ফুফাতো বোন যখন বউ
লেখকঃ Rabi Al Islam
পর্বঃ ৫
রাব্বি আমাকে বললো
রাব্বিঃ এই ছোটলোকের বাচ্চা তুই আদিবাকে বিরক্ত কেনো করিস?.
আদিবা তো তোকে ভালোবাসে না।। আর ছয় মাস পরেই তো তোকে ডিবোর্স দিয়ে দিবে
তারপরও তুই কেনো আদিবার পিছু ছাড়ছিস না.?
----- মুখ সামলিয়ে কথা বল রাব্বি। আদিবাকে ভালোবাসি বলে ওর করা অপমান সয্য করি।।
কিন্তু তুই কিন্তু সেই সুযোগ পাবি না??
রাব্বিঃ ছোটলোককে ছোটলোক বলবো না তো কি বলবো?? তোর মত ছেচরা আমি আর কখনও দেখি নাই।।
আমার মাথায় রক্ত চলে আসলো
সাথে সাথেই রাব্বিকে ঠাসসসস, ঠাসসসস মারতে শুরু করলাম।।
এর মধ্যেই আমার বন্ধুরা সহ কলেজের সবাই চলে এসেছে।।
তারা এসে আমাকে আর রাব্বিকে ছাড়িয়ে দুইপাশে নিয়ে গেল।।
আদিবাঃ ঠাসসসস,, ঠাসসসস, ঠাসসসস কুত্তার বাচ্চা তুই কোন সাহসে রাব্বির গায়ে হাত তুলেছিস???
----- রাব্বি আমার বাবা-মাকে নিয়ে কথা বলছে তাই তো মেরেছি??
আদিবাঃ রাব্বি যা বলেছে তা তা ঠিকই বলেছে।।
তোর বাবা-মা যদি ভালোই হতো তাহলে তোর সাথে আমার বিয়ে দিত না।।
আমার তো মনে হয় তোর বাবা- মা টাকার লোভে তোকে আমার পিছু লাগিয়ে দিছে।।
মনে হয় তোর বোনকেও কোনো বড়লোকের ছেলেদের পিছনে লাগিয়ে দিছে।।
তোদের চরিএই তো এমন।।
আমি আর নিজেকে সয্য করতে পারলাম না।।
----- ঠাসসসস, ঠাসসসস,ঠাসসসস, ঠাসসসস তোর সাহস কি করে হয় আমার বাবা-মা, বোনের সম্পর্কে বাজে কথা বলার??
এর ভিতরে প্রিন্সিপাল স্যার চলে এসেছে।।
প্রিন্সিপালঃ কি হচ্ছে কি এখানে??
তোমাদের সাহস তো কম না কলেজ ক্যাম্পাসে মারামারি করো??
আদিবাঃ স্যার রবি আমাকে অনেকদিন থেকেই বিরক্ত করছে।।
আর আজকে আমার গায়েও হাত দিয়েছে।।
তারপর রাব্বি কিছু বলতে গেলে রাব্বিকেও মারে।।
ঘটনার সময় যারাই ঠিল তারা সবাই আদিবার বন্ধু তাই তারা সবাই আদিবার কথায় সায় দিচ্ছে।।
প্রিন্সিপালঃ রবি আমি তোমাকে অনেক ভালো জানতাম।। কারন তুমি অনেক ভালো ছাএ।।
কিন্তু তোমার কাছ থেকে এইটা আমি আসা করিনি।।
------ স্যার আমাকে মাফ করে দিন।। আমি আর কখনও মারামারি করবো না?? তারপরও আমাকে কলেজ থেকে বের করে দিবেন না??
প্রিন্সিপালঃ তুমি ভালো ছাএ বলে তোমাকে একটা সুযোগ দিচ্ছি।। কিন্তু মনে রেখো এটাই লাস্ট।।
এই বলে স্যার চলে গেলো।।
তারপর আমি আদিবাকে বললাম--
------ তোকে অনেক ভালোবাসতাম বলে এতদিন তোর করা অপমান সয্য করেছি।।
কিন্তু আজকে তুই আমার বাবা-মা, বোনকে অপমান করেছিস।।
তোকে আমি কোনোদিনও মাফ করবো না।।
এখন তোর প্রতি আমার কোনো ভালোবাসা নেই আছে শুধু ঘৃনা।।
একটা কথা মনে রাখিস,, তোকে একদিন আমার জন্য কাঁদতে হবে??
আদিবাঃ আফসুস সেই দিনটা কখনও আসবে না।।
---- দেখা যাবে।। ছয় মাস পর তোর কাছে ডিবোর্স লেটার পাঠিয়ে দিব।।
এই বলে চলে আসলাম।।
আমার বাসায় চলে আসলাস গিয়ে আমার বাবা-মাকে সব বললাম।।
মাঃ তুই এতদিন এতো কষ্টে ছিলি আমাদের বলিস নি কেনো??
বাবাঃ চিন্তা করিস না, দেখবি একদিন ঠিকই ও ওর ভুল বুজতে পারবে।।
তারপর রুমে এসে শুয়ে পড়লাম।।
যাক এতদিনে ছোটলোকটা পিছু ছাড়লো।।
এখন থেকে শান্তিতে থাকতে পারবো।।
বাসায় চলে গেলাম।।
বাসায় গিয়ে তো অবাক।। দেখি বাবা চলে এসেছে।।
আদিবাঃ কেমন আছো বাব??
বাবাঃ ভালো আছি মা।। তুই কেমন আছিস??
আদিবাঃ ভালো বাবা।। তা তোমার তো আরও কিছুদিন পরে আসার কথা ছিল??
বাবাঃ কাজ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল তাই চলে আসলাম।।
তা তুই একা কেনো?? রবি কোথায়??
আদিবাঃ ও চলে গেছে।।
বাবাঃ চলে গেছে মানে??
তারপর বাবাকে সব বললাম।।
বাবাঃ এ তুই কি করেছিস?? তুই ওর সাথে এমনটা কিভাবে করতে পারলি??
আদিবাঃ বাবা আমি ওকে ভালোবাসি না।।শুধু তোমার মান সম্মানের কথা ভেবে ওকে বিয়ে করেছি??
আর ও রাব্বির গায়ে হাত তুলেছে।।
বাবাঃ ভুলে যাস না ও এখন তোর স্বামী??
আদিবাঃ শুধু ছয় মাসের।।তারপর ওকে ডিবোর্স দিয়ে দিব।।
বাবাঃ তুই আবারও ভুল করবি মা।। মেয়েদের বিয়ে একবারই হয়।।
আদিবাঃ ওর বিষয়ে আমি আর কথা বলতে চাচ্ছি না।। আর তুমি কি চাওনা আমি সুখে থাকি??
বাবাঃ সব বাবাই চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক।। আমি শুধু তোকে তোর ভুলটা ধরিয়ে দিচ্ছি।।
আদিবাঃ আমি কোনো ভুল করছি না বাবা।।আমি রাব্বির সাথেই সুখে থাকবো??
বাবাঃ যা সিদ্ধান্ত নিবি বুজে শুনে নিস।। পরে যাতে পস্তাতে না হয়??
তারপর ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম।।
রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবছি কিভাবে পারলো আদিবা আমাকে এতটা অপমান করতে??
পরেরদিন কলেজে গেলাম।। যাওয়ার পর সাকিব বললো---
চলবে-------
Home »
» ফুফাতো বোন যখন বউ লেখকঃ Rabi Al Islam পর্বঃ ৫






No comments:
Post a Comment