সংসার
পর্বঃ২১
লেখাঃরাইসা
- মৌ প্লিজ অনেক হয়েছে আর না। চলো আমার সাথে এ বলে যখনি রাজ মৌ এর হাত ধরে ঠিক তখনি মৌ রাজের গালে চড় বসিয়ে দেয়। রাজ মৌ এর দিকে অসহায়রের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে' তুমি আমাকে মারতে পারলে?
- হ্যাঁ পারলাম কারণ আমি অন্য জনের বিবাহিত স্ত্রী। আর তুমি পর পুরুষ! আমি চাই না আমার স্বামী ব্যতীত কেউ আমার গায়ে স্পর্শ করুক।
- রাজের কলিজাটা মনে হচ্ছে বের হয়ে যাবে। চোখের পানি ধরে রাখতে পাচ্ছে না। টপটপ করে চোখের পানি মৌ এর সামনেই চোখ থেকে গড়িয়ে পড়লো।
- মৌ চিৎকার দিয়ে বললো ' এই যাচ্ছিস না কেন? এখন আমার সুখের ঘরে আগুন লাগাতে আসছিস? নাকি আমার মেয়েকে নিতে এতো প্ল্যান? তুরে দেখতে মন চায় না প্লিজ তুই আমার চোখের সামনে থেকে চলে যা।
- হ্যাঁ পারলাম কারণ আমি অন্য জনের বিবাহিত স্ত্রী। আর তুমি পর পুরুষ! আমি চাই না আমার স্বামী ব্যতীত কেউ আমার গায়ে স্পর্শ করুক।
- রাজের কলিজাটা মনে হচ্ছে বের হয়ে যাবে। চোখের পানি ধরে রাখতে পাচ্ছে না। টপটপ করে চোখের পানি মৌ এর সামনেই চোখ থেকে গড়িয়ে পড়লো।
- মৌ চিৎকার দিয়ে বললো ' এই যাচ্ছিস না কেন? এখন আমার সুখের ঘরে আগুন লাগাতে আসছিস? নাকি আমার মেয়েকে নিতে এতো প্ল্যান? তুরে দেখতে মন চায় না প্লিজ তুই আমার চোখের সামনে থেকে চলে যা।
- মৌ প্লিজ সবকিছু ভুলে বুকে টেনে নাও। আমি আর পারছি না তোমাকে ছাড়া ভালো থাকতে।মৌ নাও না তোমার বুকে। আমি জানি আমি তোমার সাথে যা করেছি এটা কোন পশুও পশুর সাথে করবে না।
- রাজ তুমি প্লিজ চলে যাও আমার স্বামী দেখে ফেললে সমস্যা হবে।
- রাজ তুমি প্লিজ চলে যাও আমার স্বামী দেখে ফেললে সমস্যা হবে।
- না মৌ আমি তোমাকে ছাড়া কোথাও যাবো না । আমি তোমাকে আর রিচিকে নিয়ে তারপর এখান থেকে যাবো। তুমি চাও না রিচি তার বাবার আদর পাক।
- চুপ আর একটা কথাও বলবি না কে তোর মেয়ে? তোর মেয়ে সেদিনই মারা গেছে যেদিন মেয়েকে মারার জন্য দুধে বিষ দিয়েছিলি? কি করে ভুলে যায় এসব? জানে রাজ একটা মেয়ে পৃথিবীর সবকিছুর ভাগ দিতে পারলেও কি দিতে পারে না জানো? জানো না। জানলে সুমাইয়ার সাথে নষ্টামি করতে না। যখন তুমি সুমাইয়ার সাথে নস্টামি করতে তখন আমার কাছে মৃত্যুর চেয়ে বেশি কস্ট লাগত। জানি না মৃত্যু কতটা কস্টকর। কিন্তু আমি হাজারবার মরেছি। একটা মায়ের কাছে দুনিয়ার সবচেয়ে কস্টকর শব্দ কি জানো? শব্দটা হচ্ছে, নিজের গর্ভের সন্তানকে গর্ভপাত করা।
- মৌ প্লিজ থামো তুমি। আমি আর পারছি না। আমি স্বামী হয়ে তোমার পায়ে পড়ছি। তবুও এসব বলো না। চলো আমি আমার মায়ের কসম করে বলছি কখনো তোমার চোখে পানি আসতে দিবো না। শেষবারের মতো একটা সুযোগ দাও। আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। যদি বুকের ভেতরটা দেখানো যেতো তাহলে দেখতে এ বুকে শুধু তোমার ছবি আঁকা। মৌ একটিবার তোমার বুকে নিবে? আমি যে আর পারছি না।
- মৌ তার চোখের জল লুকাতে পারছে না। তার ভেতরটা দুমড়ে -মুচড়ে যাচ্ছে। মৌ এর খুব করে ইচ্ছে করছে রাজের বুকে যেতে। কিন্তু চাইলেই আর যাওয়া যায় না। মাঝখানে কাঁচের দেওয়াল দাঁড়িয়ে আছে যে।
- মৌ প্লিজ থামো তুমি। আমি আর পারছি না। আমি স্বামী হয়ে তোমার পায়ে পড়ছি। তবুও এসব বলো না। চলো আমি আমার মায়ের কসম করে বলছি কখনো তোমার চোখে পানি আসতে দিবো না। শেষবারের মতো একটা সুযোগ দাও। আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। যদি বুকের ভেতরটা দেখানো যেতো তাহলে দেখতে এ বুকে শুধু তোমার ছবি আঁকা। মৌ একটিবার তোমার বুকে নিবে? আমি যে আর পারছি না।
- মৌ তার চোখের জল লুকাতে পারছে না। তার ভেতরটা দুমড়ে -মুচড়ে যাচ্ছে। মৌ এর খুব করে ইচ্ছে করছে রাজের বুকে যেতে। কিন্তু চাইলেই আর যাওয়া যায় না। মাঝখানে কাঁচের দেওয়াল দাঁড়িয়ে আছে যে।
- কি হলো মৌ কি ভাবছো? একটিবার জড়িয়ে নাও না।
- মৌ কোন কথা বলছে না। রাজ মৌ এর এমন নীরবতা দেখে মৌকে একটানে বুকের সাথে মিশিয়ে ফেলে। মৌ নিজেকে ছাড়াতে গিয়েও কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে যায়। সে তো এটাই চাচ্ছিল। মনে হচ্ছে জীবন ফিরে পেল। রাজ মৌকে ছোট বাচ্চার মতো জড়িয়ে ধরে আছে। এভাবে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরে থাকার পর মৌ রাজকে বললো' রাজ কি করছো? ছাড়ো বলছি আমায়! তুমি ভুলে যাচ্ছে আমি আল্লাহকে সাক্ষ্যি রেখে তিসানকে বিয়ে করেছি। প্লিজ ছেড়ে দাও। তিশান যে কোন মুহূর্তে এসে পড়বে।
- আমি কিছু জানি না। আমি জানি মৌ শুধু আমার। আর কারো নয়।
- হঠাৎ এমন সময় তিশান বাসায় ঢুকেই মৌ আর রাজকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে।
- মৌ রাজকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বলতে থাকে ' দেখো তিশান রাজ আমাকে ''''
- মৌ রাজকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বলতে থাকে ' দেখো তিশান রাজ আমাকে ''''
- তুমি চুপ করো, কুত্তার বাচ্চাটার সাহস বেড়ে গেছে, এই বলে তিশান তার কোমড়ের বেল্ট খুলে রাজের গায়ে বারি দেয়। দু'টো বারি দিতেই রাজ ফ্লরে পড়ে যায়।
- মৌ তিশানকে ফিরাতে গেলে, তিসানকে মৌকে বলে ' তুমি এখানে এসো না কত্তোবড় সাহস ছোটলোকটার আমার স্ত্রীর গায়ে হাত দেয়। অসভ্যতামি করে।
- মৌ তিশানকে ফিরাতে গেলে, তিসানকে মৌকে বলে ' তুমি এখানে এসো না কত্তোবড় সাহস ছোটলোকটার আমার স্ত্রীর গায়ে হাত দেয়। অসভ্যতামি করে।
- মৌ কিছু বলতে পারে না। তিশানে রাজকে লাথি দিয়ে অনবরত মারতে থাকে। এমন সময় রিচি পাশের রুম থেকে বের হয়েই দেখে তিশান তার বাবাইকে মারছে। রিচি দৌড়ে গিয়ে তিশানকে জাপটে ধরে বলে ' আপনি আমার বাবাইকে ছেড়ে দেন। দেখেন না বাবার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে। কিন্তু তিশানের রাগ যেন চরমে ওঠে গেছে। রিচি তিসানকে ছেড়ে দিয়ে তার মমকে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগল! মম দেখ বাবাইকে মারছে। তুমি না করো না মম। বাবাই মরেই যাবে এভাবে মারলে।
- চুপ কর কে তোর বাবাই? ওই ছোটলোকটা তোর বাবাই না।
- তুমিই তো বলছো আমার বাবা ওটা। মিথ্যা বলছি মামনি। তুমি ঘরে যাও। তিশান অনেক হয়েছে, লজ্জা থাকলে আর কোনদিন অসভ্যতামি করতে আসবে না।
- চুপ কর কে তোর বাবাই? ওই ছোটলোকটা তোর বাবাই না।
- তুমিই তো বলছো আমার বাবা ওটা। মিথ্যা বলছি মামনি। তুমি ঘরে যাও। তিশান অনেক হয়েছে, লজ্জা থাকলে আর কোনদিন অসভ্যতামি করতে আসবে না।
- তিশান মৌকে কিছু না বলে পাশের রুমে চলে গেল।
- কি হলো তুই এখন যাচ্ছিস না কেন?
- হুম চলে যাবো। আর কোনদিন আসবো না। কোনদিন না। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম আমি তোমার কে? এক কর্মচারী তুমি তো অনেক বড়লোক এখন। তোমার হাসবেন্ড কত টাকা রোজগার করে। জানো মৌ তোমাকে ভালোবাসার প্রতিদান আমাকে যে রক্ত দিয়ে দিতে হবে জানা ছিল না। রক্তের প্রতিটি ফোটা বলছে তোমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল। মরে গেলেও আর কোনদিন বলবো না মৌ আমাকে একটু বুকে নিবে? আমি তোমাকে ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া বাঁচব না। কি হলো কাঁদছো কেন? কেঁদোনা তোমার চোখে জল যে দেখতে পারি না। খুব বিরক্ত করতাম তোমায় তাই না? আর তোমার ছবি বুকে নিয়ে রাতভর কাঁদব না প্রমিজ। কারণ তুমি আমার সেই আগের মৌ নেই।
- রাজ সরি।আমি তোমার আগের-
- কি হলো তুই এখন যাচ্ছিস না কেন?
- হুম চলে যাবো। আর কোনদিন আসবো না। কোনদিন না। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম আমি তোমার কে? এক কর্মচারী তুমি তো অনেক বড়লোক এখন। তোমার হাসবেন্ড কত টাকা রোজগার করে। জানো মৌ তোমাকে ভালোবাসার প্রতিদান আমাকে যে রক্ত দিয়ে দিতে হবে জানা ছিল না। রক্তের প্রতিটি ফোটা বলছে তোমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল। মরে গেলেও আর কোনদিন বলবো না মৌ আমাকে একটু বুকে নিবে? আমি তোমাকে ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া বাঁচব না। কি হলো কাঁদছো কেন? কেঁদোনা তোমার চোখে জল যে দেখতে পারি না। খুব বিরক্ত করতাম তোমায় তাই না? আর তোমার ছবি বুকে নিয়ে রাতভর কাঁদব না প্রমিজ। কারণ তুমি আমার সেই আগের মৌ নেই।
- রাজ সরি।আমি তোমার আগের-
- না ম্যাডাম সরি বলতে হবে না। আমি সত্যিই বোকা অন্যজনের বউকে নিজের বলে দাবি করেছি। তিশান স্যার ঠিকই করেছে। ভালো থেকো মৌ। আর আমার কলিজার টুকরা রিচিটাকে দেখে রেখো। ছোটলোকের একটা শেষ ইচ্ছে পূরণ করবে?
- হ্যাঁ বলো!
- হ্যাঁ বলো!
- আমার মেয়েটাকে একটু বুকে নিতে দিবে?
- মৌ কিছু না বলে রিচির হাতটা ছেড়ে দিল।
- রিচি দৌড়ে গিয়ে রাজকে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগল' বাবাই তুমার খুব কস্ট হচ্ছে তাই না? বাবাই ও বাবাই আমাকে তোমার সাথে নিবা বাবাই? বাবাই তোমাকে অনেক কিছু বলতাম কিন্তু মা যে কসম করিয়েছে। বাবাই তুমি থাকো তোমার শরীরে স্যাভলন লাগিয়ে দেয়।
- নারে মা লাগবে না। আমার মা টা যে আমার বুকে এসেছে এতেই আমার সব কস্ট ভালো হয়ে গেছে। রাজ রিচির কপালে আলতো করে চুমু দিয়ে পকেটে থাকা তার মায়ের লকেটটা রিচির গলায় পরিয়ে দিয়ে বললো ' মা আসিয়ে।' ভালো থাকিস।
- মৌ কিছু না বলে রিচির হাতটা ছেড়ে দিল।
- রিচি দৌড়ে গিয়ে রাজকে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগল' বাবাই তুমার খুব কস্ট হচ্ছে তাই না? বাবাই ও বাবাই আমাকে তোমার সাথে নিবা বাবাই? বাবাই তোমাকে অনেক কিছু বলতাম কিন্তু মা যে কসম করিয়েছে। বাবাই তুমি থাকো তোমার শরীরে স্যাভলন লাগিয়ে দেয়।
- নারে মা লাগবে না। আমার মা টা যে আমার বুকে এসেছে এতেই আমার সব কস্ট ভালো হয়ে গেছে। রাজ রিচির কপালে আলতো করে চুমু দিয়ে পকেটে থাকা তার মায়ের লকেটটা রিচির গলায় পরিয়ে দিয়ে বললো ' মা আসিয়ে।' ভালো থাকিস।
- রাজ ঠিকমতো হাটতে পারছে না। মৌ রাজের হাতটা ধরতে গেলেই রাজ বলে উঠলো' প্লিজ ম্যাডাম, আমাকে স্পর্শ করবেন না। ' ছোটলোকের গায়ের গন্ধ লেগে যাবে। যাওয়ার আগে বলে গেলাম আমার পায়ের নিচে একটু জায়গার জন্য আপনি কাঁদবেন খুব করে কাঁদবেন। এটা আমার রক্তঝরানো ভালোবাসার কসম।
- রাজ চলে গেলে মৌ দরজা বন্ধ করে কাঁদতে লাগল। পারছে না সে এভাবে। রাজকে আঘাত করা প্রতিটা আঘাত তার কলিজায় লেগেছে। কিন্তু তখন রাগের সময় কিছু বলতেও পারে নাই।
- এদিকে রাজ রক্তমাখা শরীরে মাঝরাস্তায় এসে সেন্সরেন্স হয়ে যায়। স্থানীয়রা এসে হসপিটালে নিয়ে গেলে তিশা খবর পেয়ে হসপিটালে গিয়ে দেখে। রাজ শুয়ে আছে বেড়ে। স্যালাইন চলছে। রাজের এ অবস্থা দেখে তিশার কলিজাটা মনে হয় বের হয়ে আসবে। তিশা রাজের পাশে গিয়ে বসে, রাজের কপালে একটা চুমু দিয়ে হাত ভুলাতে থাকে। রাজ ঘুম থেকে চেতন পেলে, তিসা মৌ এর ব্যাপারে সবকিছু শুনতে পায়। রাজের এ অবস্থা তা মৌ এর কারণে সেটাও শুনতে পায়।
- কি হলো তিশা কি এমন বললাম তুমি কাঁদছো যে?
- রাজ আমি কিছু জানি না তুমি শুধু আমার আমি তোমার কস্ট সহ্য করতে পারি না। আমি তোমার সবটা জেনেই ভালোবাসি। আর আমি চাই তুমি আমাকে বিয়ে করো।
- কি হলো তিশা কি এমন বললাম তুমি কাঁদছো যে?
- রাজ আমি কিছু জানি না তুমি শুধু আমার আমি তোমার কস্ট সহ্য করতে পারি না। আমি তোমার সবটা জেনেই ভালোবাসি। আর আমি চাই তুমি আমাকে বিয়ে করো।
- তিশা এসব কি বলছো? চুপ করো তো। এমন সময় একটা নার্স এসে বললো রোগীর আত্নীয় কি আপনি?
- জ্বি কিছু বলবেন?
- হ্যাঁ স্যার আপনাকে যেতে বললো তার রুমে।
- জ্বি কিছু বলবেন?
- হ্যাঁ স্যার আপনাকে যেতে বললো তার রুমে।
- তিশা ডাক্তার রুমে গিয়ে বসতেই, ডাক্তার বললো ' রোগী আপনার কি হয়?
- না মানে স্যার উনি আমার হাসবেন্ড।
- না মানে স্যার উনি আমার হাসবেন্ড।
- ওহ্ রোগীর অবস্থা এখন খুব ভালো । তবে সময় মতো হসপিটালে নিয়ে না আসলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেত। দু'একদিনের মধ্যে বাসায় নিতে পারবেন।
- ধন্যবাদ ডক্টর!
- তিশা ডাক্তারের রুম থেকে বের হয়ে সরাসরি মৌ এর বাসায় চলে যায়। মৌ নামায পড়ে যখনি রুম থেকে বের হবে তখনি দেখে তিশা।
- তিশা ডাক্তারের রুম থেকে বের হয়ে সরাসরি মৌ এর বাসায় চলে যায়। মৌ নামায পড়ে যখনি রুম থেকে বের হবে তখনি দেখে তিশা।
- তিশা হঠাৎ করে কি মনে করে?
- যাই মনে করে হোক। আপনি রাজকে মারছেন কেন?
- সে কৈফিয়ত তোমাকে দিতে হবে?
- হ্যাঁ দিতে হবে।
- কেন দিতে হবে?
- কারণ রাজ আমার হবু স্বামী। আমি তাকে ভালোবাসি এবং তাকেই বিয়ে করবো।
- ওহ্ এজন্যই এখন আমাকে বকা দিতে আসছো?
- নাহ্ আপনাকে বলতে আসছি মেয়ে মানুষের এতো অহংকার ভালো না। আপনি নাকি আবার রাজকে ভালোবাসতেন? এই ছিল আপনার ভালোবাসা? একটা পশুকেও এভাবে মারে না। রাজ হসপিটালে এখনো ব্যথায় কাতরাচ্ছে!ডাক্তার বলছে সময় মতো হসপিটালে যদি না নিয়ে যাওয়া হতো তাহলে বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেত।
- সে কৈফিয়ত তোমাকে দিতে হবে?
- হ্যাঁ দিতে হবে।
- কেন দিতে হবে?
- কারণ রাজ আমার হবু স্বামী। আমি তাকে ভালোবাসি এবং তাকেই বিয়ে করবো।
- ওহ্ এজন্যই এখন আমাকে বকা দিতে আসছো?
- নাহ্ আপনাকে বলতে আসছি মেয়ে মানুষের এতো অহংকার ভালো না। আপনি নাকি আবার রাজকে ভালোবাসতেন? এই ছিল আপনার ভালোবাসা? একটা পশুকেও এভাবে মারে না। রাজ হসপিটালে এখনো ব্যথায় কাতরাচ্ছে!ডাক্তার বলছে সময় মতো হসপিটালে যদি না নিয়ে যাওয়া হতো তাহলে বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেত।
- কি হয়েছে আমার রাজ।
- ওয়াও রাজ আপনার হয়ে গেল? যখন মারছেন তখন কার ছিল? যখন মাঝ রাস্তায় সেন্সলেন্স হয়ে পড়েছিল তখন কার ছিল।
- ওয়াও রাজ আপনার হয়ে গেল? যখন মারছেন তখন কার ছিল? যখন মাঝ রাস্তায় সেন্সলেন্স হয়ে পড়েছিল তখন কার ছিল।
- তিশা বলো না রাজ কোন হসপিটালে আছে?
- চুপ করেন দরদ দেখানো হচ্ছে! আপনার কাছে শুধু এটা বলতে আসছি রাজের ছায়াও কাছেও আপনার মতো মেয়ে নামে কলঙ্ক যেন না যায়।
- চুপ করেন দরদ দেখানো হচ্ছে! আপনার কাছে শুধু এটা বলতে আসছি রাজের ছায়াও কাছেও আপনার মতো মেয়ে নামে কলঙ্ক যেন না যায়।
-মৌ এর গাল বেয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। রাজ হসপিটালে, তাও তার জন্যে। যদি সত্যিই কিছু হয়ে যেত। না অনেক হয়েছে। আর নয়।
- এদিকে রাজ অনেকটাই সুস্থ। হঠাৎ একদিন রাজ রুমের ভেতর মাথা ঘুরিয়ে পড়ে যায়। হসপিটালে নিয়ে গেলে, ডক্টর কিছু পরীক্ষা দেয়। হসপিটাল থেকে ফিরে এসে রাজ তিসাকে বলে তুমি যদি রাজি থাকো তাহলে সামনে ১৪ এপ্রিল বিয়েটা করে ফেলতে চাই। তিসা কিছু না বলেই রাজকে জড়িয়ে ধরে।
- কার্ড ছাপিয়ে প্রথম কার্ড তিসা নিয়ে মৌ এর হাতে দেয়।
- এটা কিসের কার্ড?
- মেম বিয়ের কার্ড। আপনি কিন্তু অবশ্যই আসবেন সাথে আপনার স্বামীকেও নিয়ে আসবেন।
- এটা কিসের কার্ড?
- মেম বিয়ের কার্ড। আপনি কিন্তু অবশ্যই আসবেন সাথে আপনার স্বামীকেও নিয়ে আসবেন।
- আচ্ছা যাবো।
- ঠিকআছে ম্যাম আসি।
- তিশা চলে গেলে মৌ কার্ডটা বের করেই চমকে যায়। মৌ এর পায়ের নিচের মাটি মনে হয় সরে যাচ্ছে।
- ঠিকআছে ম্যাম আসি।
- তিশা চলে গেলে মৌ কার্ডটা বের করেই চমকে যায়। মৌ এর পায়ের নিচের মাটি মনে হয় সরে যাচ্ছে।
- রিচি দৌড়ে এসে বললো ' মম কিসের কার্ড এটা?
- মৌ কিছু না বলে ' রিচির হাতে কার্ডটা দেয়।
- রিচি কার্ডটা দেখেই বলে' মম বাবাই এর সাথে মেয়েটা কে?বলো না মম?
- মৌ কিছু বলছে না! কেন এতো কস্ট হচ্ছে। আর পারছে না। না এ বিয়ে হলে সে বাঁচবে না। অনেক নাটক হয়েছে। বাবাকে আজই বলতে হবে সবকিছু। রাজ যদি রিচিকে বিয়ে করে সে কাকে নিয়ে বাঁচবে। মৌ কিছু ভেবে পাচ্ছে না। রিচিকে নিয়ে রাজের বাসায় ঢুকেই দেখে রাজের মাথাটা তিশার কুলে। তিশা রাজের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। মৌ এর ভেতরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। সহ্য করতে পারছে না সে। রাজ মৌকে দেখেই বলে আপনি?আপনি এখানে কেন?
- মৌ রাজকে কিছু না বলেই দু'পা ঝাপটে ধরে বলে, রাজ আমাকে ক্ষমা করে দাও আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না।
- মৌ কিছু না বলে ' রিচির হাতে কার্ডটা দেয়।
- রিচি কার্ডটা দেখেই বলে' মম বাবাই এর সাথে মেয়েটা কে?বলো না মম?
- মৌ কিছু বলছে না! কেন এতো কস্ট হচ্ছে। আর পারছে না। না এ বিয়ে হলে সে বাঁচবে না। অনেক নাটক হয়েছে। বাবাকে আজই বলতে হবে সবকিছু। রাজ যদি রিচিকে বিয়ে করে সে কাকে নিয়ে বাঁচবে। মৌ কিছু ভেবে পাচ্ছে না। রিচিকে নিয়ে রাজের বাসায় ঢুকেই দেখে রাজের মাথাটা তিশার কুলে। তিশা রাজের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। মৌ এর ভেতরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। সহ্য করতে পারছে না সে। রাজ মৌকে দেখেই বলে আপনি?আপনি এখানে কেন?
- মৌ রাজকে কিছু না বলেই দু'পা ঝাপটে ধরে বলে, রাজ আমাকে ক্ষমা করে দাও আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না।
- চলবে'''''''''''''






No comments:
Post a Comment