Joy Bhaiya Youtube Channel

Valentine দিবস এর আসল ইতিহাস কি? এটা কি প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের নাকি সব ধরনের ভালবাসা প্রকাশের একটি প্রতীকি দিন?

 Valentine দিবস

Valentine দিবস এর আসল ইতিহাস কি? এটা কি প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের নাকি সব ধরনের ভালবাসা প্রকাশের একটি প্রতীকি দিন?

ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন'স ডে) একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রেম এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়। এই দিনে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করে দিনটি উদ্‌যাপন করে থাকে। ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট ২য় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। তাই এটা আক্ষরিক অর্থে মূলত প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের দিন, কিন্তু যেহেতু একজন মানুষের ভালবাসার ব্যাপ্তি তার আশেপাশের অনেক প্রিয়জন ঘিরে বিস্তৃত, তাই আজ ভালবাসা দিবস সার্বজনীন।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে বা ভালোবাসা দিবস মূলত ১৪ই ফেব্রুয়ারি উদ্‌যাপন করা হয়। ইতালির রোম-এ ২৬৯ সালে একজন পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন।খৃষ্টান ধর্ম প্রচার করার অভিযোগে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন।বন্দী অবস্থায় জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করেন।এতে জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স কে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস মৃত্যুদণ্ড দেন।দিনটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি।৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন।আক্ষরিক অর্থে প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের দিন হলেও মূলত ভ্যালেন্টাইন'স ডে একটি সার্বজনীন দিবস।

প্রাচীন যুগে রোমানদের ধর্ম ছিল প্যাগান ধর্ম এবং তারা বিভিন্ন দেবতাদের পুজা করতো। লুপারকাস ছিল তাদের বন্য পশু দেবতা। এই দেবতার প্রতি ভালবাসা জানিয়ে তারা ‘লুপারক্যালিয়া’ (Lupercalia) নামক পুজা উৎসব করতো। এই ‘লুপারক্যালিয়া’ উৎসব আগে ফেব্রুয়া (Februa) নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের উৎপত্তি। রোমানরা এই ‘লুপারক্যালিয়া’ পুজার উৎসব ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়াতে পালন করতো যার মূল দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়া বা ফেব্রুয়ারী। এই পুজার প্রধান আকর্ষণ ছিল লটারি। বিনোদন ও আনন্দের জন্য যুবকদের মাঝে যুবতীদের বণ্টন করে দেয়াই ছিল এ লটারির উদ্দেশ্য। পরবর্তী বছর আবার নতুন করে লটারি না হওয়া পর্যন্ত যুবকেরা তাদের জন্য বরাদ্দ মেয়েদের এক বছর ভোগ করার সুযোগ পেত। এই ‘লুপারক্যালিয়া’র দিনে আরেকটি প্রথা ছিল। এদিন তারা ছাগল ও কুকুর তাদের দেবতাদের জন্য উৎসর্গ করত... আর উৎসর্গিত ছাগল ও কুকুরের রক্ত গায়ে মেখে তাদেরই চামড়ার পোশাক ও চাবুক বানিয়ে যুবকরা ঐ চাবুক দিয়ে যুবতীদের আঘাত করতো। তাদের বিশ্বাস ছিল এতে যুবতী নারীদের গর্ভধারণ ক্ষমতা বেড়ে যায়। রোমান শাসকেরা একসময় তাদের প্যাগান ধর্ম পরিবর্তন করে খ্রিষ্টানধর্ম গ্রহন করে। ধর্ম গ্রহণ করলেও তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য জনগনের প্যাগান সংস্কৃতি ঠিক রেখে তা খ্রিস্টধর্মের ব্যানারে নিয়ে যায়। যেমন Sunday তে রোমান প্যাগানরা তাদের Sun God এর পুজা করতো। খ্রিষ্টান হওয়ার পর তারা Sunday কেই তাদের খ্রিষ্টান ধর্মের উপসনার দিন বানিয়ে নেয়। ভ্যালেন্টাইন নামক এক পাদ্রি ছিল, তিনি তৃতীয় দশকে রোমে মারা গিয়েছিলেন... আর তার মৃত্যু দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্যাগানরা ১৪ ফেব্রুয়ারিতে লুপারক্যালিয়া পালন করত, আর খৃষ্টানররা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত পাদ্রি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যু দিবস হিসেবে। যাই হোক, মানুষের মাঝ থেকে প্যাগান ধর্মের চিহ্ন মুছে ফেলতে গেলাসিয়াস নামের খ্রিষ্টান পোপ এবার রোমান গড লুপারকাস এর বদলে খ্রিষ্টান পাদ্রী সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন এর নামে ১৪ ফেব্রুয়ারীকে ভ্যালেন্টাইন ডে ঘোষণা করে। তখন প্যাগানদের লুপারক্যালিয়াই রূপান্তর হয় খ্রিস্টানদের ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ তে। ''সংগৃহীত'' (https://www.facebook.com/nari.meye/posts/1798425737073749) সে হিসেবে এটি আসলে পুজোর একটি দিন, যাতে যুবক-যুবতীদের উল্লাস করার কথা।
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label