্তা করবেন না বাবা,, আমি সবসময় ওর খেয়াল রাখবো।।

আদিবার বাবা আমার বাবাকে বললো--

-- একদমই চিন্তা করবেন না।। আপনার ছেলে আমাদের ওই খানে ভালোই থাকবে।।

--- তোমারা থাকতে আর কিসের চিন্তা।।

আমি শুধু তাদের কথা শুনতে থাকলাম।। কিছুই বলতে পারলাম না।। কারন এখানে আর আমার কথার কোনো গুরুত্ত নেই।।

আদিবা এমনভাবে সবাইকে বললো যে,আমার কথা কেউ বিশ্বাস করবে না।।

ভাবতে থাকলাম এই জন্যেই রাতে আদিবা ওইভাবে বলছিল।।

বড় চাচার বাড়ি থেকে যে যার মত চলে গেলাম।।

আর আমি আদিবার সাথে ওদের বাড়ি আসলাম।।

আদিবা আমাকে ওর রুমে নিয়ে গেল।।

রুমে নিয়ে বললো--

আদিবাঃ আজ থেকে আমার সব কথা তোকে শুনতে হবে।। যদি না শুনিস তাহলে বুজতেই পারছিস যে কি হবে??

------ এই জন্যেই বুজি আমাকে এখানে নিয়ে এসছো??

আদিবাঃ তুই যা ভাবতে পারিস।।

----- আমিও দেখবো তুমি আমাকে কতো অপমান করতে পারো।। তোমার করা অপমান আমি তোমার ভালোবাসা হিসেবে নিব।।

আদিবাঃ আর কখনও আমার সামনে ভালোবাসার কথা বলতে আসবি না??

তোকে কতবার বলবো আমি তোকে ভালোবাসি না।।

----- ভালো তো তোমাকে একদিন বাসতেই হবে।।

আদিবাঃ সেই একদিন কোনোদিনও আসবে না।।

এই বলে আদিবা চলে গেল।।

রাতে খেয়ে ঘুমাতে গেলাম।।

আদিবা খাটে আর আমি নিচে শুয়ে আছি।।

সকালে আদিবার আগেই আমি ঘুম থেকে উঠলাম।।

আদিবার দিকে তাকিয়ে দেখি ও এখনও ঘুমিয়ে আছে।।

ঘুমন্ত অবস্থায় আদিবাকে অনেক সুন্দর লাগছিল।।

কিছু চুল আদিবার মুখের সামনে এসে পড়ছিল।।

একবার ভাবলাম চুলগুলো সরিয়ে দিব।।

তারপর আবার মনে হলো।। আদিবা যদি জেগে যায় তাহলে তো আমাকে ভুল বুজবে।।

যা হওয়ার হবে।।  আমি তো আদিবার স্বামী।। বাইরের তো কেউ না।।

আর ও তো এখন ঘুমিয়েই আছে।।

আদিবার চুলগুলো সরিয়ে দিলাম।। আদিবাকে এত কাছ থেকে কখনই দেখি না।। তাই আর লোভ সামলাতে পারলাম না।।

আদিবার গালে কিস করে দিলাম।।

আর তখনই আদিবা জেগে গেল----

চলবে---------
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label