Joy Bhaiya Youtube Channel

#তুমি_শুধু_আমার #পর্ব - ১০ #Radhiya_rimi

cute Indian house wife pic, India actress pic
#পর্ব - ১০
🍂
তবে এই হাত ই যদি আর না থাকে তাহলে তো আর কখনো আমার কামিনীকে এত কষ্ট পেতে হবে না -
বলেই রিয়াদ উঠে দাঁড়ায় তারপর পাশে থাকা ছুরিটা নিয়ে যেই নিজের হাত কেটে ফেলতে নিবে তখনি পিছন থেকে হঠাৎ করে সালেহা বেগম রিয়াদের হাত থেকে ছুরিটা একটান দিয়ে নিয়ে ছুরে নিচে ফেলে দেয়'
রিয়াদের দুই চোঁখে জল টলমল করছে -
পিছনে ঘুরে তাকাতেই দেখে সাহেলা বেগম '
সালেহা বেগম রিয়াদ কে যেই কিছু একটা বলতে যাবে তখনি রিয়াদ
নিজের মাকে দেখে পাগলের মত জড়িয়ে ধরে জোরে চিৎকার করে কেঁদে ফেলে'
রিয়াদের এমন আচরণ দেখে সালেহা বেগম বাকরুদ্ধ হয়ে যায় '
শুধু দুই হাত দিয়ে শক্ত করে রিয়াদকে জড়িয়ে ধরে চুপ করে আছে'
কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই রিয়াদ নিজেকে সরিয়ে নিয়ে চোঁখ মুছতে মুছতে বাড়ি থেকে হনহন করে বেড়িয়ে যায়'
রিয়াদকে এই ভাবে বের হয়ে যাওয়া দেখে সালেহা বেগম রিয়াদের পেছন পেছন যায় আটকানো জন্য '
রিয়াদ রিয়াদ আমার কথাটা শোন বাবা'
তোর কি হয়েছে '
এমন করছিস কেনো.??
আমার কথাটা শোন '
এই ভাবে কোথায় যাচ্ছিস তুই..??
রিয়াদ-
সালেহা বেগম রিয়াদ কে অনেক আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু রিয়াদ কোনো কথা না শুনেই পাগলের মত বেরিয়ে যায়'
সালেহা বেগম কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না'
কি এমন হলো হঠাৎ করে যে এমন পাগলামি করছে রিয়াদ'
ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ করে সালেহা বেগমের ফোনে ফোন আসে'
সালের বেগম তারাতাড়ি করে ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে আবিরের কান্না জরিত কন্ঠ ভেসে আসে'
আম্মু তুমি যত তারাতাড়ি সম্ভব হসপিটালে চলে আসো'
কামিনীর অবস্থা অনেক খারাপ'
কথাটা বলেই আবির আর কোনে কিছু বলতে পারছে না'
শুধু কাঁদার আওয়াজটাই আসছে ওপাশ থেকে'
সালেহা বেগম কথাটা শুনা মাএই হাত থেকে ফোনটা পরে যায়'
সারা শরীরটা কাঁপছে '
নিমেষেই যেনো পুরো পৃথিবীটা অন্ধকার হয়ে আসছে সালেহা বেগমের'
এই সব কি হচ্ছে '
কেনো হচ্ছে.??
কোনো কিছু বুঝতে পারছে না সালেহা বেগম '
চিন্তার পাহার মাথায় করেই সালেহা বেগম তারাতারি করে ডাইভারকে নিয়ে হসপিটালের যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পরে'
এই দিকে আবির একদম পাগলের মত হয়ে গেছে'
চুল গুলো এলোমেলো '
সারা শরীরে যেনো রক্তে মাখামাখি '
আবিরের চোঁখ মুখ ফুলে লাল হয়ে গেছে'
মাথাটা নিচু করে মুখে দুই হাত দিয়ে চেপে অবিরত কেঁদেই যাচ্ছে '
আর অপেক্ষা করছে কখন ডক্টর এসে বলবে কামিনীর কিছুই হয়নি'
কামিনী সুস্থ আছে'
"ডক্টর কামিনীর কেবিন থেকে বের হলেই আবির ডক্টরকে দেখা মাএই লাফ দিয়ে উঠে দৌড়ে ডক্টরের কাছে যায়'
"ডক্টর আমার কামিনী...?
আমার কামিনী ঠিক আছে তো.??
ওর কোনো কিছু হয়নি তো.???
ও সুস্থ হয়ে গেছে তাই না ডক্টর.??
আমি একটু ওকে দেখবো..!
আমি ওর কাছে একটু যাই প্লিজ ডক্টর..??
বলেই আবিরের চোঁখ দিয়ে অঝোরে জল গরিয়ে পরছে '
পাগলে মত করছে আবির'
চোঁখে মুখে ভয়ের ছাপ তারপরও মনের ভেতর থেকে একটা শক্তি যেনো আবিরকে শক্ত করে ধরে রেখেছে আর বলছে '
কিছু হবে না কামিনীর'
সব ঠিক হয়ে যাবে'
আবির কামিনীকে একটুক্ষানি দেখার জন্য কেবিনের দিকে বার বার তাকাচ্ছে '
ডক্টর - "নিজেকে শান্ত করুন'
আর আল্লাহকে ডাকুন '
একমাএ উনিই পারেন সব কিছু ঠিক করে দিতে'
আবির ডক্টরের হাতটা নিয়ে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে
অশ্রুসিক্ত চোখে ডক্টরের দিকে তাকায়-
আমার কামিনী ঠিক আছে তো..??
ওর কিছু হবে না তো ডক্টর .???
আবিরের কথায় ডক্টর একটু চুপ করে আবিরের কাঁধে হাত দিয়ে বলে-
পেসেন্টের অবস্থা অনেক খারাপ'
মাথায় প্রচন্ড পরিমাণে আঘাত পাওয়ায় মাথাটা ফেটে অনেকটা রক্ত বেড়িয়ে গেছে '
এখন ইমিডিয়েটলি এক ব্যাগ o+ রক্ত লাগবে'
আমাদের হসপিটালে 0+ রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না'
আপনারা যেখান থেকে পারেন যত তারাতাড়ি সম্ভব রক্তের ব্যাবব্যাবস্থা করুন'
নয়তো পেসেন্টের অনেক বড় কিছু হয়ে যেতে পারে'
আবির ডক্টরের মুখে কথাটা শুনা মাএই ডক্টরের হাতটা ছেরে দেয়'
আবির আর কোনো কথা বলতে পারছে না'
শুধু বার বার এক অজানা ভয় এসে আবিরকে ঘিরে ধরছে'
আবিরের নিঃশ্বাস ভারি হয়ে যাচ্ছে '
মনে হচ্ছে কোনো এক বিপদের দমকা হাওয়া এসে সব কিছু উল্ট পাল্ট করে দিবে'
সব কিছু শেষ করে দিবে'
আবিরের মাথা কাজ করছে না'
কি করবে এখন আবির...?
কোথায় যাবে...?
আবির আর কোনো কিছুই ভাবতে পারছে না'
পাগলের মত বেড়িয়ে পরে রক্ত জোগার করতে'
এদিকে রিয়াদ হসপিটালে ঢুকেই প্রতিটা কেবিন পাগলে মত চেক করছে'
কোথায় আছে কামিনী '
চেক করতে করতে দেখে কামিনী ১০৭ নাম্বার কেবিনে আছে'
রিয়াদ কাওকে কোনো কিছু না বলেই সরাসরি কেবিনে ঢুকে কামিনী তুলে বুকে জরিয়ে ধরে '

Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label