Joy Bhaiya Youtube Channel

কলেজ জীবনের প্রেমিক-প্রেমিকাই হতে পারে আদর্শ জীবনসঙ্গী!

কলেজ জীবনের প্রেমিক-প্রেমিকাই হতে পারে আদর্শ জীবনসঙ্গী!

‘আমার প্রথম সেই কলেজ জীবন, তোমাকে ঘিরে ছিল স্বপ্ন যেমন…’ টিপুর এই গানের মতোই কলেজ জীবনের প্রেমের রোমাঞ্চ বেশ অনুভব করা যায়। সম্পর্কে জড়ানোর আগে, পরিণতি কী হবে, ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। তবে একাংশের মত, কলেজ জীবনের প্রেমিক/প্রেমিকারাই পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে সুখী দম্পতি হতে পারেন। কীভাবে?

খাঁটি প্রেম

যে বয়সের যা নিয়ম! কলেজে পড়ার সময় জীবনে প্রেম আসবে না, এমন ঘটনা বিরল। সেই সময় আবেগ থাকে অনেক বেশি। কমিটমেন্টও চলে আসে তাড়াতাড়ি। প্রেম উপভোগ্য হয়ে ওঠে। তবে কারও ক্ষেত্রে প্রেম পরিণতি পায়। কারও অধরাই থেকে যায়। কলেজে পড়াকালীন যেসব প্রেমিক/প্রেমিকা তাঁদের সম্পর্কের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হন, দেখা গেছে পরবর্তী জীবনেও তাঁরা সুখী।

অঙ্গীকারবদ্ধ প্রেম

এই সময় সম্পর্কে জড়ালে সারাজীবন একসঙ্গে থাকার খেয়াল মাথার মধ্যে গেঁথে যায়। প্রেমকে পবিত্র বলে মনে হয় শুরু থেকে। তাই প্রেম ভাঙলে জীবনটা অনেকের ওলট-পালট হয়ে যায়। কিন্তু ভাগ্যক্রমে যদি কারও প্রেম পরিণতি পায়, সেই দম্পতি পরবর্তী জীবনে সুখী হয়।

একসঙ্গে বেড়ে ওঠা

১৮-১৯ বছর বয়সের প্রেমে পরিপক্কতার অভাব থাকে ঠিকই। কিন্তু একে অপরের প্রতি টানও থাকে অনেকবেশি। তার কারণ অবশ্যই একসঙ্গে বেড়ে ওঠা। একে অপরের ভালো-মন্দ যাচাই করে আপন করে নেওয়া যায় অতি সহজে। অভিনয় করার প্রয়োজন হয় না। নির্ভরশীলতা তৈরি হয়।

আসল কথা হলো আশ্রয়

কলেজে পড়ার সময়টা আসলে ক্যারিয়ার গড়ার সময়। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার সময়। সেই সময় জীবনে প্রেম এলে, কোথাও যেন বাড়তি মনোবল তৈরি হয়। জীবনে কিছু করে দেখানোর তাগিদ তৈরি হয়। সেই দুর্বলতাই হয়ে ওঠে শক্তি। কিন্তু এই যাত্রায় তাঁরাই সফল হন, যাঁরা সম্পর্কের ব্যাপারে সিরিয়াস। টাইম পাসের জন্য প্রেম প্রেম খেলা খেলেন যাঁরা, তাঁদের জন্য নয়। সম্পর্ক সিরিয়াস হলে, শুরু থেকেই স্বস্তি ও আশ্রয়ের জায়গা তৈরি হয়।

রোমাঞ্চ

অধিকাংশ মানুষের জীবনেই প্রথম সবকিছু ঘটে কলেজ জীবনে। প্রেমিকার হাতে হাত রাখা। প্রথম চুম্বনের অভিজ্ঞতা। রাতের আকাশে নিজেকে নতুন করে চেনা। পুরুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে সেও উইলিয়ামের চেয়ে কম নয়। নারী নিজেকে কেটের চেয়ে কোনো অংশে কম রূপসী দেখে না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিটি ষোড়শীকে গাইতে শোনা যায়, ”বলো তো আড়শি তুমি মুখটি দেখে…..”

এহেন রোমাঞ্চের সময় নারী-পুরুষের একে অপরকে ভালো লাগার মধ্যে সারাজীবনের রোমাঞ্চ লুকিয়ে থাকে। স্বার্থের পৃথিবী গড়ে ওঠে অনেক পরে। নিঃস্বার্থ, নির্ভেজাল প্রেম যদি কিছু হয়, তা সেই কলেজ জীবনেই। তারপর বয়স বাড়লে তো সমীকরণ পালটে যায়। রোমাঞ্চ কম- ক্যালকুলেশন বেশি।
Share:

1 comment:

  1. গল্পটি খুব ভালো লেগেছে আমার গল্প গুলোও পড়ুন ধন্যবাদ।
    লজ্জাতুন নেছা

    ReplyDelete

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label