Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্পঃ পুনরাবৃত্তি! ,

গল্পঃ পুনরাবৃত্তি!
,
লেখকঃ রঙ্গন কানন!
,
**সংসার জীবন সুখের জীবন,
যদি না হয় প্রেমের ও মরণ!**
,
কথাটা আমার মুখে শোনা মাত্রই বন্ধু বলে উঠলো, রঙ্গন নতুন বিয়ে করেছিস বেশিদিন হয় নি!! এখন এসব কথা মুখে থাকবেই! কিছুদিন যাক যখন সংসারে অশান্তি শুরু হবে, শুরু হবে শশুড়-শাশুড়ি আর বৌমার মধ্যে যুদ্ধ! যখন না পরবি মা-বাবা কে সামলাতে আর না পারবি বউকে কিছু বুঝাইতে তখন বুঝবা চান্দু সুখ কারে কয়!! বন্ধুর কথাটা হেসে উড়িয়ে দিলাম! চলে আসলাম বাসার উদ্দেশ্যে!
বাড়িতে বাবা-মা, বড় ভাই-ভাবি, আর আমরা নতুন বিয়ে করা স্বামী-স্ত্রী এবং ছোট্টো মিষ্টি ভাতিজি মিলেই আমাদের দুই ভাইয়ের পরিবার!!
আব্বুর ছোট-খাটো একটা ব্যাবসা আছে!! সেটার হাল দুই ভাই মিলে ধরেছি!! সামান্য আয় আর অফুরন্ত ভালোবাসার মাঝে অভাবে টানা পোড়ানো দিনগুলো কোনরকমে কেটে যাচ্ছে!! দুবেলা দুমুঠো খেয়ে দিন পার করতেছি এতেই আল্লাহ্ র কাছে অসংখ্য শুকরিয়া জানাই! আমার স্ত্রীর নাম ইরা!
পুরো নাম ইরা মনি! পরিবারের পছন্দ অনুযায়ী সাত মাস পূর্বে আমাদের বিয়ে হয়! তারপর থেকে এ পর্যন্ত সবার সাথে ভালোই আছি!! ভাই, ভাবি ও তাদের ছোট্টো মেয়েকে নিয়ে তাদের মতো এবং আমি আর আমার স্ত্রী আমাদের মতো করে নিজেদের সংসার সাজাচ্ছি!!
আর আমাদের দুই ভাইয়ের পরিবারের সাথে বাবা-মা এখনো ছায়ার মতো সঙ্গী হয়ে আছে!! আমাদের কোন বোন নেই তাই আব্বু-আম্মু বলতো  দুটি বউ না তোরা দুজনে মিলে দুটি মেয়ে এনে দিস!!  তাদেরকে বউ হিসাবে নয় মেয়ে হিসাবে ভালোবেসে যাবো!! কিছু  না থাকলেই হয়তো মানুষ তাদের কদর একটু বেশি করে!
কিন্তু সব শশুড়-শাশুড়ি যদি পুত্রবধুকে মেয়ের চোখে দেখতো তাহলে হয়তো সংসারে নারী নির্যাতন অনেকাংশে কমে যেতো!! কিন্তু আফসোস বাংলাদেশের আজকের এই আধুনিক জীবনেও সেই মানসিকতা মানুষের মাঝে গড়ে উঠে নি!! তারা আপন-পর প্রভেদ করা বাদ দিতে পারে নি! যার জন্য এখনো মানুষ সংসারে পরিপূর্ণ শান্তি লাভ করতে সক্ষম হয় নি! আব্বু ছোট বেলায় বলতো কাউকে সুখি করতে না পারিস কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে এতটুকুও কষ্ট দিও না!!
বিয়ের পূর্বে আম্মু অামাদের দুই ভাইকেই এই একই কথা বলেছে যে, স্ত্রীকে কষ্ট দিয়ে, তার প্রতি অন্যায় করে কোনদিন কোন স্বামী সুখি হতে পারে না! বরং একজন আরেকজনকে খুশি রাখার চেষ্টাই পারে শত কষ্টের মাঝেও সুখি জীবন লাভ করার!
হয়তো কখনো একজন ভুল করতে পারে নতুবা ভুল পথে যেতে পারে কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে বুঝিয়ে তাকে সঠিক পথে চালনা করা স্বামী-স্ত্রীর দুজনেরই সমান দায়িত্ব ও কর্তব্য! ভুল পথ থেকে সঠিক পথে আনার জন্য কখনো একজন আরেকজনের উপর জুলুম করিও না!
যাই হোক আমার আব্বু-আম্মুর চিন্তাধারা ও মন-মানসিকতাকে আমি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই!!
আব্বু আম্মুর সেই শিক্ষায় আমাদের দুই ভাইয়ের সংসার জীবন সুখেই যাচ্ছে!! আমাদের দুই ভাইয়ের দুটি পরিবার হলেও একসাথে থাকার জন্য একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে পারি!! এতে আমাদের মানসিক শক্তি অনেকটা বেড়ে গেছে যার ফলে বাস্তবের কঠিন সত্যের মুখেও আমরা এখনো ঠিকে আছি!!
"একতাই বল" কথাটি হয়তো সেজন্যই প্রযোজ্য!
আর সবথেকে ভালো দিক হলো যদিও আমাদের দুই ভাইয়ের দুটি পরিবার কিন্তু আব্বু-আম্মু আমাদের দুটি পরিবারকে একটি পরিবার মনে করেই থাকে! তাদের জন্য কোন ধরা-বাধা নিয়ম আমি আর ভাই তৈরি করি নি!! কারণ সন্তান আমরা দুজন হলেও আমাদের বাবা-মা একজন!
পৃথিবীর সব সন্তানেররই তার পিতা-মাতার প্রতি ভালোবাসা থাকা দরকার! পিতা-মাতা যেমন তার একাধিক সন্তানকে সমানভাবে ভালোবাসে ঠিক তেমনি প্রতিটি সন্তানের উচিত তার ভালোবাসার কমতি না রাখা! বাবা- মা যেমন প্রতিটা দিন তার সন্তানের খাওয়া-দাওয়া, সুস্থতা সবকিছুর যত্ন সব সন্তানের প্রতি সমানভাবে নেয় ঠিক তেমনি একই বাবা-মায়ের ও একাধিক সন্তানকে আলাদা ভাবে নেওয়া উচিত! উদাহরণস্বরুপঃ যেমন ধরো কোন বাবা-মায়ের একাধিক সন্তানকে যেমন বন্টন করে বলে নাই যে, মাসের এই কয়দিন তোকে খাওয়াবো,এই কয়দিন আরেকজনকে খাওয়বো ঠিক তেমনি সন্তানদেরও উচিত নয় বাবা-মায়ের লালন- পালন বন্টন করার!! ভেবে দেখো সমস্ত সন্তানেরা যদি সেদিন তোমাদের মতো শিশুকালে লালন- পালনের দিন বন্টন করতো তবে তোমাদের কি অবস্থা হতো! তাহলে তোমরা কেনো তাদের বৃদ্ধাবস্থায় একে অপরে মিলে বন্টন করো!!
এটা কি উচিত???
আমার কাছে নিশ্চই না!!
শিশুকালে যেমন প্রতিটি বাবা মা তার প্রত্যেক সন্তানের দেখাশুনা করে ঠিক তেমনি তাদের বৃদ্ধাকালে আমাদেরও উচিত তাদের প্রত্যেকদিনের যত্ন ও দেখাশুনা এবং খোজ নেওয়া প্রতিটা সন্তানের দায়িত্ব!
,
এসবের বাহিরে আমি আর ইরা নিজেদের সংসার খুব যত্ন করে তিল তিল করে গড়ে তুলার চেষ্টা করতেছি!! সল্প আয়ের মধ্যেই নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য একটি সুখের নীড় গড়ে তুলছি দুজনের ভালোবাসায়!
আমাদের সংসার জীবন আস্তে আস্তে পুরোনো হতে থাকলো সাথে বাহ্যিক আচরণও! এখন ইরা আমাকে যথেষ্ট শাসন করে, কি করবো কি করবো না সব ইরা নিজের মতো করে আমাকে দিয়ে করাতে চায়! যার জন্য আমাদের মধ্যে ছোট-খাটো তর্ক, ঝগড়ি, অভিমান প্রায়ই হয়! কিন্তু এতে আমি কখনই এমনটা মনে করি না যে ইরা আমাকে ভালোবাসে না!
কারণ মানুষ যাকে যতটা বেশি আপন করে নেয় তার উপর ততটাই নিজের প্রভাব ফেলতে চায় এটাই স্বাভাবিক! আর এসব কিছু আপনজনের উপরই করা হয়! যেমন বাবা-মা সন্তানের উপর শাসন, যত্ন, বাধা-নিষেধ, শাস্তি সবকিছু এজন্যই প্রয়োগ করে যাতে সন্তানের মঙ্গল হয়! আর এটা ভালোবাসার ই আরেক বহিঃপ্রকাশ! এতে যদি কেউ মনে করে যে ভালোবাসা আগের মতো নেই বা কম-বেশি তাহলে তার মতো নির্বোধ দুনিয়াতে দুটি নেই!!
ইদানিং আব্বু-আম্মুর সাথেও ইরার সামান্য কাটাকাটি হয়! কিন্তু ভেবে দেখবেন নিজের বাবা-মায়ের সাথেও কিন্তু মেয়েদের এরকম সমস্যা হয়েই থাকে! কিন্তু আজকাল মেয়েরা শশুড়-শাশুড়ি কে নিজের বাবা-মায়ের চোখে আর শশুড়-শাশুড়িরা পুত্রবধুকে নিজের মেয়ের চোখে দেখে না বলেই এই সামান্য বিষয়টা জঠিল আকার ধারণ করে!
যাই হোক আমার বাবা-মা আর ইরার মধ্যকার এ সমস্যা আমি সবসময় দূরে সরিয়ে দেই যাতে সংসারে অশান্তি না হয়! আফসোস আজকের সমাজের ছেলেরা তা না করে হয় বাবা-মায়ের কথায় স্ত্রীকে নতুবা স্ত্রীর কথায় বাবা-মায়ের উপর একতরফা বিচার করে কষ্ট দেয়!
অথচ দু দিকের মানুষগুলোর সমস্যা দূর করে দিয়ে তাদের নিয়ে একসাথে শান্তিতে থাকার কথা ভাবে না! যার ফলেই আজকে মানুষ পূর্ণ সুখ লাভ করতে পারে না! কারণ একজন আপন মানুষকে কষ্ট দিয়ে কখনই আরেকজন আপন মানুষকে নিয়ে সুখে থাকা যায় না!
ইরাও এসব সামান্য বিষয়কে তুচ্ছজ্ঞান করে কারণ বিনিময়ে তার জন্য রয়েছে আমার অকৃত্রিম ভালোবাসা! আমার আব্বু-আম্মু ও ইরার ছোট-খাটো ভুল মেনে নেয় ইরাকে নিজের মেয়ে হিসেবে ভেবে! প্রতিটা পরিবারের প্রত্যেক সদস্য যদি এরকম করে ভাবতো তাহলে হয়তো পৃথিবীর কোন বাবা-মা তার সন্তান ও ছেলের বউয়ের থেকে কোন কষ্ট পেতো না আর কোন মেয়েকেই তার শশুড় -শাশুড়ির নির্যাতন ভোগ করতে হতো না!
,
আজকে অনেক গরম লাগতেছে তাই ভাবলাম দুপুরে বাসায় গিয়ে গোসল করে তারপর খাবো! তাই কাজগুলা তারাতারি করে শেষ করে দুপুরে বাসায় চলে আসলাম! গোসল করে খেতে বসবো দেখি ইরা তার প্রিয় চিনা মাঠির বাসন গুলো ধুয়ে পরিষ্কার করতেছে ময়লা জমে যাওয়াতে! 
আমি খেতে দিতে তাড়া দিলে বলে আমার হয়ে গেছে কিছুক্ষনের মধ্যে খাবার দিচ্ছি অপেক্ষা করো!
অপেক্ষা করতেছি আর ভাবতেছি মেয়েরা চাইলেই কত সুন্দর করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে সংসার সাজাতে পারে! এমন সময় আম্মু আমাকে বসে থাকতে দেখে ইরাকে বলে তুমি রঙ্গন কে খাবার দাও আমি বাসনগুলো যথাস্থানে রেখে দেই! ইরা বললো মা বেশিক্ষন লাগবে না আমি পারবো কিন্তু মা জোর করায় আমাকে খাবার পরিবেশন করে দিতে লাগলো! এমন সময় হঠাৎ ভাঙ্গার একটা বিকট শব্দ পেলাম! ইরা আর আমি লক্ষ্য করে দেখলাম মা বাসনগুলো রাখতে গিয়ে দূর্ঘটনা বশত বাসনগুলো ভেঙ্গে ফেলেছে!
ফলে ইরা আম্মুর উপর প্রচন্ড রেগে গেছে কিন্তু কিছুই বলতেছে না! আমি মায়ের কাছে গেলাম এবং মাকে সেখান থেকে খাবারের টেবিলে নিয়ে আসলাম!
জিজ্ঞাস করলাম খাইছে কিনা!!
না সূচক মাথা নাড়ানোর ফলে মাকে আমার পাশে বসিয়ে মাকে নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করে দিলাম! বাসন গুলো মা'র দ্বারা ভেঙ্গে গেছে কিন্তু তবুও মাকে কিছু বলতেছি না দেখে ইরা রাগ দেখিয়ে নিজে না খেতে বসেই চলে যায়! ইরা চলে যাবার পর মা নিচু স্বরে আমাকে বললো বাবা বৌমা বোধ হয় খুব রাগ করেছে আমার উপর কিন্তু আমি.....
আমি মাকে চুপ করিয়ে দিয়ে বললাম থাক মা বাদ দাও! তুমিতো ইচ্ছে করে করো নি! অসাবধানতা বশত হয়ে গেছে! মাগো তুমিতো মা আর ইরা তো তোমার মেয়েরই মতো! সন্তান না বুঝে মায়ের উপর রাগ করতেই পারে কিন্তু তাই বলে মা কি পারে সন্তান কে দূরে সরিয়ে দিতে! তুমি  ওর ব্যাবহারে কষ্ট পেও না! আর নিজেকেও দোষী মনে করবে না! এরকম ছোট-খাটো দূর্গটনা জীবনে অনেকই হয় কিন্তু সেসব ধরে রাখলে কি চলে! মা ইরাকে নিজের সন্তানের মতো মনে করে সবসময় আপন করে রেখো! মা খাওয়া শেষ করে চলে যায় আর বলে যায় বৌমাকে একটু বুঝিয়ে বলিস! মাকে বুঝিয়ে রুমে ইরার কাছে গেলাম! মুখটা গুমরা করে বসে আছে! ইরার পাশে বসার সাথে সাথে ইরা উঠে বেরিয়ে আসবে তখন জোর করে ইরা কে আমার সামনে দাড় করালাম! ইরার হাত দুটি ধরে বললাম সামান্য বিষয়ে তুমি রাগ না করলেও পারতে! কথাটা বলা মাত্রই ইরা রাগে বললো তুমি সামান্য বলছো?? আমি কি মাকে বলেছিলাম বাসনগুলো রাখতে! আমিতো বলেছিলাম আমি করে নেবো! আর এখন কি বাসনগুলো ফিরে আসবে আর ফিরে আসলেও টাকা?? টাকাগুলো তো নষ্ট হলো! এমনিতেই আয়-রোজগার কম তোমার! সহজে পারবো আবার জিনসগুলো কিনতে???
ইরার কথা শুনে একটু হাসলাম!
তারপর ওকে কাছে টেনে বললাম তাহলে শুনো তোমাকে কিছু ঘটনা বলি! কাল্পনিক বা উদাহরণ নয়! একেবারে বাস্তব ঘটনা!
ছোটবেলা আমাদের অবস্থা ততটাও ভালো ছিলো না! পুরো সংসারটা চালাতে বাবার অনেক কষ্ট হতো! মা খুব হিসাব করে সংসারে খরচ করতো সেই দিনগুলোতে আমি আর আমার ভাই এরকম অনেক দূর্ঘটনা জাতীয় ঘটনা অনেক ঘটাইছি! বিশ্বাস করো ইরা আব্বু-আম্মু একটুও বকা দেয় নি মারবে তো দূরের কথা! শুধু সাবধান হতে বলেছে!! ওসব বাদ দাও! আচ্ছা তুমি ভেবে দেখো তো যখন তুমি ছোট ছিলে তখন এরকম হাজারো দূর্ঘটনা, হাজারো ক্ষতি,টাকা নষ্ট তোমার দ্বারা হইছে কি না?? তখন কি তোমার বাবা-মা শাসন করেছে আর করে থাকলেও সবক্ষেত্রেই কি শাসন করেছে?? নিশ্চই করে নি!! আমাদের ছোটকালে যদি তারা বিষয়টা সহজভাবে নিতে পারে, স্নেহ করে মাফ করে দিতে পারে, ভালোবেসে শাস্তি না দিতে পারে তবে তাদের বৃদ্ধাকালে কেনো আমরা পারবো না তাদের কে সেই দিনগুলির কথা মনে করে, তাদের সম্মান,শ্রদ্ধা করে বিষয়গুলো তুচ্ছ মনে করতে!!
আরেকটা কথা মানুষ কিন্তু টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ, দ্রব্য-সামগ্রী ব্যাবহার করে নিজেদের আপন মানুষগুলোকে নিয়ে সুখে থাকতে!
কিন্তু সেই আপন মানুষগুলো দ্বারা যদি উক্ত টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ, দ্রব্য-সামগ্রীর ক্ষতি সাধিত হয় তবে তাদের প্রতি কঠোর হওয়া নির্বোধ পশুর ন্যায় আচরণ করার সমতুল্য ছাড়া আর কিছুই না!!
ইরাকে বললাম এসব কথাও বাদ দাও! ইরার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম যদি আল্লাহ্ মেহেরবানী করে সামনে তুমি মা হও আর আমি বাবা......
বলতেই ইরা লজ্জায় বুকে মাথা গুজলো! ইরাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম যখন আমরা বাবা-মা হবো তখন আমাদের সন্তান যদি ছোট ছোট ক্ষতি করে তবে তাদের উপর যেমন আমরা কঠোর হবো না ঠিক তেমনি আমাদের বৃদ্ধাকালে ও তো আমরা চাইবো যেনো এরকম ঘটনায় তারা আমাদের প্রতি রাগ না হয়! কি এটাই আশা করো তো! ইরা হ্যা সূচক মাথা নাড়লো! ইরার কপালে ভালোবাসার চুম্বন পরশ একেঁ বললাম, তোমার আর আমার প্রেমের ফলে গড়ে উঠবে আমাদের আজকের সুখি জীবন!
আমাদের প্রতি আমাদের সন্তানের প্রেমে গড়ে উঠবে আমাদের ভবিষ্যত সুখি জীবন যেমনটা এখন আমাদের বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসায় তারা সুখি জীবন ভোগ করতে পারবে!!
যুগ-যুগান্তর এভাবেই বারবার চক্রাকারে ঘুড়বে মানব জীবন!
আর সে জীবনটা সুখি করার জন্য দরকার একে অপরের প্রেম ভালোবাসা!!
কেনোনা,
*সংসার জীবন সুখের জীবন,
যদি না হয় প্রেমেরও মরণ!!*
,
তাই চলো সবার প্রেম দিয়ে যুগের পর যুগ,শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে করি অকৃত্রিম ভালোবাসার পুনরাবৃত্তি!!
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label