অবশেষে তুমি আমার💘
# রাহাত খান
# ৭
।।
রাতে আবির বাসায় এসে ইমার কাছে খবর নেয় নীলা খেয়েছে কিনা?
।
হঠাৎ ইমা আবিরকে বলে,,
।
ভাইয়া তুই এত বড় একটা কাজ আমাকে না জানিয়ে কিভাবে করলি? আমি মনে হয় তোর সৎ বোন হই এজন্য মনে হয় বলিস নেই তাই না।
।
আরে তুই ও না। তুই হলি আমার একমাএ রাজকুমারি।এতকিছু যে করবো আমি নিজেই বুঝি নাই। আচ্ছা সরি এরপর যা করবো তোকে জানিয়ে করব কেমন?
।
ওকে,,আচ্ছা শোন ভাবী আজকে সারাদিন এ কিছু খায় নাই। রাগ করে ন এখনো বসে আছে। আমি খাবার বেড়ে দিচ্ছি। তুই নিয়ে খাইয়ে দিছ।
।
ওকে দে।তারপর আবির খাবার প্লেট নিয়ে উপরে রুমে গিয়ে দেখে নীলা ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎ আবিরের সকালে নীলাকে থাপ্পর দেওয়ার কথা মনে পড়ে যায়। আবির বিছানার একপাশে বসে নীলার গাল দেখতে লাগলো। আবির নীলার গালে দিতেই নীলা ব্যাথায় নড়ে উঠে আর সাথে ঘুম ভেঙ্গে যায়।
।
এই যে আপনি আমার সাথে কি করতে ছিলেন বলুনতো। (ওড়না ঠিক করে)
।
তোমাকে দেখতে ছিলাম।আর কিছু না
।
আমাকে দেখতে ছিলেন নাকী অন্য কিছু করতে ছিলেন।
।
আরে করলে তো সমস্যা নাই। কারন তুমি আমার বউ। আর বউ সাথে তো সবকিছুই করা যায়।
।
মানে? আপনি এসব কি বলতেছেন?
।
তো কি বলবো? আগে যখন সুন্দর করে বলছিলাম তখন বুঝো নাই কেনও? আর শোন আমি তোমাকে কখনো তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ঐসব করবো না। কিন্তু পাপ্পি দিবো ঠিকই এটা তুমি যতই না করো না কেনও? এখন উঠো খাবার খাবে। ইমার কাছ থেকে শুনছি তুমি নাকী সকাল থেকে কিছু খাও নাই।
।
আমি খাবো না।
।
খাবে না তাই তো
।
হুৃম
।
হঠাৎ আবির নীলাকে হেচকা টান দিয়ে নীলার ঠোট নিজের আয়ত্বে করে ফেলে।এভাবে প্রায় ৫ মিনিট পর্যন্ত।হঠাৎ আবির নীলাকে ছেড়ে দেয় আর দুজনই হাঁপাতে থাকে।
।
আপনি আসলেই একটা লুচ্ছা,।
।
বিয়ের পর বরদের একটু লুচ্ছা হতে হয় এটা স্বাভাবিক।এখন খেয়ে নেয় নাহলে এ রকম সারারাত চলবে।আমি ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি যেনও খাওয়া হয়ে গেছে।
।
ব্যাটা বজ্জাত,কুওা,বিলাই,হনুমান,সব খালি লুচ্ছামি করে বেড়াছ। দেখিস তোর অবস্হা আমি কি করি?তারপর নীলা খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ে।আবির ও ফ্রেশ হয়ে বিছানায় এসে নীলাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ে।
।
একি আপনি বিছানায় এসেছেন কেনও? সোপায় গিয়ে ঘুমান।
।
মানে? আমি সোপায় কেনও ঘুমাবো? বিছানা আমার বউটাও আমার এত কিছু থাকতে আমি ছোপায় ঘুমাবো না।।
।
ওকে ঠিক আছে তাহলে মাঝখানে কোলবালিশ থাকতে শুয়ে পড়েন। (নীলা জানে সে আবিরের সাথে কোনদিনও পারবে না তাই মেনে যায়)
।
কখনো না এ বলে আবির নীলাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষন পর আবির ঘুমিয়ে পড়ে। নীলা ঘুমিয়ে পড়ে।
।
সকালবেলা আবির ঘুম উঠে নামায পড়তে চলে যায়। নীলার যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন আবির কে না দেখতে পেয়ে অনেক খুশি হয়। কাল থেকে নীলা এক জামা কাপড় পড়ে এখনো আছে। তাই সে ফ্রেশ হয়ে যে জামাকাপড় পড়বে তাও নেই। তাই ভাবলো আবির জামা কাপড় পড়ে সে ইমার কাছ থেকে ইমার একটা জামা চেয়ে নিবে। তারপর নীলা ফ্রেশ হয়ে আলমারি থেকে আবির জামা বের করতে গিয়ে অবাক হয়ে যায়। কারন আলমারিতে সব মেয়েদের জামা তাও সব নীলার পছন্দ মতো। নীলা অনেক খুশি হয়। সে বুঝতে পারে এসব আবির কাজ। তাই তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নেয়।ফ্রেশ হয়ে পুরো বাসা দেখতে থাকে। তারপর নীলা যখন ছাদে যায় আরো বেশি অবাক হয়ে যায়। কারন ছাদের চারপাশে সব ফুলগাছ।নীলা গিয়ে দোলনা বসলো আর চারপাশ দেখতে লাগলো। আর এ দিকে ইমা নীলাকে পুরো বাড়িতে না দেখতে পেরে সোজা ছাদে চলে আসে।
।
আরে ভাবি তুমি এখানে? আমি খুজেঁ হয়রান।
।
আচ্ছা ছাদে এসব ফুলের বাগান করছে কে?
।
এসব ভাইয়া করেছে।আচ্ছা তাড়াতাড়ি নিচে আসো দেখো কে এসেছে তোমাকো দেখতে
।
হুম চলো। তারপর নীলা নিচে গিয়ে পুরোই অবাক নীলার বাবা মা দেখে।সাথে সাথে কান্না করে দেয়।
।
জানছ মা আবির ছেলেটা অনেক ভালো। তোকে বিয়ে করার পর ও সাথে সাথে আমাদের কাছে গিয়ে মাফ চেয়ে নেয়। আমরা বুঝতে পারছি যে ও তোকে ভালোবাসে তাই জোর করে তোকে বিয়ে করছে।তাই আর কিছু বললাম না
।
আরে ভাই আপনি চিন্তা করবেন না আপনি দেখবেন আমার ছেলে আপনার মেয়েকে অনেক সুখে রাখবে (আবিরের মা)
।
ওনি কে?
।
ভাবী আমাদের আম্মু ওনি। আজকে সকালে গ্রামের বাড়ি থেকে এসেছে। এটা শুনার সাথে নীলা আবিরের মাকে সালাম করে।
।
বেঁচে থাকো মা।
।
আবিরকে দেখছি না যে? ও কোথায়?(নীলার বাবা)
।
ভাইয়া সকালে উঠে নামায পড়ে কিছুক্ষন হেটে বাসায় আসে আজকে একটু কাজ আছে তাই বাসায় আসতে দেড়ি হবে
।
চলবে
।
ভুলক্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন






No comments:
Post a Comment