Joy Bhaiya Youtube Channel

ভালবাসার গল্প রোমান্টিক হবু বউ পর্বঃ 2

 

ভালবাসার গল্প রোমান্টিক হবু বউ   পর্বঃ 2

ভালবাসার গল্প রোমান্টিক হবু বউ 

পর্বঃ 2

লেখকঃbmpavel


এরপর নাস্তা করে আমি আমার রুমে চলে আসলাম। আজকে আর কলেজে যাবো না,তাই বাহিরে চলে আসলাম। বাহিরে এসে ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা দিতে লাগলাম। বারোটা সময় বাসায়

চলে আসলাম। এই দুইঘন্টায় নিধী আপু কমপক্ষে 

বিশ বার কল দিছে।  আমি বাসায় গিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম।  রুমে এসে নরমাল ড্রেস পরে নিলাম। এরপর তোয়ালে হাতে নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলাম।  


ওয়াশরুমে দরজা দাক্কা দিতেই দেখি, নিধী আপু ভিতরে। আর নিধী আপুর শরীলে  একটা সুতো পর্যন্ত নেই। নিধী আপু আমাকে দেখে কোনো রিয়েকশন ই করলো না। আমিই বের হয়ে গেলাম। 

ওয়াশরুম থেকে বাহির হয়ে খাটে বসে পরলাম।  আমার বোকের দুকদুকানি উঠা নামা করছে। আমি বসেই রইলাম, কিছুক্ষন পরে নিধী আপু ওয়াশরুম থেকে ডাকছে৷  


আমিঃ কি হয়েছে?

নিধীঃ দেখ খাটের উপরে আমার তোয়ালে আর কাপর নিয়ে আয় ত৷ 

আমিঃ তুমি এসে নিয়ে যাও। 

নিধীঃ এ অবস্থায় বাহিরে যাবো কি করে? 

আমিঃ ওয়াশরুমে গেলে যে দরজা লক করতে হয় তোমার জানা ছিলো না?  

নিধীঃ খেয়াল ছিলো না,  প্রবলেম কি তুই ই ত দেখছিস অন্য কেউ না। একদিন না একদিন ত দেখবিই। 

আমিঃ তোমার লজ্জা করে না? 

নিধীঃ তর কাছে আবার কিসের লজ্জা? 

এতো কথা বাদ দিয়ে তোয়ালে নিয়ে আয়৷ 

আমিঃ আম্মুকে পাঠিয়ে দিচ্ছি। 


এই বলে আমি নিচে চলে আসলাম৷ নিচে এসে আম্মুকে বলে আমার রুমে পাঠিয়ে দিলাম। 

আমি নিধী আপুর রুমে গিয়ে শুয়ে পরলাম। 

কিছুক্ষন পড়ে আপু রুমে আসলো, এসে আমাকে দেখে মুচকি একটা হাসি দিলো। এরপর আয়নার সামনে চলে গেলো৷ আমি আপুর দিকে তাকিয়ে আছি,  বেজা চুলে আপুকে পরির মতো লাগতেছ।। 

আমি আপুর দিকে এক ভাবে তাকিয়ে আছি, আর ভাবতেছি ভবিষ্যতে ত আপু আমার বউ হবেই, এতো সুন্দরি একটা বউ উফ ভাবতেই ভাল্লাগে।। 


এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে আপু আমার সামনে এসে দাড়িয়েছে খেয়াল ই করেনি।   আপু বলল কি দেখিস এমন করে?  তোমাকে আজ যেনো আমার চোখ দুটো তোমার দিক থেকে ফিরছেই না।।  এটা বলাতেই আপুর গাল দুটো লজ্জায় লাল হয়ে গেলো।  মুখ ফসকে কি বলে ফললাম এখন ত আমার ও লজ্জা করছে। 


আমি উঠে চলে যেতে লাগলাম আপু দাক্কা দিয়ে আমাকে বিছানায় ফেলে দিলো।।  এরপর নিধী আপু এসে আমার উপরে শুয়ে পড়লো। 


নিধীঃ তুই এতো কিউট কেন,  তকে দেখলে নিজেকে কন্ট্রোল করতে কষ্ট হয় কেন?। 

আমিঃ কি করছো কি? 

নিধীঃ চুপ একদম চুপ। 


এই বলে আপু আমাকে কপালে চুমু দিলো ।  আর আমার বোকে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়লো ।  আজ আর আপুকে আটকালাম না, ।  

আমিঃ আপু আমার কেমন জানি লাগছে?

নিধীঃ কেমন? 

আমিঃ হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে।  আচ্ছা তুমি আমাকে স্পর্শ করলে আমার এমন লাগে কেন? 

নিধীঃ এটাই ত ভালোবাসা,, তুই গাদা তাই বুঝিস না। 

আমিঃ এখন ছারো, 

নিধীঃ না 

আমিঃ ওই ছারো আম্মু এসে পরবে, । 

নিধীঃ আগে একটা কিস কর। 

আমিঃ পারবো না।। 

নিধীঃ আমিও ছারব না। 

আমিঃ ওকে কপালে করব একটা। 

নিধীঃ না ঠোঁটে 

আমিঃ পারব না,, এর আগেও তুমি জোর করে আমার লিপি অনেকবার কামর দিছো।  

নিধীঃ কি করব বল, তর লিপ টা যে আমার আইসক্রিমের মতো লাগে। 

নিধীঃ তাই বলে কামর দিবে? 

নিধীঃ যা ইচ্ছা করব তর কি তর সব কিছুতেই আমার হক আছে।  


এই বলে আপু আমার ঠোঁটে ছোট করে একটা চুমু খেলো।  আপুর ঠোঁট দুটো গোলাপি একদম গোলাপের পাপরির মতো৷।  আর লিপের নিচে কালো রংয়ের একটা তিল আছে এতে আপুর সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করে দিছে।  


আমি আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলাম না। 

আপুক নিচে ফেলে দিয়ে আমি উপরে উঠে পড়লাম। আমার ঠোঁট আপুর ঠোঁটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে,  আপু চোখ বন্ধ করে ফেলল আমি চার ঠোঁট এক করে দিলাম ।  এমন করে অনেকক্ষন থাকার পরে আমি আপুর ঠোঁট দুটি মুক্ত করে দিলাম। আপু এসে আমার বোকে শুয়ে পড়লো।


আমিঃ আপু তুমি যা চাচ্ছো এটা কি আদো সম্ভব। 

নিধীঃ সম্ভব না কেন?

আমিঃ সমাজ কি এটা মেনে নিবে। 

নিধীঃ সমাজের কথায় আমার কিছু যায় আসে না। 

আমরা সুখি হলেই চলবে।

আমিঃ এখন যায় আমি সন্ধার সময় আবার রিয়া আপুর বার্ডে পার্টি। 

নিধীঃ ওকে যা।।।। 


রিয়া হলো নিধী আপুর ফ্রেন্ড। আমি রুমে এসে আগে জয় কে কল দিলাম।  


জয়ঃ হ্য বল 

আমিঃ রিয়া আপুর বার্ডে পার্টিতে যাবি?

জয়ঃ হুম যেতে ত হবেই। 

আমিঃ রানা যাবে?

জয়ঃ হ্য যাবে। 

আমিঃ ওকে তাহলে আমি আপুকে ড্রপ করে দিয়ে এসে পরে তদের আনতে যাবো। 

জয়ঃ ওকে। 


এরপর আমি রুমে চলে আসলাম,। রুমে এসে শাওয়ার নিতে চলে গেলাম।  শাওয়ার নিয়ে বাহির হয়ে লাঞ্চ করে ঘুমিয়ে পরলাম।  বিকেলে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার খাটের এক পাসে একটা কালো পান্জাবী রাখা।  বুঝলাম নিধী আপু রেখে গেছে, 

সাথে একটা চিরকুট তাতে লেখা কালো পান্জাবী টা পরে রুমে আসবি আমার।   


আমি ফ্রেশ হয়ে কালো পান্জাবী পরে আপুর রুমে চলে গেলাম। আপু আয়নার সামনে বসে চোখে কাজল লাগাচ্ছে,  নিধী আপু ও ব্লাক কালারের শাড়ি পড়েছে।  আমি গিয়ে খাটে বসে পরলাম।। 

একটু পরে নিধী আপু আমার সামনে এসে দাড়ালো আর বলল দেখত আামকে কেমন লাগছে?  


আমি আপুর দিকে তাকালাম,  আপু কে দেখে একটা গান মনে পড়ে গেলো,  আমি গেন হারাব মরেই যাবো বাঁচাতে পারবে না কেউ। 


শাড়ির মধ্যো আপুর সৌন্দর্য টা আরো বেড়ে গেছে। 

ব্লাক শাড়ি,  হাতে ব্লাক চুড়ি, ব্লাক টিপ, চোখে  ব্লাক কাজল।  এক কথায় ব্লাক এন্জেল। ।।  আর কিছু বললাম না আপনারা আবার প্রেমে পরে যাবেন। 


আপু আমার তাকিয়ে থাকা দেখে বুঝে গেছে।  সাজটা আমার ভালো লাগছে।  আর কিছু না বলে আপু বলল আমি রেডি তাহলে চল এরপর আম্মুকে বলে আমরা বাসা থেকে বাহির হলাম।।। 

আমি গাড়ি ড্রাইভ করছি আর বারবার আপুর দিকে তাকাচ্ছি, আজ আমাদের যে কেউ দেখলেই বলবে পারফেক্ট কাপল।। 


আমরা একটা রেস্টুরেন্টের সামনে গাড়ি দাড় করালাম। পার্টি টা রেখেছে একটা রেস্টুরেন্টে।  


এরপর ভিতরে গেলাম,  কে যানে পার্টিতে আমার জন্য এমন কিছু অপেক্ষা করছে,  আমি ভয়ে শুদু নিধী আপুর দিকে তাকিয়ে আছি.... 


#চলবে

Share:

1 comment:

  1. ভালোছিল ভাই। আমাদের ভালোবাসা পরীক্ষা করার উপায় দেখার অনুরোধ থাকলো :)

    ReplyDelete

Search This Blog

Labels

Recent Posts

Label