Joy Bhaiya Youtube Channel

রাগী_বউয়ের_মধুর_প্যারা😖😖

 

#রাগী_বউয়ের_মধুর_প্যারা😖😖

#পর্বঃ সপ্তম এবং অষ্টম 🥀💝🥀

রুমি আমাকে পিছনে থেকে জড়িয়ে ধরে আমার ঘাড়ে অনবরত চুমু দিয়েই যাচ্ছে... আমি প্রথমে ভেবেছিলাম এটা হয়তো জারা ছিলো কিন্তু যখন পিছন থেকে টেনে সামনে আনি দেখি এটা রুমি....



আমার যেনো মুহূর্তেই রাগ উঠে গেলো... আমি রুমির গালে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলাম... থাপ্পড় টা এত জোরে দিলাম যে রুমি নিজেকে সামলাতে না পেরে বিছানায় লুটিয়ে পড়লো...আমি বললাম




- রুমি তোকে বার বার বলছি আমার বিয়ে হয়ে গেছে.. আর তুই এখনো সেই ছোট রসনি... আমি আমার জারাকে নিয়েই খুব ভালো আছি বুঝেছিস....




রুমি আমার কথা গুলো শুনে চুপ করে চলে গেলো... আর এদিকে কেউ এসব হয়তো এখনো জানতে পারেনি.... নাহলে কেলেঙ্কারি হয়ে যেতো.... তাই ভাবলাম যেহেতু কেউ জানে না তাই নিজ থেকে কাউকে এসব বলার দরকার নেই......
এসব ভাবনা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি... তখনই পিছন থেকে জারা বলে উঠলো





- কি হলো এইভাবে দাঁড়িয়ে কি ভাবছো? রেডি হয়ে অফিস যেতে হবে না?



- হ্যাঁ তাই তো... আমিও না? .. হাহাহাহা.... কখন যে কোথায় হারিয়ে যাই?



- আমি একটু আগে কিসের যেনো শব্দ পেলাম?



- কো কোথায়? তুমি কাজের চাপে ভুল শুনেছো হয়তো...




- তাই হবে হয়তো ...



জারা চলে গেলো..আমিও কিছুটা হাব ছেড়ে উঠলাম.... কিছুই জানতে পারে নি.... সব কিছু বাদ দিয়ে যেনো আমি রেডি হয়ে বাহিরে গেলাম.... আগে যেখানে সব বন্ধুরা বসে আড্ডা দিতাম সেই করিম চাচার দোকানে আজকেও বসে আছি আর চা খাচ্ছি... এটা যেনো নেশা তে পরিনত হয়েছে... এই জায়গায় টায় না আসলে যেনো ভালোই লাগে না....
একটু পর সবাই মানে বন্ধুরা দল বেঁধে চলে আসলো..আমার পাশে বসলো... সবাই মিলে চা-এ চুমুক দিচ্ছি আর গল্প গুজব এ হারিয়ে যাচ্ছি...কিন্তু হঠাৎ শিশির একটা শয়তানী রূপের হাসি দিয়ে বললো



- তোরা সবাই একটা জিনিস খেয়াল করেছিস... বিয়ে করলে কেউ রুম থেকে বউ কে রেখে বের হতে চায় না... কিন্তু বিপ্লব তো আমাদের সাথে বেশ সময় কাটাচ্ছে....



- হ্যাঁ... তাই তো... তোদের ছাড়া থাকি কি করে বল



- যতোই ইমোশনাল কথা বলো না কেন মামা সত্যি টা আমি জেনে গেছি?



- কিসের সত্যি? আর তুই কি বা জানলি?



- এই যে তুই বিছানায় কাচা খেলোয়াড় তাই বউয়ের ভয়ে আমাদের সাথে সময় কাটাস...




শিশির এর কথা শুনে সবাই অট্ট হাসিতেতে মেতে উঠলো.. সাথে আমিও... পুরোনো দিনের সেই স্মৃতি গুলো jeno পুনরায় উজ্জীবিত হতে লাগলো....
হঠাৎ শাকিল বলে উঠলো



- আচ্ছা আজকে একটা পার্টি এরেন্জ করলে কি হয়? কতদিন হয়ে গেলো সবাই মিলে কোনো পার্টি করি না


- হ্যাঁ তাই তো.... ভালো বুদ্ধি বের করেছিস.... চল আজকেই করব...




সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্টির আয়োজন করলাম... সারাদিন বাসায় ও যায়নি... হয়তো খুব চিন্তা করছে সবাই... ব্যস্ততার কারণে বাসায় ফোন দিয়ে জানানোও হয়নি... এখন তো সন্ধ্যা ও হয়ে গেছে... ভাবলাম একটু পর ফোন দিবো এই কাজটা শেষ করে....



বলতে না বলতেই আমার শান্ত ফোন টা কেঁপে উঠলো ফোন টা হাতে নিয়ে দেখি আম্মু ফোন দিয়েছে.. ফোন টা তুলে বললাম




- হ্যাঁ মা বলো...




- কোথায় তুই



- মা আজকে বাড়ি ফিরতে দেরি দেরি হবে.. বন্ধুরা আজকে একটা পার্টির আয়োজন করেছে তাই.... তোমরা খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ো..




- আমরা তো বাসায় থাকবো না... আমাদের আজকে একজনের বিয়ের দাওয়াত এ যেতে হবে... তোর বাবার অফিসের কলিগ এর মেয়ের বিয়ে... বউ মা কেও সাথে নিয়ে যাচ্ছি কিন্তু.... তুই বাসায় এসে খেয়ে শুয়ে পড়িস....



- ঠিক আছে



ফোন টা কেটে দিলাম.... আমি বন্ধুদের পার্টিতে আবার যোগ দিলাম... এদিকে বাসায় মা সবাইকে জানিয়ে দিলো যে আমি আজকে


খাওয়া দাওয়া বেশ জম জমাট ছিলো.... পার্টি তে থাকতে থাকতে কখন যে রাত গভীর হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না... সবাই বললো এবার বাসায় ফেরা যাক রাত অনেক হয়েছে... সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় এসে পড়লাম....




গেট আগে থেকেই খোলা ছিলো... আমি একটু ধাক্কা দিতেই গেট খুলে গেলো... আমি ভিতরে গিয়ে আমার রুমের ভিতর ঢুকে পড়লাম.... কাপড় গুলো খুলে শুয়ে পড়ব....



হঠাৎ মনে হচ্ছে পিছে কেউ দাঁড়িয়ে আছে... বাড়িতে তো এখন কারো থাকার কথা না... আর ভূত টুথ ও তো হবে না...জলদি করে পিছনে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি রুমি দাঁড়িয়ে আছে..... আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কিছুক্ষণের জন্য.... সবাই তো বিয়েতে গেছে তাহলে রুমি একাই এই বাড়িতে কি করছে... ব্যপার টা কিছুটা হজম হলো না... আমি এর মূল রহস্য জানার জন্য বললাম





- কি ব্যাপার রুমি.? তুমি সবার সাথে বিয়েতে যাওনি?




- না... খালা মণি আমাকে যেতে বলেছিলো কিন্তু আমি তাদেরকে মিথ্যে বলি যে আমার শরীর খারাপ....



- তাদের কে মিথ্যে বলার দরকার কি ছিলো এমনিতে বললেই তো কেউ আর জোর করত না....




- সত্যি বললে যে আর তোমাকে পাওয়া হতো না আমার জান.... সেই কতদিন ধরে এই রাত টার অপেক্ষা করছি...




- রুমি আবার কি পাগলামি শুরু করলি?




রুমি আমার কথা কানে না নিয়ে নিজের গায়ের কাপড় সব খুলে ফেলছে.... আমি ওকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছি কিন্তু শুনছে না... আমি উল্টো দিকে মুখ ফিরিয়ে ওকে অনবরত না করেই যাচ্ছি....
হঠাৎ ও আমার উপর হুমরী খেয়ে পড়ে... জবরদস্তি শুরু করে... সিনেমায় যেমনটা হয় আর কি.... আমার কোনো বাধা যেনো সে মানছে না... নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কেউ যখন নিজের শরীর টা চায় তখন বুঝি এমনি লাগে... যেটা হতে চলেছে এটাকেই বুঝি ধর্ষন বলে..... না জানি একটা মেয়ে এর চেয়ে আরো কত বেশি কষ্ট সহ্য করে....




হঠাৎ দরজায় কলিং বেল এর আওয়াজ পড়লো... রুমি যেনো আচমকা চমকে উঠলো... আমি যেনো এবার কিছুটা ভরসা পেলাম... মা বাবা আর জারা হয়তো এসে গেছে.... এদেরকে আজ সব খুলে বলবো... আমি দরজা খুলতে বাহিরে যাবো.... তার আগেই রুমি আমার আগে দরজা খুলে দিয়ে ওর মাকে জড়িয়ে ধরে ন্যাকা কান্না শুরু করে দেয়... আর বলে



- মা তোমরা বাসায় ছিলে না এই সুযোগে বিপ্লব আমার সাথে 😭😭😭





এমনিতেই তখন রুমি উপরিপৃষ্ঠে কাপড় ছিলো না বলা যায়... তার উপর আমিও বাড়িতে একাই ছিলাম... বাঁছ সবার যা বুঝার বুঝে নিলো.... আমি বাবা কে গিয়ে বলবো যে "না বাবা এটা মিথ্যে কথা " তার আগেই বাবা রুমে ঢুকে আমার কলার টেনে হিসরে দরজার সামনে আনল...
দরজার সামনে এনে আমার গালে দিলো একটা থাপ্পড়....



থাপ্পড় এর আঘাতে আমি বাহিরে গিয়ে পড়লাম.... আমার চোখ বেয়ে অনবরত টপ টপ করে অশ্রু ঝড়ছে... আমি জারা দিকে তাকালাম.. ও নিজেও কান্না করছে.... ওর চোখে মুখে ঘৃণার ছাপ স্পষ্ট.... আমি ওর সামনে গিয়ে বললাম




- জারা অন্তত তুমি তো আমাকে একটু বিশ্বাস করো... আমাকে একবার কথা বলার সুযোগ দেও.... আমার কোনো দোষ নেই.. 😭



বাবা আমাকে বললো


- আজকে খুব কষ্ট হচ্ছে এটা জেনে যে তুই আমার সন্তান..... তোকে জন্ম দিয়ে আমি সবচেয়ে বড় ভুল করেছি...এখান থেকে চলে যা আমি কিছুই বলব না. কিন্তু যদি আর কোনোদিন এই বাড়ির ত্রিশ সীমানায় আশিস তাহলে তোকে আমি খুন করব....




বাবার রাগ করাটা খুব স্বাভাবিক... কোনো পিতাই তার সন্তানের এমন অধঃপতন দেখতে পারবে না.. কিন্তু অন্তত আমাকে কথাটা বলার তো সুযোগ দিবে.... আঘাত তখনই পেলাম যখন জারা বললো




- বাবা ওকে চলে যেতে বলুন... আমি কোনো চরিত্রহীন এর সাথে কথা বলতে চাই না.



বলেই কাঁদতে কাঁদতে জারা হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়লো... আমি দৌড়ে ওকে তুলতে যাবো... তার আগেই বাবা আমাকে কঠিন সুরে বললেন




- খবরদার তোর মতো কুলাঙ্গার যেনো আমার ফুলের মতো বউ মা কে না ধরে...



আমি চাইতেও যেনো আমার জারা কে স্পর্শ করতে পারলাম না... ভাবতেও পারছি না আজকে আমার বাবা আমার সাথে এমন করলো.... রুমির কথা মনে পড়তেই আমার অশ্রু ঝড়া দু চোখ যেনো রক্ত লালে পরিনত হলো...




আমি চলে আসলাম বাহিরে..... এই রাতে কোথায় থাকবো চিন্তায় পড়ে গেলাম.. কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে নুরু কে ফোন দিলাম.... সে বললো ওর বাসায় যেতে....
রাত টা ওর বাসায় কাটালাম.... অনেক চেষ্টা করেছি ঘুমানোর কিন্তু কিছুতেই ঘুমাতে পারছি না.... দুচোখ যেনো এক হচ্ছে না... শুধু পানি পড়ছে.... সবার কথাও খুব মনে পড়ছে.....নুরুর কাছ থেকে কয়েকটা ঘুমের ট্যাবলেট নিয়ে খেতেই যেনো ঘুম আমার দুনয়নে ভর করলো....


এদিকে মা বাবা সবাই চিন্তিত... জারাও ভাবতে পারছে না আমি তাকে এভাবে ধোকা দিবো.. হঠাৎ মা বললো বাবাকে





- ওগো আমার মনে হচ্ছে আমার ছেলে নির্দোষ... ও এই কাজ করতে পারে না... প্লিজ তুমি ওর সাথে একটু কথা বলে দেখো... তুমি তো ওকে কিছু বলার সুযোগ ই দিলে না....



- চুপ করো.... ওর দোষ না থাকলে কি রুমি এসব এর নাটক করছে? কোনো মেয়ে নিজের ইজ্জত নিয়ে নিজেই কেনো ছিনিমিনি করবে...




- তাও তো ঠিক... কিন্তু আমার কেনো মন বলছে আমার ছেলে এসব করবে না... আচ্ছা তুমি এখানে বসো আমি বউ মা কে দেখে আসি... এমনিতেও কাল রাত থেকেই কিছুই খায়নি..




বউমার রুমে গেলাম কিন্তু পেলাম না.. ভাবলাম মন খারাপ তাই হয়তো বাড়ির পিছন টায় দাঁড়িয়ে আছে... বাড়ির পিছনে গেলাম কিন্তু বউ মা কে পেলাম না... কিন্তু কিছু আওয়াজ পাচ্ছি.. খুব আস্তে আওয়াজ গুলো তবুও যেনো কিছুটা হলেও শুনতে পাচ্ছি.. আওয়াজ টার কিছুটা কাছে যেতেই দেখলাম সামনে আমার বোন আর ভাগ্নি রুমি.. আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো ওদের কথা গুলো শুনে.... আমার বোন বলছে



- তুই একদম ঠিক মতো কাজ টা করেছিস মা.... কারো কোনো সন্দেহ হয় নি যে এসব আমাদের প্ল্যান ছিলো... কিন্তু আমি ভেবেছিলাম বিপ্লব দুলাভাই বিপ্লব এর এই পরিস্থিতির দেখে তোর সাথে ওর বিয়ে দিয়ে দিবে আর আমিও আমার সেই সারাজীবন এর পরিকল্পনা মতো ওদের সকল সম্পত্তি পেয়ে যাবো.... কিন্তু এরা তো সবাই মিলে বিপ্লব কে বাড়ি থেকে বের করে দিলো...




- তা এখন কি করব মা?


- আমি এখন গিয়ে দুলাভাই কে বলবো যে তোর সাথে এই ঘটনার পর কোন ছেলে আর তোকে বিয়ে করতে চাইবে না... যদি বিপ্লব ওকে বিয়ে না করে তাহলে তুই সুইসাইড করবি.... আর এতেই আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে...




আমার বোনের এসব কথা যেনো আমি বিশ্বাস ই করতে পারছিলাম না.... তার মানে আমার ছেলে একদম নির্দোষ... আমরা শুধু শুধু তাকে ভুল বুঝেছি.... ওদের কথা শুনে আমি ওদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম.... এতে যেনো আমার বোন কিছুটা চমকে উঠছে... আর আমাকে বলে



- আ আ আপু তুই এখানে?



- হ্যাঁ রে ডাইনি... তবে তুই যে পরিকল্পনা করেছিস তা কোনোদিন পূরণ হবে না...




এই বউমা, বিপ্লব এর বাবা কোথায় তোমরা এদিকে আসো... আমার কথা শুনে দুইজনই এসে হাজির.. আমায় জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে... আমি ওদের কে সব কিছু খুলে বললাম... বউ মা এবার যেনো আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুতপাত এর মতো ফেটে উঠলো....



আর রীতি মতো আমাকে অবাক করে দিয়ে রুমির চুলে টেনে ধরে ওকে অনবরত থাপ্পড় দিতে লাগলো.. আর আমি যেনো বউ মার এমন রূপ দেখে নিজেই ভয় পেয়ে গেছি... আসলে যেকোনো মেয়ে হলেই এটা করত... কোনো মেয়েই তো আর চাইবে না তার স্বামী অন্য কারো হোক.... রুমি মার খাচ্ছে এটা দেখে আমার বোন আমাকে বলে



- আপু আমার মেয়েকে বাচা... ওই ডাইনি মেয়েটা আমার মেয়েকে মেরে ফেলবে...



- আমার বউ মা ডাইনি নারে... ডাইনি হচ্ছিস তুই আর তোর মেয়ে...



এই বলে আমিও আমার ছোটো বোনকে কয়েকটা থাপ্পড় মারলাম... ওদের বাড়ি থেকে বের করে দিলাম.... বউ মা এবার আমাকে এসে বললো




- মা ওনাকে একটু ফোন দিন না.. আমার খুব কষ্ট হচ্ছে ওনাকে না দেখে থাকতে...



- হ্যাঁ মা এখনই দিচ্ছি....



বলেই আমার ছেলে কে ফোন দিয়ে ডাকলাম...



এদিকে আমি প্রায় আধমরা হয়ে ছিলাম ঘুমে তখনই আমার ফোন টা বেজে উঠলো... দেখি মা ফোন করেছে... জলদি করে ফোনটা ধরে বললাম



- মা বিশ্বাস করো আমি এসব কিছুই করি নি.. এসব কিছু ওই রুমির কারসাজি..



- হ্যাঁ বাবা আমি আমি সব জানতে পেরেছি তুই চলে আয় এখনই ...



আমি তাড়াতাড়ি করে বাসায় চলে আসলাম... দেখি বাবা সামনে আমি বাবাকে কিছু বলার আগেই বাবা বলা শুরু করলো




- বাবা তুই আমাকে ক্ষমা করে দে... আমি অনেক বড় ভুল করেছি... আমার উচিত ছিলো এই বিষয়ে তোর সাথে কথা বলার...



- ঠিক আছে বাবা... জারা কোথায়



- বউ মা ভিতরে... তোর জন্য অপেক্ষা করছে..

[ আগের পর্ব গুলো এই গ্রুপে আছে, যারা পড়েন নাই রিকোয়েস্ট দিয়ে ইনবক্স করুন, লিঙ্ক দিয়ে দেব]



আমি ভিতরে গিয়ে দেখি দেখি জারা দাঁড়িয়ে আছে... আমি পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম... কিন্তু ও কোনো রিয়েক্ট করছে না... ওকে ঘুরিয়ে আমার দিকে করলাম দেখি কান্না করছে... আমি বললাম



- কি হলো আবার কেনো কাঁদছো



- আমাকে তুমি ক্ষমা করে দেও..আমি তোমাকে ভুল বুঝেছি..



- এসব বাদ দেও... চলো না এখন একটু রোমাঞ্চ করি... আমার না ভীষণ জোর পাচ্ছে....



- যাহ দুষ্টু... আমার বুঝি লজ্জা করে না


বলেই জড়িয়ে ধরলাম..



সমাপ্ত_______🖤🥀🖤

Share:

No comments:

Post a Comment

Labels

Recent Posts

Label