Joy Bhaiya Youtube Channel

Balobasar golpo অজ্ঞাত_বালিকা পর্বঃ১

ভার্সিটির কেমেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের ক্লাসে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ হয়ে পড়ে আছে অপূর্ব সুন্দরী একটা মেয়ে! মেয়েটার বুক থেকে তাজা রক্ত গড়িয়ে পড়ছে ৷ রক্ত দিয়ে মেঝে ভিজে গেছে! তার পাশেই গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছে কেমেস্ট্রি শিক্ষক ফরিদ রহমান! ভার্সিটিতে এখনো ছাত্রছাত্রীর সমাগম হয়নি ৷ দশ মিনিট আগেই এই রুমটাখোলা হয় ৷ তারপরই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে! দু-দুজন মানুষ ভয়াবহভাবে খুন হয়ে মারা পড়ে আছে ৷ কে তাদের এভাবে নৃসংশ্রভাবে হত্যা করতে পারে? রুমে ঢুকে পড়লো কেমেস্ট্রি বিভাগের অন্যতম মেধাবী ছাত্রী তুলি ৷ ঢুকেই দুজনকে খুন হয়ে পড়ে থাকা দেখে চিৎকার মেরে ওঠে! ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে দেখতে থাকে দুজনকে! তারপরই নিজের ওড়নাটা দিয়ে বিবস্ত্র মেয়েটির গায়ে ঢেকে দেয়! ক্লাসে ততোক্ষণে অনেক ছাত্রছাত্রী জরো হয়েছে! ১০ মিনিট পর পুলিশও এসে পড়লো!

রাত ১:২২! মাত্রই গার্লফ্রেন্ডের সাথে ব্রেকআপ করেছে রাজ! রাগে সে তার ফ্রেন্ড লিস্টের সমস্ত মেয়েকে আনফ্রেন্ড করে দিচ্ছে! কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে আনফ্রেন্ড করার পরও সেই ফ্রেন্ডগুলো তার লিস্টে থেকেই যাচ্ছে ফ্রেন্ড হিসেবে! সে বুঝতে পারলনা যে কেন এমন হচ্ছে? অনেক চেষ্টার পরও সে কোনো মেয়েকেই আনফ্রেন্ড করতে পারলোনা ৷ রাজ ভেবে নিলো হয়তো আইডিতে কোনো সমস্যা হয়েছে!
রাত তখন ১:৩৫!
রাজকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে অদৃশ্য মানবী নামে একটি মেয়ে! প্রোফাইল পিকচারটা খুবই আকর্ষণীয় ছিল! একটি আলোকজ্জ্বল শুভ্র ও সোনালি বর্ণের বিল্ডিংয়ের সামনে চমৎকার একটি গাছ থেকে লাল টকটকে মরা পাতা ঝরে পড়ছে! গাছের কান্ডে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছে বাচ্চা একটি মেয়ে ৷ তাকে দেখে রাজপ্রাসাদের রাজার মেয়েদের মত লাগছে! রাজ এত সুন্দর প্রোফাইল পিকচার দেখে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করলো!
সাথে সাথে তার রুমের বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ হয়ে গেল! হয়তো বিদ্যুৎ চলে গেছে! শীতের রাত, প্রচন্ড শীত পড়েছে! রাজ গায়ে কাথা জড়িয়ে নিয়ে ল্যাপটপে ফেসবুকিং করছিল কাঁপা শরিরে! বিদ্যুৎ চলে যাবার পর কেমন এক বাতাস অনুভূত হলো রাজের গায়ে! মনে হলো ঝরো বাতাস ৷ বাতাসে জানালা দুলছিল ৷ রাজ জানালা বন্ধ করলো ৷ জানালা বন্ধ করতে গিয়ে দেখল পাশের বাসার রুমে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলছে! সে ভাবলো, “তবে এই রুমে বিদ্যুৎ কই গেল? মেইনসুইচে সমস্যা হলো নাকি? রাজ তার মোবাইলের টর্চলাইট জ্বালিয়ে মেইনসুইচের কাছে গেল ৷ এবং সেটা বন্ধ করে, আবার অন করলো এবং বাতি জ্বলে উঠলো! রাজের মনে হলো রুমটা উলটপালট হয়ে গেছে! রুমে টিভি ছিল দক্ষিণ দিকে, এখন দেখা যাচ্ছে টিভিটা পশ্চিমে ৷ আর বেড ছিল পশ্চিতে এখন আছে দক্ষিণে!
রাজ এসব নিয়ে মাথা ঘামালো না ৷ সে আবারো ফেসবুকে ঢুকলো ৷ এদিকে রুমে কেমন এক অদ্ভুত ঘ্রাণ অনুভব করলো সে ৷ এত মিষ্টি সুভাস সে এর আগে কখনো অনুভব করেনি! তার মনটা তৃপ্তিতে ভরে গেল! ওদিকে ফেসবুকে ঢুকে সে দেখল ওয়ালে ভেসে উঠেছে তার আইডির একটি স্ট্যাটাস! রাজ চমকে উঠলো ৷ অবাকও হলো ৷ নিজেই নিজেকে বলল, “আশ্চর্য! স্ট্যাটাস দিলো কে?" স্ট্যাটাসে লেখা ছিল, “নর্দমায় ডুব দিয়ে কলেরা হতে যাচ্ছিল, ভয়ে নর্দমাকে ছেড়ে এসেছি!" মুহূর্তের মধ্যে লেখাটা পাল্টে ঐ লেখার পরিবর্তে একটা পিকচার ভেসে উঠলো! পিকচারটা রাজের ক্লাসমেটের ৷ একটি মেয়ে ৷ নাম নয়না! পিকচারটির উপরে লেখা আছে, “নয়নাকে শীঘ্রই খুন করতে হবে তোমাকে"!

রাজ ভয়ে স্ট্যাটাসটা ডিলিট দেবার ইচ্ছা করলো ৷ সে ভাবল- এই লেখা কলেজের কেউ দেখলে ক্ষেপে যাবে আমার উপর! সবাই জেনে যাবে, বড়সর ঝামেলা হবে! যখনই রাজ পিকচারটা পুরোপুরি ভিউ করতে গেল তখনই দেখল ৩৫ হাজার ৭০৭টা লাইক পড়েছে! অসংখ্য কমেন্ট ৷ রাজ আরো অবাক হলো ৷ অবাকের উচ্চশিখরে পৌঁছে গেল ৷ সে ভাবল, “আমার কোন পোস্ট বা ফটোতে ২০০ এর বেশি লাইক পড়েনা, সেখানে ৫ মিনিটে ৩৫ হাজার লাইক? কেমনে কি? রাজ ফটোটা ডিলিট করলোনা ৷ তার খুব আনন্দ হচ্ছিল! এদিকে রুমের ভেতর হঠাৎ করে সুগন্ধির বদলে দূর্গন্ধ অনুভব করছে সে! দূর্গন্ধে রাজ বমি করে দিবে এমন অবস্থা হলো! যদি কোনো মরা মানুষকে আখের মেশিনে ঢুকিয়ে তাকে কাদার উপর ফেলে রাখা হয় সেই লাশ থেকে যেরকম দূর্গন্ধ আসবে সেরকম দূর্গন্ধই পাচ্ছে সে! রাজ শেষপর্যন্ত বমি করে দিলো! বিছানার উপর বমি পড়া মাত্র দেখা গেল শুধু রক্ত পড়েছে! রাজ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে গেল ৷ চোখ দুটো গোলগোল করে বিছানার দিকে তাকিয়ে রইলো! রক্ত মুছে ফেলল তোয়ালে দিয়ে! তখনই দূর্গন্ধ কোথায় যেন হারিয়ে গেল? আবারো সেই সুগন্ধ রাজের নাকে এসে প্রবেশ করলো! হঠাৎ দরজার ক্যারক্যার শব্দ শুনতে পেল ! বাসার বাইরে থেকে কুকুরের ভুকভুক শব্দ শুনলো রাজ! সেই সাথে কেমন করুণ কন্ঠে কুকুরের কান্নার আওয়াজ রাজের কানে ভেসে আসলো! আজকে সবকিছু কেমন অস্বাভাবিক মনে হলো তার নিকট! ল্যাপটপ বন্ধ করে দিয়ে রাজ টিভির নিকট গেল ৷ তার চোখে মনে হলো টিভির টেবিলের উপর ইঁদুর বসেছে! টেবিলের নিকট গিয়ে দেখে কোনো ইদুর নেই ৷ হঠাৎ করে টিভি চালু হয়ে যায়! টিভিতে বিকিনি স্টারদের নিয়ে মডেল-শো হচ্ছে! রাজ সাথে সাথে টিভিটা বন্ধ করে দিল ৷ বন্ধ করে ফের যখন বেডে গেল আবারো টিভিটা অন হয়ে গেল! সে কিছুই বুঝতে পারছেনা ৷ কেন এমন হচ্ছে? কি এর কারণ হতে পারে?
আবারো ঘরের বাতিটা বন্ধ হয়ে গেল! আবারো রাজ মেইনসুইচ অফ করে অন করলো কিন্তু বাতি জ্বললোনা! রাগে তার মন চাইলো সবকিছু ভাঙ্গচুর করতে! হঠাৎ কর্কশ কন্ঠে একটি মেয়ের কথা শুনতে পেল রাজ ৷ শুধু এতটুকুই শুনতে পেল সে, “তোর এত কিসের রাগ? থাপ্পর চিনস?"
রাজ আৎকে উঠলো ভয়ে ৷ কে এভাবে কথা বলল? তার ছোট বোন তো বাসায় নেই, নানু বাড়ি গেছে মা বাবার সাথে! তবে কে বলল এটা?
রাজ ভয়ে জুবুথুবু হয়ে গেল! ঘরে কোনো আলো নেই এখন! নিকষ কালো অন্ধকার পুরো রুমটাকে ঘিরে ধরেছে! এমন তীব্র ঘণকালো অন্ধকারে রাজের মনে হলো ঘরের দেয়ালের পাশে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে? রাজ তার কাঁপা হাতে মোবাইলের টর্চলাইট অন করার পরও কোনো আলো হচ্ছিলনা ৷ মোবাইলের স্কিনের ব্রাইটনেস বাড়িয়েও মনে হচ্ছিল আলো প্রায় শূন্যের কাছাকাছি! ল্যাপটপ অন করতে গেলে দেখলো অন হয়না ৷ ঘর এবার আরো অন্ধকার হয়ে গেল! এবার আর দেয়ালের পাশে কাউকে দাঁড়ানো দেখতে পাচ্ছেনা সে! এদিকে শীতের প্রকটতাও বেড়েছে ৷ এত শীত সত্যেও রাজ ভয়ে কাঁপনের চোটে ঘেমে অস্থির! ঘামের পানিতে শীতের পোশাক খুলে ফেলল ৷ কিন্তু তখন আবার প্রচন্ড শীত লাগল তার! মনে হচ্ছিল তার পিঠের শীড়দারা বেয়ে কি যেন নেমে যাচ্ছে! মাথা ভনভন করছিল! হঠাৎ টিভিটা অন হয়ে গেল! টিভিতে দেখা যাচ্ছে একটি বাচ্চা মেয়ে একজন গর্ভবতী মহিলার জিহ্বা টেনে চিরে ফেলছে! রক্ত তরতর করে চারদিকে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে পড়ছে! বাচ্চা মেয়েটি ভয়ংকর হাসি দিয়ে বলল, “এবার তোর পালা, কখনো রেহায় পাবিনা!"' রাজ চোখ বন্ধ করে রাখল ৷ টিভি থেকে আসা ভয়ংকর শব্দ, চিৎকার চেঁচামেচি বন্ধ হয়ে গেল ৷ রাজ ভাবল টিভি বন্ধ হয়ে গেছে ৷ চোখটা খুলে দেখল টিভিতে মধুর ও সুরেলা কন্ঠে আযান হচ্ছে ৷ মক্কা মদিনার দৃশ্য ফুটে উঠছে টিভির পর্দায়! নীল ভাবলো এখন কত বাজে? কোন সময়ের আযান এটা? তৎক্ষণাৎ চ্যানেলটা বদলে গেল ৷ এবার টিভিতে দেখা যাচ্ছে জনসম্মুখে একজন দীর্ঘাকায়ূ ব্যক্তি এক নাগারে দশটা শিশু বাচ্চা মেয়েকে কতল করে ফেলল গলা কেটে! রাজের এসব সহ্য হলোনা ৷ হো হো করে কান্না শুরু করে দিলো! ওদিকে হঠাৎ করে একটি বিড়াল ম্যাঁও ম্যাঁও করে উঠলো ৷ তখনই টিভিটা বন্ধ হয়ে গেলো ৷ বিদ্যুতের বাতিও জ্বলল! রাজের চোখে বিন্দুমাত্র ঘুম নেই ৷ সে আবারো ল্যাপটপটা হাতে নিলো, অন করতে গেলে অন হলো! ফেসবুকে ঢুকে দেখল তার সেই পোস্টে ১ লাখ ৫৩ হাজার লাইক পড়েছে! সে নয়নার ফটোটা আবারো ভিউ করতে গেলে দেখল মাত্র ৩৪ টা লাইক! রাজের খুব রাগ হলো! মুহূর্তের মধ্যে এত লাইক কই গায়েব হল? ফটোটা ডিলিট করে দিলো সে ৷ এর ১মিনিট পর আবারো আপনাআপনি স্ট্যাটাস ভেসে উঠলো ৷ লেখা রইলো, “কুত্তার বাচ্চা, ডিলিট করছিস কেন?" রাজের এবার বিশ্বাস হয়ে গেল যে আইডি কেউ হ্যাক করেছে ৷ ভাবতে ভাবতে হঠাৎ করে আইডির প্রোফাইলে লক্ষ্য করলো আবারো সেই নয়নার ফটো ভেসে উঠছে! ফটোটা দেখামাত্র রাজ অজ্ঞান হয়ে গেল ৷ কয়েক মিনিট পর সে জ্ঞান ফিরে পেয়ে দেখল সে তার রুমে নেই! তার বাসার বাগানে চলে আসছে! পাশে দুটা কুকুর বসা আছে ৷ অন্ধকারে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছেনা! সে কেমনে বাগানে এলো বুঝতে পারলোনা? রুমের দিকে হাঁটা শুরু করলো সে! তাদের বাসার সিড়িতে ওঠার সময় রাজের মনে হলো তার ছায়াতে যাকে দেখা যাচ্ছে সেটা তার ছায়ার অবয়ব না, কোনো মেয়ের ছায়ার অবয়ব! রাজের প্রচন্ড রকমের ভয়ের উদয় হলো! দ্রুত করে সে তার রুমে গিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিলো ৷ রুমে ঢোকা মাত্র দেখল তার গার্লফ্রেন্ড অনিশা পাতলা একটা টিশার্ট পড়ে শুয়ে আছে ৷ এত শীতের মধ্যে টিশার্ট পড়ে কেমনে টিকে আছে সে?--ভাবলো রাজ! আরো ভাবলো-- রুমে সে আসলো কেমনে? এতরাতে বাসা থেকে ওর বাবা, মা আসতে দিলো কেমনে?
রাজের চোখে রাজ্যের যাবতীয় ঘুম এসে জরো হয়েছে ৷ হাই তুলতে তুলতে বিছানায় এলিয়ে পড়লো ৷ তার হয়তো খেয়ালই নেই যে অনিশার সাথে তার ব্রেকাপ হয়েছে! রাজ ঘুমিয়ে গেল ৷ অনিশা তাকে শক্ত করে জড়িয়ে নিয়ে সেও ঘুমানোর চেষ্টা করলো!
.

সকাল ১০:৩৯ মিনিটে ঘুম থেকে জেগে উঠে রাজ দেখল তার পাশে অনিশা নেই! ঘড়ি দেখে বুঝতে পারল ভার্সিটির একটা ক্লাস মিস হয়ে গেছে ৷ এরপরও সে তাড়াহুরা করে ফ্রেশ ও রেডি হয়ে চলে গেল ভার্সিটির দিকে!

ভার্সিটির গেটে দেখা হয়ে গেল নয়নার সাথে! নয়না রাজকে দেখা মাত্র হিংস্র বাঘিনীর রুপ নিয়ে রাগস্বরে বলল,
___কাপুরুষ কোথাকার ৷ লুচ্চা একটা! আমার বস্ত্রহীন পিকচার তুই কই পেলি? সেটা আবার ফেসবুকে কেন দিলি?
.
রাজ নয়নার কথার কিছুই বুঝলোনা! সে অবাক দৃষ্টিতে নয়নার দিকে তাকালো তারপর আশ্চার্যন্নিত কন্ঠে বলল,
___কি বলছো এসব? আমি কেন তোমার আপত্তিকর ফটো ফেসবুক দিব? ওরকম ফটো কোথায় পাব?
.
নয়না তার ফোন দিয়ে রাজের আইডিতে ঢুকে পিকচারটা বের করে দেখালো! রাজ তব্দা খেয়ে গেল পিকচারটা দেখে! এটা কেমনে সম্ভব? রাতে যে ফটোতে নয়না ছিল বস্ত্রাবৃত্ত সেই নয়না কেমনে বিবস্ত্র হয়ে গেল? আর ফটোর উপর লেখা ছিল নয়নাকে শীঘ্রই খুন করতে হবে, আর এখন লেখা আছে “নয়না মানেই খাসা জিনিস!" মাথায় হাত রেখে এদিক সেদিক তাকিয়ে রাজ কি যেন মনে মনে বলছিল?
নয়না তার প্রতিক্রিয়া দেখে তীব্র বিরক্তিকর কন্ঠে বলল,
___এরকম ন্যাকামী করে কোন লাভ হবেনা! আমি এর প্রতিশোধ নিব! রাতেই কে যেন আমার ফোনে একটা ভিডিও ক্লিপ সেন্ড করছে!
.
রাজ ভয়ার্ত কন্ঠে বলল,
___কার ভিডিও?
.
চলবে....
.
#অজ্ঞাত_বালিকা
#পর্বঃ১
ছদ্মবেশী লেখক।
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label