# টিউশনির প্রেম,,১০
পর্বঃ১০
লেখকঃআশিকুর রহমান (আকাশ)
·...· কিছুক্ষন পর দরজাটা কেউ খুলে দিল,,,,এটাই মনে হয় লাবনী,,, আসলে সেদিন ঠিকমতো তাকায় নাই তার দিকে,,,,তো লাবনী আমাকে দেখে মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে বললললল,,,,,,,,,
– আরে মেঘ ভেতরে আস,,,(লাবনী)
তারপর আমি ভেতরে গেলাম,,,,লাবনী আমাকে কফি অফার করল,,,,
– আসলে আমি কফি খায়না,,,(আমি)
– ওওও তাহলে এক কাপ চা,,,(লাবনী)
– ওকে,,,,(লাবনী)
– ওকে তুমি একটু ওয়েট কর,,,(লাবনী বলেই রান্নাঘরের দিকে চলে গেল,,,)
– রাফিও চলে এসেছে,,,আমি রাফিকে একটা অংক করতে দিলাম,,,রাফি অনেক মনোযোগ এর সাথে অংক করতেছে,,,আর এদিকে লাবনীও চা নিয়ে হাজির,,, একটা চায়ের কাপ আমার দিকে বাড়িয়ে দিল লাবনী,,,,,
– ধন্যবাদ,,,,(আমি)
– ওয়েলকাম,,,আচ্ছা মেঘ তোমাদের বাসা কোথায়,,,,???(লাবনী)
– আমরা গ্রামে থাকি,,,, আমি এখানে একটা ম্যাসে থাকি,,,,(আমি)
(এই মাইয়া এত ছ্যাচরা কেন,,, কেরকম গায়ে পড়ে কথা বলতাছে,,)
– ম্যাসটা কোথায়,,,,(লাবনী)
– পাশের মহল্লায়,,, (আমি)
– রমিজ আংকেলের ম্যাসে কি তুমি থাক,,,(লাবনী)
– হুমম,,,,(আমি)
– ওওও গুড,,,,আচ্ছা আজকে বিকালে আমাকে একটু সময় দিতে পারবে,,,,,,(লাবনী)
– হুমম কিন্তু আপনার কতটুকু সময় লাগবে,,,(আমি)
– বেশি না ২ ঘন্টা,,,,আর আমাকে তুমি করে ডাকতে পার,,,(লাবনী)
– আচ্ছা ওইটা পরে ডাকা যাবে,,, এখন বলেন তো ২ ঘন্টা আপনি কি করবেন,,,(আমি)
– কি করব"!কি,,,, ও হ্যা পাশেই একটা পার্ক আছে আমরা সেখানে ঘুড়তে যেতে পারি,,,(লাবনী)
– কোথায় ঘুড়তে যাওয়ার প্লান হচ্ছে,,,(সাবিহা সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে,,,)
– কই আবার এই পাশেই একটা পার্কে,,,,তুমি কি আমাদের সাথে যাবে,,,,(আমি)
(যাব না মানে আমাকে কি পাগলা কুওায় কামড়ায়ছে যে আমি তোমাকে লাবনীর সাথে একা ছাড়ব,,,এই মাইয়া কি ছেড়ে কি করে ফেলে তোমার সাথে,,,,,না না আমি কোনো রিস্ক নিতে চায়না,,,)সাবিহা মনে মনে বলতাছে,,,,,,
(এই রে এই কাবাব মে হাড্ডি হবার জন্য কোন থেকে উদয় হলো,,,,বোন না কর,,, যাস না আমাদের সাথে,,,প্লিজ বোন না কর,,,,)লাবনী মনে মনে কথা গুলো বলতাছে আর হাত দিয়ে না করার জন্য ইশারা করতেছে সাবিহাকে,,,,
সাবিহা এবার বলল,,,,
– অবশ্যই যাব,,,কতদিন থেকে পার্কে যায় না,,,,(আমি)
– এই তুই কেমনে যাবি,,,তোর তো বিকালে কোচিং আছে,,,তুই তো যেতে পারবিনা,,,,(লাবনী)
– আরে একদিন কোচিং-এ না গেলে কিছু হবে না,,,,আমরা আজকে বিকালে তাহলে পার্কে যাচ্ছি এটাই ফাইনাল,,,ডান,,,, (সাবিহা)
– ওকে ডান,,,,,(আমি)
– সাবিহা তুই কি সত্যি যাবি আমাদের সাথে,,,,(লাবনী)
– আরে হ্যা,,,,চল তো এখন থেকে ওদেরকে স্টাডি করতে দে,,,,(সাবিহা)
সাবিহা লাবনীর হাত ধরে ওপরে চলে নিয়ে গেল,,,,
,
,
,
,
– এটা কি হলো,,,(লাবনী)
– কোনটা,,, (সাবিহা)
– এই যে তুই আমাদের মাঝে কাবাব মে হাড্ডি হতে চলে আসলি,,,(লাবনী)
– এতে হাড্ডি হওয়ার কি হলো,,,,(সাবিহা)
– আমরা একটু একা সময় কাটাতাম তার মধ্যে এখন তুই এসে পড়লি,,,(লাবনী)
– একা সময় কাটা বি মানে ,,,তোরা কি গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড নাকি,,,,যে একা সময় কাটাবি,,,(সাবিহা)
– গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড না,, ,, কিন্তু হতে কতক্ষণ,,,, (লাবনী)
– ভাব্বা এই মাইয়া তো দেহি সুপার ফাস্ট,,,,, পুরা 5G,,,, (সাবিহা মনে মনে)
– যাকগে তুই যখন যাবিই তাহলে যা,,,কিন্তু আমি যখন ইশারা করব তখন আমাদেরকে একটু একা ছেড়ে দিবি,,,,(লাবনী)
– আচ্ছা,,,, তাই করব,,,(সাবিহা)
,
,
,
,
,
,
– আর আমি এদিকে ম্যাসে চলে আসলাম,,,ম্যাসে আসার পর জামান কে বললাম,,,,,,
– দোস্ত আজকে আমরা ঘুড়তে যাব বিকালে রেডি থাকিস,,,,(আমি)
– তাই নাকি দোস্ত,,,,,,(জামান)
– হুমম রেডি থাকিস,,,,,(আমি)
– ওকে আমি এখনি রেডি হচ্ছি,,,(জামান)
– ওই শালা আমি তোরে এখন রেডি হতে বলছি নাকি,,,বিকালে রেডি হইস,,,(আমি)
– ওকে দোস্ত,,,(জামান)
,
,
,
তারপর বিকালে,,,,
,
,
,
,
– আমি আর জামান ম্যাস থেকে বের হলাম,,,,সাবিহা দের বাসার সামনে গিয়ে আমি সাবিহাকে ফোন দিলাম,,,,,
– হ্যালো সাবিহা চলে আস আমি তোমাদের বাসার সামনে চলে আসছি,,,,(আমি)
– হুমমমম একটু ওয়েট কর আমরা এখনি আসতাছি,,,,(সাবিহা)
– হুমমমম আস,,,(সাবিহা)
– সাবিহা মেঘ এসে পড়েছে,,,(লাবনী)
– হুমমম চল,,,(সাবিহা)
– একটু দাড়া,,,কপালে টিপ টা দেয়,,,সাবিহা দেখতো আমায় সবকিছু ঠিক আছে কিনা,,,(লাবনী)
– হুমমম সব ঠিক আছে,,,( সাবিহা)
– কেমন লাগছে আমাকে সাবিহা,,,,,(লাবনী)
– জাস্ট সেই লাগতাছে,,,রাস্তার ছেলেগুলো তোকে দেখে নিশ্চিত ক্রাশ খাইব,,,,(সাবিহা)
– হা হা হা রাস্তার ছেলেগুলো ক্রাশ খাইলেই কি আর না খাইলেই কি,,,মেঘ ক্রাশ খাইলেই চলব,,,(লাবনী)
– হুমম তাই নাকি,,,,(সাবিহা)
– হুমম চল এখন নিচে চল,,,মেঘ অপেক্ষা করতেছে,,,(লাবনী)
,
,
,
,
ফোন রাখার পর জামান বলল,,,
– দোস্ত তুই সাবিহাকে কেন আসতে বললি সাবিহাও কি আমাদের সাথে যাবে,,,,(জামান)
–হুমমমম,,,,(আমি)
– দোস্ত এটা কি হলো,,,সাবিহার সাথে তুই ঘুড়তে যাবি আমাকে সাথে নিয়ে আসলি কেন,,,(জামান)
– দরকার আছে,,,(আমি)
– আচ্ছা তুই বল,,,তোদের মাঝে আমি থার্ড পার্সন সিংগুলার নাম্বার হয়ে কেন থাকব,,,(জামান)
– তুই থার্ড পারসন না থার্ড পার্সন আরেকজন,,,,(আমি)
– মানে কি,,,(জামান)
– মানে দেখবি তাহলে সামনে তাকা,,,(আমি)
★ জামান সামনে তাকাতেই,,, মুখটা হা করে দিল,,,,হা করবেই না কেন,,,তার সামনে তো দুই টা পরী আসতাছে,,,,,
★ লাবনী একটা হলুদ শাড়ী,,,ঠোঁটে হালকা গোলাপি রঙের লিপস্টিক মেখে,কপালে একটা কালো টিপ পড়ে আসছে,,,,পুরা একটা কিউট এর ডিব্বার মতো লাগতাছে,,,,,,আর তার থেকেও সুন্দর লাগতাছে সাবিহাকে,,,একটা নীল রঙের শাড়ি,,চুল গুলো ছেড়ে দিয়ে,,,কিছু চুল সামনে আর বাকি গুলা পিছনে,,সামনের চুল গুলা বাতাসে তার মুখের সামনে চলে আসতাছে,,,সাবিহা এক হাতে শাড়ির একটা অংশ ধরে আছে আর অন্যহাত দিয়ে চুল গুলো সরাচ্ছে,,, সাবিহাকে দেখে তো,,,দিল খোশ হু গেয়া,,,,আর জামান তো এখনো হা করে আছে,,,আমি জামান কে বললাম,,,,,
,,,,,,চলবে,,,,,,,,,,
Add and follower me






No comments:
Post a Comment