ওই ছেলে,,
ভার্সিটির আসার পরে কেউ একজন ডাক দিলো,,
আমি সেদিকে কান দিলাম না কাকে না কাকে ডাকে,,এখানে তো আমাকে কেউ চিনে না, আমি চলে যেতে লাগলাম,,
আমি সেদিকে কান দিলাম না কাকে না কাকে ডাকে,,এখানে তো আমাকে কেউ চিনে না, আমি চলে যেতে লাগলাম,,
ওই ছেলে,, কানে কি কম শুনচ,,
কয়েকবার ডাক দেওয়ার পর পেছন ফিরে দেখি
একদল মেয়ে,, আবারও ডাক দিলো।
আমি তাদের কাছে গেলাম। গিয়ে,,,
একদল মেয়ে,, আবারও ডাক দিলো।
আমি তাদের কাছে গেলাম। গিয়ে,,,
মেঘঃ-- জ্বী আমাকে বলচ্ছেন।
সেখান থেকে একটি মেয়েঃ-- জ্বী স্যার আপনাকেই
বলচ্ছি...
(আমি তোহ্ ভয় পেয়ে গেলাম। এই মেয়ে আমাকে
স্যার বলে ডাকলো কেন.? তার মানে কি, এই
মেয়ে কি সব জেনে গেলো নাকি। জেনে গেলে
তোহ্ সমস্যা। এখানে কাউকেই জানানো যাবে না
যে আমি কি জন্য এসেচি, তাহলে সব প্লান
ভেস্তে যাবে। আমার ভাবনায় ছেদ ঘটিয়ে
মেয়েটি বলে উঠলো।)
বলচ্ছি...
(আমি তোহ্ ভয় পেয়ে গেলাম। এই মেয়ে আমাকে
স্যার বলে ডাকলো কেন.? তার মানে কি, এই
মেয়ে কি সব জেনে গেলো নাকি। জেনে গেলে
তোহ্ সমস্যা। এখানে কাউকেই জানানো যাবে না
যে আমি কি জন্য এসেচি, তাহলে সব প্লান
ভেস্তে যাবে। আমার ভাবনায় ছেদ ঘটিয়ে
মেয়েটি বলে উঠলো।)
মেয়েটিঃ-- কিরে কথা বলচ্ছিস নাহ্ কেন.?
(আমি মেয়েটির দিকে ভালো মতো তাকালাম।
দেখতে তোহ্ মাশাআল্লাহ্। একদম হুরের এতো।
সুন্দর-শ্যাম বর্নের তার গায়ের রং। চুল গুলি
মেলে দেওয়া। কিন্তু মডার্ন ড্রেস পরা। এই জিনিসটা
খারাপ লাগলো।)
দেখতে তোহ্ মাশাআল্লাহ্। একদম হুরের এতো।
সুন্দর-শ্যাম বর্নের তার গায়ের রং। চুল গুলি
মেলে দেওয়া। কিন্তু মডার্ন ড্রেস পরা। এই জিনিসটা
খারাপ লাগলো।)
মেয়েটাঃ-- কিরে বয়ড়া নাকি.?
মেঘঃ-- জ্বী বলেন।
মেয়েটিঃ-- কি নাম,,
মেঘঃ-- #মেঘ_রাজ,,আপনার?
মেয়েটিঃ-- ওই তুই কি এটা মেসেঞ্জার পেয়েচিস,,যে আমি জিজ্ঞেস করলে তোকেও জিজ্ঞেস করতে হবে,।
মেঘঃ-- আমি তো এমনি জিজ্ঞেস করলাম,।
মেয়েটিঃ-- তোর এমনিই জিজ্ঞেস করতে হবে বা,,আমি যা জিজ্ঞেস করবো শুধু তার উত্তর দিবি,,
মেঘঃ-- আচ্ছা
মেয়েটিঃ-- কোন ক্লাস.?
মেঘঃ-- masters.
মেয়েটিঃ-- কোন year.?
আমিঃ-- 1st year.
মেয়েটিঃ-- বাহ্ আমাদের দুই ব্যাচ সিনিয়র..!!
(তারমানে মেয়েটি অনার্স 2nd year-এ পড়ে।)
অন্য একটি মেয়েঃ-- 'মিহি', এটা তো সিনিয়র।
এখন কি করবি.?
এখন কি করবি.?
(তার মানে মেয়েটির নাম 'মিহি'। বাহ্, ভালোই
লাগলো নামটা।)
লাগলো নামটা।)
মিহিঃ-- আজ সিনিয়র দিয়েই শুরু করি। সিনিয়রদের রেগ করার মজাই আলাদা..😀
(আমি তোহ্ অবাক। তার মানে এরা আমাকে
রেগ করার জন্য এরকম করচ্ছে.! আমিতো
ভয়ই পেয়েছিলাম, আমার পরিচয় জানে
জানে কি না। কিন্তু নাহ্। দূর শুধু শুধু ভয় পাইচি)
রেগ করার জন্য এরকম করচ্ছে.! আমিতো
ভয়ই পেয়েছিলাম, আমার পরিচয় জানে
জানে কি না। কিন্তু নাহ্। দূর শুধু শুধু ভয় পাইচি)
মিহিঃ-- ওই যেহেতু নতুন,,আর দেখেও innocent
মনে হচ্ছে, তাই ছোট্ট একটি কাজ দিলাম। ওই এখানে দাড়িয়ে ২০ বার কান ধরে উঠ-বস কর..(আমাকে বললো)
মনে হচ্ছে, তাই ছোট্ট একটি কাজ দিলাম। ওই এখানে দাড়িয়ে ২০ বার কান ধরে উঠ-বস কর..(আমাকে বললো)
মেঘঃ-- Excuse me.! আমি তোমার সিনিয়র।
মিহিঃ-- তো কি করবো.? তোর পূজা করবো.!
যা বলেছি তাই কর.! না হলে এমন অবস্থা করবো না..?!!
যা বলেছি তাই কর.! না হলে এমন অবস্থা করবো না..?!!
মেঘঃ-- তুমি কোন মহারানী যে, তোমার কথা শুনবো.?
মিহিঃ-- ওই তুই চিনিস আমি কে.?
মেঘঃ-- থাক ম্যাডাম, আমার চেনার প্রয়োজন
নেই। আমি গেলাম। Bye..
নেই। আমি গেলাম। Bye..
মিহিঃ-- ওইইই,,,,,
কে শোনে কার কথা আমি কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই দ্রুত চলে আসলাম,,,
তারপরে বন্ধুদের ফোন দিলাম,,
তারপরে বন্ধুদের ফোন দিলাম,,
মেঘঃ-- ওই হারামি আমায় রেখে চলে আসলি কেন,,।
নাইমঃ-- তোকে আমরা অনেক বার ফোন দিয়েছি,, তুই তো ফোনই দরচ নাই,,।
মেঘঃ-- আরে কাল রাতে স্যারে সাথে কাল রাতে মিটিং চিলো,, আর মিটিং শেষ হতে অনেক রাত হয়ে গেচে তাই ঘুমিয়ে ছিলাম,,,
নাইমঃ-- আচ্ছা,, এখন কই তুই,, আমরা ক্যানটিনে আছি সবাই,,,
মেঘঃ-- তোরা সবাই প্রিন্সিপাল স্যার এর আফিসের সামনে আয়,, আমিও আসতেচি,,।
.
তারপর প্রিন্সিপালের অফিসে দরজার কাছে
গেলাম সবাই।
.
তারপর প্রিন্সিপালের অফিসে দরজার কাছে
গেলাম সবাই।
মেঘঃ-- আসতে পারি.?
(আমাকে দেখেই প্রিন্সিপাল দাড়িয়ে গেলো।)
প্রন্সিপালঃ-- আরে স্যার, আসুন আসুন।
মেঘঃ-- আপনার কাছে একটা অনুরোধ করবো
যদি রাখতেন...(ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে)
যদি রাখতেন...(ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে)
প্রিন্সিপালঃ-- অনুরোধ বলচ্ছেন কেন.? আপনি
শুধু বলুন..
শুধু বলুন..
মেঘঃ-- দেখুন আপনি আমার বাবার বয়সি। এবং
এই ভার্সিটির সম্মানীয় প্রধান,আমাকে আপনি
নাম ধরে ডাকুন। আর এখন আমি আপনার ছাত্র।
তাই আমি আপনাকে সম্মান করবো,, আপনি নয়।
এই ভার্সিটির সম্মানীয় প্রধান,আমাকে আপনি
নাম ধরে ডাকুন। আর এখন আমি আপনার ছাত্র।
তাই আমি আপনাকে সম্মান করবো,, আপনি নয়।
প্রিন্সিপালঃ-- আচ্ছা।
মেঘঃ-- তাহলে পরিচয় করিয়ে দেই, ও হচ্ছে
নাইম ও হলো রাকিব, ও পারভেজ আর
ও হচ্ছে উজ্জ্বল। আর আজ থেকে আমরা
আপনার ভার্সিটির ছাত্র।
নাইম ও হলো রাকিব, ও পারভেজ আর
ও হচ্ছে উজ্জ্বল। আর আজ থেকে আমরা
আপনার ভার্সিটির ছাত্র।
প্রিন্সিপলঃ-- ঠিক আছে,,আমি তোমাদের
সব কাগজ-পত্র সব কিছু ঘুছিয়ে রেখেছি। তোমরা
আগামী কাল থেকে ভার্সিটিতে ক্লাস শুরু করবে।
সব কাগজ-পত্র সব কিছু ঘুছিয়ে রেখেছি। তোমরা
আগামী কাল থেকে ভার্সিটিতে ক্লাস শুরু করবে।
মেঘঃ-- আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আরেকটি
সাহায্যের প্রয়োজন ছিলো,,।
সাহায্যের প্রয়োজন ছিলো,,।
প্রিন্সিপালঃ-- হ্যা,,বলো,।
মেঘঃ-- আমাদের আসল পরিচয় যেন কেউ
জানতে না পরে,, দয়া করে, এ ব্যাপারে একটু
সতর্ক থাকবেন।
জানতে না পরে,, দয়া করে, এ ব্যাপারে একটু
সতর্ক থাকবেন।
প্রিন্সিপালঃ-- ও ওটা নিয়ে তুমি চিন্তা করো না,,।
মেঘঃ-- আচ্ছা স্যার তাহলে আমরা আসি।
প্রিন্সিপালঃ-- আচ্ছা। কোনো সমস্যা হলে বলবে,,।
মেঘঃ-- আচ্ছা।
.
বাহিরে চলে এলাম।এখন আপনারা হয় তো ভাবচ্ছেন।
আমি কে কিংবা আমরা কে যে ভার্সিটির প্রিন্সিপাল
সয়ং নিজে আমাদের সাথে এরুপ ব্যাবহার কেন
করলো.?
আসুন আপনাদের সকল প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি।
আমি #মেঘ_রাজ আমি এখানের নতুন
DB কমিশনার। আর নাইম, রাকিব, পারভেজ ,
উজ্জ্বল ওরা আমার টিমের সদস্য এবং বন্ধু।
আমরা সবাই বন্ধু। আমাদের এই এলাকায়
আসার মূল কারন হলো, এখানে নাকি ড্রাগসের
অনেক বড় এক চক্র রয়েছে। যাদের সকল
কার্যক্রম চলে এই ভার্সিটি কে ঘিরেই.।
শুধু ড্রাগ ব্যাবসা নয়, তাছাড়াও আরো অনেক
অবৈধ কাজ করে এই চক্রটি। যেমন: কিডন্যাপিং,
মাডার ইত্যাদি। তাই আমাদের এখানে পাঠানো
হয়েছে এই চক্রটিকে শেষ করতে। তাও আন্ডার-কাভার হিসেবে। যেহেতু সব কিছু এই ভার্সিটিকে কেন্দ্র করেই ঘটে, সেহেতু এখানেই ছাত্র হিসেবে আমরা এ্যাডমিশন নেই। যাতে কাজটি সহজ হয়। এবং এ্যাডমিশনের কাজে প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের সাহায্য করলেন।
.
বাহিরে চলে এলাম।এখন আপনারা হয় তো ভাবচ্ছেন।
আমি কে কিংবা আমরা কে যে ভার্সিটির প্রিন্সিপাল
সয়ং নিজে আমাদের সাথে এরুপ ব্যাবহার কেন
করলো.?
আসুন আপনাদের সকল প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি।
আমি #মেঘ_রাজ আমি এখানের নতুন
DB কমিশনার। আর নাইম, রাকিব, পারভেজ ,
উজ্জ্বল ওরা আমার টিমের সদস্য এবং বন্ধু।
আমরা সবাই বন্ধু। আমাদের এই এলাকায়
আসার মূল কারন হলো, এখানে নাকি ড্রাগসের
অনেক বড় এক চক্র রয়েছে। যাদের সকল
কার্যক্রম চলে এই ভার্সিটি কে ঘিরেই.।
শুধু ড্রাগ ব্যাবসা নয়, তাছাড়াও আরো অনেক
অবৈধ কাজ করে এই চক্রটি। যেমন: কিডন্যাপিং,
মাডার ইত্যাদি। তাই আমাদের এখানে পাঠানো
হয়েছে এই চক্রটিকে শেষ করতে। তাও আন্ডার-কাভার হিসেবে। যেহেতু সব কিছু এই ভার্সিটিকে কেন্দ্র করেই ঘটে, সেহেতু এখানেই ছাত্র হিসেবে আমরা এ্যাডমিশন নেই। যাতে কাজটি সহজ হয়। এবং এ্যাডমিশনের কাজে প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের সাহায্য করলেন।
মেঘঃ-- নাইম তোরা গিয়ে আমাদের জন্য দরকারি জিনিস পত্র গুলো নিয়ে আয়,,আমি একটু পরে আসতেচি,,,।
আমরা সবাই মিলে একটা বড় ফ্লাট ভাড়া নিলাম।
কারন এখানে থেকেই আমাদের পড়া-লেখার
অভিনয় করতে হবে।
কারন এখানে থেকেই আমাদের পড়া-লেখার
অভিনয় করতে হবে।
নাইমঃ-- আচ্ছা তাড়াতাড়ি আসবি,,,সবাই একসাথে লান্স করবো,,।
মেঘঃ-- ওকে,,।
তারপর ওরা চলে গেলো,,আমি ক্যাম্পাসটা একটু ঘুরতে দেখতে লাগলাম,,,।
কিন্তু হঠাৎ করে কেউ একজন পিছন থেকে
.শার্টের কলার ধরে টান দেয়।আমি পেছন ফিরে দেখি,,,,,,,,,
তারপর ওরা চলে গেলো,,আমি ক্যাম্পাসটা একটু ঘুরতে দেখতে লাগলাম,,,।
কিন্তু হঠাৎ করে কেউ একজন পিছন থেকে
.শার্টের কলার ধরে টান দেয়।আমি পেছন ফিরে দেখি,,,,,,,,,






No comments:
Post a Comment