Joy Bhaiya Youtube Channel

গল্পটি একজন মহান মায়ের গল্প,চোখে জল চলে আসবে গল্পটি পড়লে

গল্পটি একজন মহান মায়ের গল্প

Valobasar Golpo 2 এর নিয়োমিত ভিজিটর এবং টিউনারগণ ami আজকে আপনাদের জন্য দারুন একটি গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি। গল্পটি একজন মহান মায়ের গল্প। গল্পটি আমি Online থেকে সংগ্রহ করেছি। গল্পটি amar কাছে খুব ভালো লেগেছে তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। এই গল্পটি পড়ে ami চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।গল্পটি সত্য না গল্প তা জানিনা কিন্তু মা যে মহান হয় এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। তাহলে চলুন গল্পটি শুরু করা যাক।

amar মায়ের শুধু একটা চোখ ছিল।তাই তাকে দেখতে কিম্ভূতকিমাকার লাগত। এ কারনে মাকে নিয়ে প্রায়ই ami বিব্রতবোধ করতাম। ami বাবা ছিল না,স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য খাবার বানিয়ে amar মা সংসার চালাতেন।
School এ ভর্তি হবার কিছুদিন পর amar মা আমাকে দেখার জন্য স্কুলে আসলেন।আমি তাকে দেখে খুবই বিব্রত হয়ে পড়লাম,ami তাকে অগ্রাহ্য করলাম এবং তারদিকে না তাকিয়ে সেখান থেকে চলে গেলাম।

পরদিন ami যখন স্কুলে আসলাম একটা ছেলে আমাকে বললো,’ছি! তোমার মায়ের একটা চোখ!’ amar রাগে নিজেকে মাটিতে মিশিয়ে ফেলতে ইচ্ছা হল। ami বাড়ি ফিরে মাকে বললাম,’তুমি কি আমাকে হাসির পাত্র বানাতে চাও?তুমি কেন স্কুলে গিয়েছিলে??তুমি মরো না কেন!!’ ami নিজেও বুঝছিলাম না যে ami কি বলছি কারন তখন আমি অসম্ভব রেগে ছিলাম।



amar মা কিছু বললো না…ami বাড়িতে থাকতে চাচ্ছিলাম না,তাই অমানসিক চেষ্টা করে ভাল রেসাল্ট করলাম এবং বিদেশে পড়তে চলে গেলাম।

বিদেশেই ami বিয়ে করলাম। ami নিজের বাড়ি কিনলাম।amar ছেলেমেয়ে হল। স্ত্রী ছেলেমেয়ে নিয়ে আমি সুখেই ছিলাম। এরপর একদিন,amar মা আমাকে দেখতে এল। সে এত বছরে একবারও আমাকে বা তার নাতি-নাতনিকে দেখেনি।

সে যখন amar দরজায় দারালো amar ছেলে-মেয়ে তাকে দেখে হাসি ঠাট্টা শুরু করলো। ami তাকে রাগত স্বরে বললাম,’তুমি আমার বাসায় আসার সাহস কিভাবে করলে! amar বাচ্চারা তোমাকে দেখে ভয় পেয়ে যেতে পারে এটা তোমার মাথায় ছিল না? এখুনি বের হয়ে যাও।’

এতসবকিছুর পরও amar মা শান্তভাবে বললেন,’ওহ,আমি দুঃখিত। মনে হয় ami ভুল ঠিকানায় এসেছি।’

একদিন ami amar স্কুলের রি-ইউনিয়নের চিঠি পেলাম। তাই আমি নির্দিষ্ট দিনে রিইউনিয়নে যোগ দিতে amar শহরে ফিরলাম।অনুষ্ঠান শেষে ভদ্রতা করে আমার বাড়িতে গেলাম।amar প্রতিবশীরা জানালো যে amar মা মারা গেছেন,তারা আমাকে মায়ের দেয়া একটা চিঠি দিল।মায়ের শেষ থাগুলো সেখানে লেখা ছিল।

‘প্রিয় বাবুটা,
ami Sob Somoy তোমাকে নিয়ে চিন্তা করি।ami দুঃখিত যে ami তোমার বাসায় তোমাকে দেখতে গিয়েছিলাম এবং তোমার সন্তানদের ভয় পাইয়ে দিয়েছি।
Ami খুব খুশি হয়েছিলাম এটা শুনে যে তুমি রি-ইউনিয়নে আসছো।তবে ami হয়তো বিছানা থেকেও উঠতে পারবো না তোমাকে দেখতে যেতে কারন ami খুব অসুস্থ। আমি দুঃখিত যে সারাজীবন ami তোমার জন্য বিব্রতকর ছিলাম।
Baba…তুমি যখন খুব ছোট ছিলে তখন তোমার একটা এক্সিডেন্ট হয় এবং তুমি একটা চোখ হারিয়ে ফেল।একজন মা হিসেবে আমার সন্তান একটা চোখ নিয়ে বড় হচ্ছে এটা চোখের সামনে দেখা আমার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব ছিল। তাই ami তোমাকে amar চোখ দান করি।

Ami খুব গর্ব বোধ করতাম এটা ভাবতে যে amar ছেলে আমার চোখ দিয়ে গোটা পৃথিবীটাকে দেখছে। amar হৃদয়ের সবটুকু ভালবাসা রইলো।
ইতি
‘তোমার মা’

গল্পটা হয়তো সত্য,হয়তো সত্য নয়। কিন্তু পুরোটা পড়ে amar মত আপনার চোখও কি একবার ভিজে উঠলো না? amra কেন মাকে কষ্ট দেই? যখন আমরা সবাই মাকে এতটা ভালবাসি?amra নিজেরা বড় হওয়া নিয়ে এতটা ব্যস্ত যে ভুলেই যাই,আমাদের মাও বড় হচ্ছেন। মাকে ভালবাসুন,তার সেবাযত্ন করুন,খুব বেশি দেরি হয়ে গেলে হয়তো সারাজীবন একটা আফসোস আপনার সংগী হবে।তাই আসুন Amra maa দিবসে একটি অঙ্গীকার করি যে,প্রানপ্রিয় মা কে কোনদিন কষ্ট দিব না।
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label